ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

আয়কর সম্পর্কে যে তথ্য জানা জরুরি

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ০৩:২৬ পিএম

অর্থবছর শেষ হওয়ার পর করযোগ্য সবাইকে আয়কর দিতে হয়। সম্প্রতি কয়েক বছর আয়করযোগ্য না হলেও তাকে রিটার্ন দেয়ার বাধ্যবাধকতা আনা হয়েছে। বিশেষ করে আপনি যদি বেসরকরি চাকরিজীবী হন, তবে এড়াতে পারবেন না।

অনেকেই বিষয়টি বেশ দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিয়ে থাকেন। কিন্তু বহু মানুষ আছেন যারা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। তথ্যের অভাবে ভুল করে থাকেন, নানা ঝামেলায় পরেন। যারা নতুন আয়কর দিচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রেই এটি বেশি হয়ে থাকে।

তাই আয়করযোগ্য বা যাদের রিটার্ন দাখিল করতে হবে, তাদের আয়কর সম্পর্কে কিছু তথ্য না জানলেই নয়।

আয়করের আওতায় কে পড়েন

আয়কর সম্পর্কে প্রথম যেটি জানতে হবে সেটি হলো তার আয় কত, আর সেটি আয়করের আওতায় পরে কিনা।

ইনকাম ট্যাক্স আইন অনুযায়ী সাত ধরনের আয় করের আওতায় পরে।

যেমন চাকরি থেকে পাওয়া বেতন, ব্যবসা থেকে আয়, বাড়িভাড়া থেকে পাওয়া অর্থ, কোনও সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তর ফলে প্রাপ্ত অর্থ, জামানতের সুদ (সঞ্চয়পত্র, বন্ড, ব্যাংকের সুদ ইত্যাদি), কৃষি হতে আয়। আর আছে অন্যান্য যার মধ্যে পরতে পারে অনেক কিছু।

কত আয় হলে কর দিতে হয়

আপনি যদি পুরুষ হন আর আপনার বার্ষিক আয় যদি আড়াই লাখ হয় তবে সেই পর্যন্ত আপনার কোনও আয়কর নেই।

তবে আয় এর উপরে চলে গেলেই আপনি আয়করের আওতায় পরবেন।

আর নারীদের জন্য বাৎসরিক তিন লাখ টাকা পর্যন্ত কর মওকুফ। কিন্তু তার উপরে গেলেই তিনি করের আওতায় পরবেন।

নারী পুরুষ হিসেবে আপনার প্রথম আড়াই লাখ বা তিন লাখ টাকা বাদ দিয়ে পরবর্তী চার লাখ টাকার জন্য দশ শতাংশ কর হবে।

আয় যত করের হার তত বাড়তে থাকবে।

কীভাবে কর দেবেন

প্রথম যে কাজটি করবেন সেটি হল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে সব তথ্য ভালো করে পড়ুন।

এরপর আপনাকে একটা টিন নম্বর অথবা ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর নিতে হবে।আর সেটি করতে হলে রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে সেখানে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, নাম পরিচয় এমন কিছু তথ্য সেখানে আপনাকে দিতে হবে। আপনি টিন নম্বর পাওয়া মানে আপনি আয়কর বিষয়ক নিজের একটি পরিচয় তৈরি করলেন।

আপনার নামের প্রথম অক্ষর, আপনার কর্ম প্রতিষ্ঠানের নামের প্রথম অক্ষর, বাসস্থানের ঠিকানার উপর নির্ভর করে আপনি কোন কর অঞ্চলে পরছেন।

এরপর সবমিলিয়ে বছরে আপনার আয় কত সেটি হিসেব করুন। আপনি আয়করের আওতায় পরেন কিনা সেটি বুঝে নিন।

আয়করের আওতায় পরলে কর কত হচ্ছে তা বার্ষিক আয় অনুযায়ী হিসেব করুন।

হিসেবে যা আসে সেটি আপনি সরকারকে দেবেন। আপনি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকাটি জমা দিতে পারেন।

অথবা সরাসরি আপনি যে কর অঞ্চলের ডেপুটি কমিশনার ট্যাক্সেজ কর্মকর্তা বরাবর পে অর্ডার করে কর দিতে পারেন।

আয়কর রিটার্ন কী

প্রতি বছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে আপনাকে ট্যাক্স রিটার্ন দিতে হবে। অর্থবছরের এই সময়ের মধ্যে একটি ফর্মে আপনার আয়, সম্পত্তি, আয়কর ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্য হালনাগাদ করা।

কেননা আপনার এ সম্পর্কিত তথ্য প্রতি বছর বদলে যেতে পারে।

একবার টিন নম্বর নিয়ে নিলে সরকারকে জানিয়ে দিতে হবে আপনার বর্তমান অবস্থান। ট্যাক্স রিটার্ন না দিলে শাস্তির ব্যবস্থাও আছে।

কোন ক্ষেত্রে করে ছাড়ের সুবিধা পাবেন

কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনি কিছু ছাড় পাবেন। এর কয়েকটি হলো আপনার যদি বিভিন্ন মেয়াদে সরকারি সঞ্চয়পত্র কেনা থাকে, শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করা থাকে, জীবন বীমা করা থাকে এরকম কিছু ক্ষেত্রে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে কর মওকুফের সুবিধা পাবেন।

এক্ষেত্রে আয়কর আইনজীবীরা বলেন, সরকারি সঞ্চয়পত্র কিনে রাখাই সবচেয়ে ভালো। সঞ্চয়পত্রকে সবচাইতে ঝুঁকিমুক্ত মনে করা হয়। সঞ্চয় ব্যুরো, পোস্ট অফিস অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে আপনি এটি কিনতে পারবেন।

অভিযোগ থাকলে কোথায় যাবেন

আপনি যদি মনে করেন কর দেয়ার ক্ষেত্রে আপনার সাথে কোন অন্যায় হয়েছে সেক্ষেত্রে আপনার অভিযোগ জানানোর জায়গা আছে।

সেক্ষেত্রে আপনার প্রথম করণীয় হচ্ছে কমিশনার অফ ট্যাক্সেজ আর কাছে আপিল করা। আপনার অভিযোগের ভিত্তিগুলো বিস্তারিত জানিয়ে লিখিতভাবে আপিল করতে হবে।

তিনি শুনানির জন্য সময় দেবেন। তাকে যদি সেখানে যুক্তিতর্ক দিয়ে বোঝাতে সক্ষম হন তাহলে সেখানেই আপনার সমস্যার সমাধান হতে পারে।

তিনি যদি আপনার বিপক্ষে রায় দেন সেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালে দ্বিতীয় আপিল করা যায়।

ট্রাইব্যুনালে গিয়েও যদি আপনি হেরে যান তাহলে হাইকোর্টে গিয়েও আপনি সর্বশেষ আরেকবার আপিল করতে পারবেন।

এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
ফ্রিজে বিশ্ব জলবায়ু উষ্ণায়নের জন্য দায়ী এইচএফসি গ্যাসের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। সেই লক্ষ্যে ফ্রিজ ও কম্প্রেসারে এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট চালু করেছে তারা। এর আওতায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ফ্রিজ ও এর কম্প্রেসারে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপি। এ বিষয়ে শনিবার রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে ইউএনডিপি ও ওয়ালটনের মধ্যে ‘এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ এক বছর। বিশ্বে এইচএফসি গ্যাস ফেজ আউটে এই প্রকল্পেই প্রথম সহায়তা প্রদান করছে ইউএনডিপি। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম এবং ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি খুরশিদ আলম ও শায়লা খান, জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ মামুনুর রশীদ ও সংস্থাটির প্রাকিউরমেন্ট বিভাগের প্রধান মরিয়ম আকতার রিকতা, ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, মো. হুমায়ুন কবীর, প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আশরাফুল আম্বিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এস এম আশরাফুল আলম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি আমরা সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আর তাই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এক গ্রাম কেমিক্যালও ওয়ালটন ব্যবহার করে না। আমাদের টার্গেট বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ডের মর্যাদায় নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে পরিবশেবান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করছি আমরা। প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুল আম্বিয়া জানান, কয়েক বছর আগেই ইউএনডিপির সহায়তায় অত্যন্ত সফলভাবে ফ্রিজে বায়ুমন্ডল তথা ওজোনস্তর ক্ষয়কারী এইচসিএফসি গ্যাসের ব্যবহার রোধ করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি, এইচএফসির ব্যবহার রোধের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সফল হয়েছে ওয়ালটন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার ফ্রিজে এইচএফসির ব্যবহার সম্পূর্ণ রোধ করার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে এইচএফসিমুক্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কম্প্রেসার উৎপাদনও শুরু করলো ওয়ালটন। সূত্রমতে, প্রকল্পটি চালুর ফলে বায়ুমন্ডলে বাৎসরিক প্রায় ২ দশমিক ৫৩ লাখ টন কার্বনডাই অক্সাইডের সমপরিমাণ ১৮৯ টন এইচএফসি গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করবে ওয়ালটন। এর মধ্য দিয়ে ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশ। এসআর
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
নির্বাচনের কারণে ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে অফিস আদালত। তবে ব্যাংক হলিডে থাকায় এদিন ব্যাংক খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হচ্ছে না। ফলে সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না। তবে প্রয়োজন হলে কার্ডের মাধ্যমে এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা খোলা থাকবে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্রিত করে অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। যে কারণে এ দিনটিকে ‘ব্যাংক হলিডে’ হিসেবে ধরা হয়। এদিন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংক গ্রাহকদের সঙ্গে কোনও ধরনের লেনদেন বা দাপ্তরিক কার্যক্রম করে না। এদিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেনও। এসআর
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবায় লেনদেনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। আজ রোববার বিকেল ৫টার পর গ্রাহকরা আবারও আগের মতো টাকা লেনদেন, ক্যাশ আউট, মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে পারবেন।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।   তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে আজ বিকেল ৫টা পযর্ন্ত ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানোর বিষয়ে শিথিলতা আনা হয়। সে অনুযায়ী গ্রাহকরা আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা শুধু পাঠাতে পারছেন। কোনও ক্যাশ আউট ও রিচার্জের সুযোগ নেই।   নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। কারণ নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসআর
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে রোববার তথা নির্বাচনের দিন বিকেল ৫টা পযর্ন্ত এই ২৪ ঘণ্টা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানো যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৭ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ফলে শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবা বন্ধ রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মতে, সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হলো। তবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হতে ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা লেনদেনের সুযোগ রেখে সীমিত আকারে এ সেবা চালু রাখা যেতে পারে বলে জানানো হয়। আরও পড়ুন : ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও এসআর
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষেত্রে বৃহত্তম দেশ হিসাবে উত্তরণ ঘটতে পারে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ২০৩০’ শীর্ষক এইচএসবিসি গ্লোবাল রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) নিউজ বুলেটিনের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮) সম্পাদকীয় শাখায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের বুলেটিনে বলা হয়, ‘ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে দেশটি (বাংলাদেশ) বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে এবং আর্থ-সামাজিক গতিশীলতার কারণে ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৩৯তম। লন্ডন ভিত্তিক ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ‘ন্যাশনাল ব্র্যান্ডস ২০১৮’ প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ ২৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইসিসিবি নিউজ বুলেটিনে বলা হয়, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি চমৎকারভাবে ৬ শতাংশের অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরে রেখেছে এবং গত দু’বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বুলেটিন অনুসারে, টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব কার্যক্রম, ‘ওয়ান-স্টপ-সার্ভিস’ অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সাবলীল করেছে। পাশাপাশি, বেসরকারি ও সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের সুবিধার্থে সরকার অনেকগুলো ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমির সংকট দূর করার জন্য সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতিমধ্যে ১০০টির মধ্যে ৭৬টির জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। আরও পড়ুন : বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার হবে এশিয়ায় নেতৃস্থানীয়: ডিএসই এমডি এসআর
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করলো যুক্তরাজ্য
প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মমতা
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আওয়ামী লীগের মহাবিজয়ের খবর
ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট