
চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সাথে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কেতু নামে হত্যা মামলার এক আসামি নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত দুইটার দিকে ভালাইপুর কবরস্থানের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে। এ ঘটনায় পুলিশের ৫ সদস্য আহত হয়েছে। পুলিশের দাবি নিহত ব্যক্তি ডাকাত দলের সদস্য।
ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি, বোমা ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত কেতু ওরফে কেতু ডাকাত চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকন্দবাড়িয়া গ্রামের সৈকত আলির ছেলে।
চুয়াডাঙ্গার সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) আহসান হাবিব জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কেতু ডাকাতকে ঢাকা থেকে আটক করে চুয়াডাঙ্গা থানায় নেওয়া হয়। থানায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেয় সে। তার স্বীকারোক্তিতে পুলিশ রাতে অস্ত্র উদ্ধারে বের হয়। এসময় ভালাইপুর কবরস্থানের কাছে পৌছালে তার অন্য সহযোগিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। কয়েকদফা গুলিবিনিময়ের পর কেতুর সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত সদস্য কেতুকে উদ্ধার করা হয়। তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডাকাত দলের হামলায় পুলিশের ৫ সদস্য আহত হয়। তারাও একই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে একটি এলজি, দুই রাউন্ড গুলি, ৬টি ককটেল ও ৬টি রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ। কেতুর বিরুদ্ধে থানায় ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।
পি




