ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০২ পিএম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফাইল ছবি

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট বি-টু বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বাডরা) এই অনুমোদন দেবে।

এই ধাপে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন ঘটানো হবে; যার মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদ উপায়ে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। এর আগে এই ইউনিটের সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবনের ভোগান্তি লাঘবে সবার নজর এখন এই নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দিকে। সবার মনে একটাই প্রশ্ন—কবে নাগাদ আসবে এই বিদ্যুৎ?

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) গাইডলাইন অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের ‘স্টেজ বি-ওয়ান’ মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সবশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কেটে গেছে।

এর পরের ধাপই হলো বি-টু। এই ধাপে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য পারমাণবিক চুল্লিকে পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়। এরপরই আসে ক্রিটিক্যালিটি পর্যায়, যেখানে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমেই চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

এই ধাপে ধাপে সফলভাবে এগিয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, ‘আমরা বাডরাকে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাব। আগের সব কাজ এখন সম্পূর্ণ। বাডরার পারমিশন পেলেই ইনশাআল্লাহ আমরা পরবর্তী পর্যায়ে (বি-টু) প্রবেশ করব।’

এদিকে রূপপুরের সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এছাড়া, রূপপুর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আটটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে পুরোপুরি শেষ হয়েছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রোজার আগে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে চায় ব্যবসায়ীরা
পবিত্র রমজান মাসের বাকি এখনও তিন মাসের বেশি। এর মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে ভোজ্যতেলের দাম আরেক দফায় বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।
রোজার আগে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে চায় ব্যবসায়ীরা
সৌদির তেল শোধনাগারে হামলার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
বিশ্বের শীর্ষ অপরিশোধিত তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের একটি তেল শোধনাগারে হামলার খবর পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে।  বুধবার (২৮ অক্টোবর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলে ১.৪৮ ডলার বা ১.৩ শতাংশ বেড়ে ১১৫.৩৬ ডলারে পৌঁছেছে।  অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ব্যারেলে ১.২২ ডলার বা ১.২২ শতাংশ বেড়ে ১০১.১২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদক দেশটির ওপর আক্রমণ আরও জোরদার করার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিরা দাবি করেছে, তারা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। তবে দৈনিক ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ওই শোধনাগারে হামলার বিষয়টি সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি শান্ত করতে আলোচনার কারণে মঙ্গলবার তেলের দাম প্রায় ২ ডলার কমেছিল। তবে নতুন এই হামলার খবরের পর বাজার আবারও ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুদ বৃদ্ধির পূর্বাভাস সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের এই দরবৃদ্ধি ঘটল।  রয়টার্সের আটজন বিশ্লেষকের মতামত নিয়ে করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী, ২৩ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের মজুত প্রায় ১৫ হাজার ব্যারেল বেড়েছে। বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে মিল রেখে ওপেকের প্রভাবশালী তিন সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, জোটভুক্ত তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো আগামী রোববার তাদের ডিসেম্বর মাসের জন্য নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখতে পারে। বর্তমানে ওপেকের প্রধান সাতটি দেশ– সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান ও ওমানের অধিকাংশেরই উৎপাদন তাদের পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলতি মাসের এক সমঝোতার পর চালিত দেশীয় শোধনাগারগুলোতে ডিজেল উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। ফলে আগামী মাসে রাশিয়ার বাল্টিক ও কৃষ্ণসাগর বন্দর দিয়ে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি কমে যেতে পারে। আরটিভি/এসআর
সৌদির তেল শোধনাগারে হামলার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জেটরোর প্রেসিডেন্ট / বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেটরো) প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমু। বৈঠকে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণে জেটরোর ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে উন্নত উৎপাদনশিল্প, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), অটোমোবাইল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে জাপানের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। এ সময় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে। বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (EPA) দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে। এ ছাড়া বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার জন্য জাপানের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এসব উদ্যোগ জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করা হয়। জেটরোর (JETRO) প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমু বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটি বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগে জাপানি কোম্পানিগুলোর আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বৈঠক শেষে জেটরোর প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমুর আমন্ত্রণে তার আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।  এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাতাওকা সুসুমুকে তার সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান
বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী
বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর আমাকাওয়া কাজুহিকোর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন বিধিবিধান সংস্কার ও সহজীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, জেবিআইসির অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশে জেবিআইসির একটি কার্যালয় খোলার বিষয়েও আলোচনা হয়। তিনি জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতার জন্য জেবিআইসির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে জেবিআইসির একটি কার্যালয় খোলার জন্য অনুরোধ জানানো হলে প্রতিষ্ঠানটির গভর্নর প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন বলে জানান। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ। আরটিভি/টিআর
বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাপানের বিশ্বখ্যাত পোশাক প্রস্তুতকারক ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইউনিক্লোর মূল কোম্পানি ফাস্ট রিটেইলিং কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তাদাশি ইয়ানাইয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে বাংলাদেশের প্রতি ইউনিক্লোর আস্থা এবং ফাস্ট রিটেইলিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে আরও বিনিয়োগের জন্য ইউনিক্লোকে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে কৃত্রিম তন্তু (ম্যান-মেড ফাইবার), টেকনিক্যাল টেক্সটাইল এবং টেকসই পোশাক উৎপাদন খাতে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এছাড়া প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন, পণ্যে উদ্ভাবন, উন্নত উৎপাদনব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ইউনিক্লোর কার্যক্রম সম্প্রসারণে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। এ ক্ষেত্রে জমির ব্যবস্থা, বিনিয়োগের অনুমোদন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনপ্রক্রিয়া সহজ করতে সহযোগিতা দেয়ার কথাও জানান তিনি। বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়নের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ। এ চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। সাক্ষাতকালে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। জাপানি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন ফাস্ট রিটেইলিং কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক তাকেশি ওকাজাকি এবং প্রতিষ্ঠানটির গ্রুপ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার ইয়োশিহিরো কুনিই। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আরও পড়ুন
বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ৫১০ কোটি ডলারের ঋণ দিল জ্বালানি বিভাগ
রুপপুর পারমাণবিক বিদ‍্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে রূপপুর
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফিজিক্স টেস্ট সম্পন্ন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের অপেক্ষা