ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ছুটির দিন হলেও যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা আজ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের আগের ছুটির মধ্যবর্তী দিনে সরকারি ছুটি থাকলেও তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট এলাকায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বুধবার (১৮ মার্চ) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকায় তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখা বন্ধ থাকবে।

তবে ঈদুল ফিতরের আগে তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের বেতন, বোনাস এবং অন্যান্য ভাতা পরিশোধের সুবিধার্থে নির্দিষ্ট কিছু শিল্পাঞ্চলে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা হবে। একইসঙ্গে রফতানি বিল ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রমও পরিচালিত হবে।

এ নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা মহানগরীসহ আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থিত বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখাগুলো বুধবার ও বৃহস্পতিবার (১৮ ও ১৯ মার্চ) সীমিত সংখ্যক জনবল দিয়ে কার্যক্রম চালাবে।

এই দুইদিন ব্যাংকের অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এর মধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত যোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

অন্যদিকে, সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোতে পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) ছুটির দিনেও আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত কার্যক্রম সীমিত আকারে চালু রাখা যাবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে স্থানীয় প্রশাসন এবং বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন

ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিধি অনুযায়ী ভাতা পাবেন বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৬৪২ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। এতে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবায়ন পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে গত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৩৮৩ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩১ হাজার ৫১৫ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। আকু কী? আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধ করার ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়। জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকু প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে। আকুর সদস্যদেশগুলো হচ্ছে-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ। আরটিভি/টিআর
দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার
টানা তিন লম্বা লাফের পর আবারও কমলো সোনার দাম
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোনার এই নতুন রেট প্রকাশ করে বাজুস। এদিন সকাল ১০টা থেকেই সোনার নতুন এই রেট কার্যকর হয়েছে।
টানা তিন লম্বা লাফের পর আবারও কমলো সোনার দাম
পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ
অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর– এই তিন মাস মানেই পেঁয়াজের বাজারে অস্বস্তি। দশকের পর দশক এমন ঘটনা ঘটে চলেছে। স্থানীয় উৎপাদনে চাহিদা মেটানো সম্ভব না হওয়ায় এ সময় আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। এর মধ্যে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে আমদানিতে বিঘ্ন ঘটলেই দাম বেড়ে যায় হু হু করে। কিন্তু চলতি মৌসুমে দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে। আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগোচ্ছে দেশ। গত পাঁচ বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ৫১ শতাংশের বেশি। কৃষকেরাও পাচ্ছেন লাভজনক দাম। উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ায় গত চার বছরের মধ্যে এ সময়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে পেঁয়াজের খুচরা মূল্য। কৃষক ও কৃষিবিদগণ জানান, পেঁয়াজ সংরক্ষণে সরকারি উদ্যোগে ৯ শতাধিক স্থাপনা নির্মাণ, কৃষি বিভাগের তদারকি এবং অনুকূল আবহাওয়ায় রোগবালাই কম হওয়ায় এবার উৎপাদন খুব ভালো হয়েছে। ফলে এবার আমদানিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নাসির-উদ-দৌলা (অতিরিক্ত সচিব) বলেন, এবার পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে রয়েছে দেশ। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে, দামও স্থিতিশীল রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন ছিল প্রায় ২৫ লাখ ১৭ হাজার টন। পরের অর্থবছরে তা সামান্য বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ লাখ ৪৭ হাজার টনে। উৎপাদন আরো বেড়ে ২৯ লাখ ১৭ হাজার টন হয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে। দেশে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেঁয়াজ উৎপাদিত হয় ৩২ লাখ ২১ হাজার ৪৩১ টন। আর সবশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে রেকর্ড ৩৮ লাখ ১৯ হাজার ৫৩০ টন। এক বছরের ব্যবধানে উৎপাদন বেড়েছে ১৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। আর পাঁচ বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ১৩ লাখ ২ হাজার ৫৩৩ টন, যা শতাংশের হিসাবে ৫১ দশমিক ৩১। কৃষি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের বিষয়টি শুধু উৎপাদনের পরিমাণ দিয়ে বিচার করলে হবে না। দেশের মোট চাহিদা, বীজ ও অন্যান্য কাজে ব্যবহার, সংরক্ষণে ক্ষতি এবং মৌসুমভিত্তিক সরবরাহের হিসাবও বিবেচনায় নিতে হবে। বিশেষ করে উৎপাদন মৌসুমে দাম পড়ে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে সরবরাহ কমে দাম বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে দেশীয় উৎপাদনের সুফল কৃষক ও ভোক্তা-দুই পক্ষই পাবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল ৬ লাখ ২ হাজার ২৯ টন। এর পরের অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ লাখ ৫১ হাজার টনে। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি ৬ লাখ ৫ হাজার টনে নামে। চাহিদা পূরণে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আনা হয় ৪ লাখ ৭৪ হাজার টনের মতো। সবশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমদানি নেমে এসেছে মাত্র ৮৬ হাজার ৩৯৮ টনে। আর চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজনই হয়নি, চাহিদা পূরণ হচ্ছে নিজেদের জোগান দিয়েই।  দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে খাতসংশ্লিষ্টদের ধারণা, বছরে প্রায় ৩০ লাখ টনের মতো পণ্যটির চাহিদা। সংরক্ষণ ও পরিবহনজনিত অপচয় বা পোস্ট হারভেস্ট লস বিবেচনায় নিলে এ চাহিদা দাঁড়ায় ৩৫ থেকে ৩৬ লাখ টনে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে পেঁয়াজের পোস্ট হারভেস্ট লস ২৫ শতাংশের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়। ফলে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সংগ্রহ-পরবর্তী অপচয় কমানোও দেশের পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে আমদানি বন্ধ বা সীমিত করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রাখা জরুরি। দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেলে বাজারে মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আবার উৎপাদন মৌসুমে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দাম উৎপাদন খরচের নিচে নেমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই আমদানি নীতি নির্ধারণে কৃষকের ন্যায্যমূল্য ও ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা দুটিকেই গুরুত্ব দিতে হবে বলে মনে করছেন কৃষি অর্থনীতিবিদরা। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর দেশে সংরক্ষিত পেঁয়াজের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৭৪ টনে। সংরক্ষণে কৃষকদের সক্ষমতা বাড়াতে সরকারও বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পেঁয়াজের একটি বড় সমস্যা হলো সংরক্ষণকালীন পচন ও ওজন কমে যাওয়া। প্রচলিত পদ্ধতিতে যথাযথ বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা না গেলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেঁয়াজ নষ্ট হতে পারে। ফলে উৎপাদন বেশি হলেও মৌসুমের পরবর্তী সময়ে বাজারে ঘাটতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ সমস্যা মোকাবেলায় কৃষক পর্যায়ে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের চার হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেয়া হয়। আর গত অর্থবছরে প্রথম কিস্তিতে চার হাজার এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে বিতরণ করা হয় ১৫ হাজার মেশিন। এর বাইরে অন্য কর্মসূচির আওতায় দেয়া হয়েছে আরো ৩ হাজার ৭০০টি মেশিন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে ২৭ হাজার ৭০০টি এয়ার ফ্লো মেশিন। এর মাধ্যমে পেঁয়াজ সংরক্ষণের সক্ষমতা বেড়েছে প্রায় তিন লাখ টন। সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে না পারায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। ইতোমধ্যে নতুন এয়ার-ফ্লো মেশিনের মাধ্যমে সংরক্ষণ শুরু হয়েছে। আট থেকে নয় মাস পর্যন্ত ওই নিয়মে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা গেলে দেশ পেঁয়াজে পুরোপুরি স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে যাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেঁয়াজের উৎপাদন ও মজুতের নির্ভরযোগ্য তথ্য নিয়মিত প্রকাশ, কৃষক পর্যায়ে সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং পাইকারি ও খুচরা বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ বিবেচনায় ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। দেশীয় পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি বাংলাদেশকে আমদানিনির্ভরতা কমানোর বাস্তব সুযোগ এনে দিয়েছে। এখন প্রয়োজন সেই অগ্রগতিকে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যে রূপ দেওয়া। কৃষক যেন ন্যায্যমূল্য পান, ভোক্তা যেন সাশ্রয়ী দামে পেঁয়াজ কিনতে পারেন এবং সংরক্ষণের অভাবে উৎপাদিত পেঁয়াজ নষ্ট না হয়-এই তিন লক্ষ্য পূরণ করতে পারলেই পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার সুফল দেশের মানুষ পাবে। আরটিভি/টিআর
পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ
ন্যুনতম মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভার তারিখ নির্ধারণ
দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিক ও কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে আগামী ৯ নভেম্বর দ্বিতীয় সভায় বসছে নিম্নতম মজুরি বোর্ড। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিম্নতম মজুরি বোর্ডের শিল্প শাখা থেকে জারি করা এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নোটিশ অনুযায়ী, আগামী সোমবার (৯ নভেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মজুরি বোর্ডের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানী। সভায় আলোচ্যসূচিতে রয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকতে পারে। প্রথমত, পোশাকশিল্পের শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা পৃথকভাবে তাদের প্রস্তাবিত মজুরি হারের লিখিত প্রস্তাব জমা দেবেন। দ্বিতীয়ত, পোশাকশিল্পে নিয়োজিত সব গ্রেডের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত ন্যূনতম মজুরি হার নিয়ে আলোচনা হবে। গত ১ নভেম্বর তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে ৬ সদস্যের ‘নিম্নতম মজুরি বোর্ড’ গঠন করে সরকার। বুধবার (৪ নভেম্বর) বোর্ডের চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানীর সভাপতিত্বে বোর্ডের প্রথম সভা হয়। আগের সভায় মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা জানিয়েছিলেন, তারা আগামী সভায় তাদের প্রস্তাবিত মজুরি কাঠামো জমা দেবেন। মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর সেগুলো পর্যালোচনা করে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের সুপারিশ প্রণয়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দেশের তৈরি পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রস্তাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/টিআর
ন্যুনতম মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভার তারিখ নির্ধারণ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা থেকে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
আরও পড়ুন
ছুটির দিনেও ঢাকার বাতাস ‌‘অস্বাস্থ্যকর’
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
সীমিত পরিসরে আজও খোলা ব্যাংক, রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে যেসব এলাকায় 
শুক্রবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ