ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

‘সোর্ড ব্লেড’-এর ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১২ পিএম
ছবি: আরটিভি

বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল খালেক বলেছেন, গুণগত মান ধরে রেখে 'সোর্ড ব্লেড' পুনরায় বাজারে দেশের সেরা ব্র্যান্ড হিসেবে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করবে। এটি শুধু একটি পণ্য নয়, বরং এর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। উন্নত মান ও আধুনিক বিপণন কৌশলের মাধ্যমে এই ব্র্যান্ড ভোক্তাদের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গীস্থ ফ্যক্টরি প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরি লিমিটেড (বিবিএফএল)’র 'সোর্ড ব্লেড' ডিলার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিবিএফএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সহিদুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির পরিচালকবৃন্দ, কর্পোরেশন সচিব এবং বিপণন বিভাগের প্রধান ।

সম্মেলনে আমন্ত্রিত ডিলারগণ তাদের মতামত ব্যক্ত করে বলেন, 'সোর্ড ব্লেড'-এর হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে পণ্যের সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তারা বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করার ওপর জোর দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসইসি চেয়ারম্যান ডিলারদের সুচিন্তিত মতামতকে সাধুবাদ জানান এবং গুণগত মান বজায় রেখে উৎপাদন বৃদ্ধিতে পরিচালনা পর্ষদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সোর্ড ব্লেডের বাজার সম্প্রসারণে ডিলারদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিএসইসি ও বিবিএফএল-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শ্রমিক, কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’
মা দিবস উপলক্ষে হাসি-আনন্দ-গানে মায়ের সাথে বড় সেলিব্রেশনে প্রতিবারের মতো এবারও চপস্টিক আয়োজন করেছে ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’। 
মা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
আধুনিক নগর পরিকল্পনা, আইনগত স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সমন্বয়ে পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন আনন্দ হাউজিং সোসাইটি আবাসন খাতে একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হিসেবে ক্রমশ বিনিয়োগকারী ও প্লট ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে।  সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরু থেকেই একটি স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তি ও পরিবার এই প্রকল্পে প্লট ক্রয় করেছেন। অনেক ক্রেতা জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করায় নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।   নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা তদারকির ফলে প্রকল্পটি বিনিয়োগকারী ও ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আবাসিক পরিবেশে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।   আবাসন খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত, নগরায়ণের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা, আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপদ আবাসন পরিবেশসম্পন্ন প্রকল্পের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই বাস্তবতায় আনন্দ হাউজিং সোসাইটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি ভবিষ্যতে প্রকল্পটির বাজারমূল্য এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান থাকলেও প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাব-স্টেশন) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাসীদের ধর্মীয় ও সামাজিক চাহিদা বিবেচনায় একটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই নয়, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৯২৭টি রেজিস্ট্রি-যোগ্য প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬২ টি প্লটের রেজিস্ট্রি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকল্পের আইনগত স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অবশিষ্ট প্লটের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতি মাসে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আনন্দ হাউজিং সোসাইটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ হাউজিং সোসাইটি একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলমান উন্নয়ন, সফল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রকল্পটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আনন্দ হাউজিং সোসাইটি দেশের অন্যতম আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, এটি প্লট মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সংযোজন এবং উন্নত জীবনযাপনের একটি মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। আরটিভি/এসএস
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা
মোজো সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের পাশে থাকাই মোজো-এর অন্যতম অঙ্গীকার।
নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা
ন্যাশনাল ফাইন্যান্স পিএলসির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ন্যাশনাল ফাইন্যান্স পিএলসির ২৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ন্যাশনাল ফাইন্যান্স পিএলসির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প ‘পাইন সিটি’, নজর কাড়ছে বিনিয়োগকারীদের
রাজধানী ঢাকার সম্প্রসারিত আবাসন এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল পূর্বাচলকে কেন্দ্র করে নতুন নতুন আবাসন প্রকল্পের বিকাশ ঘটছে। এরই ধারাবাহিকতায় পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২৭ ও ২৮ নম্বর সেক্টরের সংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠছে পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প পাইন সিটি, যা ধীরে ধীরে আবাসন ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, কৌশলগত অবস্থান, পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যানের কারণে পাইন সিটিকে একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। পূর্বাচল নতুন শহরের সম্প্রসারণ এবং আশপাশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ইতিবাচক প্রভাব ভবিষ্যতে এ প্রকল্পেও পড়বে বলে আশা করছেন তারা। কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রকল্পটি এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যৎ বাসিন্দারা একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব আবাসিক পরিবেশ পান। প্রশস্ত সড়ক, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, নিরাপদ পানি সরবরাহ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় সবুজায়ন, উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণ এবং বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনায় শিশুদের জন্য খেলার মাঠ, হাঁটার পথ, কমিউনিটি স্পেস, মসজিদ এবং অন্যান্য সামাজিক অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আবাসন খাতের বিশ্লেষকদের মতে, পূর্বাচলকে ঘিরে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে আশপাশের আবাসন খাতের সম্ভাবনা দিন দিন বাড়ছে। সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন এবং রাজধানীর সঙ্গে সহজ সংযোগের কারণে এ অঞ্চলে আবাসন ও বিনিয়োগ-উভয় ক্ষেত্রেই আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আরও পড়ুন রাজধানীতে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ৩৭তম শাখার উদ্বোধন  প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দাবি, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং প্লট হস্তান্তর ও রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। এ কারণে ক্রেতাদের মধ্যে আস্থা বাড়ছে বলে তারা উল্লেখ করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, পাইন সিটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপ দিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, বাণিজ্যিক এলাকা, কমিউনিটি সেন্টার, ধর্মীয় স্থাপনা এবং পর্যাপ্ত সবুজ উন্মুক্ত স্থান নিশ্চিত করার উদ্যোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পিত নগরায়ণের বর্তমান ধারায় পূর্বাচলসংলগ্ন আবাসন প্রকল্পগুলোর গুরুত্ব ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে অবস্থানগত সুবিধা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন অব্যাহত থাকলে পাইন সিটিও ভবিষ্যতে একটি আকর্ষণীয় আবাসিক ঠিকানায় পরিণত হতে পারে। তবে আবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যেকোনো প্রকল্পে বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিকানা, সরকারি অনুমোদন, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং আইনগত নথিপত্র যাচাই করা উচিত। এতে বিনিয়োগ আরও নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত হবে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হলে পাইন সিটি একটি আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসিক নগরী হিসেবে গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য উন্নত জীবনযাপনের পরিবেশ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনার একটি ঠিকানা হয়ে উঠবে বলে তাদের প্রত্যাশা। আরটিভি/এমএ
পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প ‘পাইন সিটি’, নজর কাড়ছে বিনিয়োগকারীদের