ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণ জানাল বিইআরসি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

খুচরা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম একলাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সেইসঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও লিটারে বাড়ানো হয়েছে প্রায় ১২ টাকা।

রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়।

হঠাৎ এমন দাম বাড়ানোর পেছনে বিইআরসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরামকোর অক্টোবরের জন্য প্রোপেন ও বিউটেনের সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস বা সৌদি সিপি অনুযায়ী নতুন দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অক্টোবরে প্রোপেনের সৌদি সিপি প্রতি টন ৬৮০ ডলার এবং বিউটেনের ৭৩০ ডলার। দাম সমন্বয়ের ক্ষেত্রে প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ ধরে গড় সৌদি সিপি প্রতি টন ৭১২ দশমিক ৫০ ডলার বিবেচনায় নিয়েছে বিইআরসি।

সেপ্টেম্বরে প্রোপেনের সৌদি সিপি ছিল প্রতি টন ৬২৫ ডলার ও বিউটেন ৬৬০ ডলার। ওই মাসে গড় সৌদি সিপি ছিল প্রতি টন ৬৪৭ দশমিক ৭৫ ডলার। সে হিসাবে এক মাসে গড় সৌদি সিপি প্রতি টনে ৬৪ দশমিক ৭৫ ডলার বেড়েছে।

অক্টোবরের মূল্য সমন্বয়ে এলপিজি আমদানিতে জাহাজ ভাড়া ও ব্যবসায়ীর প্রিমিয়াম টনপ্রতি ২৫০ ডলার বিবেচনায় নিয়েছে বিইআরসি। যদিও সেপ্টেম্বরে এ খাতে ধরা হয়েছিল টনপ্রতি ১৬০ ডলার। সে হিসাবে মাসের ব্যবধানে এলপিজির দাম হিসাবের ক্ষেত্রে জাহাজ ভাড়া ও ব্যবসায়ীর প্রিমিয়াম প্রতি টনে ৯০ ডলার বেড়েছে।

অক্টোবরের দাম নির্ধারণে প্রতি ডলারের গড় বিনিময় মূল্য ১২৩ টাকা ১৮ পয়সা ধরা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে তা ছিল ১২৩ টাকা ৩০ পয়সা।

এলপিজির সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়ে ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা করা হয়েছে।

এদিকে এলপিজির দাম বাড়ার পরও বাজারে সরবরাহ সংকট কাটেনি। বেশিরভাগ জায়গাতেই প্রতিটা ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার এখনও বিক্রি হচ্ছে ২২০০-২৫০০ টাকায়। এলপিজির সঙ্গে অটোগ্যাসের দাম বাড়ায় সংকট সৃষ্টি হয়েছে পরিবহন খাতেও।

এলপিজির অত্যধিক বাড়তি দামের কারণে শুধু বাসাবাড়ির গ্রাহক নন, চাপে পড়েছেন বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীরাও।

এলপিজির বাজারে এমন অস্থিরতার পেছনে একে অপরকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা। এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির অভিযোগ, ২০ সেপ্টেম্বরের পর আমদানিকারকরা সরবরাহ প্রায় ৮০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বরের পর কয়েকটি ডিপো থেকেও সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। অন্যদিকে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আমদানিকারকরা। অভিযোগ করা হচ্ছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন ডিলার এবং খুচরা ব্যবসায়ীরাই।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফের সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
রমজানকে সামনে রেখে দেশে আবারও ভোজ্যতেলের সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনেক দোকানেই মিলছে না ২ ও ৫ লিটারের বোতলজাত তেল। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণ দেখিয়ে সয়াবিন তেলের দাম আরেক দফা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে দেশের স্থানীয় রিফাইনাররা। তাদের দাবি, দাম সমন্বয় করা না হলে তেল আমদানিতে নিরুৎসাহ তৈরি হতে পারে। এতে রমজানে চাহিদা বাড়ার সময় সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। গত ২ সেপ্টেম্বর সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর মাত্র ২০ দিনের মাথায়, ২০ সেপ্টেম্বর নতুন করে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দেওয়া চিঠিতে সংগঠনটি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিন তেলের দাম ১ হাজার ২৭০ ডলার থেকে বেড়ে প্রায় ১ হাজার ৩২৫ ডলারে উঠেছে। এতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলে রিফাইনারদের প্রায় ১৭ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে দাবি তাদের। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশের বাজারের দাম সমন্বয়ের আশ্বাস পাওয়ায় লোকসান সত্ত্বেও ঋণপত্র খোলা ও তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, প্রস্তাব যাচাই-বাছাই না করে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হবে না। গত শুক্রবার সিলেটে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহ সংকটের পর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করা হয়। জুলাইয়েও আন্তর্জাতিক বাজার ও ডলারের বিনিময় হারের প্রভাব দেখিয়ে বাজারে সরবরাহে টান দেখা দেয়। সবশেষ গত ২ সেপ্টেম্বর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সময়ে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮৫ টাকা এবং ৫ লিটারের বোতলের দাম ৯৭৫ টাকা করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেলের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম ছিল প্রায় ১ হাজার ২০০ ডলার। এর আগের সপ্তাহে এই দাম ছিল ১ হাজার ২২৩ ডলার। দেশে বছরে ২২ লাখ টনের বেশি ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে বছরে ২২ থেকে ২৬ লাখ টন অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি করা হয়। দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার ৯০ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর। বাংলাদেশের সয়াবিন তেলের প্রধান সরবরাহকারী আর্জেন্টিনা। এরপর রয়েছে ব্রাজিল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সয়াবিন ও সয়াবিন তেল আমদানি করে বাংলাদেশ। আরটিভি/এসকে
ফের সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। 
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সারাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে ‘বড় পরিকল্পনা’
নতুন পে স্কেলে বেতন পুনর্নির্ধারণ শুরু আজ, লাগবে যেসব তথ্য
নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণ বা পে ফিক্সেশনের কাজ শুরু হচ্ছে সোমবার(৫অক্টোবর)।
নতুন পে স্কেলে বেতন পুনর্নির্ধারণ শুরু আজ, লাগবে যেসব তথ্য
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম
দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি সোনার দাম কমায় দেশের বাজারেও সোনার বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৬৪০ টাকা। ১ ভরি সমান ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম হিসাবে প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। প্রতি গ্রামের দাম ১৮ হাজার ৭৬০ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ হাজার ১১০ টাকা। সে হিসাবে প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি গ্রাম দাম ১৩ হাজার ১৬০ টাকা। এতে প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা। তবে সোনার দাম কমানো হলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রৌপ্য অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে। আরটিভি/এসকে
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম
পান রপ্তানি নিয়ে ‘সুখবর’
রোববার (৪ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।
পান রপ্তানি নিয়ে ‘সুখবর’
আরও পড়ুন
ফের সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
এলপিজির সঙ্গে বাড়ল অটোগ্যাসের দামও