ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

‘স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা নিধন ও বিনা বিচারে হত্যার সূচনা করে আ.লীগ’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।  ফাইল ছবি

বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগই স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা নিধন ও বিনা বিচারে হত্যার সূচনা করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে জাতীয় বিপ্লবী ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় আওয়ামী লীগের শাসনামলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা নিধন ও বিনা বিচারে হত্যার সূচনা করেছিল আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল তাৎপর্য। জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে কোনো সরকার ক্ষমতা পরিচালনা করতে পারে না।

এ সময় বর্তমান সংসদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি সংসদকে অকার্যকর করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করছে। সর্বত্র দলীয়করণের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে।

জামায়াত আমির এ সময় আরও উল্লেখ করেন, জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে চান না বলেই সাত দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন তারা। গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এসব দাবি আদায়ে তারা সোচ্চার থাকবেন।

এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এক সময় বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল। একইভাবে গণভোটের রায়ও তাদের মেনে নিতে হবে। জনগণের রায় উপেক্ষা করে কোনো রাজনৈতিক দল টিকে থাকতে পারবে না।

এ সময় জাপান সফর প্রসঙ্গেও বিএনপির কাছে ব্যাখ্যা দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, জাপানে গিয়ে মাতারবাড়ী প্রকল্প নিয়ে কী করা হয়েছে, তা জনগণের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জামায়াত আমিরের
আগামী ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান তিনি। বিবৃতিতে শফিকুর রহমান বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রত্যয়ে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও সাধারণ জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিল। তাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে তৎকালীন ষড়যন্ত্র ও সংকট মোকাবিলার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সংঘটিত পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশে যে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা সেই পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগানে মুখরিত জনতার অংশগ্রহণে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রত্যয় আরও সুদৃঢ় হয়। বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বর্তমান সময়েও দেশ ও জাতি নানা ধরনের রাজনৈতিক ও জাতীয় সংকটের মুখোমুখি। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা রুখে দিতে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।  ‘অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন ও স্বৈরাচারী প্রবণতার দিকে ঠেলে দেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।’ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দল, সরকার এবং সামরিক বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন শফিকুর রহমান। সবশেষে বিবৃতিতে তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সব শাখা ও দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতাকে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। আরটিভি/এসআর  
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জামায়াত আমিরের
নতুন আমির পেল জামায়াতের ২৭ জেলা ও মহানগর শাখা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৭৭টি জেলা ও মহানগর শাখার আমিরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭টি জেলা ও মহানগর শাখায় নতুন আমির নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি শাখাগুলোতে আগের আমিররাই পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।
নতুন আমির পেল জামায়াতের ২৭ জেলা ও মহানগর শাখা
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত
দেশে চলমান শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত
‘সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দিয়ে পালিয়ে যাবে’
সরকারকে উদ্দেশ্য করে  বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, ওই সাপই একদিন ছোবল দিবে। ছোবল দিয়ে সাপ কিন্তু পালিয়ে যাবে। কিন্তু পড়ে থাকবে আপনাদের লাশ।
‘সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দিয়ে পালিয়ে যাবে’
পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারী ও ধান্দাবাজরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে বলে মনে হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। পোশাকশিল্পে অস্থিরতা, বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সোমবার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, পোশাকশিল্পে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের মতো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে। কোনো মালিক কিংবা শ্রমিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, কোনো শ্রমিকই এ ধরনের কাজে জড়িত হবেন না। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শীত মৌসুম সামনে রেখে পোশাকশিল্পে যে সম্ভাবনা তৈরি হয়, তা ধ্বংস করার পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ পরিস্থিতিতে মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তরিক ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান জামায়াত আমির। আরটিভি/এমএম
পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
আরও পড়ুন
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজের নতুন নাম
হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ১৮ ডিসেম্বর মহাসমাবেশের ডাক
ভারতীয় ভিসা আবেদনে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নির্দেশনা
হঠাৎ দেশবাসীর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা