ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মার্কিন ডলারের মান কমে যাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং মার্কিন শুল্ক নীতি নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার দিকে ঝুঁকছেন।

বুধবার(২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৬টা ৩৪ মিনিটে স্পট সোনার দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ১৭৫ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার এপ্রিল ডেলিভারির জন্য ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ১৯৩ দশমিক ৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষক সংস্থা বাইবিট-এর প্রধান বাজার বিশ্লেষক হ্যান তান জানিয়েছেন, মার্কিন ডলারের দুর্বল অবস্থান এবং মার্কিন বাণিজ্য নীতি নিয়ে অস্পষ্টতা সোনাকে ৫ হাজার ডলারের মনস্তাত্ত্বিক সীমার ওপরে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করছে।

আরও পড়ুন

তিনি মনে করেন, যতদিন এই মৌলিক কারণগুলো বিদ্যমান থাকবে, ততদিন বিনিয়োগকারীরা সোনার দামকে রেকর্ড উচ্চতায় নিয়ে যেতে আগ্রহী হবেন। সাধারণত অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনার চাহিদা বিশ্বব্যাপী বহুগুণ বেড়ে যায়।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে জানিয়েছেন, প্রায় সব দেশ ও প্রতিষ্ঠান ওয়াশিংটনের সাথে আগের শুল্ক ও বিনিয়োগ চুক্তিগুলো বজায় রাখতে চায়। তবে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র গত মঙ্গলবার থেকে ১০ শতাংশ বিশ্বব্যাপী আমদানি শুল্ক সংগ্রহ শুরু করলেও এটি ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষে কাজ করছে। এই শুল্ক যুদ্ধের আশঙ্কা বিশ্ববাজারে এক ধরণের অস্থিরতা তৈরি করেছে, যা পরোক্ষভাবে মূল্যবান ধাতুর বাজারকে চাঙ্গা করছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা সোনার দাম বৃদ্ধিতে আগুনের মতো কাজ করছে। মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার বৃহস্পতিবার জেনেভায় ইরানি প্রতিনিধিদলের সাথে তৃতীয় দফার পরমাণু আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন।

এরই মধ্যে রয়টার্সের সূত্রে জানা গেছে। ইরান চীনের কাছ থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কেনার চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে। এই মিসাইলগুলো ইরানি উপকূলের কাছে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সামরিক উত্তেজনার খবর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। স্পট সিলভার ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৯০ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এছাড়া স্পট প্ল্যাটিনামের দাম ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ২৮৫ দশমিক ৬৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ৪ ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ। প্যালাডিয়ামের দামও ২ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্টে এসব বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি রেকর্ড ৬৪২ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা এক মাসে এ খাতে সর্বোচ্চ রপ্তানি।
পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিক্রি হচ্ছে সোনা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর আগে আরও এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল।
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
কক্সবাজার উপকূলে উৎপাদিত পোপা শুঁটকির চাহিদা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, হংকং ও চীনে। সুস্বাদু স্যুপের পাশাপাশি পোপা মাছের পটকা ও আঁইশ থেকে কোলাজেন, প্রসাধনী ও ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয়। চাহিদা থাকলেও সাগরে মাছের সংকটের কারণে কমছে উৎপাদন ও রপ্তানি। ফলে এ বছর নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে আরও ১১টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, “আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী বছরগুলোতে দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বিস্তৃত ও সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।” নতুন এই চুক্তি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, পরিচালনাগত নমনীয়তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি সহায়ক হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতেও তার বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
দেশের বর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার পৃথক প্রস্তাবে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি ও ডিএপি সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে।
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
আরও পড়ুন
বিশ্ববাজারে কমলো সোনার দাম
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় পতন
সোনারগাঁয় জমি নিয়ে বিরোধে বাবা ও দুই ছেলেকে পিটিয়ে জখম
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা