ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা-১০ ও গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোট মার্চে

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৯ এএম

ঢাকা-১০ ও গাইবান্ধা-৩ আসন শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়। শূন্য ঘোষণার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে আসন দুটিতে উপনির্বাচনের আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আসন শূন্য ঘোষণার চিঠি পাওয়ার পর নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি। আগামী মার্চে এ দুটি আসনে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার পর ২৯ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য হয়। অপরদিকে ২৭ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইউনুস আলী সরকারের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়।

এই আসন দুটি শূন্য ঘোষণার চিঠি এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়।

আইন অনুযায়ী, গাইবান্ধা-৩ আসনে ২০২০ সালে ২৫ মার্চ হচ্ছে উপনির্বাচনের শেষ সময়। আর ঢাকা-১০ আসনে উপনির্বাচন আগামী ২৭ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, আসন শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে ভোট সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী নির্বাচন হবে। আমরা সে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সংবিধানের ১২৩(৪) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সংসদ ভাঙিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে (তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দুর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে)।’

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সবাইকে নিয়েই একসঙ্গে কাজ করব: তাপস
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আগামী বছর ঢাকাবাসীর জন্য একটি নবসূচনা করতে পারব। আমাদের অনেক করণীয় আছে। দীর্ঘদিন ঢাকাবাসী তাদের নাগরিক সেবা থেকে অবহেলিত-বঞ্চিত। আসন্ন নির্বাচনে ঢাকাবাসী যদি আমাকে নির্বাচিত করে, তাদের সেবক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেয়, তাহলে নাগরিক মৌলিক সেবা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম ও প্রধান কাজ। সবাইকে নিয়েই একসঙ্গে কাজ করব। রাজধানীর গোপীবাগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মঙ্গলবার সকালে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি একথা বলেন। ব্যারিস্টার তাপস বলেন, আপনারা আমাকে পরীক্ষা করে দেখবেন। আপনাদের সেবক হিসেবে নির্বাচিত হলে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ইনশাআল্লাহ দ্রুত বাস্তবায়ন করব। আমি আশা করব ঢাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। ঢাকাবাসীকে আরও বেশি সেবা দেয়ার ইচ্ছা থেকেই আমি মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। দুই সিটির রিটার্নিং কমকর্তার দপ্তর সূত্র জানা গেছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মোট দুই হাজার ২৬০টি মনোনয়নপত্র বিতরণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে উত্তর সিটিতে এক হাজার ১৫টি এবং দক্ষিণ সিটিতে এক হাজার ২৪৫টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। উত্তরে মেয়র পদে ১০ জন এবং দক্ষিণে ৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। উল্লেখ্য, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি। ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ হবে ৩০ জানুয়ারি। পি
সবাইকে নিয়েই একসঙ্গে কাজ করব: তাপস
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তাবিথ বললেন, ‘শেষটা দেখে ছাড়বো’
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বলেছেন, শেষ পর্যন্ত ইলেকশনে থাকবো এবং শেষটা দেখে ছাড়বো। এর আগে তিনি ডিএনসিসির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেমের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তাবিথ। এসময় তাবিথ আউয়াল সংলাপের দাবি জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে ইভিএমে ভোট না করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আজ ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জানুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি। এসজে/পি
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তাবিথ বললেন, ‘শেষটা দেখে ছাড়বো’
ঢাকা দক্ষিণে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তাপস
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রাজধানীর গোপীবাগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মঙ্গলবার সকালে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আগামী বছর ঢাকাবাসীর জন্য একটি নবসূচনা করতে পারব। আমাদের অনেক করণীয় আছে। দীর্ঘদিন ঢাকাবাসী তাদের নাগরিক সেবা থেকে অবহেলিত-বঞ্চিত। আসন্ন নির্বাচনে ঢাকাবাসী যদি আমাকে নির্বাচিত করে, তাদের সেবক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেয়, তাহলে নাগরিক মৌলিক সেবা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম ও প্রধান কাজ। সকলকে নিয়েই আমরা একসঙ্গে কাজ করব। ব্যারিস্টার তাপস আরও বলেন, আপনারা আমাকে পরীক্ষা করে দেখবেন। আপনাদের সেবক হিসেবে নির্বাচিত হলে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ইনশাআল্লাহ দ্রুত বাস্তবায়ন করব। আমি আশা করব ঢাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। ঢাকাবাসীকে আরও বেশি সেবা দেয়ার ইচ্ছা থেকেই আমি মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। দুই সিটির রিটার্নিং কমকর্তার দপ্তর সূত্র জানা গেছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মোট দুই হাজার ২৬০টি মনোনয়নপত্র বিতরণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে উত্তর সিটিতে এক হাজার ১৫টি এবং দক্ষিণ সিটিতে এক হাজার ২৪৫টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। উত্তরে মেয়র পদে ১০ জন এবং দক্ষিণে ৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। দক্ষিণের মেয়রপ্রার্থীরা হলেন- ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, বিএনপির ইশরাক হোসেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মানবেন্দ্র দেব, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আকতারউজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুর রহমান, পিডিপির মো. বাহারানে সুলতান বাহার, জাতীয় পার্টির মো. সাইফুদ্দিন ও স্বতন্ত্র আব্দুস সামাদ সুজন। অপরদিকে ঢাকা উত্তরের মেয়রপ্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের আতিকুল ইসলাম, বিএনপির তাবিথ আউয়াল, জাতীয় পার্টির জি এম কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আহম্মেদ সাজ্জাদুল হক, গণফ্রন্টের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ, পিডিপির শাহীন খান, স্বতন্ত্র স্বাধীন আক্তার আইরিন ও এনপিপির মো. আনিসুর রহমান দেওয়ান। উল্লেখ্য, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি। ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ হবে ৩০ জানুয়ারি। পি
ঢাকা দক্ষিণে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তাপস
ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন / মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ (মঙ্গলবার)। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির চার হেভিওয়েট প্রার্থী দুপুরের দিকে মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন। আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলাম দুপুর সাড়ে বারটায় মনোনয়নপত্র দাখিল করতে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যাবেন। আর বিএনপির দুই প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন মনোনয়নপত্র জমা দেবেন দুপুর আড়াইটায়। এখন পর্যন্ত উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে ১০ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮২৮ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৭৭ জন মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। অপরদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে ৮ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে এক হাজার ৪৭ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৯০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। ঢাকা উত্তর সিটির রিটার্নিং অফিসার মো. আবুল কাসেম ও দক্ষিণ সিটির রিটার্নিং অফিসার মো. আবদুল বাতেন জানিয়েছেন, মনোনয়ন জমার সময় প্রার্থীরা ৫ জনের বেশি লোক সমবেত করতে পারবেন না। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী সম্ভাব্য প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন। পি
মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ
ঢাকা সিটি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান টিআইবির
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত দিবসের আগের দিন (২৯ জানুয়ারি ২০২০) হওয়ায় এ দাবি জানায় সংস্থাটি। অবশ্য পঞ্জিকা অনুসারে সরস্বতী পূজা হওয়ার কথা ৩০ জানুয়ারি। ইতোমধ্যে পূজার দিন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। টিআইবি বিবৃতিতে জানায়, নির্বাচন কমিশন আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করায় অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। তাই, নির্বাচনী প্রস্তুতির স্বার্থে বড় সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একদিন পূর্বেই নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনা হতে পারে। এই অবস্থায় রাজধানীর অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই এ বছর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সরস্বতী পূজার উদযাপন বাধার মুখে পড়বে। সনাতন ধর্ম মতে, জ্ঞান ও বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায় বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা বাণী অর্চনাসহ নানাবিধ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। মন্দিরের পাশাপাশি এসব আয়োজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। ঢাকায় অবস্থিত প্রায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই বরাবরের মতো সরস্বতী পূজা হওয়ার কথা। পি
ঢাকা সিটি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান টিআইবির
আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে প্রথমবারের মতো ইভিএমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন
কুমিল্লায় ভোট শুরুর আগেই গুলিবিদ্ধ ৫
চরফ্যাশনের দুটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন চলছে
পাসপোর্ট-ভোটার কার্ডই নাগরিকত্বের প্রমাণ দেয়: মুম্বাইয়ের আদালত