ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

অনুপ কুমার সাহাকে সিইও পদে পদোন্নতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:২৩ পিএম
অনুপ কুমার সাহা

অনুপ কুমার সাহাকে আকিজ ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেড-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে আকিজ বেকার্স-এর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তিন দশকেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন অভিজ্ঞ সি-সুইট নির্বাহী হিসেবে তিনি মূলত এফএমসিজি (ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস) খাতে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তিনি স্বাধীনভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেছেন এবং ধারাবাহিকভাবে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি (টপ-লাইন) ও মুনাফা বৃদ্ধিতে (বটম-লাইন) শক্তিশালী সাফল্য অর্জন করেছেন।

আরও পড়ুন

পরিবর্তনের দূত হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত সাহা কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি ও উদ্যোক্তাসুলভ নেতৃত্বের মাধ্যমে আটা মিলিং, চালকল, ভোজ্যতেল এবং ডাল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠা ও বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

মার্কেটিং ও বিক্রয়, অপারেশনস, সাপ্লাই চেইন, ফাইন্যান্স, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, কমপ্লায়েন্স এবং কোয়ালিটি কন্ট্রোল—ব্যবসা পরিচালনার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তার রয়েছে পূর্ণাঙ্গ ৩৬০-ডিগ্রি দক্ষতা। আশা করা হচ্ছে, তার এই অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব আকিজ গ্রুপের খাদ্য ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে।

আরটিভি/এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড জিতেছে মোজো
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ টানা দ্বিতীয়বারের মতো সেরা বেভারেজ ব্র্যান্ডের গৌরব অর্জন করেছে মোজো। বছরের পর বছর ধরে ভোক্তাদের অটুট বিশ্বাস, ভালোবাসা এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ মোজো এই সম্মাননা লাভ করে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভোক্তাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি দেশের সেরা ১৫টি ব্র্যান্ডের তালিকাতেও নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে মোজো। দেশের প্রতিযোগিতামূলক বেভারেজ বাজারে মোজো’র এই ধারাবাহিক সাফল্য ব্র্যান্ডটির প্রতি সাধারণ মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন ও শক্তিশালী অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ। শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে এই অর্জন মোজো’র জনপ্রিয়তাকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের পক্ষ থেকে এই সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে মোজো’র গুণগত মান ও ব্র্যান্ড ভ্যালুর যথার্থ মূল্যায়ন করা হয়েছে। আরটিভি/এএইচ
বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড জিতেছে মোজো
আবারও দেশের নাম্বার ওয়ান ফ্রিজ, এসি ও টিভি ব্র্যান্ড ওয়ালটন
দেশজুড়ে কোটি কোটি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসায় আবারো দেশের সেরা রেফ্রিজারেটর, এসি (এয়ারকন্ডিশনার) ও টেলিভিশন ব্র্যান্ড হওয়ার গৌরব অর্জন করলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। ৩টি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন পেয়েছে ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ডের ১৭তম আসরে ‘মোস্ট লাভড ব্র্যান্ড অব বাংলাদেশ’ এর সম্মাননায় ভূষিত হয়েছে ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর, এসি ও টেলিভিশন। এই নিয়ে ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর টানা ১২ বার, টিভি টানা ৩ বার এবং এসি পরপর দুই বছর বেস্ট ব্র্যান্ডের সম্মাননা পেলো। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে আয়োজিত ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড—২০২৫’ এর জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটনকে দেশের নাম্বার ওয়ান রেফ্রিজারেটর, এসি ও টিভি ব্র্যান্ডের সম্মাননা প্রদান করা হয়। আরও পড়ুন কোহিনূর কেমিকেলের ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে পুরস্কারগুলো গ্রহণের সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন এসির চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তানভীর রহমান, ওয়ালটন ফ্রিজের সিবিও মো. তাহসিনুল হক, ওয়ালটন হাই—টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর  শাহজালাল হোসেন লিমন ও তানভীর আঞ্জুম, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ প্রমুখ। পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় দেশজুড়ে ওয়ালটনের অগণিত গ্রাহক, পরিবেশক, ডিলারসহ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/এফএ
আবারও দেশের নাম্বার ওয়ান ফ্রিজ, এসি ও টিভি ব্র্যান্ড ওয়ালটন
কোহিনূর কেমিকেলের ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
দেশের স্বনামধন্য প্রসাধনী প্রস্তুতকারক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান কোহিনূর কেমিকেল কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড-এর ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল সোয়া ৩টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রেজাউল করিম।  আরও পড়ুন ভারতের কসমোপ্রফ প্রদর্শনীতে রিমার্কের স্টলে উপচেপড়া ভিড় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পরিচালক মো. এবাদুল করিম, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন ও কাজী মামুনুল আশরাফ, কোম্পানি সচিব মো. কামরুজ্জামান, এবং সিএফও মোহা. শামীম কবির। সভায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী ও কোম্পানির সার্বিক কার্যক্রমের উপর আলোচনা করা হয় এবং আলোচ্যসূচিগুলো শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।  এ ছাড়া ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য ৬৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ এবং ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন হয়। আরটিভি/এফএ
কোহিনূর কেমিকেলের ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ভারতের কসমোপ্রফ প্রদর্শনীতে রিমার্কের স্টলে উপচেপড়া ভিড়
উপমহাদেশের বৃহত্তম কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্যের প্রদর্শনী কসমোপ্রফ- ভারত ২০২৫ এ অংশ নিয়েছে দেশের শীর্ষ কসমেটিকস ও স্কীনকেয়ার টেকনোলজি জায়ান্ট কোম্পানি রিমার্ক এলএলসি ইউএসএ’র এফিলিয়েটেড রিমার্ক এইচবি লিমিটেড।  দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম এই বৃহৎ আয়োজনে রিমার্কের বাংলাদেশে উৎপাদিত গ্লোবাল ব্র্যান্ডের পণ্যগুলো প্রদর্শিত হচ্ছে। ভারতের মুম্বাইয়ে জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টারের জেসমিন হল-১ এ এই প্রদর্শনীর শেষ দিন আজ।  এর আগে, প্রদর্শনীর প্রথম দুই দিনে দর্শকদের অন্যতম আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল রিমার্কের স্টল। বিশেষত এবারের প্রদর্শনীতে রিমার্ক তাদের বাংলাদেশে উৎপাদিত আন্তর্জাতিক পণ্যগুলোর প্রদর্শনী করেছে। তাই কসমেটিকস খাতে প্রতিবেশি দেশ কতটা এগোলো সেটা দেখতেই প্রদর্শনীতে উপস্থিত কসমোটোলজিস্টদের অন্যতম আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। ভারতে রিমার্কের ডিস্ট্রিবিউটর জি এম শান্তি ট্রেড লিন্ক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির পরিচালক পার্থ প্যটেল বলেন, আমরা ভারতজুড়ে রিমার্কের পণ‍্য বাজারজাতকরণে কাজ করছি। এ ধরণের আন্তর্জাতিক মেলায় রিমার্কের অংশগ্রহণ খুবই ইতিবাচক দিক। এই কোম্পানির সেরা মানের পণ্য সম্পর্কে ভারতীয় ক্রেতারা জানতে পারবেন। ইতিমধ্যে রিমার্কের উন্নতমানের পণ‍্য ভারতীয় মান ও সনদ নিশ্চিত করেছে। আমরা আশা করছি অল্প দিনের মধ্যেই ভারতের বাজারে রিমার্কের পণ‍্য খুব জনপ্রিয়তা লাভ করবে। তিনি আরও জানান, এবারের কসমোপ্রফ ইন্ডিয়ায় রিমার্ক প্রায় ৪ শতাধিক পণ্য প্রদর্শন করেছে। বিশ্বের খ্যাতনামা ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে রয়েছে রিমার্কের কালার কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্য। বিশেষ করে নিওর, হারল্যান, ব্লেইজ ও স্কিন, ডার্মা ইউ, ক্যাভোটিন, ইউএস লিলিসহ রিমার্কের বেশ কিছু কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড এর পণ্য নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীর মনোযোগ ছিলো উল্লেখযোগ্য।  রিমার্ক গ্লোবাল এক্সপোজের সিইও আলমগীর আলম সরকার জানান, রিমার্ক বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের প্রদর্শন করেছে। আমাদের ব্র্যান্ডগুলো সর্বস্তরের ভোক্তাদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এই সুদৃঢ় অবস্থানকে বিশ্বব্যাপী আরও ছড়িয়ে দিতেই আমাদের প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। গ্লোবাল ব্র্যান্ডের বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্য নিয়ে অংশগ্রহণ উৎপাদন খাতে বাংলাদেশের সুনাম আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। তিনি আরও জানান, এরইমধ্যে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে রিমার্কের পণ্য রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব সুবিশাল বাজারে বাংলাদেশে উৎপাদিত আমাদের কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। প্রদর্শনী থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে রিমার্কের পণ্য রপ্তানির আরও বড় সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করছি। এবারের কসমোপ্রফ থেকে নতুন রপ্তানি আদেশ বাংলাদেশে কসমেটিকস পণ্য উৎপাদনের আরেকটি মাইলফলক পার করবে বলে মনে করছি। তাছাড়া রিমার্কের অপরাপর ত্বক সুরক্ষা ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে হালাল সার্টিফিকেশন প্রাপ্ত পণ্যও বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হবে। আশা করছি মধ্যপ্রাচ্যসহ হালাল কসমেটিকস এর বিশ্ব বাজারে প্রবেশ করতে পারবো আমরা। কোরিয়া ও ইউরোপিয়ান প্যাভিলিয়নের অংশে -এইচ ৩৬ নম্বর স্টলে রয়েছে রিমার্কের প্রদর্শনী। কসমোপ্রফের ভারত পর্বের এই প্রদর্শনীতে ইতালি, ব্রাজিল, কোরিয়া এবং জার্মানিসহ ২০টির বেশি দেশের ৮ শতাধিক গ্লোবাল ব্র্যান্ড অংশ নিয়েছে। আয়োজকরা ধারণা করছেন এবারের প্রদর্শনীতে কসমেটিকস শিল্পের সঙ্গে জড়িত ১০ হাজার প্রতিনিধি ও ৫ লাখ দর্শনার্থীর সমাগম হবে। ত্বক সুরক্ষা ও সৌন্দর্যের বিকাশে রিমার্কের পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বব্যাপী। কসমোপ্রফ ভারতে এবারই প্রথম কোনো বিদেশি ব্র্যান্ডের বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের প্রদর্শন হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে উৎপাদিত কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্য রপ্তানিতে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।  রিমার্কের এই প্রতিনিধিত্ব দক্ষিণ এশিয়ার কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার খাতের জন্য একটি মাইলফলক বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। রিমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আলম বলেন, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ রিমার্ক এইচবির উৎপাদন প্রক্রিয়া সিজিএমপি (গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস সার্টিফিকেট) এবং আইএসও স্বীকৃত যা নিশ্চিত করে যেসকল পণ্য সর্বোচ্চ গুণগত ও নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসারে তৈরি করা হয়। এই উৎকর্ষতার প্রতিশ্রুতি রিমার্ক এইচবি লিমিটেডকে বাংলাদেশের কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার শিল্পে শীর্ষস্থানীয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। উল্লেখ্য, লাখো ভোক্তার আস্থা অর্জন করে রিমার্ক এইচবি দক্ষিণ এশিয়ায় কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্য উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে। গুণগত মান, সাশ্রয়ী মূল্য ও বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এই শিল্পে একটি নতুন সংজ্ঞা রচনা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় ত্বকের নানান সমস্যার সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা রেখে যাচ্ছে রিমার্কের গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো। ইতোমধ্যে রিমার্কের আন্তর্জাতিক পণ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশে উৎপাদিত কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্য অনেক দেশে রপ্তানি হচ্ছে এবং নতুন নতুন গন্তব্যে রপ্তানি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আরটিভি/আরএ
ভারতের কসমোপ্রফ প্রদর্শনীতে রিমার্কের স্টলে উপচেপড়া ভিড়
এনইআইআর নিয়ে সরকারের সঙ্গে বসতে চান মোবাইল ব্যবসায়ীরা
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের আগে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসে আলোচনা ও নীতিমালা সংস্কারসহ বেশ কিছু দাবিতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেছে স্মার্টফোন ও গ্যাজেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। রোববার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার-পান্থপথ এলাকায় আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের মোবাইল ফোন ব্যবসার মার্কেট শেয়ার যাদের ৭০ শতাংশের বেশি তাদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে এনইআইআর চালু করুন। আমরা কোনোভাবেই এনইআইআর-এর বিরুদ্ধে না। তবে এই প্রক্রিয়ার কিছু সংস্কার, ন্যায্য করনীতি প্রণয়ন, একচেটিয়া সিন্ডিকেট বিলোপ এবং মুক্ত বাণিজ্যের স্বার্থে সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমাদের কিছু দাবি ও প্রস্তাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের ব্যাখ্যা সরকারকে বলতে চাই, কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের বিশাল সংখ্যক ব্যবসায়ীদের কথা না শুনেই একতরফা এনইআইআর চালু করতে যাচ্ছে। মানববন্ধনে ব্যবসায়ী নেতারা অভিযোগ করে বলেন, কোনো প্রকার পূর্ব-পরামর্শ ছাড়াই হঠাৎ এনইআইআর বাস্তবায়নের ঘোষণা বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর ফলে দেশের প্রায় ২৫ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং এর সঙ্গে জড়িত ২০ লাখেরও বেশি মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। আমরা বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছি। বর্তমানে আমাদের স্টকে কোটি কোটি টাকার হ্যান্ডসেট রয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ অবিক্রিত হ্যান্ডসেট বিক্রি করা অসম্ভব। এমতাবস্থায় আমাদের দাবি না মেনে গুটি কয়েক ব্যবসায়ীকে একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ করে দিলে আমরা পথে বসবো। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার যদি এনইআইআর চালুর আগে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় না বসেন, তবে সারাদেশের মোবাইল ব্যবসায়ীরা ঢাকায় জড়ো হয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবেন। আরও পড়ুন হোয়াটসঅ্যাপ দিয়েই পাঠানো যাবে টাকা এমবিসিবির নেতারা বলেন, এনইআইআর-এর বর্তমান কাঠামো যদি অপরিবর্তিতভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে শুল্ক ৫৭ শতাংশ হোক কিংবা শূন্য শতাংশ, কোনো অবস্থাতেই বৈধ উপায়ে মোবাইল ফোন আমদানি সম্ভব হবে না। কারণ বিটিআরসির আমদানি নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, কোনো বিদেশি ব্র্যান্ড যদি স্থানীয়ভাবে তাদের পণ্য সংযোজন করে, তাহলে সেই ব্র্যান্ডের কোনো মডেল অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান আমদানি করতে পারবে না। তাদের মতে, এই নীতিমালা কার্যত মনোপলি ব্যবসার সুযোগ তৈরি করছে। এর ফলে বাজারে বিদ্যমান প্রতিযোগিতা বিলুপ্ত হবে এবং প্রায় ১৮ কোটি মানুষের মোবাইল ফোন বাজারের নিয়ন্ত্রণ গুটি কয়েক প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যাবে। একই সঙ্গে স্মার্টফোনের দাম আকস্মিকভাবে বেড়ে যাবে এবং সাধারণ ভোক্তারা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এছাড়া এতে দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন। মানববন্ধনে মোবাইল খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রস্তুতকারকের সঙ্গে বাধ্যতামূলক চুক্তিপত্র বাতিল, বিল অফ এন্ট্রি জমা দিলেই হ্যান্ডসেটের স্বয়ংক্রিয় রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা, স্টকে থাকা অবিক্রিত হ্যান্ডসেট বিক্রির জন্য কোন একটি নীতিমালা অথবা অতিরিক্ত সময় প্রদান, বিদেশি হ্যান্ডসেটের ওপর বিদ্যমান ৫৭ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনা, স্থানীয় প্রস্তুতকারকদের রিটেইল বা খুচরা ব্যবসায় সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা, এনইআইআর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা একাধিক মন্ত্রণালয়ের অংশগ্রহণে পরিচালনা করা এবং গবেষণাভিত্তিক এবং বাস্তবসম্মত নীতিমালা প্রণয়ন করা। মানববন্ধনে এমবিসিবির সেন্ট্রাল কমিটির প্রতিনিধিরাসহ ঢাকার বিভিন্ন মার্কেটের মালিক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে এর আগের দিন (শনিবার) সারাদেশের সকল মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলায় মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা একই দাবিতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। আরটিভি/এস
এনইআইআর নিয়ে সরকারের সঙ্গে বসতে চান  মোবাইল ব্যবসায়ীরা
আরও পড়ুন
কোন সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার কত
ব্যাংক নাকি সঞ্চয়পত্র বেশি লাভ কিসে, জেনে নিন মুনাফার নিয়ম
কোরআন ছুঁয়ে শপথ করিয়ে হাতিয়ে নিতো লাখ টাকা
উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ মুনাফায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নিতে পারবেন ঋণ