ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

এই গরমে ফ্রি এসি ও পরিবর্তনের দারুণ অফার ওয়ালটনের

নিজস্ব প্রতিবেদক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২০, ০৭:৫১ পিএম
স্মার্ট এসিতে রয়েছে ভয়েস কমান্ডের পাশাপাশি মুঠোফোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ

করোনাভাইরাসের সঙ্গে ভাদ্রের গরম। এই সময়ে ঘরে থাকাটাই চ্যালেঞ্জ। বাঁচতে হলে আপনাকে ঘরে থাকতেই হবে, সঙ্গে অফিসটাও ঘরে থেকে করছে অনেকে। এমন অবস্থায় স্বস্তি দিতে জুড়ি নেই এয়ারকন্ডিশনার বা এসির।

তাই গ্রাহকের কথা চিন্তা করে ওয়ালটন নিয়ে এসেছে স্মার্ট এসি। দেশব্যাপী বেশী বিক্রি হচ্ছে ওয়ালটনের এই স্মার্ট ইনভার্টার এসি। এটি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। শুধু তাই নয়, এসিতে দৈনিক কিংবা মাসিক বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণও জানা যাচ্ছে।

স্মার্ট এসিতে রয়েছে ভয়েস কমান্ডের পাশাপাশি মুঠোফোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ বা পরিচালনার সুবিধা। এতে ব্যবহৃত ডুয়েল ডিফেন্ডার প্রযুক্তি রুমকে রাখছে ধুলাবালি, ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস মুক্ত। সর্বাধুনিক সব প্রযুক্তি ও ফিচারের কারণে এবারের গরমে এসি ক্রেতাদের কাছে ‘হটকেক’ হয়ে উঠেছে ওয়ালটনের স্মার্ট এসি।

যে জন্য সারা দেশে বেড়েছে দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের এয়ার কন্ডিশনার বা এসির চাহিদা ও বিক্রি। সাশ্রয়ী মূল্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার সমৃদ্ধ অসংখ্য মডেলের এসির পাশাপাশি বাড়তি ক্রেতা সুবিধা থাকায় এই গরমে গ্রাহক চাহিদার শীর্ষেও রয়েছে ওয়ালটনের এসি।

গ্রাহকের হাতে উন্নত মানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এসি তুলে দেয়ার পাশাপাশি বাড়তি ক্রেতা সুবিধাও দিচ্ছে ওয়ালটন। দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা ই-প্লাজা থেকে একটি এসি কিনে আরেকটি নতুন এসি সম্পূর্ণ ফ্রি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা। এছাড়া সবার জন্য রয়েছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশ-ব্যাক। আছে ফ্রি ইন্সটলেশন সুবিধা। ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৭ এর আওতায় এসব সুযোগ দিচ্ছে ওয়ালটন।

এদিকে অনলাইন ক্রেতাদের জন্য ‘এসি মিড সিজন ক্রেজি ডিল’ শীর্ষক সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন ই-প্লাজা। এর আওতায় ই-প্লাজায় ইনভার্টারসহ মোট ৪০টি নির্দিষ্ট মডেলের এসিতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য ছাড় পাচ্ছেন ক্রেতারা। এছাড়া আয়োনাইজার প্রযুক্তির ওয়ালটনের দেড় টন এসি মাত্র ৩২ হাজার ৪৩৫ টাকায় এবং ১ টন এসি মাত্র ২৭ হাজার ৬৭৫ টাকায় কেনা যাচ্ছে।

ফ্রি এসি, নগদ ছাড়ের পাশাপাশি ক্রেতাদের ‘এসি এক্সচেঞ্জ’ সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। এর আওতায় গ্রাহকেরা যেকোনো ব্র্যান্ডের পুরনো এসি জমা দিয়ে ওয়ালটনের যেকোনো মডেলের নতুন এসি ২৫ শতাংশ ছাড়ে কিনতে পারছেন। ইতোমধ্যে দেশব্যাপী অসংখ্য গ্রাহক তাদের পুরনো এসি বদলে নিয়েছেন ওয়ালটনের নতুন এসি।

ওয়ালটন এসির চীফ অপারেটিং অফিসার মাহফুজুর রহমান বলেন, গরমে এসি বিক্রি বেশ ভালো। মূলত বাজারে সাশ্রয়ী দামে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের অসংখ্য মডেলের এসি ছাড়ার পাশাপাশি ক্রেতাদের বাড়তি সুবিধা দেয়ায় করোনা দুর্যোগের মধ্যেও ওয়ালটনের এসি বিক্রি বেড়েছে। বিশেষ করে গতবছরের চেয়ে এবারের গরমে ওয়ালটনের ইনভার্টার স্মার্ট এসি বেশি বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, করোনা ইস্যুতে মানুষের মাঝে এসি নিয়ে অমূলক সন্দেহ ও ভীতি ছিল। কিন্তু এখন সবাই বুঝতে পারছেন এসির মাধ্যমে কোনোভাবেই করোনা ছড়ানোর নজির নেই। যে কারণে এখন এসির চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।

ওয়ালটন এসি আরএনডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সন্দ্বীপ বিশ্বাস জানান, বাংলাদেশে ওয়ালটনই প্রথমবারের মতো আইওটি বেইজড স্মার্ট এসি নিয়ে এসেছে। এসিতে প্রতিদিন বা মাসিক বিদ্যুৎ বিল কত আসছে, ভোল্টেজ লো না হাই, কমপ্রেসর কি ওভারলোডে চলছে? ওয়ালটনের ইনভার্টার স্মার্ট এসিতে এসবের উত্তর মিলবে সহজেই। রিমোট কন্ট্রোল ছাড়াই গ্রাহক ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে ওয়ালটন স্মার্ট এসির শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাড়ানো, কমানো, চালু বা বন্ধ করতে পারবেন। মোবাইল ফোনের ইন্টারনেটের মাধ্যমেও বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ওয়ালটন স্মার্ট এসি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

তিনি আরো জানান, ওয়ালটন ইনভার্টার স্মার্ট এসিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। এই এসিতে ঘণ্টায় বিদ্যুৎ খরচ হয় মাত্র ৩ টাকা ৭৪ পয়সা। এছাড়া এসির কমপ্রেসরে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশ-বান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর ৪১০এ ও আর-৩২ রেফ্রিজারেন্ট। রয়েছে টার্বোমুড ও আয়োনাইজার প্রযুক্তি, যা দ্রুত ঠাণ্ডা করার পাশাপাশি রুমের বাতাসকে ধুলা, ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্ত করে। ইভাপোরেটর এবং কনডেনসারে মরিচা রোধক গোল্ডেন ফিন কালার প্রযুক্তি ব্যবহার করায় ওয়ালটন এসি অনেক টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী।

ওয়ালটন এসি সেলস মনিটরিং বিভাগের প্রধান জাহিদুল ইসলাম, ওয়ালটনের প্রতিটি এসি আন্তর্জাতিক মানের টেস্টিং ল্যাব নাসদাত-ইউটিএস থেকে মান নিয়ন্ত্রণ সনদ পাওয়ার পরে বাজারজাতকরা হয়। আর তাই এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্টের পাশাপাশি কমপ্রেসরে ১০ বছর পর্যন্ত গ্যারান্টি সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন।

১, ১.৫ এবং ২ টনের স্পিট এসির পাশাপাশি স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, হোটেলের মতো মাঝারি স্থাপনার জন্য ৪ ও ৫ টনের ক্যাসেট ও সিলিং টাইপ এসি ব্যাপকভাবে বাজারজাত করছে ওয়ালটন। আর বড় স্থাপনার জন্য ওয়ালটনের রয়েছে ভেরিয়্যাবল রেফ্রিজারেন্ট ফ্লো বা ভিআরএফ এবং চিলার এসি।

দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে আইএসও সনদ-প্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে রয়েছে ৭৪টি সার্ভিস সেন্টার। যেখানে কাজ করছেন আড়াই হাজারেরও বেশি সার্ভিস এক্সপার্টস। ওয়ালটনের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী এবং টেকনিশিয়ানগণ প্রতি ১০০ দিন পর পর এসির ক্রেতাদের ফ্রি সার্ভিসিং দিচ্ছে।

এমআর/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
নতুন বছরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির শেয়ার পেতে আর লটারির দরকার হবে না। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে তথা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, আইপিওতে বিদ্যমান লটারির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। ধরা যাক, একজন বিনিয়োগকারী কোনো একটি কোম্পানির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করবেন। প্রথমত, ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইপিও আবেদনের জন্য একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক ২০, ৩০, ৪০ হাজার টাকা করে চাঁদা জমা দিতে হবে। যেহেতু লটারি পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে সেহেতু সব আবেদনকারী তার আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এমকে
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুই দিন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ তিনদিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কোন লেনদেন হবে না। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ছিল চলতি বছরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেনের শেষ কার্যদিবস। তবে এ সময় গ্রাহক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) থেকে কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে এবং ২০২১ সালের ১ ও ২ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। ছুটির কারণে এ তিন দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ৩১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত হিসাবের জন্য ব্যাংকগুলো খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের শেষদিন ব্যাংক হলিডে থাকে। ওইদিন ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সম্পাদনের জন্য খোলা রাখা হলেও লেনদেন বন্ধ থাকে।  জিএম
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার।  তবে আজ ব্যাংক বন্ধ। ফলে পে অর্ডার বা কর পরিশোধের কোনো কাজ করা যাবে না। অবশ্য গত মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় করদাতারা যেন বুধবারই আয়করসংক্রান্ত কার্যক্রম সেরে ফেলেন।  করোনার জন্য এবার বিশেষ বিবেচনায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। সেই সময়ও শেষ হচ্ছে আজ। বর্তমান আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিবছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।   এবার অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ না থাকায় সবাইকে কর কার্যালয়ে নিজে গিয়ে বা কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে হয়ে। অনলাইনে কর দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শুধু কর অঞ্চল-৬–এর করদাতারা। এসএস
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ঢাকার লালবাগে। এটি ৫০ লালবাগ রোডে (লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের বিপরীতে) অবস্থিত। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের ডিরেক্টর সামসুদ্দোহা শিমুল, ‘স্বপ্ন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান, ব্যবসায়ী শামিমা হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকে। ‘স্বপ্ন’ এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বাজার করার জন্য লালবাগের মানুষ স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে, আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করব। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় স্বপ্ন। এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর ০১৬৩০-৫১৩৮১৭। এম
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
করোনাভাইরাস মহামারীতেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১শ’ ৯১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর এর ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম ক‌রে‌ছে, যা আমা‌দের অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম মাইলফলক। নতুন এক‌টি বছরের শুরু‌তে অবশ্যই জাতির জন্য এটি সুখকর ঘটনা। অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’ বিষয়টিকে সরকারের ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে এ অর্জনের জন্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ লগ্নে দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত ১৫ ডিসেম্বর এ রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ডে উন্নীত হয়েছিল। এফএ
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
আরও পড়ুন
ওয়ালটন এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা