
যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের প্রভাবে সোমবার (১২ অক্টোবর) বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। এর আগে দিনের শুরুতে সোনার দাম এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আজ বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১৪ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ০.২ শতাংশ কমে ৪,১৮৫.১৩ ডলারে দাঁড়ায়। গত ২ অক্টোবরে দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য সোনার ফিউচার দর ০.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,২০৯.৭০ ডলারে নেমে আসে।
সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারে অবশ্য উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। আজ স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০.৯৫ ডলার পৌঁছেছে। প্লাটিনামের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে ১,৭০১.১৮ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১,১৫৯.৬২ ডলার দাঁড়িয়েছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার জানান, স্বল্পমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে কম হলে তা সোনার দামের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হতে পারে। এতে ফেডারেল রিজার্ভের আরও সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমবে এবং প্রকৃত সুদের হারের চাপও কিছুটা প্রশমিত হবে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ধারাবাহিক সোনা কেনা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আরও কমে আসা সোনার বাজারের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এতে তেলের দাম ও মার্কিন ডলারের দর কমার সম্ভাবনাও রয়েছে।
সোনাকে সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে সোনা থেকে নিয়মিত সুদ বা আয় পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীদের কাছে সোনার আকর্ষণ কমে যেতে পারে।
আরটিভি/এমএ



