ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওঠানামার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। এর ফলে প্রায়ই পরিবর্তন হচ্ছে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত সর্বশেষ মূল্য অনুযায়ী, সোমবার (৫ অক্টোবর) দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনা ও রুপার গহনা।

বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর একই মানের সোনার দাম সমপরিমাণ কমিয়েছিল সংগঠনটি।

বাজুসের নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা।

বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ে ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

সোনার পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার গহনার দামও নির্ধারণ করেছে বাজুস। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা।

অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত এই দর কার্যকর থাকবে। তবে গহনার নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত দামের সঙ্গে মজুরি যুক্ত হতে পারে।

সংগঠনটির নিয়ম অনুযায়ী, সোনা ও রুপার অলংকারের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই বিক্রয়মূল্যের বাইরে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায়ের সুযোগ নেই।

এ ছাড়া পুরোনো সোনা-রুপার অলংকার কেনাবেচা কিংবা গহনা বদলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণ জানাল বিইআরসি
খুচরা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম একলাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সেইসঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও লিটারে বাড়ানো হয়েছে প্রায় ১২ টাকা। 
এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণ জানাল বিইআরসি
ফের সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
রমজানকে সামনে রেখে দেশে আবারও ভোজ্যতেলের সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনেক দোকানেই মিলছে না ২ ও ৫ লিটারের বোতলজাত তেল। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণ দেখিয়ে সয়াবিন তেলের দাম আরেক দফা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে দেশের স্থানীয় রিফাইনাররা। তাদের দাবি, দাম সমন্বয় করা না হলে তেল আমদানিতে নিরুৎসাহ তৈরি হতে পারে। এতে রমজানে চাহিদা বাড়ার সময় সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। গত ২ সেপ্টেম্বর সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর মাত্র ২০ দিনের মাথায়, ২০ সেপ্টেম্বর নতুন করে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দেওয়া চিঠিতে সংগঠনটি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিন তেলের দাম ১ হাজার ২৭০ ডলার থেকে বেড়ে প্রায় ১ হাজার ৩২৫ ডলারে উঠেছে। এতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলে রিফাইনারদের প্রায় ১৭ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে দাবি তাদের। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশের বাজারের দাম সমন্বয়ের আশ্বাস পাওয়ায় লোকসান সত্ত্বেও ঋণপত্র খোলা ও তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, প্রস্তাব যাচাই-বাছাই না করে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হবে না। গত শুক্রবার সিলেটে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহ সংকটের পর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করা হয়। জুলাইয়েও আন্তর্জাতিক বাজার ও ডলারের বিনিময় হারের প্রভাব দেখিয়ে বাজারে সরবরাহে টান দেখা দেয়। সবশেষ গত ২ সেপ্টেম্বর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সময়ে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮৫ টাকা এবং ৫ লিটারের বোতলের দাম ৯৭৫ টাকা করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেলের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম ছিল প্রায় ১ হাজার ২০০ ডলার। এর আগের সপ্তাহে এই দাম ছিল ১ হাজার ২২৩ ডলার। দেশে বছরে ২২ লাখ টনের বেশি ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে বছরে ২২ থেকে ২৬ লাখ টন অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি করা হয়। দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার ৯০ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর। বাংলাদেশের সয়াবিন তেলের প্রধান সরবরাহকারী আর্জেন্টিনা। এরপর রয়েছে ব্রাজিল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সয়াবিন ও সয়াবিন তেল আমদানি করে বাংলাদেশ। আরটিভি/এসকে
ফের সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। 
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’
নতুন পে স্কেলে বেতন পুনর্নির্ধারণ শুরু আজ, লাগবে যেসব তথ্য
নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণ বা পে ফিক্সেশনের কাজ শুরু হচ্ছে সোমবার(৫অক্টোবর)।
নতুন পে স্কেলে বেতন পুনর্নির্ধারণ শুরু আজ, লাগবে যেসব তথ্য
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম
দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি সোনার দাম কমায় দেশের বাজারেও সোনার বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৬৪০ টাকা। ১ ভরি সমান ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম হিসাবে প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। প্রতি গ্রামের দাম ১৮ হাজার ৭৬০ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ হাজার ১১০ টাকা। সে হিসাবে প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি গ্রাম দাম ১৩ হাজার ১৬০ টাকা। এতে প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা। তবে সোনার দাম কমানো হলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রৌপ্য অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে। আরটিভি/এসকে
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম
আরও পড়ুন
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
দেশের বাজারে আবারও কমলো সোনার দাম