ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক শিক্ষাকে ধাপে ধাপে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে তা অবৈতনিক করা হবে। বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত, যা অবৈতনিক।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ নিয়ে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ৪ থেকে ১৩ বছর বয়সীদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা করতে চান।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিক গ্রেড বাড়িয়ে অষ্টম পর্যন্ত নিয়ে যেতে চাই। এটা করব ধাপে ধাপে।

গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরীর সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান হয়।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের ব্রোঞ্জ জয়
ভারতের হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড এশিয়া-প্যাসিফিক ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে বাংলাদেশের টিম ব্লুপ্রিন্ট। একই প্রতিযোগিতার ফিউচার ইনোভেটরস সিনিয়র ক্যাটাগরিতে ‘টিম অডিসি এক্স’ সপ্তম স্থান অর্জন করেছে। ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় ২৫টি দেশের ১৪৯টি দল অংশ নেয়। ব্রোঞ্জজয়ী টিম ব্লুপ্রিন্টের সদস্যরা হলেন সৈয়দ সুবেহ-সাদিক শোলক, মো. আজমাইন শাক ও সাম্মান রাহিন। ‘টিম অডিসি এক্স’-এর সদস্য আবিদা ওয়াদুদ ও সাদমান আল হক। এ ছাড়া বাংলাদেশের হয়ে ‘টিম নেবুকোডার্স’ ও ‘টিম রোবোম্যানিয়া’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ৯ জন প্রতিযোগীসহ ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ দলের দলনেতা ছিলেন প্রমি নাহিদ। কোচের দায়িত্বে ছিলেন নাসির খান সৈকত। বিশ্বমঞ্চে এই সাফল্যে ভবিষ্যতের জন্য বড় অনুপ্রেরণা দেখছেন বিজয়ী ও আয়োজকরা। এর আগে গত ১৪ আগস্ট ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ ২০২৬-এর জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ৪টি ক্যাটাগরিতে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ৭২টি দলের ২০০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। জাতীয় পর্বের ফলাফলের ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য দলগুলো নির্বাচিত হয়। প্রতিযোগিতায় এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘রোবট মিটস কালচার’। জাতীয় পর্বের আগে শিক্ষার্থীদের রোবোটিকসে আগ্রহী করে তুলতে জুন মাসে দেশের ৫টি জেলায় ১৪টি অ্যাকটিভেশন প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়। আরটিভি/টিআর
ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের ব্রোঞ্জ জয়
শিক্ষক-অধ্যক্ষদের জন্য মাউশির নতুন নির্দেশনা
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ নির্ধারিত খাত পরিবর্তন করে অন্য খাতে ব্যয় না করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
শিক্ষক-অধ্যক্ষদের জন্য মাউশির নতুন নির্দেশনা
সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব: ইরানের রাষ্ট্রদূত
সত্য, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ, বিশ্ব গণতন্ত্র, নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। ফারসি ভাষায় দেওয়া তার বক্তব্য পরে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়। সেমিনারে বক্তাদের ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান এবং ইরানের জনগণের প্রতি সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ইরানের জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুদ্ধ শুধু সামরিক, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে গণমাধ্যমও গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত। তার ভাষ্য, পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমে অনেক সময় যুদ্ধের ঘটনাগুলো একপেশেভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে। স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েল—কোনো পক্ষের হয়ে অবস্থান নেওয়া সাংবাদিকতার কাজ নয়। সত্য, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব। আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন রাখেন, যুদ্ধের আইন অনুযায়ী হাসপাতাল, শিশু, স্কুল, নারী ও ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা কতটা বৈধ। বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, আত্মরক্ষার অধিকার আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত। ইরান নিজেদের দেশ ও জনগণকে রক্ষায় সেই অধিকার প্রয়োগ করছে। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ সনদের ৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য কোনো রাষ্ট্র হুমকি সৃষ্টি করলে নিরাপত্তা পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে, যার মধ্যে বলপ্রয়োগের অনুমোদনও থাকতে পারে। তবে ইরানে হামলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদ এমন কোনো অনুমোদন দেয়নি। বেসামরিক মানুষের ওপর হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ধরে নিন, আমরা সবাই সন্ত্রাসী। ইরানের শিক্ষার্থীরাও সন্ত্রাসী। তারপরও কি যুদ্ধের কোনো আইন থাকবে না? বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা করা কি বৈধ? হাসপাতাল কিংবা শিশুদের ওপর হামলা কি বৈধ? যুদ্ধের বাস্তবতা তুলে ধরতে বিশ্বের স্বাধীন গণমাধ্যমগুলোকে ইরান সফরের আহ্বান জানান তিনি। সাংবাদিকদের সরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং নিজেদের মতো করে যুদ্ধের পরিস্থিতি তুলে ধরার আহ্বান জানান ইরানি রাষ্ট্রদূত। উল্লেখ্য, সেমিনারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব: ইরানের রাষ্ট্রদূত
ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে. সিমনস
ইসরায়েলকে সমর্থন করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী তার দীর্ঘদিনের আধিপত্যই ক্ষয় করছে বলে মন্তব্য করেছেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গেগরি জে. সিমনস। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়া যুদ্ধ, বিশ্ব গণতন্ত্র, নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। বক্তব্যে গেগরি জে. সিমনস বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতকে শুধু ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বোঝা যাবে না। এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাব, ইসরায়েলের আঞ্চলিক কৌশল এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পরিবর্তনের বিষয়ও জড়িত। তিনি বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা থাকলেও দুই দেশের স্বার্থ সব ক্ষেত্রে এক নয়। যুক্তরাষ্ট্র মূলত তার দীর্ঘদিনের বৈশ্বিক নেতৃত্ব বা ‘Pax Americana’ ধরে রাখার চেষ্টা করছে। তবে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত সেই প্রভাবকে আরও দুর্বল করে দিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। ইরান প্রসঙ্গে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করেন। তার ভাষ্য, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যের যে বয়ান দেওয়া হচ্ছে, বাস্তব পরিস্থিতি তার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গেগরি জে. সিমনস পশ্চিমা দেশগুলোর পররাষ্ট্রনীতিতে ‘দ্বৈত মানদণ্ডের’ অভিযোগও তোলেন। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও নৈতিক জবাবদিহির ক্ষেত্রে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসঙ্গ টেনে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে পশ্চিমা প্রতিক্রিয়ার তুলনা করেন। তার দাবি, আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগে রাষ্ট্রভেদে ভিন্ন মানদণ্ড দেখা যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের কথা বলা হলেও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ক্ষেত্রে এসব নীতির প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর ইসরায়েল যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, সেটিকে বৃহত্তর আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। এ সময় তিনি ‘Greater Israel’ ধারণার কথাও উল্লেখ করেন। সেমিনারে পশ্চিম এশিয়ার চলমান যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নৈতিক জবাবদিহি, গণতন্ত্রের বর্তমান সংকট এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ইরানের রাষ্ট্রদূত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে. সিমনস
ইরানে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ
ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
ইরানে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ
আরও পড়ুন
সরকারি বরাদ্দে ‘নয়ছয়’ ও শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ
প্রাথমিকের নতুন কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে দুই দক্ষতা
এবার বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আসছে নীতিমালা
প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিগগিরই আসছে নতুন নীতিমালা