ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদেশে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও প্রসারের আহ্বান জানালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম
সৌজন্য ছবি

নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ শফিকুর রহমান কাঠমান্ডুর স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ওয়ালটনের গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউটরস মিট অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতামূলক ও মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা বিপণনের মাধ্যমে বিদেশে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও জোরালোভাবে প্রচারের আহ্বান জানান।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত রহমান ওয়ালটন, এর পরিবেশক, আমদানিকারক, কর্মকর্তা, গবেষণা ও উদ্ভাবন দল এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগকে অভিনন্দন জানান। ওয়ালটনকে বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে, ওয়ালটন প্লাজার সাফল্য অর্জনকারী বিক্রয় পেশাজীবীদের স্বীকৃতি ও পুরস্কৃত করার উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের নিষ্ঠা ও অসাধারণ ফলাফল যথাযথ স্বীকৃতির দাবিদার।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ২০১০ সাল থেকে নেপালে ওয়ালটনের অংশীদার হিসেবে কাজ করায় থাপা গ্রুপের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি নেপালে ওয়ালটনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে বিতরণ, বিক্রয় ও বিক্রয়োত্তর সেবা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, নেপালি ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য পরিবেশন এবং স্থানীয় পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশ ও নেপালের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ওয়ালটনের শিল্পকারখানা পরিদর্শনের তাঁর অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন উৎকর্ষ সাধনের প্রচেষ্টা, উদ্ভাবনের প্রতি অঙ্গীকার এবং মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহের বিষয়সমূহ তাকে মুগ্ধ করেছে। ওয়ালটনের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, উদ্ভাবন, গুণগত মান ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর ওয়ালটনের ভূমিকা বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক্স শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে এটি দেশের রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য আনতেও অবদান রাখছে।

নেপাল ও এর বাইরেও ব্যবসা ও বিপণন কার্যক্রম সম্প্রসারণে ওয়ালটনকে সহযোগিতা ও সহায়তা প্রদানে দূতাবাসের প্রস্তুতির কথা জানান রাষ্ট্রদূত। গ্লোবাল মিটের আয়োজনের জন্য কাঠমান্ডুকে বেছে নেওয়ায় তিনি ওয়ালটন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, নেপাল বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত এবং আন্তরিক। তিনি আরও বলেন, শতাব্দীপ্রাচীন জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগের ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ ও নেপালের সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ়।

ওয়ালটনের সাফল্য অর্জনকারী বিক্রয় প্রতিনিধিদের স্বীকৃতি ও পুরস্কৃত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউটরস মিটের আয়োজন করা হয়। অসাধারণ কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত বিক্রয় পেশাজীবীদের নেপাল সফরে নিয়ে আসা হয়। এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল বিক্রয় ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া, দলগত কাজ ও পেশাগত সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং তাদের জন্য একটি স্মরণীয় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা তৈরি করা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও নেপালের প্রায় ৩০০ জন বিক্রয় প্রতিনিধি অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ওয়ালটন প্লাজার কার্যক্রমের ওপর উপস্থাপনা, নেপাল সফর নিয়ে ভিডিও প্রদর্শনী এবং ওয়ালটনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. এম. মাহবুব আলম, ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রায়হান এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান জাকির।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘সোর্ড ব্লেড’-এর ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
সম্মেলনে আমন্ত্রিত ডিলারগণ তাদের মতামত ব্যক্ত করে বলেন, 'সোর্ড ব্লেড'-এর হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে পণ্যের সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তারা বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করার ওপর জোর দেন।
‘সোর্ড ব্লেড’-এর ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
মা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’
মা দিবস উপলক্ষে হাসি-আনন্দ-গানে মায়ের সাথে বড় সেলিব্রেশনে প্রতিবারের মতো এবারও চপস্টিক আয়োজন করেছে ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’। 
মা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
আধুনিক নগর পরিকল্পনা, আইনগত স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সমন্বয়ে পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন আনন্দ হাউজিং সোসাইটি আবাসন খাতে একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হিসেবে ক্রমশ বিনিয়োগকারী ও প্লট ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে।  সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরু থেকেই একটি স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তি ও পরিবার এই প্রকল্পে প্লট ক্রয় করেছেন। অনেক ক্রেতা জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করায় নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।   নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা তদারকির ফলে প্রকল্পটি বিনিয়োগকারী ও ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আবাসিক পরিবেশে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।   আবাসন খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত, নগরায়ণের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা, আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপদ আবাসন পরিবেশসম্পন্ন প্রকল্পের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই বাস্তবতায় আনন্দ হাউজিং সোসাইটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি ভবিষ্যতে প্রকল্পটির বাজারমূল্য এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান থাকলেও প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাব-স্টেশন) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাসীদের ধর্মীয় ও সামাজিক চাহিদা বিবেচনায় একটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই নয়, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৯২৭টি রেজিস্ট্রি-যোগ্য প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬২ টি প্লটের রেজিস্ট্রি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকল্পের আইনগত স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অবশিষ্ট প্লটের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতি মাসে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আনন্দ হাউজিং সোসাইটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ হাউজিং সোসাইটি একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলমান উন্নয়ন, সফল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রকল্পটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আনন্দ হাউজিং সোসাইটি দেশের অন্যতম আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, এটি প্লট মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সংযোজন এবং উন্নত জীবনযাপনের একটি মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। আরটিভি/এসএস
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা
মোজো সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের পাশে থাকাই মোজো-এর অন্যতম অঙ্গীকার।
নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা
ন্যাশনাল ফাইন্যান্স পিএলসির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ন্যাশনাল ফাইন্যান্স পিএলসির ২৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ন্যাশনাল ফাইন্যান্স পিএলসির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
আরও পড়ুন
ইন্টার্নশিপ, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মাভাবিপ্রবির সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ওয়ালটন
চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, দুপুরের খাবার-মোবাইল বিলসহ রয়েছে নানান সুবিধা
এইচএসসি পাসেই চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, আবেদন চলবে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত
৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেই চাকরি দেবে ওয়ালটন