ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ইপিবির ১৪৯তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত

নতুন বিনিয়োগ ও রপ্তানির সুযোগ তৈরিতে ১২টি অগ্রাধিকার খাতকে গুরুত্ব দিয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরে ২৭টি দেশে মোট ৫০টি আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ইপিবির ১৪৯তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে বর্তমান নেতৃত্বের অধীনে আমরা আরও একটি ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাব, ইনশাআল্লাহ। বর্তমান সরকারও দেশের অর্থনীতির বিকাশ, নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি এবং ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে। শুধু কথায় নয়, বিনিয়োগ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অনুকূল পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার কাজ করছে এবং আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যেই এর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাবে।

ইপিবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বলেন, ব্যবসা শুরু করার প্রক্রিয়াগুলোকে আরও সহজ ও দ্রুত করার জন্য সরকার কাজ করছে। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

রপ্তানি খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, লেদার, অ্যাগ্রো প্রসেসিং, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ যেসব খাতকে আমরা অগ্রাধিকারমূলক রপ্তানি খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছি, সেগুলোর প্রত্যেকটিরই ডাবল ডিজিট প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে বড় রপ্তানি খাতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা জরুরি। বর্তমানে বড় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোও একসময় ছোট পরিসরে শুরু করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণ উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি, বিদেশি বাজারে অংশগ্রহণ এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যারা নতুন ব্যবসা শুরু করছেন, তাদের অনেকেরই বিদেশে গিয়ে বাজার অনুসন্ধান বা ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের মতো আর্থিক সক্ষমতা থাকে না। এই সময় তাদের সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে ইপিবি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

সভায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ব্যবস্থাপনায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ক্যালেন্ডার অনুমোদন দেওয়া হয়। এ অনুযায়ী, ১২টি অগ্রাধিকার খাতকে গুরুত্ব দিয়ে ২৭টি দেশে মোট ৫০টি আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সভায় ৩১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)–২০২৭ আয়োজনের জন্য স্টিয়ারিং কমিটিও অনুমোদন করা হয়। মেলার সম্ভাব্য সময় আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৭ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া সভায় বাংলাদেশ–চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার (বিসিএফইসি) ইজারা দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তারসহ পরিচালনা পর্ষদের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
​
আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়াল এনবিআর
জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। 
ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়াল এনবিআর
১৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা
চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৫১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৮ হাজার ৬৪৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।  বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আরিফ হোসেন জানান, গত বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে এক হাজার ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।  গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৮৯৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১০ শতাংশ। আরটিভি/এসআর  
১৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা
ওয়ালটন হাই-টেকের ২০তম এজিএম সফলভাবে অনুষ্ঠিত
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড অনুমোদন করা হয়। বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আকর্ষণীয় ডিভিডেন্ড দেয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। একই সঙ্গে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর নতুন শিল্প উদ্যোগের জন্য ওয়ালটন কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানান তারা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের উপস্থিতিতে ডিজিটাল প্লাটফর্মে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম।  ভার্চুয়াল সভায় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী, এস এম রেজাউল আলম, এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি, তাহমিনা আফরোজ তান্না, রাইসা সিগমা হিমা, সাবিহা জারিন অরনা, নিশাত তাসনিম শুচি ও সাদমান সাকিব দিপ্র, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর মো. সাদিকুল ইসলাম (পিএইচডি, এফসিএমএ), আখতার মতিন চৌধুরী এফসিএ (এফসিএস), জোহরা বিবি, অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) ও চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম, এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডব্লিউ), এএমডি ও হেড অব ইন্টারন্যাল অডিট এন্ড কমপ্লায়েন্স আবু নাফিস, কোম্পানির সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষক, কর্পোরেট গভর্নেন্স কমপ্লায়েন্স নিরীক্ষক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, কোম্পানির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণসহ বিপুল সংখ্যক শেয়ার হোল্ডারগণ। সভা সঞ্চালনা করেন ওয়ালটন হাই-টেকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও কোম্পানি সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, এফসিএস। সভায় স্বাগত বক্তব্যে ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, ‘সুশাসনের শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনীতির নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আমরা ভালো আর্থিক ফল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সুরক্ষায় ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে পরিচালনা পর্ষদ ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড সুপারিশ করেছে। ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী আর্থিক ফল অর্জনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় আমরা কাজ করে যাব।’ ভার্চুয়াল মাধ্যমে সভায় যোগদানপূর্বক বার্ষিক সাধারণ সভাকে সাফল্যমণ্ডিত করায় কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার, স্টেকহোল্ডারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি। ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম সভায় ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপনের পাশাপাশি কোম্পানির আর্থিক সূচকের উন্নতি ও ব্যবসায়িক অগ্রগতির লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।  তিনি বলেন, ‘২০২৫-২৬ অর্থবছর ছিল বৈশ্বিক ও বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য পরিবর্তনশীল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ওয়ালটন ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে দক্ষ ব্যয় ব্যবস্থাপনা, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক কৌশল, উদ্ভাবন এবং বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।’ বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘ওয়ালটনের বর্তমান সাফল্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আগামী দিনের জন্য নতুন সম্ভাবনা ও দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির পথ তৈরি করতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসায়িক পথ চলার শুরু থেকেই দেশের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশিয় শিল্পের বিকাশে কাজ করে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি আমদানির নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে নিজস্ব লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদন প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।  এই প্রকল্পের মাধ্যমে ওয়ালটনই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম বৃহৎ পরিসরে উন্নতমানের লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদন করতে যাচ্ছে, যা ইলেকট্রিক ভেহিকেল, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহারযোগ্য। এছাড়াও ফুয়েল চালিত জেনারেটরের বিকল্প হিসেবে বাসাবাড়িতে স্টোরেজ পাওয়ার এবং শিল্প কারখানায় এনার্জি স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এই প্রকল্প বাংলাদেশে একটি যুগান্তকারী সবুজ জ্বালানি বিপ্লব হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে। এটি দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও সর্বাধুনিক শিল্প স্বনির্ভরতা অর্জনের পথে একটি কৌশলগত উদ্যোগ, যা ভবিষ্যতে গ্রিন এনার্জি ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে দেবে এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’  পণ্যের মর্যাদাকে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আর এই সব কিছুর কৃতিত্বের অংশীদার হবেন আপনারা (বিনিয়োগকারীরা)।’ এস এম মাহবুবুল আলম আরও বলেন, ‘উদ্ভাবনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের প্রতিও ওয়ালটন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই প্রেক্ষিতে ওয়ালটন কারখানায় দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান বা ফ্লোটিং সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ওয়ালটনের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে, যা ওয়ালটনের নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদার বিশাল অংশ পূরণ করছে।  ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে এই সক্ষমতা ৫০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ওয়ালটনের অবদান আরও সম্প্রসারণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে ওয়ালটনের এই অগ্রগতি আমাদের সবার জন্যই গর্বের। একই সঙ্গে এটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পায়নের পথে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকারেরও প্রতিফলন। বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণের অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে ওয়ালটন। ইতোমধ্যে ওয়ালটন ঈঊ (সিই), টখ (ইউএল), ঘঙগ (এনওএম), ইওঝ (বিআইএস) এবং ঞটঠ (টিইউভি) -এর মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানসনদ অর্জন করে বিশ্বের ৬৪টি দেশে পণ্য রপ্তানি ও ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে। আমাদের রপ্তানি তালিকায় লিফট এবং ক্যাবলসহ নতুন নতুন পণ্য যুক্ত হচ্ছে। গ্রিন টেকনোলজি-নির্ভর আমাদের উদ্যোগগুলো ওয়ালটন পণ্যের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরো বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।’ সভায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব বিবরণী, নিরীক্ষা প্রতিবেদনসহ ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড অনুমোদনের পাশাপাশি পরিচালকদের প্রতিবেদন, পুনঃনিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পুনঃনিয়োগ, কোম্পানির সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষক, কর্পোরেট গভর্নেন্স কমপ্লায়েন্স, চার্টাড সেক্রেটারি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্টের নিরীক্ষক পুনঃনিয়োগ এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে জোহরা বিবির নিয়োগ অনুমোদন করা হয়। পাশাপাশি ওয়ালটন হাই-টেকের রিলেটেড পার্টি ওয়ালটন প্লাজার সাথে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের টার্নওভারের বিষয়টি অনুমোদন করা হয়।  আরটিভি/এসআর  
ওয়ালটন হাই-টেকের ২০তম এজিএম সফলভাবে অনুষ্ঠিত
বিটিআরসির নতুন পরিকল্পনায় ঝুঁকিতে বাটনফোন
বিটিআরসির রোডম্যাপ অনুযায়ী, চলতি বছরের পর আর নতুন কোনো টুজি ফোনের মডেল অনুমোদন দেওয়া হবে না। ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের পর এ ধরনের ফোন উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে দেশে। একই বছরের জুনের পর নিষিদ্ধ করে দেওয়া হবে টুজি ফোনের বিক্রিও।
বিটিআরসির নতুন পরিকল্পনায় ঝুঁকিতে বাটনফোন
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের দরপতন ও ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
আরও পড়ুন
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যোগ দিতে দেশ ছাড়লেন ৫০ সেনা
২৮তম হয়েও বিসিএস গেজেটে নেই নাম, ‘ক্রসফায়ারে দিয়ে দেন’ বাকৃবি শিক্ষার্থীর পোস্ট
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য চলাকালে বাংলাদেশের ওয়াকআউট
দাম্মাম-রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত