ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম, কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

রমজান শুরু হওয়ার এখনো কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে ছোলার কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বাজারে। পণ্যটির দাম কেজিতে বেড়ে গেছে প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা। কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকটও; বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। সেইসঙ্গে এখনো চড়া মাছের বাজার।

এদিকে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে টমেটো, কাঁচামরিচ, গাজর ও গোল বেগুনের মতো কয়েকটি পণ্য এখনো বেশ চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে চোখে পড়েছে এ চিত্র।

রাজধানীর বাজারগুলোতে এখন প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহেও ছিল ১০০ টাকার মধ্যে। একইভাবে ছোলার ডালের দাম বেড়ে হয়েছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।

মালিবাগ এলাকার দোকানি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পাইকারি আড়তদাররাই এখন ছোলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত সপ্তাহে যে ছোলা আমরা ৯২-৯৫ টাকায় কিনেছি, সেটাই এখন পাইকারিতে ১০২ থেকে ১০৫ টাকা পড়ছে। রমজান আসার আগেই পাইকারি বাজার চড়ে গেছে, এর প্রভাব আমাদের ওপরও পড়ছে।

ছোলার দাম বেড়ে যাওয়া পুরোপুরি সিন্ডিকেটের কারসাজি উল্লেখ করে জামিল হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, রমজান আসতে এখনো কয়েক মাস বাকি, এর মধ্যেই এভাবে ছোলার দাম বেড়ে যাবে; ভাবা যায় না। প্রতি বছর রমজানের অজুহাতে আগেভাগেই জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা যায়।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে ডিমের দাম। ফার্মের মুরগির ডিমের দাম পাইকারি বাজার-সংলগ্ন এলাকায় কিছুটা কম, প্রতি ডজন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ১০ টাকা বেশি ছিল।

এছাড়া বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় অধিকাংশ সবজির দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকায় নেমেছে। তবে কিছু সবজি এখনো ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বাজারভেদে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকায়। আকারভেদে প্রতি পিস ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা। মুলা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা। এ ছাড়া প্রতি কেজি ধুন্দল, ঝিঙা ও মেটে আলু ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি কেজি ঢ্যাঁড়শ ও কচুমুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা; বরবটি, করলা ও কাঁকরোল ৬০ থেকে ৮০ টাকা। প্রতি পিস লাউয়ের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। পেঁপে ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আর বেগুনের দাম জাত ও আকারভেদে ৪০ থেকে ৭০ টাকা হলেও গোল বেগুনের কেজি ১২০ টাকা।

অন্যদিকে টমেটো ও কাঁচামরিচের কেজি ১২০ টাকা করে; গাজর বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। শসার ক্ষেত্রেও রয়েছে দামের পার্থক্য। এছাড়া প্রতি কেজি দেশি শসা ৮০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উত্তরার আজমপুর সমবায় মার্কেটের সবজি বিক্রেতা আরিফ বলেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ এখন অনেক বেড়েছে। এ কারণে বেশ কিছু সবজির দাম আগের তুলনায় কমেছে। বাজারে সরবরাহ আরও বাড়লে সামনের দিনগুলোতে দাম আরও কমতে পারে।

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মাছের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। আগের সপ্তাহের মতো চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ মাছ। প্রতি কেজি রুই মাছ আকারভেদে ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সিলভার কার্প ও গ্রাস কার্প ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং পাঙাশ ১৬০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কাতলা ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, চাষের কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাবদা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ইলিশের দাম এখনো বেশ চড়া। আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা। কোনো কোনো বাজারে বড় আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত।

মাংসের বাজারে দামের তেমন পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৪০ থেকে ৩৩০ টাকা। এ ছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় এসব পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

এদিকে, বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৫০ থেকে ৬০ টাকা ছিল। তবে এখনো চড়া আছে আদা-রসুনের দাম। প্রতি কেজি রসুন ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা এবং আদা ১৪০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট এখনো কাটেনি। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল কিনতে হচ্ছে ২০৫ থেকে ২১০ টাকায়। এছাড়া চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা কেজি। মসুর ডালের দাম মানভেদে ৯০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশে আরও তিনটি নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
এর মধ্যে ভোলায় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া, চট্টগ্রামে বছরে ৪ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি ও নরসিংদীর পলাশে বছরে ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া ফরমালডিহাইড-৮৫ (ইউএফ-৮৫) উৎপাদন ক্ষমতার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে। 
দেশে আরও তিনটি নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
হাতিরঝিলে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোর ৫টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার অ্যাকাউন্টিং সংস্থা, ইনষ্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশের (আইসিএবি) ঢাকা আঞ্চলিক কমিটি (ডিআরসি) ঢাকার হাতিরঝিলে ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সৌজন্যে সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬-এর আয়োজন করেছে। অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যারাথনস অ্যান্ড ডিসট্যান্স রেসেস (AIMS)-এর সাথে অনুমোদিত এবং ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স-স্বীকৃত এই ইভেন্টটির লক্ষ্য হলো অ্যাকাউন্টিং পেশাজীবী এবং বৃহত্তর সম্প্রদায়ের মধ্যে শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি এবং স্বাস্থ্যকর কর্ম-জীবনের ভারসাম্যকে উৎসাহিত করা। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট জনাব সাব্বির আহমেদ এফসিএ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর সিইও জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক, ডিআরসি চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান এফসিএ, ডিআরসি সেক্রেটারি মোহাম্মদ এখলাস উদ্দিন এফসিএ, ডিআরসি কোষাধ্যক্ষ রাশিদুল ইসলাম এফসিএ, ইভেন্ট কনভেনার পারুল দাস এফসিএ, ইভেন্ট চেয়ারম্যান মো. মাকসুদুর রহমান এফসিএ এবং ডিআরসি সদস্যবৃন্দসহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ‘সুস্থতা ও অ্যাকাউন্টিংয়ের মেলবন্ধন’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে, ইভেন্টটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকে উৎসাহিত করা, সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা জোরদার করা এবং পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার গুরুত্বকে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের মতে, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, তাদের পরিবার, সিএ শিক্ষার্থী, কর্পোরেট পেশাজীবী এবং বিভিন্ন অঙ্গনের দৌড়বিদসহ ৩,৮০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী এই ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারীরা ১৫ কিমি, ৭.৫ কিমি এবং ১ কিমি—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে দৌড়েছেন, যার মধ্যে ১ কিমি ক্যাটাগরিটি বিশেষভাবে মা ও শিশুদের জন্য রাখা হয়েছিল। দৌড়টি শুক্রবার ভোর ৫টায় হাতিরঝিল অ্যাম্ফিথিয়েটার থেকে শুরু হয়। অংশগ্রহণকারীরা হাতিরঝিলের মনোরম পথ ধরে দৌড়ে নির্দিষ্ট ফিনিশ লাইনে ফিরে আসেন, যা সহনশীলতা, দৃঢ়সংকল্প এবং ঐক্যবোধের এক উদযাপনে পরিণত হয়। দৌড়ের দিনটির আগে, ২ নভেম্বর তারিখে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা বাই আইএইচজি (IHG)-তে দুপুর ১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত একটি এক্সক্লুসিভ কিট এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়। নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীরা এক্সপো চলাকালীন তাদের অফিসিয়াল রেস কিট এবং বিশেষ গুডি ব্যাগ সংগ্রহ করেন। এই ইভেন্টে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, সিটি ব্যাংক পিএলসি, স্প্রিন্ট বাই অ্যাপেক্স, আমিন মোহাম্মদ এগ্রো, ব্র্যাক ব্যাংক, শাহ সিমেন্ট, বিকাশ, পূবালী ব্যাংক, রানার, ট্রান্সকম লিমিটেড, ফকির টেকনোলজিস, রুচি এবং ডিবিএল সিরামিকসসহ বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট পৃষ্ঠপোষক যুক্ত ছিল। ইভেন্টের বিশিষ্ট অংশীদারদের মধ্যে রয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা বাই আইএইচজি, এসএমসি প্লাস, গ্লুকোম্যাক্স-ডি, ইস্পাহানি, কোকা-কোলা, আরাম, ম্যাগি, ডেটল, জিরোক্যাল, মাইলো, নেসকাফে, পোলার আইসক্রিম, রিন, ভিম, কল্লোল গ্রুপ অফ কোম্পানিজ, কিটক্যাট, নাফকো ফার্মা, লাক্স, সেনোরা কনফিডেন্স, ব্লেন্ডারস চয়েস টি, জিরোক্যাল, টিকিফাই, আপসাইট বাংলাদেশ, স্পোর্টস বাংলা, ইউসিআর রেস ক্রু, কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল এবং কোটপিন বিডি। তাদের অবদান রেস-দিনের সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। আরটিভি এই ইভেন্টের অফিসিয়াল মিডিয়া পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে, যা ইভেন্টটির প্রচার প্রসার ঘটিয়েছে এবং দেশব্যাপী দর্শকদের কাছে সুস্থতা ও ফিটনেসের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। কেবল একটি ক্রীড়া ইভেন্ট নয়, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সৌজন্যে আয়োজিত ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ সুস্থতা, সহনশীলতা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আইসিএবি-এর অঙ্গীকারকে তুলে ধরে। পেশাজীবী, পরিবার এবং ফিটনেস উৎসাহীদের একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একত্রিত করার মাধ্যমে, এই উদ্যোগটি শৃঙ্খলার মূল্যবোধ, দৃঢ়সংকল্প এবং পেশাগত উৎকর্ষ উদযাপন করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রায় অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এই ইভেন্টটি ছিল ফিটনেস, ঐক্য এবং অ্যাকাউন্টিং পেশার এক অসাধারণ উদযাপন, যা এই বার্তাকেই শক্তিশালী করে যে পেশাগত সাফল্য এবং ব্যক্তিগত সুস্থতা একে অপরের পরিপূরক। আরটিভি/টিআর
হাতিরঝিলে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
হঠাৎ দেশবাসীর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
হঠাৎ দেশবাসীর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৬৪২ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। এতে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবায়ন পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে গত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৩৮৩ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩১ হাজার ৫১৫ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। আকু কী? আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধ করার ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়। জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকু প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে। আকুর সদস্যদেশগুলো হচ্ছে-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ। আরটিভি/টিআর
দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার
টানা তিন লম্বা লাফের পর আবারও কমলো সোনার দাম
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোনার এই নতুন রেট প্রকাশ করে বাজুস। এদিন সকাল ১০টা থেকেই সোনার নতুন এই রেট কার্যকর হয়েছে।
টানা তিন লম্বা লাফের পর আবারও কমলো সোনার দাম
আরও পড়ুন
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
২০২৭ সালের রমজান ও দুই ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী
২০২৭ সালের রমজান, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা