ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফের বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল, বাড়তে পারে গ্যাস সংকট

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গো সংকটের কারণে মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

পর্যাপ্ত এলএনজি মজুত না থাকায় বুধবার (১৯ আগস্ট) টার্মিনালটির সরবরাহ পুরোপুরি নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। ফলে বর্তমানে কেবল সামিট গ্রুপের টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ সচল রয়েছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, আজ রাত ৮টা পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ২১৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট। বাকি ৫৬ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়েছে কেবল সামিটের টার্মিনাল থেকে।

আরও পড়ুন

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে পড়ায় নতুন কোনো এলএনজিবাহী কার্গো না আসা পর্যন্ত আমদানিকৃত গ্যাসের জন্য একমাত্র সামিটের ওপরই ভরসা করতে হবে। আকস্মিক এই ঘাটতির কারণে সারা দেশে আবাসিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক্সিলারেটের এই টার্মিনালটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সে সময় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ১৬৫ কোটি ঘনফুটে। পরবর্তীতে সামিট তাদের টার্মিনাল থেকে ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিল।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনা দেশের বাজারে ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩২ হাজার টাকার ওপরে। আর কম দামি বা সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকার বেশি। ভালো মানের রুপার গহনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকার ওপরে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে ১ হাজার ৫০ টাকা। ওইদিন সকাল ১০টা থেকে সোনার ও রুপার গহনা নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে। নতুন দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত এই দামেই বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর)  দেশে সোনার ও রুপার গহনা বিক্রি হবে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বাজুস নির্ধারণ করা দর অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা। অন্যদিকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম রাখা হচ্ছে ৫ হাজার ১৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ৭৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম ৩ হাজার ৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আরটিভি/এমএ
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত, ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন
বিস্কিট ও ব্রেডের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা। একই সঙ্গে বেকারি পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ব্যয়, কাঁচামালের দাম, কর ও শুল্কসহ অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত, ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন
১৪ দিনে ১৮ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা প্রবাসী আয়
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ১৪ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৫২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৮ হাজার ৭৬৯ কোটি ৮০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
১৪ দিনে ১৮ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা প্রবাসী আয়
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি, ঋণমান সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি
রাজনৈতিক ও বাহ্যিক অর্থনৈতিক চাপ সামলে দেশের অর্থনীতি ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। বৈদেশি মুদ্রার রিজার্ভে গতি ফেরা ও রেমিট্যান্সের রেকর্ড প্রবাহের ওপর ভর করে আন্তর্জাতিক ঋণমান যাচাইকারী সংস্থা মুডি’স রেটিং বাংলাদেশে ঋণমানের পূর্বাভাস ‘নেগেটিভ’ থেকে বাড়িয়ে ‘স্থিতিশীল’ নির্ধারণ করেছে।
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি, ঋণমান সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি
জাতীয় গ্রিডে বাড়ল গ্যাসের সরবরাহ
জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় জাতীয় গ্রিডে মোট ২৬১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে। বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সরবরাহ করা গ্যাসের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট। আর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) থেকে সরবরাহ হয়েছে ৯৯ কোটি ঘনফুট। এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় পেট্রোবাংলার হিসাবে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৬২ মিলিয়ন ঘনফুটে। আর সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৩৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৬১১ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে পাওয়া গেছে ৭৬৪ মিলিয়ন ঘনফুট। আরটিভি/এসএস
জাতীয় গ্রিডে বাড়ল গ্যাসের সরবরাহ
আরও পড়ুন
গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে কবে জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
ময়মনসিংহে গ্যাস সংকটে কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
হবিগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট, বন্ধ ১৭১ শিল্পকারখানা
তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকটের ফের সতর্কতা