ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

১-১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নিয়ে সর্বশেষ যা জানাল মন্ত্রণালয়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও এখনো তাদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এনটিআরসিএর পাঠানো চিঠির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে আইন কর্মকর্তার মতামত চাওয়া হয়েছে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো মতামত পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি এক প্রকার স্থবির হয়ে রয়েছে।

সূত্র বলছে, ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের বিষয়ে এনটিআরসিএ যে চিঠি পাঠিয়েছে, সেখানে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ সুপারিশের সুযোগ নেই। এজন্য বিষয়টি সম্পর্কে মতামত দিতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এনটিআরসিএ থেকে পাঠানো চিঠিতে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের বিধিতে সনদের মেয়াদ তিন বছর এবং প্রার্থীদের বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিধি অনুযায়ী ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে না।’

আরও পড়ুন

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘শুধু বিধিই নয়; ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ দেওয়ার পূর্বে ১৯টি মামলা নিষ্পত্তি হতে হবে। এই মামলাগুলো এখনো চলমান। মামলা চলমান রেখে প্রার্থীদের নিয়োগ সুপারিশ করা সম্ভব হবে না। ফলে ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের নতুন করে নিয়োগ দিতে হলে শিক্ষামন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা দরকার হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী যা বললেন

সম্প্রতি রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ১-১২তম নিবন্ধনধারীরা এখনো চাকরির জন্য ঘুরছেন। তাদের বয়স হয়ে গিয়েছে ৫০ বছর। তারা যদি কোয়ালিফাইড হতো তাহলে অন্য কোথাও তো কিছু করতে পারতো। তারপরও চেষ্টা করছি তাদেরকে আবার রি-এক্সামিন দিয়ে অ্যাকমোডেট করা যায় কিনা।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রীতিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগল ধরা, আজ বিয়ে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের (প্রেমিক যুগল) হাতেনাতে ধরেছে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানীয়রা। প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্তে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি মেসের পাশে এই ঘটনা ঘটে। প্রেমিক যুগল শিক্ষার্থীরা হলেন- মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের ছাত্র এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৪-২৫ বর্ষের ছাত্রী। জানা গেছে, ওই মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মল্লিক মেসে থাকেন। রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে হস্তান্তর করেন। পরে প্রক্টর অফিসে আনা হলে স্বীকারোক্তি দিয়ে বিয়ের সম্মতি দেয় প্রেমিক যুগল। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সিদ্ধান্তে কাল (২৬ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের পিতামাতার উপস্থিতিতে বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা কয়েকমাস ধরে নিয়মিত নির্জন জায়গায় বসে। তাদের গতিবিধি লক্ষ্য রেখে এবার হাতেনাতে ধরে তারা। পরে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে তুলে দেয়। তবে ওই সময় ছাত্রকে চড় থাপ্পড় মারছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, দুই শিক্ষার্থকে প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞেসাবাদ করলে তারা স্বীকারোক্তি দেয়। পরে বিয়ের সম্মতি জানান তারা। বাবা-মাকে আহ্বান করবো। তারপর বিয়ে দিয়ে দিব। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এছাড়া মেয়েটি যে মেসে থাকে ওই মেস মালিককে তলব করবো, যেহেতু সাড়ে ৮টার মধ্যে মেসগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। আরটিভি/এসকে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রীতিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগল ধরা, আজ বিয়ে
ডিআইইউতে নিষিদ্ধ সংগঠনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি, উপাচার্যকে স্মারকলিপি
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে বহিষ্কারসহ রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ‘জুলাই ঐক্য পরিষদ’। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানায় সংগঠনটি। স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের সম্ভাব্য গোপন তৎপরতা নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ ও আশঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং সুনামের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এতে আরও বলা হয়, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কোনোভাবেই এমন কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল হতে পারে না, যা দেশের আইন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা এবং নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশের পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা বা পদক্ষেপ গ্রহণে বিলম্ব এ ধরনের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। স্মারকলিপিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের সম্ভাব্য তৎপরতা সম্পর্কে পাওয়া অভিযোগগুলো দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। তদন্তে কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে এমন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাষ্ট্রীয় আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী বহিষ্কারসহ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা করে ‘জুলাই ঐক্য পরিষদ’। আরটিভি/এসআর
ডিআইইউতে নিষিদ্ধ সংগঠনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি, উপাচার্যকে স্মারকলিপি
ইবিতে গোপনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টারিং
বিভিন্ন প্রতিবাদী লেখা সম্বলিত ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টারিং করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে গোপনে এ পোস্টারিং কর্মসূচি করে সংগঠনটি। সরেজমিনে দেখা যায়, পোস্টারে ‘ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন’, ‘অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইব্যুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদ’, এবং ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে কি হবে?’ লেখা মোট তিনটি শিরোনাম দেখা যায়। তবে শিক্ষার্থীদের চোখে পড়ার আগেই নিরাপত্তা কর্মীরা এসব পোস্টার সরিয়ে নেয়।  এদিকে ‘নেত্রীর প্রত্যাবর্তন সুনিশ্চিত করতে ও অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইবুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে ইবি ছাত্রলীগের উদ্যোগে পোস্টারেং কার্যক্রম’ উল্লেখ করে এসব পোস্টারের ছবি ও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন সংগঠনটির শাখা আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হাফিজ। নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, একই সময়ে একদিকে সিগারেটের টাকা পরিশোধ নিয়ে দোকানি কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, নিরাপত্তা কর্মীরা সেইদিকে যখন নজর দিই, সেই সুযোগে এসব পোস্টার লাগিয়ে পালায় ছাত্রলীগ। ঘটনার একই সূত্র কিনা বা ইন্ধন আছে কিনা প্রশাসন খতিয়ে দেখছে। এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে উপাচার্য ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছি। এ কাজের সাথে যারা জড়িত ও ইন্ধন দিয়েছে তাদের শনাক্ত করে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের দুষ্কৃতকারীদের ঠাঁই হবে না। আরটিভি/এসআর
ইবিতে গোপনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টারিং
পাবিপ্রবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত
‘স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ গড়তে ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়ন প্রতিপাদ্য’কে সামনে রেখে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬।  শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি এ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির সহযোগিতায় দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় একটি আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এসময় ফার্মাসিস্ট শপথ পাঠ ও  কেক কাঁটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শেষ হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন ভবনে ফার্মাসিস্ট দিবস উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির সিনিয়র ম্যানেজার (হিউম্যান রিসোর্স) মো. ফয়সাল ইকবাল। অনুষ্ঠানে কিনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির সিনিয়র ম্যানেজার (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) মো. মোস্তাফিজুর রহমান। ইনভাইটেড স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) মো. জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার।  এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাশেরদুল হক উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, আপনারাই দেশের ভবিষ্যৎ। আজকের এই মেধাভিত্তিক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। অর্জিত জ্ঞানকে মানবকল্যাণে কাজে লাগানোর সৎ মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, চিকিৎসাব্যবস্থায় ফার্মাসিস্টরা হলেন মেডিকেশন এক্সপার্ট। ওষুধের ভুল প্রয়োগ রোধ এবং রোগীদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানে ফার্মাসিস্টদের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই শিক্ষার্থীদের নিজেদের একজন দক্ষ ও যোগ্য ফার্মাসিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উপাচার্য আরও বলেন, একাডেমিয়া ও ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রির এই মেলবন্ধন শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে ব্যবহারিক বাস্তবতার সুদৃঢ় যোগাযোগ তৈরি করবে। পাবনা অঞ্চল বাংলাদেশের ঔষধশিল্পের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। ফলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা সরাসরি দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার যে সুযোগ পাচ্ছে, তা তাদের আন্তর্জাতিক মানের ফার্মাসিস্ট হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। কিনোট স্পিকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমাদের ওষুধের সঠিক ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সবাইকে সচেতন হতে হবে। অনেক সময় আমরা ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে চিকিৎসকের পরামর্শ ও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করেই সেবন করি, যা স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। ফার্মাসিস্টদের এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নেও তাদের কাজ করতে হবে। আরটিভি/এসআর
পাবিপ্রবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত
১০ তলা ভবনে লিফট নেই, ভোগান্তিতে বাকৃবির খালেদা জিয়া হলের ছাত্রীরা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ছাত্রীদের ‎আবাসন সংকট নিরসনের লক্ষ্যে নির্মিত ১০ তলা ভবনবিশিষ্ট বেগম খালেদা জিয়া হল চালু হয় গত বছর সেপ্টেম্বরে। তবে উদ্বোধনের এক বছর পার হলেও এখনও লিফট ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়নি। ৩৫০ জন ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই হলে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে প্রায় হাজারে পৌঁছেছে।  ফলে বহুতল এই ভবনে নিয়মিত সিঁড়ি ভেঙে ওঠানামা করতে গিয়ে দৈনন্দিন যাতায়াত ও জরুরি চিকিৎসাসেবায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের।  শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ তলা আবাসিক হলে লিফট নাই এরকম দেখি নাই। হলে লিফট না থাকায় শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনকে চরম দুর্ভোগের মুখে ফেলে দেয়। প্রতিদিন সকালে ও বিকালে ক্লাস শেষে এবং অন্তত তিন বেলা খাবারের প্রয়োজনে এই দীর্ঘ সিঁড়ি ভাঙা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রান্তির কারণ।  তবে সবচেয়ে ঝামেলায় আমাদের পড়তে হয় যখন ১০ তলার কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে। তাকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে হেলথকেয়ার নিয়ে যাওয়া এবং চিকিৎসা শেষে পুনরায় উপরে তুলে আনা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। তাই শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার স্বার্থে এমন ভবনে লিফট সুবিধা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ‎পশুপালন অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের এবং হলের ৮ম তলায় অবস্থানরত এক শিক্ষার্থী বলেন, ক্লাস শেষে অনেক ক্লান্ত থাকি। এরপর এত ওপরে উঠতে গিয়ে আরও কাহিল হয়ে পড়ি। অনেক সময় ক্লাসের ফাঁকে এক থেকে দুই ঘণ্টা বিরতি থাকলেও রুমে ফিরতে পারি না।  তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস দিনে দুই সময়ে হওয়ায় হলে আসা-যাওয়া করতে অনেক কষ্ট হয়। আমাদের ক্যান্টিনও নিচতলায়। খাবার নিতে নিচতলা পর্যন্ত যেতে হয়, যা আমাদের জন্য অনেক কষ্টের। আবার ক্যান্টিনের খাবারের মানও তেমন ভালো নয়। ভবনের ‎১০ম তলায় অবস্থান করা প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, ১০ তলায় সিট বরাদ্দ পাওয়ায় অনেক ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। একবার ওপরে উঠলে আবার নিচে নামতে ইচ্ছা করে না। এ কারণে অনেক সময় দিনে এক বেলা খাবার খাই। একবার নিচে নেমে খাবার নিয়ে আসি। সকালের খাবার তো খাওয়াই হয় না।  তিনি বলেন, শুক্রবার ও শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ থাকায় খাবারের কষ্ট আরও বেশি হয়। এ ছাড়া আমাদের রান্না করার কোনো সুযোগ নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে কোনো কিছু রান্না করে খাওয়ারও উপায় থাকে না। তাই অনেক সময় না খেয়েই থাকতে হয়।‎ ‎শিক্ষার্থীদের এই উদ্বেগের বিষয়ে জানতে চাইলে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে এ বিষয়ে উদ্বেগ থাকাটা স্বাভাবিক এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এটি সমাধানের জন্য অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। ‎​নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা শিক্ষক ও হাউজ টিউটররা দফায় দফায় মিটিং করেছি। লিফট স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। আমি আশা করছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত একটি লিফট চালু হয়ে যাবে। লিফট চালু হলে ছাত্রীদের উঠানামার কষ্ট অনেকখানি কমে যাবে।​ ১০ তলা পর্যন্ত সিড়ি দিয়ে উঠানামা করা কতটা কষ্টের এবং অমানবিক তা আমরা অভিভাবক ও শিক্ষক হিসেবে গভীরভাবে অনুভব করি।‎ ‎লিফট চালুর অগ্রগতি নিয়ে প্রধান প্রকৌশল মুহ. এনামুল হক বলেন, খালেদা জিয়া হলের জাপানি প্রযুক্তির নতুন লিফটটির মেশিনসহ এটি স্থাপনের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং তিন তলা পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে। কাজ পুরোপুরি শেষ হতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগবে।  তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরাও পরীক্ষামূলকভাবে এটি ব্যবহার করার পর লিফটটি স্থায়ীভাবে চালু করা হবে আপাতত আমরা একটি লিফট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অন্য লিফটগুলোর যন্ত্রাংশ আসলেও কাজ শুরু হয়নি এবং নিয়মিত সার্ভিসিং বজায় রেখে এটি চালুর বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা। আরটিভি/এসআর
১০ তলা ভবনে লিফট নেই, ভোগান্তিতে বাকৃবির খালেদা জিয়া হলের ছাত্রীরা
আরও পড়ুন
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি, এইচএসসি পাসেও আবেদনের সুযোগ 
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করিডোরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল ৩ সাপ, অতঃপর...
এবার বড় সুখবর পেলেন ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক
প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে চালু হচ্ছে নতুন দুই বিষয়