
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে পদোন্নতি, নিয়োগ, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলিসহ বিভিন্ন কাজ করিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তি শনিবার (৩ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে বিভিন্ন প্রতারক চক্র সরাসরি বা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং এর অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে পদোন্নতি, নিয়োগ ও বদলিসহ বিভিন্ন কাজ করিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফোন করে, ইমেইল, এসএমএস বা চিঠি পাঠিয়ে টাকা দাবি করছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের পক্ষ থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে ও মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয় বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কোনো কাজে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেনের কোনও প্রয়োজন নেই। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে যেসব সেবা দেওয়া হয়ে থাকে, তার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে এবং তার ভিত্তিতেই সেবা দেওয়া হয়ে থাকে। এ-সংক্রান্ত সব তথ্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dshe.gov.bd) নিয়মিতভাবে প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের প্রতারক চক্র বা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন কোনও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে ইমেইল, এসএমএস ফোন, চিঠিপত্র কিংবা তাদের ব্যক্তিগত যোগাযোগের ভিত্তিতে কাউকে কোনও ধরনের প্রলোভনের ফাঁদে না জড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হলো। কেউ কোনও ধরনের সুবিধা বা টাকা চাইলেই বুঝবেন যে এটা প্রতারণা। সঙ্গে সঙ্গেই এ ধরনের প্রতারকের ফোন নম্বর কাছের থানায় দিতে এবং প্রতারকদের পুলিশে সোপর্দ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।




