ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

বিদেশে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে বড় সুযোগ!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩১ এএম
কাল্পনিক ছবি

দেশের অনেক শিক্ষার্থীই ক্যারিয়ার গড়তে চান বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে। তাদের জন্য বড় এক সুখবর নিয়ে হাজির হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে শিক্ষা ভিসায় বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। এই পরিকল্পনায় আছে আর্থিক প্রমাণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদেরকে ভিসা দেওয়া বিষয়টি। সেইসঙ্গে থাকছে পার্টটাইম কাজের সুযোগ এবং পড়াশোনা শেষেও দেশটিতে তিন বছর থাকার অনুমতি। তবে, এ জন্য থাকবে হবে কোরীয় ভাষায় দক্ষতা।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনোমিক টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন প্রস্তাবে কোরীয় ভাষায় দক্ষতা, পড়াশোনার ফলাফল এবং কর্মসংস্থানের প্রস্তুতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কোরীয় ভাষায় নির্দিষ্ট পর্যায়ের দক্ষতা অর্জন করতে পারলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা পাওয়া, পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ করা এবং স্নাতক শেষে দেশটিতে থাকার সুযোগ বাড়তে পারে।

২০২৭ সালের মধ্যে তিন লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল দক্ষিণ কোরিয়া। তবে নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগেই, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ লাখ ১৪ হাজারে। এবার শিক্ষার্থীসংখ্যা বাড়িয়ে চার লাখে নেয়ার পরিকল্পনা করেছে দেশটি। এ লক্ষ্যে দেশটির আইন মন্ত্রণালয় বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসাব্যবস্থা উন্নয়নে গঠিত পরামর্শক পরিষদের সুপারিশ ও সিদ্ধান্ত সামনে এনেছে। গত এপ্রিলে গঠিত এই পরিষদের নেতৃত্বে রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী জিনসু লি। উচ্চশিক্ষা ও অভিবাসন খাতের বিশেষজ্ঞরাও এতে যুক্ত রয়েছেন।

ভিসা পেতে ভাষা পরীক্ষায় লাগবে লেভেল ৪ দক্ষতা

নতুন প্রস্তাবিত নিয়মে কোরীয় ভাষায় মধ্যম পর্যায়ের দক্ষতা থাকলে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে না। এ সুবিধা পেতে শিক্ষার্থীদের কোরীয় ভাষা দক্ষতা পরীক্ষায় (টিওপিআইকে) লেভেল ৪ অথবা কোরিয়ান ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন প্রোগ্রামে(কেআইআইপি) লেভেল ৪ অর্জন করতে হবে।

তবে যেসব শিক্ষার্থীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে থেকে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে বিবেচিত হবে, তাদের ক্ষেত্রে এই ছাড় প্রযোজ্য নাও হতে পারে। একইভাবে পড়াশোনার পরিবর্তে চাকরিকে বেশি গুরুত্ব দেয়ার আশঙ্কা থাকলে তাদের জন্য ‘স্টাডি এক্সপেন্স সিকিউরিটি ডিপোজিট সিস্টেম’ চালু হতে পারে। এ ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট সময়ের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানোর জন্য শিক্ষার্থীকে অর্থ জমা রাখতে হবে।

পার্টটাইম কাজের সুযোগ পেতেও লাগবে ভাষাদক্ষতা

নতুন প্রস্তাবে শুধু ভিসা পাওয়াই নয়, পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজের সুযোগের ক্ষেত্রেও কোরীয় ভাষার দক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত মানদণ্ড অনুযায়ী, পার্টটাইম কাজের যোগ্যতা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের টিওপিআইকে লেভেল ৩ থাকতে হবে। পাশাপাশি তাদের পড়াশোনার ফলাফলও বিবেচনায় নেওয়া হবে। অর্থাৎ দক্ষিণ কোরিয়ায় পড়তে যেতে আগ্রহীদের জন্য কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যথেষ্ট হবে না। সঙ্গে ভাষা শেখা ও ভালো একাডেমিক ফলাফল ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

পড়াশোনা শেষে সর্বোচ্চ তিন বছর থাকার সুযোগ

দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা শেষ করেও দেশটিতে থাকার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, বিদেশি স্নাতকেরা তাদের কোরীয় ভাষার দক্ষতা এবং চাকরির প্রস্তুতির ওপর ভিত্তি করে এক থেকে তিন বছর পর্যন্ত থাকার অনুমতি পেতে পারেন। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করা বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক বজায় রাখতে নতুন একটি ভিসা চালুর বিষয় বিবেচনা করছে সরকার। প্রস্তাবিত ভিসাটির নাম ‘কোরিয়ান স্টাডি অ্যালামনাই ভিজিটর ভিসা’।

বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, উৎপাদনশিল্প এবং বিশেষায়িত কারিগরি পেশায় পড়াশোনা করা স্নাতকদের এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হতে পারে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যোগ্যতা এবং কোরীয় ভাষার শর্ত পূরণ করতে পারলে তারা দক্ষ কর্মী ভিসা (ই-সেভেন) পাওয়ার ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার বিবেচনা পেতে পারেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাবিতে প্রথম দেখা মিলল উত্তুরে হনুমানের
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো দেখা গেছে বিপন্ন প্রজাতির নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুর বা উত্তুরে হনুমানের। এটি বাংলাদেশে ‘যশোরের হনুমান’ নামেও পরিচিত। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টার (ডব্লিউআরসি) সংলগ্ন এলাকায় প্রাণীটিকে দেখতে পান বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী। রসায়ন বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন সুমন কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টার এলাকার পাশ দিয়ে ক্যাম্পাসের মনপুরা এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তারা প্রাণীটিকে দেখতে পান এবং এর ভিডিও ধারণ করেন। শাহাদাত হোসেন সুমন বলেন, ‘আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে মনপুরার দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারের কাছাকাছি প্রাণীটিকে দেখতে পাই। পরে আমরা এর ভিডিও ধারণ করি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল এইচ খান বলেন, জাবিতে আগে কখনো হনুমান দেখা যাওয়ার রেকর্ড নেই। মাঝে মাঝে ক্যাম্পাসে বানর দেখা গেলেও এ ধরনের হনুমান এর আগে দেখা যায়নি। তিনি জানান, জাবিতে দেখা প্রাণীটি নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুর বা যশোরের হনুমান নামে পরিচিত। এ প্রজাতির মূল উৎস বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলায় রয়েছে। মনিরুল এইচ খান বলেন, বাংলাদেশে তিন প্রজাতির হনুমান রয়েছে। এটি একটি আরবান হনুমান। বন্যপ্রাণী হলেও এটি সাধারণত বনে থাকে না, বরং বসতিপূর্ণ এলাকায় থাকে। মানুষের খাবার এবং মানুষের লাগানো গাছপালার ফল ও ফসল খাওয়ার কারণে এরা প্রায়ই লোকালয়ে বিচরণ করে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, খাবার বা ফল পরিবহনকারী ট্রাকে উঠে এ প্রাণীগুলো অনেক সময় দূর-দূরান্তে চলে যেতে পারে। ট্রাক গন্তব্যে পৌঁছানোর পর সুযোগ বুঝে নেমে নতুন এলাকায় অবস্থান করতে পারে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখা যাওয়াটিও এভাবেই হয়ে থাকতে পারে। সম্প্রতি বাগেরহাটের মোংলাতেও এ প্রজাতির একটি হনুমান দেখা গেছে, যেখানে এর আগে প্রাণীটির উপস্থিতির কোনো রেকর্ড ছিল না বলে জানান মনিরুল। প্রাণীবিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুরের বৈজ্ঞানিক নাম সেমনোপিথেকাস এন্টেল্লাস। বাংলাদেশে এ প্রজাতির হনুমান মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেখা যায়। বিশেষ করে যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলায় এদের উল্লেখযোগ্য আবাসস্থল রয়েছে। এরা সাধারণত মানুষের বসতবাড়ির আশপাশের গাছপালা, বাগান ও ফলের বাগানে বিচরণ করে।  বাংলাদেশের জাতীয় লাল তালিকায় নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুরকে বিপন্ন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। আবাসস্থল সংকট, খাদ্যের অভাব এবং মানুষের সঙ্গে সংঘাত এ প্রজাতির অস্তিত্বের জন্য উল্লেখযোগ্য হুমকি।  জাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আওতাধীন ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান বলেন, প্রাণীটি বন্যপ্রাণী হওয়ায় এটিকে উদ্ধার করে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, আমি আমার টিমকে যথাসম্ভব চেষ্টা করতে বলব, যাতে নির্দিষ্ট এলাকায় খোঁজ করে এটিকে উদ্ধার করা যায়। আরটিভি/এসআর
জাবিতে প্রথম দেখা মিলল উত্তুরে হনুমানের
আত্মপক্ষ সমর্থনের আগেই আজীবন বহিষ্কার, হাইকোর্টের রায়ে সনদ ফিরে পেয়ে মাস্টার্সে প্রথম এমি 
মাস্টার্সের সব পরীক্ষা শেষ, বাকি শুধু ফল প্রকাশ।
আত্মপক্ষ সমর্থনের আগেই আজীবন বহিষ্কার, হাইকোর্টের রায়ে সনদ ফিরে পেয়ে মাস্টার্সে প্রথম এমি 
আইইবি নির্বাচন ঘিরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের ‘ইঞ্জিনিয়ার্স গেট টুগেদার’
আসন্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম, বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘ইঞ্জিনিয়ার্স গেট টুগেদার’ শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর উত্তরা ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এ্যাব'র সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার শোয়েব বশরী হাবলু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আইটিইটি'র সভাপতি প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী খান মঞ্জুর মোরশেদ, প্রকৌশলী মিয়া মো. কাইয়ুম, প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. জুলহাস উদ্দিন, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এস. এম. মোমিনুল আলম, প্রকৌশলী এ. কে. এম. মহসিন আহমেদ এবং আয়োজক কমিটির পক্ষে প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীনুল হক ও আশিক ইসতিয়াক লিখন। অনুষ্ঠানে বক্তারা টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন, পেশাগত অধিকার সংরক্ষণ এবং আইইবি নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এস এম মমিনুল আলম বলেন, টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে হলুদ প্যানেলের প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিসিএস (টেক্সটাইল) ক্যাডার চালু, পদোন্নতি জটিলতা নিরসন এবং অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁরা কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন। এ্যাব'র সদস্যসচিব প্রকৌশলী শোয়েব বশরী হাবলু বলেন, টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অনেক দাবি-দাওয়া রয়েছে। এসব দাবি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি। নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রতি দলীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে সমন্বয় করে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন, আইইবি'র সহ সভাপতি পদপ্রার্থী প্রকৌশলী এ কে এম মহসিন আহমেদ বলেন, আগামী ১২ নভেম্বরের আইইবি নির্বাচনে একমাত্র পূর্ণাঙ্গ প্যানেল হিসেবে হলুদ প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এ প্যানেলে যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই বছর টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য ভোটাররা যোগ্য প্রার্থীদের বেছে নেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, বিগত নির্বাচন সুশৃঙ্খল, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। আসন্ন নির্বাচনও একইভাবে সুন্দর ও সুষ্ঠু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের সমস্যা, সরকারি চাকরিতে পদ বৃদ্ধি, পরিবেশগত সংকট ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যাব'র আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কার্বন ফাইবারের মতো আধুনিক উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। আইইবি'র ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের সদস্যপদ অর্জনেও টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অবদান উল্লেখযোগ্য, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁদের পেশাগত স্বীকৃতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়েছে। প্রকৌশলীদের পেশাগত স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় আগামী নির্বাচনে প্রকৌশলী খান মঞ্জুর মোরশেদ ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন হলুদ প্যানেলকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর পর আইইবি'তে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের ক্যাডার প্রতিষ্ঠা, আইটিইটি'র নিজস্ব ভবন নির্মাণসহ পেশাজীবীদের বিভিন্ন দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আগামী ১২ নভেম্বরের নির্বাচনে হলুদ প্যানেলের সকল প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সঠিক নিয়মে ভোট প্রদানের পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে আইইবি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিভিন্ন পদের প্রার্থীদের পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিত ভোটারদের কাছে ভোট ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
আইইবি নির্বাচন ঘিরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের ‘ইঞ্জিনিয়ার্স গেট টুগেদার’
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ইবি ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ইবি ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই, আমরা প্রস্তুত আছি: নাহিদ ইসলাম
‘ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই, আমরা প্রস্তুত আছি’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা ১১ আসনের সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম।
ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই, আমরা প্রস্তুত আছি: নাহিদ ইসলাম
আরও পড়ুন
আত্মপক্ষ সমর্থনের আগেই আজীবন বহিষ্কার, হাইকোর্টের রায়ে সনদ ফিরে পেয়ে মাস্টার্সে প্রথম এমি 
পাহাড়ে ওঠার সময় দড়ির বাঁধন ছিঁড়ে প্রাণ গেল দুই শিক্ষার্থীর
বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থেকে প্রশাসন ক্যাডার বাকৃবির শাহীদুল
বাংলাদেশে আরও বেশি চীনা বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর