ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০২ পিএম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফাইল ছবি

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট বি-টু বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বাডরা) এই অনুমোদন দেবে।

এই ধাপে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন ঘটানো হবে; যার মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদ উপায়ে শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। এর আগে এই ইউনিটের সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবনের ভোগান্তি লাঘবে সবার নজর এখন এই নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দিকে। সবার মনে একটাই প্রশ্ন—কবে নাগাদ আসবে এই বিদ্যুৎ?

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) গাইডলাইন অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের ‘স্টেজ বি-ওয়ান’ মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সবশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কেটে গেছে।

এর পরের ধাপই হলো বি-টু। এই ধাপে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য পারমাণবিক চুল্লিকে পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়। এরপরই আসে ক্রিটিক্যালিটি পর্যায়, যেখানে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমেই চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

এই ধাপে ধাপে সফলভাবে এগিয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, ‘আমরা বাডরাকে সব কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাব। আগের সব কাজ এখন সম্পূর্ণ। বাডরার পারমিশন পেলেই ইনশাআল্লাহ আমরা পরবর্তী পর্যায়ে (বি-টু) প্রবেশ করব।’

এদিকে রূপপুরের সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এছাড়া, রূপপুর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আটটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে পুরোপুরি শেষ হয়েছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন উদ্যোগ
তৈরি পোশাকনির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে এবার দেশের প্রতিটি জেলা থেকে সম্ভাবনাময় পণ্যের তালিকা সংগ্রহ করছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত যেসব পণ্যের দেশে-বিদেশে বাজার তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে রপ্তানিযোগ্য শিল্পে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন উদ্যোগ
পে স্কেল কার্যকরে নতুন নির্দেশনা
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
পে স্কেল কার্যকরে নতুন নির্দেশনা
রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া, ৬ দিনে এলো ৬৩ কোটি ডলার
চলতি মাসের প্রথম ৬ দিনে দেশে এসেছে ৬৩ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া, ৬ দিনে এলো ৬৩ কোটি ডলার
বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা
বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওঠানামার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দেশের বাজারে সোনা বিক্রি হচ্ছে। বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। এর আগে এ মানের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দামও কমেছে। এ মানের সোনার দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা। এর আগের দাম ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, এ ধরনের সোনার প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা। আগে দাম ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা। সোনার দাম কমানো হলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। সর্বশেষ নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ৩৭০ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা। প্রতি গ্রামের দাম ৩৫৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩০৫ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ২৩০ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে সোনা ও রৌপ্যের অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দেওয়ার পর অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। আরটিভি/এসকে
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
আরও পড়ুন
রূপপুরে পৌঁছেছে ইউরেনিয়াম
বিমানবন্দর থেকে রূপপুরের পথে পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান
দেশে পৌঁছেছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ইউরেনিয়াম
রাশিয়া থেকে আজ দেশে আসছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি