ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

ঢাকার জন্য ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৯ মে ২০১৯, ০৩:৪০ পিএম

উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে যেতে হলে ঢাকা শহরের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হবে। এজন্য ঢাকা শহরকে আবাস যোগ্য করতে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ অর্থ দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বেশকিছু এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার উদ্যোগ নেয়া হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সংক্রান্ত এক ঋণ চুক্তি সই হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. জাহিদ হোসেন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাহিদুল হক।

বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের শহরগুলোকে আবাস যোগ্য করতে হবে। জনগণের দৃষ্টিতে এসডিজি গোল ১১ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের মোট উৎপাদনের একপঞ্চমাংস ঢাকা শহরে হয়ে থাকে। উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে যেতে হলে ঢাকা শহরের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পের ভিন্নতা আছে। প্রথমত যা আছে সেটি উন্নতি করা দ্বিতীয়ত সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন কার্যকর করা। জনগণের মতামত নিয়ে স্থানীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রকল্পের কার্যক্রম খুব ভাল তবে প্রকল্পের সঠিকতম বাস্তবায়ন অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর আওতাধীন কামরাঙ্গীচর, লালবাগ, নয়াবাজার, সূত্রাপুর, গুলিস্থান, খিলগাঁও, মুগদা ও বাসাবো এলাকাগুলোতে জনসাধারণের ব্যবহারযোগ্য স্থান বৃদ্ধি এবং নগর সেবা উন্নয়ন করা। এছাড়া অন্যান্য উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে রয়েছে উন্মুক্ত স্থান বৃদ্ধি করাসহ নগরবাসীর সামগ্রীক জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি করা, আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশগত মান উন্নয়ন, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পার্ক, খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার কাম মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে নাগরিক সেবা বাড়ানো হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) ৮৩৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ঋণের অর্থ ৫ বছর গ্রস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য ঋণের উত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ এবং ১ দশমিক ২৫ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ বার্ষিক শূণ্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট চার্জ দিতে হবে। তবে চলতি বছর সহ দীর্ঘদিন ধরে কমিটমেন্ট চার্জ আইডিএ বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত অনুসারে মওকুফ করা হচ্ছে।

এস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ইনসুরেন্স সেক্টরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফয়স লেকে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বৃহত্তর চট্টগ্রামের কর্মী সম্মেলন ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।   এ সময় আলহাজ মোরশেদ আলম বলেন, ইনসুরেন্স ব্যবসার ভবিষ্যৎ আছে। সরকার বীমা খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যাশনাল লাইফ সরকারকে বিরাট অংকের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। ন্যাশনাল লাইফে ২০ হাজারের মতো লোক কাজ করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম. এ. নাসের বলেন,  ন্যাশনাল লাইফ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সাড়ে সাতশ কোটি টাকার বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময় ন্যাশনাল লাইফের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   অনুষ্ঠানে আলহাজ মোরশেদ আলমের সহধর্মিণী বিলকিস নাহার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক নাদের খান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদসহ কোম্পানির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা। এজে/ এমকে
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
সময়মতো বায়াররা ক্রয়কৃত নিটিং পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করায় নারায়ণগঞ্জে নিটিং ব্যবসায় মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এই ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় কোনও কোনও ব্যবসায়ী কম মজুরিতে ওয়ার্ক অর্ডার নিচ্ছেন। যে মজুরিতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন ওই মজুরিতে তাদের লাভ তো দূরের কথা প্রায় ৩ থেকে ৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। ফলে গত ছয় মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য নেই। ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরিতে কাজের অর্ডার নিচ্ছেন। ফলে মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য নির্ধারণে ৭৮ সদস্য উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও রকিবুল হাসান রাকিব, পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, নিজাম মুন্সি, নির্মল চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে। এজে
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
কাল শুরু হচ্ছে বাণিজ্য মেলা, টিকিটের দাম বেড়েছে ১০ টাকা
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) প্রবেশে টিকিটের দাম গত বছরের  চেয়ে এ বছর ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। গত বছর মেলায় প্রবেশের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের টিকিটের দাম ছিল ৩০ টাকা। এবার সেই টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা। এছাড়া  অপ্রাপ্তবয়স্কদের টিকিটের দাম আগের মতোই ২০ টাকা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাণিজ্য মেলার মাঠে এক সংবাদ সম্মেলনে টিকিটের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এবিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগে এক কাপ চা খেতেন তিন টাকায়, এখন পাঁচ টাকা লাগে। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। এছাড়া মেলায় এবার স্টলের সংখ্যা কমেছে। সব বিষয় মাথায় রেখে এবার টিকিটের নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামীকাল বুধবার (১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারের মেলায় বাংলাদেশসহ ২১টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪৮৩টি প্যাভিলিয়ন ও স্টল থাকবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। এবারের মেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন রাখা হয়েছে ৬৪টি। এছাড়া সাধারণ প্যাভিলিয়ন ১৩টি, সাধারণ মিনি প্যাভিলিয়ন ৫৯টি ও প্রিমিয়াম মিনি প্যাভিলিয়ন ৪২টি। এমকে
কাল শুরু হচ্ছে বাণিজ্য মেলা, টিকিটের দাম বেড়েছে ১০ টাকা
বছরজুড়েই বেসামাল নিত্যপণ্যের বাজার (ভিডিও)
বছরজুড়েই বেসামাল নিত্যপণ্যের বাজার। এর মধ্যে ভোক্তাদের সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে পেঁয়াজ ও চালের দাম। সরকারি হিসেবে বছরের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে ১৫ শতাংশ। আর ২৭০ শতাংশ বেড়েছে পেঁয়াজে।  বেড়েছে ভোজ্যতেল, মাংস ও রসুনের দামও। এ অবস্থায় বিশ্লেষকদের পরামর্শ, আসছে বছর নিত্যপণ্য ভোক্তার নাগালে রাখতে ব্যবস্থা নিতে হবে বছরের শুরু থেকেই।  বছরের মাঝামাঝির পর এসে হঠাৎই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এতে বাংলাদেশের বাজারে, ঝাঁজ বেড়ে যায়, পণ্যটির। ৩০ টাকার পেঁয়াজ ভোক্তাদের কিনতে হয় ২৫০ বা তারও বেশি টাকায়। সরকারি তৎপরতায় দাম কিছুটা কমানো গেলেও নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় কমছে দাম। তারপরও কিনতে হচ্ছে গত বছরের চেয়ে আড়াই গুণের বেশি দামে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। পেঁয়াজের পাশাপাশি বেসামাল হয়ে পড়ে, লবনের বাজারও। দাম বাড়তে পারে, এমন গুজবে ভোক্তারা দেদারসে কিনতে থাকে, লবন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৫ টাকার লবন বিক্রি হয় দেড়শ টাকা পর্যন্ত। যদিও বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে শাস্তি আওতায় এনে, দ্রুত বাজার শান্ত করে, ‘জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর’। চাল বাজারে অস্থিরতার শুরু বছরের প্রথম থেকে, যা বছর শেষেও চলছে।  কৃষক বেশি দামে চাল বিক্রি করছে, এমন অজুহাতে গেল মাসেও প্রায় সব ধরণের চালের দাম কেজিতে বেড়েছে, চার থেকে ছয় টাকা। সারা বছর স্থিতিশীল থাকলেও শেষে এসে বেড়েছে সয়াবিন তেলের দাম।  বোতল ও খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৪ টাকা। সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান টিসিবি’র তথ্যেই, (জিএফএক্স) গেল বছরের ৩৫ টাকা রসুন ১৭৮ শতাংশ বেড়ে এ বছর বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।  এছাড়া ময়দার দাম বেড়েছে নয় শতাংশ, মশুর ডাল ২০ শতাংশ, আলু ১০ শতাংশ, আদা ২৮ শতাংশ, গরুর মাংস ১১ শতাংশ এবং প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে, ৩০ শতাংশ। অর্থনীতিবিদ নাজনীন আহমেদ বলছেন, পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে, সরকার ও ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতি নিতে হবে, বছরের শুরু থেকে। এসজে
বছরজুড়েই বেসামাল নিত্যপণ্যের বাজার (ভিডিও)
দাবি না মানায় আবারও অনশনে রাজশাহীর পাটকল শ্রমিকরা
জাতীয় মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবি না মানায় আবারও আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন রাজশাহী জুট মিলের শ্রমিকরা। রোববার দুপুর ২টা থেকে রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী এলাকার রাষ্ট্রায়ত্ত এই পাটকলের সামনে কাঁথা-বালিশ নিয়ে এই আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এ বিষয়ে রাজশাহী জুট মিলসের সিবিএ সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, তাদের ১১ দফা দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক হয়েছে। তবে তারা আমাদের দাবি মেনে নেয়নি। তাই আমরা আবারও আমরণ অনশন শুরু করেছি। তিনি আরও বলেন, সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত দাবি মেনে না নিবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাব। এর আগে গত নভেম্বর থেকে শ্রমিক সমাবেশ, প্রতীকী সমাবেশ, অনশন কর্মসূচি এবং পরে ২৪ ঘণ্টা উৎপাদন বন্ধ রেখে ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নে আন্দোলন করেছিল শ্রমিকরা। পরে গত ১০ ডিসেম্বর থেকে তারা আমরণ অনশন শুরু করেন। পরে সরকারের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে আন্দোলনরত শ্রমিকরা গত ১৪ ডিসেম্বর অনশন কর্মসূচি স্থগিত করে কাজে যোগ দেন। এজে/পি
দাবি না মানায় আবারও অনশনে রাজশাহীর পাটকল শ্রমিকরা
আরও পড়ুন
ডিএনসিসির মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আতিক
ঢাকা দক্ষিণে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তাপস
ঢাকা-১০ ও গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোট মার্চে
ওয়াহাবের পেস তাণ্ডবে ঢাকার বড় জয়