ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শীতবস্ত্র কিনতে ক্রেতাদের ঢল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৫৪ পিএম
শীতবস্ত্র কিনতে ক্রেতাদের ঢল

শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শীতের পোশাক বিক্রি। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জমজমাট হয়ে ওঠেছে শীতবস্ত্রের বাজার। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ফুটপাতে ভাসমান দোকান থেকে শুরু করে ছোট-বড় মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।

ফার্মগেট, উত্তরা, মতিঝিল, গুলিস্তান, নিউমার্কেটের বিপণিবিতানগুলোতে শীতের পোশাক কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। ক্রেতাদের পছন্দের ওপর ভিত্তি করে বিক্রেতারা সাজিয়েছেন পসরা। সোয়েটার, চাদর, জ্যাকেট, ব্লেজার, মাফলার, টুপি কিংবা হাতমোজা সবই মিলছে বাজারে। বিক্রিও চলছে দেদারসে। দোকানিরা জানালেন, ডিসেম্বরের শুরু থেকেই শীতবস্ত্রের কেনাবেচা। আর এক সপ্তাহ ধরে জমে উঠেছে খুচরা বিক্রির বাজার। প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যা।

গুলিস্তানে ফুটপাতে শীতবস্ত্র বিক্রি করছেন কাজী মাহমুদুল হক বলেন, শীত আসার আগে ফুটপাতে শার্ট-প্যান্ট ও টি-শার্ট বিক্রি হতো। কিন্তু শীতের সময় আমরা গরম কাপড় বিক্রি শুরু করি। নতুনের পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে পুরোনো শীতের কাপড়ও। দামে সস্তা হওয়ায় নিম্নবিত্তের ক্রেতাদের কাছে এই কাপড়ের চাহিদা বেশি।

ক্রেতাদের কেউ একা আবার কেউবা পরিবার-পরিজন নিয়ে মার্কেটে এসেছেন। তারা ঘুরেফিরে দেখেশুনে পছন্দসই বিভিন্ন ধরনের গরম পোশাকসামগ্রী (সোয়েটার, জ্যাকেট, কার্ডিগান, শালচাদর, ব্লেজার, কম্বল, কানটুপি, হাতমোজা, পামোজা, হ্যান্ডগ্লাভস) কিনেছেন।

গত দুদিন ধরে রাজধানী ঢাকায় কুয়াশাছন্ন আবহাওয়া, হিমেল বাতাস ও শীত একটু বেশি অনুভূত হওয়ায় নগরবাসীরা শীতকে মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে গরম পোশাক কিনছেন বলে জানান। আর তাই হাতে হাতে দেখা গেছে, শীতের কাপড়ের এক বা একাধিক প্যাকেট।

রাজধানীর রায়েরবাজারের বাসিন্দা গৃহবধূ সুলতানা জামান তার দু’বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে নিউমার্কেট সংলগ্ন চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটে এসেছেন। তিনি ছেলের জন্য একটি গরম কাপড়ের দোকানে কানটুপি, হাত ও পায়ের দুজোড়া মোজা দেখছিলেন। দোকানি একদাম ৪০০ টাকা চাইলে তিনি বলেন, ‘সপ্তাহখানেক আগেই তো ৩০০ টাকায় নিলাম। এখন ১০০ টাকা বেশি চাইছেন।’

এই গৃহবধূর কথার জবাবে দোকানি বলেন, আর একটু বেশি শীত পড়লে এ দামেও কিনতে পারবেন না। চাহিদা এখন অনেক বেশি। তাই যাদের কাছ থেকে মাল কিনে আনি তারাও দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

এলিফ্যান্ট রোড ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাতে বেশিরভাগ পোশাক এক দামে বিক্রি হচ্ছে। বাটা সিগন্যালের অদূরে ফুটপাতের সোয়েটার বিক্রেতা সাজু মিয়া বলেন, বড় বড় দোকানিরা বেশি দাম চাইলেও কাস্টমার তেমন দামাদামি করেন না। কিন্তু ফুটপাত থেকে কিনতে আসলে দাম যা চাওয়া হয় তার অর্ধেক দামে কিনতে চান। এ কারণে একদামে বিক্রি করছেন। একদামে কারও মন চাইলে কিনবেন না চাইলে কিনবেন না।

শুক্রবার বসুন্ধরা শপিংমলের একটি ব্র্যান্ডের দোকান থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকায় একটি ব্লেজার কিনেছেন বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আজিমপুরের বাসিন্দা সাইদুজ্জামান। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, গত দুদিন বেশ শীত পড়েছে। তাই আজ ছুটির দিনে পছন্দসই ব্লেজারটি কিনেছেন। শীত পড়েছে বিধায় দাম শ পাঁচেক টাকা বেশি মনে হলো বলে তিনি জানান।

এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
নতুন বছরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির শেয়ার পেতে আর লটারির দরকার হবে না। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে তথা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, আইপিওতে বিদ্যমান লটারির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। ধরা যাক, একজন বিনিয়োগকারী কোনো একটি কোম্পানির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করবেন। প্রথমত, ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইপিও আবেদনের জন্য একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক ২০, ৩০, ৪০ হাজার টাকা করে চাঁদা জমা দিতে হবে। যেহেতু লটারি পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে সেহেতু সব আবেদনকারী তার আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এমকে
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুই দিন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ তিনদিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কোন লেনদেন হবে না। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ছিল চলতি বছরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেনের শেষ কার্যদিবস। তবে এ সময় গ্রাহক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) থেকে কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে এবং ২০২১ সালের ১ ও ২ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। ছুটির কারণে এ তিন দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ৩১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত হিসাবের জন্য ব্যাংকগুলো খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের শেষদিন ব্যাংক হলিডে থাকে। ওইদিন ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সম্পাদনের জন্য খোলা রাখা হলেও লেনদেন বন্ধ থাকে।  জিএম
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার।  তবে আজ ব্যাংক বন্ধ। ফলে পে অর্ডার বা কর পরিশোধের কোনো কাজ করা যাবে না। অবশ্য গত মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় করদাতারা যেন বুধবারই আয়করসংক্রান্ত কার্যক্রম সেরে ফেলেন।  করোনার জন্য এবার বিশেষ বিবেচনায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। সেই সময়ও শেষ হচ্ছে আজ। বর্তমান আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিবছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।   এবার অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ না থাকায় সবাইকে কর কার্যালয়ে নিজে গিয়ে বা কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে হয়ে। অনলাইনে কর দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শুধু কর অঞ্চল-৬–এর করদাতারা। এসএস
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ঢাকার লালবাগে। এটি ৫০ লালবাগ রোডে (লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের বিপরীতে) অবস্থিত। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের ডিরেক্টর সামসুদ্দোহা শিমুল, ‘স্বপ্ন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান, ব্যবসায়ী শামিমা হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকে। ‘স্বপ্ন’ এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বাজার করার জন্য লালবাগের মানুষ স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে, আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করব। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় স্বপ্ন। এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর ০১৬৩০-৫১৩৮১৭। এম
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
করোনাভাইরাস মহামারীতেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১শ’ ৯১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর এর ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম ক‌রে‌ছে, যা আমা‌দের অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম মাইলফলক। নতুন এক‌টি বছরের শুরু‌তে অবশ্যই জাতির জন্য এটি সুখকর ঘটনা। অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’ বিষয়টিকে সরকারের ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে এ অর্জনের জন্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ লগ্নে দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত ১৫ ডিসেম্বর এ রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ডে উন্নীত হয়েছিল। এফএ
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
আরও পড়ুন
গভীর রাতে ছিন্নমূলদের মধ্যে পুলিশ সুপারের শীতবস্ত্র বিতরণ
আজও পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা 
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল 
রাজশাহীতে মাসব্যাপী কুটির শিল্প মেলা শুরু