ইউরোপীয় কমিশনের পার্টিসিপ্যান্ট আইডেন্টিফিকেশন কোড (পিআইসি) নিবন্ধন অর্জন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের আবেদনের ভিত্তিতে এ নিবন্ধন লাভ করে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের পরিচালক প্রভাষক মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই নিবন্ধনের ফলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ইউরোপীয় কমিশনের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনমূলক কর্মসূচিতে, বিশেষ করে ইরাসমাস, হরাইজন ইউরোপ, জ্যাঁ মোনে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন-অর্থায়িত (ইইউ-ফান্ডেড) বিভিন্ন প্রকল্পে অংশীদার বা আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও সহজে অংশগ্রহণ করতে পারবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা, যৌথ প্রকল্প, গবেষণা অনুদান এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্বের নতুন সম্ভাবনাও উন্মুক্ত হবে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের পরিচালক প্রভাষক মশিউর রহমান বলেন, ইউরোপীয় কমিশনের পিআইসি নিবন্ধন পাওয়ার ফলে ইউরোপীয় ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, প্রশিক্ষণ, প্রকাশনা এবং বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ বাড়বে। তবে পিআইসি নিবন্ধন পাওয়া মানেই সরাসরি কোনো প্রকল্প বা অর্থায়ন পাওয়া নয়। এটি মূলত এসব প্রকল্পে আবেদন ও অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সুযোগ নিশ্চিত করে।
তিনি আরও বলেন, এখন আমাদের কাজ হলো আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করা, মানসম্পন্ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করা এবং এই সুযোগকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বাস্তব সুফলে রূপ দেওয়া।
প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের আবেদনের ভিত্তিতে ২০২৫ সালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ইরাসমাস অর্গানাইজেশন আইডি (ওআইডি) অর্জন করে।
আরটিভি/টিআর



