ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পূর্বাচলে জোরেশোরে চলছে বাণিজ্যমেলার প্রস্তুতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৪৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু-চায়না বাংলাদেশ এক্সিবিশন সেন্টারে আগামী পহেলা জানুয়ারি বসছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার ২৭তম আসর। এরইমধ্যে মেলার স্টল ও প্যাভিলিয়ন নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দিন-রাত এক করে কাজ করছেন নির্মাণশ্রমিকরা। এবার যাতায়াত ব্যবস্থা গতবারের চেয়ে ভালো হওয়ায় এবং স্টল সংখ্যা বাড়ায় মেলা জমজমাট হওয়ার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, স্টলগুলোতে হার্ডবোর্ড কাটা ও বসানোর কাজ চলছে। আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে লাইটিং ও রঙের কাজ শেষ হবে বলে জানান শ্রমিকরা। অন্যদিকে এক্সিবিশন সেন্টার ‘বি’-তে ২০টির বেশি স্টল বানানোর কাজ চলছে। হার্ডবোর্ডের পাশাপাশি স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি হচ্ছে স্টলগুলোর কাঠামো।

এ ছাড়া এক্সিবিশন সেন্টারের বাইরে অধিকাংশই বড় স্টল ও প্যাভিলিয়ন। নির্মিত হচ্ছে স্টিল ও কংক্রিটের গাঁথুনিতে। ভেতরের তুলনায় বাইরের স্টলগুলো কাজের অগ্রগতি ভালো। হার্ডবোর্ড ও বাঁশ দিয়ে তৈরি স্টলও আছে। কয়েকটি অস্থায়ী দ্বিতল প্যাভিনিয়নের অবকাঠামো তৈরি হয়েছে। বালু দিয়ে ভরাট ও ইট দিয়ে দেওয়াল তৈরির কাজ চলছে।

বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা সুপারভাইজার ইয়াছিন বলেন, ১০-১২ দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ সমাপ্ত হয়ে হবে। মেলায় অন্যান্য স্টল নির্মাণের কাজও খুব দ্রুত হচ্ছে দেখতে পাচ্ছি।

মেলায় স্টল নির্মাণ করতে আসা আনন্দ মেটাল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের ম্যানেজার চৈতন্য দাস বলেন, ছোট-বড় মিলিয়ে আমরা ১৫টি স্টল নির্মাণের কাজ পেয়েছি। গত ২৮ নভেম্বর থেকে ১৬ জন শ্রমিক দিন-রাত কাজ করছে। বেশকয়েকটি প্যাভিলিয়নের নির্মাণকাজ শেষের দিকে।

কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ৩০০ ফুট মূল সড়ক ধরে পৌঁছাতে হয় পূর্বাচল বাণিজ্যমেলায়। রাস্তার নির্মাণকাজ চলায় গতবছর দর্শনার্থীদের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ফলে দর্শনার্থীও ছিল তুলনামূলক কম। এবার সড়কের অবস্থা কিছুটা ভালো। তাই দর্শনার্থীর আগমন গতবারের চেয়ে বেশি হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

ইরানি ফাইবারের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম বলেন, গতবার মেলার শুরুটা ভালো না হলেও শেষের দিকে জমজমাট ছিল। এবার যেহেতু স্টল বেশি এবং রাস্তাও ভালো, তাই মেলা প্রথম থেকেই জমে উঠবে বলে আশা করছি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, স্টলগুলোর নির্মাণকাজ ৩০ ডিসেম্বরের আগে শেষ হবে। এবার মেলায় একটি মিনি শিশুপার্কও থাকছে। এ ছাড়া গতবার ২২৫টি স্টল ছিল। এবার স্টল হবে ৩৩১টি। গতবারের তুলনায় এবারের মেলা বেশি জমজমাট হবে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাণিজ্য মেলার পর্দা উঠছে রোববার
২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার পর্দা উঠছে রোববার (১ জানুয়ারি)। দ্বিতীয়বারের মতো পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে এই মেলা বসবে। রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন করবেন। মাসব্যাপী এই বাণিজ্যমেলা মেলা চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলায় প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৪০ টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ২০ টাকা। মেলার টিকিট অনলাইনে কিনলে ৫০ শতাংশ ছাড়ের সুযোগ থাকবে। মেলায় দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য দুটি হলের বাইরে মিলে মোট ৩৩১টি স্টল, প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। এ ছাড়া মেলা উপলক্ষে যাত্রী আনা-নেওয়ার জন্য ৫০টি শাটল বাস চালু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন। বাসগুলো কুড়িল থেকে ভেন্যু পর্যন্ত যাতায়াত করবে। বাসের ভাড়া যাত্রীপ্রতি ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলার এটি দ্বিতীয় আসর। ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো পূর্বাচলে স্থায়ী কেন্দ্রে বাণিজ্য মেলা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ১৯৯৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৬টি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজন করেছে। রাজধানীতে বাণিজ্যমেলার ২৭তম আসর এটি। এর আগে ২৫টি মেলা হয়েছে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অস্থায়ী কেন্দ্রে। 
বাণিজ্য মেলার পর্দা উঠছে রোববার
‘বাণিজ্যমেলায় থাকছে ১০ দেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান’
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় ১০ দেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এ মেলা দ্বিতীয়বারের মতো পূর্বাচলে স্থায়ী এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজন করা হয়েছে। মাসব্যাপী ‘২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা (ডিইটিএফ)’ শুরু হবে রোববার (১ জানুয়ারি)। এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেলার সব প্রস্তুতি এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।  অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান ও অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আবদুর রহিমসহ অনেকে। টিপু মুনশি বলেন, লাভের উদ্দেশ্যে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হয় না।  আমাদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকে। যদিও প্রতিবছর এ মেলায় পণ্য রপ্তানির স্পট আদেশ পাওয়া গেছে। গতবছর দুইশো কোটি টাকা মূল্যের অর্ডার পাওয়া গেছে। এ মেলার মাধ্যমে আমাদের তৈরি পণ্য দেশি-বিদেশি সবার কাছে তুলে ধরার সুযোগ পাই। বাংলাদেশের তৈরি পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরাই এ বাণিজ্য মেলার মূল উদ্দেশ্য জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর রপ্তানি বাড়ছে। গত বছরও রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের পাশাপাশি আরও ১০টি পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেলায় দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য দুটি হলের বাইরে মিলে মোট ৩৩১টি স্টল, প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে। এবার মেলায় প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৪০ টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ২০ টাকা। মেলার টিকিট অনলাইনে কিনলে ৫০ শতাংশ ছাড়ের সুযোগ থাকবে। 
‘বাণিজ্যমেলায় থাকছে ১০ দেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান’
কেলেঙ্কারির অভিযোগে উত্তরা ফাইন্যান্সের পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত
দুই বছর আগে ৫ হাজার ১০০ কোটি টাকার বড় আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টসের পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন কর্মকর্তারা জানান, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতোমধ্যে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টসের পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সমস্ত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। দু-একদিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য চিঠি দেবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন ও নিয়োগ করা বিশেষ নিরীক্ষকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উত্তরা ফাইন্যান্স পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পর্ষদ পুনর্গঠনে একটি তালিকাও করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক; যা পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি অনুমোদনও দিয়েছে। নতুন পরিচালকদের সবাই হবেন স্বতন্ত্র পরিচালক। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত আর্থিক চিত্র জানতে বিশেষ নিরীক্ষা করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০২০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি তদন্ত করে ৫ হাজার ১০০ কোটি টাকার অনিয়ম পায়। যা উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল। ঋণ বিতরণ ও আমানত সংগ্রহের সময় এই অনিয়ম করা হয়। ঋণের সিংহভাগই উত্তরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছিল।  এর আগে, প্রতিষ্ঠানটির ২০১৯ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর ওপর পরিদর্শন করে বিভিন্ন অনিয়ম পায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৩ জুন উত্তরা ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম শামসুল আরেফিনকে অপসারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। উত্তরা ফাইন্যান্সের ২০১৯ সালের আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, মার্চেন্ট ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারের মার্জিন ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯৭ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এর মধ্যে ৩৫০ কোটি টাকা জমা হয়েছে উত্তরা ফাইন্যান্সের বিভিন্ন পরিচালকের ব্যাংক হিসাবে। কোনো ধরনের আবেদন, প্রস্তাব বা অনুমোদন ছাড়া পরিচালকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরাসরি টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমানতকারীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়েছে।  প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পরিচালকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ১ হাজার ২০১ কোটি টাকা। তবে আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে ৩১১ কোটি টাকা। ২০১৯ সাল শেষে অগ্রিম ও আগে পরিশোধ খাতে ঋণ স্থিতি ছিল ৭৯৯ কোটি টাকা। কারা অগ্রিম এত টাকা নিয়েছেন, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা উত্তরা ফাইন্যান্স পরিদর্শনে দেখেন, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম শামসুল আরেফিন কোনো অনুমোদন ছাড়াই ব্যবস্থাপনা ব্যয় শিরোনামে ২৪ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন।
কেলেঙ্কারির অভিযোগে উত্তরা ফাইন্যান্সের পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত
৬০ হাজার টন সার কিনবে সরকার
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় দুই দেশ থেকে ৬০ হাজার টন টিএসপি ও ইউরিয়া সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। মরক্কো ও আরব আমিরাত থেকে এই সার কিনতে ৩০৭ কোটি ৪৬ লাখ ৮৮ হাজার টাকা খরচ হবে।  এর মধ্যে ১৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার ৩০ হাজার টন টিএসপি এবং ১৫৩ কোটি ৬০ লাখ ৪৮ হাজার টাকার ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার কেনা হবে। এর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে মরক্কোর ওসিপি, এসএ থেকে ১৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার ৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে। এ ছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের মাধ্যমে আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে ১৫৩ কোটি ৬০ লাখ ৪৮ হাজার টাকার ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে।
৬০ হাজার টন সার কিনবে সরকার
টিসিবির জন্য ২ কোটি ৯ লাখ লিটার তেল কিনবে সরকার
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ২ কোটি ৯ লাখ লিটার সয়াবিন তেল এবং ৮ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার।  বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টিসিবির জন্য তেল কিনতে খরচ হবে ৩৩৪ কোটি ৩৯ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং ডাল কিনতে খরচ হবে ৮১ কোটি ৫৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।  সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত সভাশেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান জানান, আজকের সভায় ৯টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। সবকটি প্রস্তাবই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট খরচ হবে ২ হাজার ৪০৫ কোটি ৪৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬৬৭ টাকা।  তিনি বলেন, মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি থেকে ব্যয় হবে ৯৩২ কোটি ১৬ লাখ ৭৮ হাজার ৫১৬ টাকা এবং এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ও দেশীয় ব্যাংকের ঋণ ১ হাজার ৪৭৩ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার ১৫১ টাকা।
টিসিবির জন্য ২ কোটি ৯ লাখ লিটার তেল কিনবে সরকার
আরও পড়ুন
বাণিজ্য মেলার পর্দা উঠছে রোববার
‘বাণিজ্যমেলায় থাকছে ১০ দেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান’
টিসিবির জন্য ২ কোটি ৯ লাখ লিটার তেল কিনবে সরকার
বাণিজ্য মেলার যাত্রীদের জন্য থাকছে ৫০ শাটল বাস