ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে কমেছে সোনার দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকায়।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সোনা ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করে বাজুস। নতুন করে দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত এ দরেই সোনা ও রুপার গহনা বিক্রি হবে।

বাজুসের নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকায়। আর ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা।

এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকায়।

অন্যদিকে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮৪১ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩৩ টাকায়।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত এই দামেই দেশের বাজারে সোনা ও রুপার গহনা বিক্রি হবে।
আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘুরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি
জুলাইয়ে সামান্য কমার পর আগস্টে ঘুরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি। আগস্টে দেশটিতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ। ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাজ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
ঘুরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি
বিশ্ব পর্যটন দিবস / খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ছে
পাহাড়, ঝরনা, গুহা আর সবুজের হাতছানিতে প্রতিবছরই বাড়ছে খাগড়াছড়িমুখী পর্যটকের আগ্রহ। আলুটিলা, রিছাং ঝর্ণা, হর্টিকালচার পার্ক, দেবতাপুকুর, মায়াবিনী লেকসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ছুটে যাচ্ছেন দেশের নানা প্রান্তের মানুষ। 
খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ছে
বিশ্ব পর্যটন দিবস / কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি বান্দরবানের পর্যটন শিল্প
বান্দরবানে পর্যটন শিল্প এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। সম্ভাবনাময় এই পর্যটন অঞ্চল সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের অভাবে পিছিয়ে পড়ছে। এই শিল্পকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। পাহাড়, ঝরনা আর বৈচিত্র্যময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির কারণে বান্দরবান পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। কিন্তু অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সমন্বিত পরিকল্পনার অভাবে এটি কাঙ্ক্ষিত রূপ নিতে পারেনি। স্থানীয় প্রশাসন, পর্যটন করপোরেশন এবং হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের মধ্যে কোনো কার্যকর যৌথ রূপরেখা না থাকায় সবকিছু যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে— এমনটাই মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। বান্দরবানে নীলাচল, নীলগিরি, মেঘলা, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেকসহ সরকারি ও বেসরকারি অসংখ্য পর্যটন স্পট রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার অপ্রতুলতার কারণে এই খাতের কাঙ্ক্ষিত বিকাশ সম্ভব হচ্ছে না। ভ্রমণে আসা পর্যটকদের মতে, বান্দরবানে পর্যটন শিল্পের বিকাশে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এর জন্য দরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও কিছু কার্যকর উদ্যোগ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক রূপ ও অপার সৌন্দর্য সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে প্রচুর দেশি-বিদেশি পর্যটক আসবে। তবে বর্তমানে বান্দরবান ভ্রমণ বেশ ব্যয়বহুল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও পুরোপুরি সুবিধাজনক নয়। অসাধু ব্যবসায়ীদের একটি মহল এই সুযোগটি নিচ্ছে। আবাসন ব্যবস্থা ও যাতায়াতে আরও স্বচ্ছতা আনা গেলে পর্যটক যেমন বাড়বে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, পর্যটকদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের তৎপরতা আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। বান্দরবান ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাশ (বাপ্পা) বলেন, বান্দরবানে বিদেশি পর্যটকদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি স্পট ছাড়া অন্য কোথাও ভ্রমণের অনুমতি না থাকায় দিন দিন বিদেশি পর্যটক কমে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে একদিনেই ঘোরা শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা এক দিনের বেশি থাকতে চান না। বান্দরবান হোটেল-মোটেল ও ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, পর্যটন শহর হিসেবে বাস্তবে বান্দরবানকে সঠিকভাবে সাজানো হয়নি। জেলা শহরের বর্তমান অবস্থা দেখে পর্যটকরা একদিনের বেশি থাকতে চান না। শহরে ময়লা-আবর্জনা, যত্রতত্র পার্কিং এবং চলাচলের ভালো কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। সন্ধ্যার পরে জেলা শহরে বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকরা একদিন থেকেই কক্সবাজারমুখী হয়ে যান।  তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের মনে আস্থার পরিবেশ তৈরি করা যাচ্ছে না। পর্যটন দিবস এলেই সভা, সেমিনার ও র‍্যালির মতো কিছু কর্মসূচির মধ্যেই সব সীমাবদ্ধ থাকে। আবাসিক হোটেল-মোটেল ও পরিবহনের ভাড়ার কোনো নির্দিষ্ট তালিকা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত না থাকায় অতিরিক্ত খরচ গুণতে হয়। ঢাকা-কক্সবাজার বাস ভাড়ার চেয়ে ঢাকা-বান্দরবান বাস ভাড়া অনেক বেশি নেওয়ার কারণে ভ্রমণ ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। তাছাড়া দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা এবং বর্ষায় ধসের কারণে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ। পাহাড়ে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ও জাতিগত অস্থিরতায় পর্যটক আগমন ব্যাহত হলেও বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক স্বাভাবিক রয়েছে। তবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার পাশাপাশি বিকল্প বিনোদনের সুযোগ না থাকায় পর্যটক সীমিত হয়ে পড়ছে। এসব বিষয়ে সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বহুগুণ বাড়বে। বান্দরবান ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান বলেন, এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে পর্যটকদের জন্য একটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ তৈরি করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। বিশ্ব পর্যটন দিবসে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তায় পর্যটন স্পটগুলোতে বিশেষ পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল টিমও নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। আরটিভি/এসএস
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি বান্দরবানের পর্যটন শিল্প
সুন্দরবন ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন পর্যটন সম্ভাবনা
আসন্ন পর্যটন মৌসুমে সুন্দরবনে নতুন করে পর্যটকদের আগমন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে আরও উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পর্যটনসংশ্লিষ্টরা।
সুন্দরবন ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন পর্যটন সম্ভাবনা
লিনেক্স ইলেকট্রনিক্সের হাত ধরে বাজারে এলো ‘রিভারসং অ্যাস্ট্রো ৬’
আন্তর্জাতিক স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিভারসং (Riversong) আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের বাজারে যাত্রা শুরু করেছে। লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের হাত ধরে রিভারসংয়ের অ্যাস্ট্রো সিরিজের একাধিক স্মার্টফোন পর্যায়ক্রমে দেশের বাজারে উন্মোচন করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বাজারে এলো ‘রিভারসং অ্যাস্ট্রো ৬’ । অ্যাস্ট্রো ৬ একটি ‘Made in Bangladesh’ স্মার্টফোন, যা লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত হয়েছে। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫৬ ইঞ্চি LCD ডিসপ্লে, ৮ GB পর্যন্ত Extendable RAM, ৬৪ GB ROM, ৫০০০ mAh এর ব্যাটারি, ১৬ মেগাপিক্সেল ব্যাক ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা, Fingerprint এবং Face Unlock সহ আধুনিক বিভিন্ন ফিচার।   উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের COO ইঞ্জিনিয়ার মো. নাহিদুল ইসলাম, রিভারসং বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ এর চীফ পিপল অফিসার হাসান তৈয়ব ইমাম এবং হেড অব সেলসসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মীরা।    অনুষ্ঠানে লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের COO বলেন, নিজস্ব কারখানায় রিভারসং অ্যাস্ট্রো ৬ উৎপাদন করতে পেরে আমরা গর্বিত। বাংলাদেশে স্মার্টফোন উৎপাদনের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চায়। তিনি আরও বলেন, আমাদের নিজস্ব SMT সুবিধা, ল্যাবরেটরি এবং PCBA, চার্জার ও ব্যাটারি উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের কোয়ালিটি কন্ট্রোলের মাধ্যমে আমরা Made in Bangladesh স্মার্টফোন বাজারজাত করছি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মানুষের জন্য আরও সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক স্মার্টফোন সহজলভ্য করার লক্ষ্য রয়েছে। রিভারসং বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, রিভারসং একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমাদের কার্যক্রম রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও আমরা স্মার্টফোন নিয়ে এসেছি। বাংলাদেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আধুনিক প্রযুক্তির স্মার্টফোন বাজারজাত করাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি জানান, অ্যাস্ট্রো সিরিজের আরও বেশ কয়েকটি মডেল শিগগিরই বাংলাদেশের বাজারে আসবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে উচ্চ স্পেসিফিকেশনের স্মার্টফোন ও গেমিং ফোন বাজারজাত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে রিভারসংয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, স্থানীয় উৎপাদন এবং নতুন স্মার্টফোন লাইনআপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। বর্ণিল এই আয়োজনে চীন থেকে আসা রিভারসংয়ের একটি প্রকৌশলী দলও উপস্থিত ছিল। তারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উদযাপনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি রিভারসং অ্যাস্ট্রো ৬-এর প্রযুক্তি ও উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিদর্শন করেন এবং ফোনটির মান নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।  এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া। তিনি রিভারসংয়ের বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর এই আয়োজনে অংশ নেন। সবশেষে একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। আরটিভি/এসআর
লিনেক্স ইলেকট্রনিক্সের হাত ধরে বাজারে এলো ‘রিভারসং অ্যাস্ট্রো ৬’
আরও পড়ুন
দেশের বাজারে কমল সোনার দাম
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
বিশ্ববাজারে কমলো সোনার দাম