ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বিসিএসে সাফল্য : টিউশন আমার কাজে এসেছে

কুবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২২, ১১:৪৮ এএম
মো. আবদুল আজিজ ভুঁইয়া

সদ্য পুলিশ ক্যাডার হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মার্কেটিং বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আবদুল আজিজ ভূঁইয়া। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ছেড়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। নানান জটিলতায় ক্যাম্পাসজীবন শুরু হয় তার। তবু আজ স্বপ্ন ছুঁয়েছেন তিনি।

পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট আবদুল আজিজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে কথা হয় আরটিভি অনলাইনের কুমিল্লা সংবাদদাতা সাফায়িত সিফাতের

আরটিভি অনলাইন : বিসিএসের প্রতি আপনার আকর্ষণ কি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির শুরু থেকেই ছিল?

আবদুল আজিজ : প্রথমেই আমার বিসিএসের দিকে এতটা আগ্রহ ছিল না। শুরুতে শুধু একাডেমিক পড়ায় আগ্রহ ছিল। সিজিপিএ বাড়াতে হবে এমন একটা চিন্তা মাথায় ছিল। আর আমার আব্বা মারা যাওয়ার পর আমার পরিবর্তন আসে। চাকরির বিষয়ে বেশি চিন্তা করা শুরু করি।

আরটিভি অনলাইন : বিসিএসের প্রস্তুতি কবে থেকে শুরু করেছিলেন?

আবদুল আজিজ : বিবিএ-এর শেষের দিক থেকে বিসিএস-র প্রস্তুতি শুরু করি। এত পরে ৪০তম বিসিএসের টার্গেট করা প্রচণ্ড রিস্কি ছিল ব্যাপারটা। কিন্তু আমি কনফিডেন্টও ছিলাম যে আমি পারব।

আরটিভি অনলাইন : কোন কোন বিষয়ের প্রতি আপনার বেশি আগ্রহ ছিল?

আবদুল আজিজ : মূলত গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের আগ্রহ আমাকে আজকের এই জায়গায় নিয়ে এসেছে।

আরটিভি অনলাইন : অন্য কাউকে অনুসরণ করেছেন নাকি নিজের মতো গুছিয়ে নিয়ে পড়াশোনা করেছেন?

আবদুল আজিজ : আমি নিজের স্টাইল ফলো করেছি, অন্য কারো সিস্টেম ফলো করিনি।

আরটিভি অনলাইন : স্নাতক-স্নাতকোত্তরের পাশাপাশি টিউশন করতেন?

আবদুল আজিজ : হ্যাঁ, আমি টিউশন করতাম। আর এই টিউশন করাটাই আমার কাজে এসেছে। টিউশনের মাধ্যমে কিছু পড়া প্র‍্যাক্টিসের মধ্যে ছিল।

আরটিভি অনলাইন : বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কোনো সংগঠনে ছিলেন?

আবদুল আজিজ : বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। চমৎকার কিছু মানুষ পেয়েছিলাম এখানে। লেনিন ভাই, লিপা আপু, আদনান, আবদুর রহমান, সানি ভাই-এর মতো তুখোর কিছু বিতার্কিকদের সঙ্গে সেখানে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাই। সেই থেকে আসলে লাইফের শুরুটা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ভালোভাবে সংযুক্ত হই। আর একাডেমিক পড়ায় আগ্রহ আরও বাড়ে আমার।

আরটিভি অনলাইন : বিসিএসের প্রতি আপনার ইচ্ছাশক্তি কেমন ছিল?

আবদুল আজিজ : আসলে প্রচণ্ড রকম একটা আবেগ না থাকলে বিসিএস জয় করাটা কষ্ট। এর প্রতি আমার অনেক বেশি আবেগ ও ইচ্ছাশক্তি ছিল।

আরটিভি অনলাইন : বাবা মারা যাওয়ার পর আপনার আর্থিক সমস্যা হয়নি?

আবদুল আজিজ : আমার সেজো বোন আমাকে আর্থিক অভাবটা কখনো বুঝতে দেননি। তিনি আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছেন।

আরটিভি অনলাইন : আপনার সফলতার পেছনে সহায়ক ছিল কী কী বিষয়?

আবদুল আজিজ : আমাকে কয়েকটা জিনিস হেল্প করেছে, তা হলো ডিবেট, টিউশন এবং আমার কঠিন সময়। আর সবচেয়ে বড় বিষয় আমার পরিচিত যারা ছিল তারা কেন জানি আমার ব্যাপারে অনেক পজিটিভ ছিল। বেশির ভাগ মানুষই বলত, আমার বিসিএস হয়ে যাবে। তাদের প্রত্যাশা আমার ভেতরে সাহস জুগিয়েছে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘নিজেদের স্বার্থে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে’
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেছেন, পৃথিবীর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের মতো এত বেশিসংখ্যক বিভাগ ও সেন্টার নেই। শিক্ষাকে দেশ ও বিদেশের কাছে অর্থবহ করার জন্য আউটকাম বেইজড এডুকেশন বা ফলনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার দিকে সরকার মনোযোগ দিয়েছে। তবে তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢালাওভাবে প্রফেসর সংখ্যা বৃদ্ধির কঠোর সমালোচনা করেন।  ‘রাষ্ট্রনীতিতে বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ভাবনা ও দর্শনের প্রয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল, ইউজিসি সদস্য ও ইআরডিএফবির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন। দেশের কিছু কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে দাবি করে ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ওনারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে সরে আসছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ছাত্র, অভিভাবকসহ সমাজে প্রতিনিয়ত আমাদেরকে এখন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এসময় তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করার এবং গুণগত শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এখন ঘরে ঘরে জিপিএ ফাইভ বা টপার আছে। অথচ তারা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগে ৫৪ জন শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি প্রাপ্ত হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণি প্রাপ্ত হয়নি। অথচ আমার সময়ে মাত্র ১/২ জন শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি পেতো।
‘নিজেদের স্বার্থে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে’
একাদশে ভর্তির সুযোগ পেল ১২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী
প্রথম ধাপের ফলাফলে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে ১২ লাখ ৭৮ হাজার ১১৪ শিক্ষার্থী। প্রথম ধাপে ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬৪৬ জন আবেদন করেছিল। এর আগে, শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফল প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রথম ধাপের ফল জানা যাচ্ছে। এ বছর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কলেজের ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন চয়েস দিয়েছে। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাচ্ছে।
একাদশে ভর্তির সুযোগ পেল ১২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী
একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।  শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এই ফল প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাবে। এ বছর প্রায় ১৩ লাখ ভর্তিচ্ছু একাদশে ভর্তির আবেদন করেছিলেন। তারা বিভিন্ন কলেজের ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন ‘চয়েজ’ দিয়েছেন। প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ৮ জানুয়ারির মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ৩২৮ টাকা ফি দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করা যাবে। নিশ্চায়ন না করলে প্রথম পর্যায়ের নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। এর ফলে পুনরায় ফিসহ আবেদন করতে হবে। আগামী ৯ ও ১০ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে। এর ফল প্রকাশ করা হবে ১২ জানুয়ারি। দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি। এরপর তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে ১৬ জানুয়ারি। এর ফল প্রকাশ করা হবে ১৮ জানুয়ারি। তৃতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে ১৯ ও ২০ জানুয়ারি।  আগামী ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারি একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলবে। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবে।
একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
৮০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সমমনা পরিষদের সংবর্ধনা 
রাজধানীর বনশ্রীতে সামাজিক সংগঠন সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে এসএসসি-২০২২ সালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের স্মারক উপহার ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার বনশ্রীতে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বনশ্রীর সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে মোট ৮০ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে স্মারক উপহার ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমমনা পরিষদের নেতা রেজওয়ান কচি।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সমমনা পরিষদের সভাপতি শাহাবুদ্দিন শিকদার বলেন, শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের মূল্যায়ন করলে তারা বেশি বেশি উৎসাহ পায় এবং আরও উদ্যমী হয়ে ওঠে। শিক্ষর্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতাকে আরও বেগবান করতে আমাদের আজকের আয়োজন। তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থী আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষার্থীদের মেধা-মননে যথাযথ বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মানসম্মত শিক্ষক ছাড়া মানসম্মত শিক্ষার্থী গড়ে তোলা সম্ভব না।   সমমনা পরিষদের নেতা সাইফুদ্দিন বিটুর সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কবিতা আবৃত্তি করেন এম এ করিম। এ ছাড়াও সমমনা পরিষদের সব সদস্য এবং সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। 
৮০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সমমনা পরিষদের সংবর্ধনা 
কুবির ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন এনএসটি ফেলোশিপ
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপ ২০২২-২৩ এর জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। মনোনীতদের মধ্যে একজন শিক্ষক ও ৪১ জন শিক্ষার্থী।  বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব খান মো. রেজা-উন-নবী স্বাক্ষরিত দু'টি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুই ক্যাটাগরিতে (ভৌতবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞান) পাওয়া ৪২ জনের মধ্যে ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ তোফায়েল আহমেদ ও বাকী ৪১ জন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।  শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১১ জন ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৯ জন, ফামের্সি বিভাগের ৮ জন, রসায়ন বিভাগের ৬ জন ও গণিত বিভাগের ৪ জন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ৩ জন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার ফেলোশিপ অর্জনে আমাদের শিক্ষার্থীদের সাফল্য বেড়েছে। এটি গবেষণায় তাদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহকেই প্রকাশ করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা টেকসইভাবে তাদের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করবো। উল্লেখ্য, ৪১ জন শিক্ষার্থীদের প্রতিজন ৫৪ হাজার এবং শিক্ষক পাবেন তিন লাখ টাকা।
কুবির ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন এনএসটি ফেলোশিপ
আরও পড়ুন
শুধু ক্যাম্পাস নয়, শিক্ষার্থীদের মনও পরিষ্কার হোক : কুবি উপাচার্য
কুবিতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচ ড্র
চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
সদলবলে কার্যালয়ে ঢুকে কুবি উপাচার্যকে শাসালেন ইলিয়াস