ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:২৭ পিএম

একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের লাখো গ্রাহকের জন্য বড় স্বস্তির খবর দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আলোচিত পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের হিসাব নতুনভাবে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এ স্থানান্তরের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই গ্রাহকরা নিজ নিজ ব্যাংকের বিদ্যমান চেক বই ব্যবহার করে টাকা তুলতে পারবেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানান।

অনিয়ম, দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও ঋণ খেলাপির চাপে দেশের কয়েকটি ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে তীব্র তারল্য সংকটে পড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে সংকটে থাকা পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ গঠনের অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলো হলো এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানান, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আমানত স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন হতে পারে। প্রক্রিয়া শেষ হলে এই পাঁচ ব্যাংকের সব গ্রাহকের জমা অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের হিসাবে স্থানান্তরিত হবে। এরপর গ্রাহকরা তাদের পুরোনো চেক বই ব্যবহার করে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। অবশিষ্ট আমানত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে এবং তাতে প্রচলিত হারে মুনাফাও দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, নতুন এই ব্যাংক রাষ্ট্র মালিকানাধীন হওয়ায় আমানতকারীদের আস্থা ধীরে ধীরে ফিরে আসবে। এতে অতিরিক্ত টাকা তোলার চাপও অনেকটাই কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে একজন গ্রাহক একবারে দুই লাখ টাকার বেশি তুলতে পারবেন না। তবে ধাপে ধাপে উত্তোলনের সীমা বাড়ানো হবে। যাদের হিসাবে দুই লাখ টাকার কম রয়েছে, তারা একবারেই পুরো টাকা তুলতে পারবেন। আর যাদের হিসাবে দুই লাখ টাকার বেশি জমা আছে, তারা চাইলে প্রতি তিন মাস অন্তর এক লাখ টাকা করে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত টাকা তুলতে পারবেন। ৬০ বছরের বেশি বয়সী ও গুরুতর রোগে আক্রান্ত আমানতকারীদের ক্ষেত্রে এই সীমা শিথিল রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তারা যেকোনো পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে রাজধানীর সেনাকল্যাণ ভবনে। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। অনুমোদিত মূলধন ধরা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকে বর্তমানে প্রায় ৭৫ লাখ আমানতকারীর মোট জমা রয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। বিপরীতে ঋণের পরিমাণ এক লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা, যার বড় অংশই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। সারা দেশে এসব ব্যাংকের রয়েছে ৭৬০টি শাখা, ৬৯৮টি উপশাখা, ৫১১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ৯৭৫টি এটিএম বুথ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশা, এই একীভূতকরণের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং গ্রাহকদের আস্থার সংকট কাটবে।

আরটিভি/এএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও আজ ব্যাংক খোলা 
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও আজ সারা দেশে ব্যাংক খোলা থাকবে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের জামানত ও ভোটার তালিকার সিডি কেনার অর্থ ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমার সুবিধার্থে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা খোলা থাকবে। আরও পড়ুন শনিবার ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর।  এর আগে, ২৫ ডিসেম্বর বড় দিন উপলক্ষে ছুটি ছিল এবং গতকাল ছিল শুক্রবার।   আরটিভি/আইএম 
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও আজ ব্যাংক খোলা 
শনিবার ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের সুবিধার্থে আগামী শনিবার সারাদেশে সব তফসিলি ব্যাংক খোলা থাকবে। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। সেই অনুযায়ী সব ব্যাংকের সব শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তি এই তথ্য জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের জামানত ও ভোটার তালিকার সিডি কেনার অর্থ ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমার সুবিধায় ২৭ ডিসেম্বর তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা খোলা থাকবে। এর আগে নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়, ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। তবে এর আগে টানা তিন দিনের ছুটির কবলে পড়ছে দেশ। ২৫ ডিসেম্বর যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন (বড়দিন) উপলক্ষে সাধারণ ছুটি। এরপর ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। আরও পড়ুন বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থানে ১৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জামানত এবং ভোটার তালিকার সিডি ক্রয়ের টাকা ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। টানা তিন দিন ব্যাংক বন্ধ থাকলে প্রার্থীদের পক্ষে এই অর্থ জমা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই সংকট নিরসনে আগামী শনিবার সারা দেশে সব তফসিলি ব্যাংক খোলা রাখার পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর ফলে প্রার্থীরা ওই দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পন্ন করে তাঁদের প্রয়োজনীয় পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালান সংগ্রহ করতে পারবেন। ১১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করে। সেই অনুযায়ী প্রার্থীরা এখন মনোনয়নপত্র সংগ্রহের কাজ করছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আরটিভি/এস
শনিবার ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আরও কমতে পারে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার, কার্যকর ১ জানুয়ারি থেকে 
জানুয়ারি থেকে নতুন নির্ধারিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবারও কমানোর প্রস্তাব করেছে অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ। অর্থ উপদেষ্টার অনুমোদন হলেই কার্যকর হবে এই হার। প্রস্তাব অনুমোদন হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) পরিপত্র জারি করবে। অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন হার ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ। নতুন প্রস্তাবে গড়ে দশমিক ৫ শতাংশ মুনাফা কমানোর প্রস্তাব রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ রোববার রাতে বলেন, প্রস্তাবটি এখনো আমার কাছে আসেনি। তবে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির স্বার্থে ব্যাংকারদের দিক থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কিছুটা কমানোর একটা দাবি আছে। সার্বিক স্বার্থ বিবেচনায় রেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব। তবে কম অঙ্কের বিনিয়োগে মুনাফার হার তুলনামূলক বেশি রাখা হবে এবং বড় অঙ্কের বিনিয়োগে হার হবে কম। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা এর কম বিনিয়োগে মুনাফা বেশি এবং এর বেশি বিনিয়োগে মুনাফা কম নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। সরকার গত ৩০ জুন আয় ও ঋণ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে নিয়মিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়। তখন গড় মুনাফার হার কিছুটা কমিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, ছয় মাস পর আবার হার পুনর্নির্ধারণ করা হবে।৩১ ডিসেম্বর সেই ছয় মাসের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে। এ বিষয়ে আইআরডি সচিব মো. আবদুর রহমান খান বলেন, মুনাফার হার বাড়ছে না কমছে, বলতে পারব না। পুরো বিষয়টি এখন অর্থ বিভাগ দেখছে। অর্থ বিভাগের সুপারিশ এলে আমরা পরিপত্র জারি করব। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রের মধ্যে পরিবার সঞ্চয়পত্র সবচেয়ে জনপ্রিয়। বর্তমানে এ সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। গত ১ জুলাইয়ের আগে এ হার ছিল ১২ শতাংশের বেশি। এ ছাড়া পেনশনার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফা ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ, বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের মেয়াদি হিসাবে তিন বছর মেয়াদ পূর্ণ হলে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফা ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তবে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড, ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড ও ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবের মুনাফার হারে কোনো পরিবর্তন আসছে না বলে জানা গেছে। এদিকে বেসরকারি ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বলেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বেশি হলে স্বাভাবিক কারণেই সঞ্চয় চলে যায় সরকারি তহবিলে। এ হার একটু কমলে তা ব্যাংকে আসবে, যা বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই–অক্টোবর) সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে সরকার নিট ২ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এর আগের ২০২৪–২৫ অর্থবছরে নিট ঋণ ছিল ঋণাত্মক, প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। গত অক্টোবর শেষে সঞ্চয়পত্রে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়ায় ৩ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। আরটিভি/এএ 
আরও কমতে পারে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার, কার্যকর ১ জানুয়ারি থেকে 
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও সুখবর
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।  বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ২৭ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার।  এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার। আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে যা ছিল ২৭ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া, গত ৯ নভেম্বর আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধের পর গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ২৬ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের মে-জুন মেয়াদের আমদানি ব্যয়ের বিপরীতে বাংলাদেশ জুলাইয়ে আকুকে ১ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল, যা ছিল তখন পর্যন্ত বড় অঙ্কের বিল। এরপর ২০২৩ সালজুড়ে দ্বিমাসিক আকুর বিল কমে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল। তবে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে এটি আবার বাড়তে শুরু করে। চলতি বছরের মে-জুনে বিলের পরিমাণ পৌঁছে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রসঙ্গত, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। আরটিভি/কেএইচ
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও সুখবর
আরও ১৪৯ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
১৬টি ব্যাংকের কাছ থেকে আরও ১৪৯ মিলিয়ন বা ১৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২১ টাকা ২৫ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা। কাটঅফ মূল্য ছিল ১২২ টাকা ২৯ পয়সা। এর আগেও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েক দফায় নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন পর্যন্ত মোট কেনা হয়েছে ২৬৬ কোটি ৩০ লাখ বা ২.৬৬ বিলিয়ন ডলার।  আরটিভি/এএ 
আরও ১৪৯ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আরও পড়ুন
জার্মানিতে ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউরো ডাকাতি
৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের বড় সুখবর দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও আজ ব্যাংক খোলা 
৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের টাকা উত্তোলন প্রসঙ্গে যা জানা গেল