ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩১ এএম
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা। ছবি: আরটিভি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশার বিস্তার রোধ ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও অভ্যন্তরীণ সড়ক, টিএসসি ও হলগুলোর চারপাশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় এডিস মশার বংশবিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি মশকনিধন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিয়মিত কার্যক্রম গ্রহণের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মারুফ হাসান (মামুন সরকার) বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর আশেপাশে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাস্তা এবং টিএসসির আশেপাশে ড্রেন ও রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছি। পাশাপাশি শিক্ষার্থী যারা হলের উপর থেকে নিচে ময়লা ফেলে দেয়, তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছি, নির্দিষ্ট স্থানে যেন ময়লা ফেলে। আমাদের এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। যখনই প্রয়োজন হবে আমরা পরিচ্ছন্ন অভিযান চালাবো।

শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী চলমান ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর অংশ হিসেবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আজকের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এটি আমাদের প্রত্যেকের সামাজিক ও নাগরিক দায়িত্ব। ক্যাম্পাসের কোথাও যেন পানি জমে মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি না হয়, সেজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং নিজেদের চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং সামাজিক দায়িত্ব পালনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চায়। সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের এই উদ্যোগ শুধু আজকের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সীমাবদ্ধ থাকবে না; ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত সচেতনতা তৈরির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২০ কোটি টাকার সোনালী ব্যাগ প্রকল্পের যন্ত্রপাতি পেল মাভাবিপ্রবি
বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাট শিল্পের গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সোনালী ব্যাগ প্রকল্পের অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি পেয়েছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি), বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট (বিসিসিটি) ও মাভাবিপ্রবির মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর ডেমরায় লতিফ বাওয়ানী জুট মিলে যন্ত্রপাতি হস্তান্তর ও এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম মাভাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলামের কাছে যন্ত্রপাতি ও মালামাল হস্তান্তর করেন। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে পরিচালিত প্রকল্পটির যন্ত্রপাতিসহ প্রায় ৫৩টি আইটেম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এসব যন্ত্রপাতি পাটের সেলুলোজ, পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্য ও পাটের বহুমুখী ব্যবহার নিয়ে গবেষণায় কাজে লাগানো হবে। প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নষ্ট না করে গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে পাটের নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পাশাপাশি গবেষণার ফলাফল ব্যবহারিক ও বাণিজ্যিকভাবে প্রয়োগ করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিজেএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কবির উদ্দিন সিকদার, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক মোস্তফা কামাল এবং মাভাবিপ্রবির রেজিস্ট্রার (দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এ কে এম মহিউদ্দিন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বিজেএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কবির উদ্দিন সিকদার এবং মাভাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মাভাবিপ্রবির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবু বকর সিকদার, অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল বাশার, সহকারী অধ্যাপক আল ইমরান হোসাইন ও প্রভাষক মো. শাহাবুল হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। সোনালী ব্যাগ প্রকল্পের যন্ত্রপাতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকাজে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল বাশার। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় তিনি এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেন। উল্লেখ্য, পাটের সেলুলোজ থেকে পরিবেশবান্ধব ও পচনশীল ‘সোনালী ব্যাগ’ উৎপাদনের লক্ষ্যে ২০১৭ সালে বিজেএমসির অধীনে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে পণ্যের গুণগত মান উন্নয়নে গবেষণা করা হয়। উৎপাদন ব্যয় ও বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের সীমাবদ্ধতার কারণে প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়। আরটিভি/টিআর
২০ কোটি টাকার সোনালী ব্যাগ প্রকল্পের যন্ত্রপাতি পেল মাভাবিপ্রবি
বিশ্বের শীর্ষ গবেষকের তালিকায় বেরোবির ৩ শিক্ষক, ১ শিক্ষার্থী
বিশ্বসেরা গবেষণার স্বীকৃতি পেয়েছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তিন শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থী। বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় তাদের নাম উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক চিকিৎসা ও বিজ্ঞানবিষয়ক বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার-এর যৌথ জরিপে ২০২৬ সালের এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকায় স্থান পেয়েছেন বেরোবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মো. হাসান আলী, বিভাগের শিক্ষার্থী অভিজিৎ ঘোষ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু রেজা মো. তৌফিকুল ইসলাম। ড. ফেরদৌস রহমান গবেষণার পাশাপাশি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় থাকা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু রেজা মো. তৌফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী (Top 2% Scientists) তালিকা ২০২৬-এ অন্তর্ভুক্ত হতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় ধারাবাহিকভাবে পঞ্চমবার (২০২২–২০২৬) স্থান পাওয়া আমার গবেষণাজীবনের এক অনন্য স্বীকৃতি। এই অর্জন উৎসর্গ করছি আমার পরিবার, সহগবেষক, শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও সকল সহযোগীর প্রতি, যাঁদের অবদান, সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা আমার গবেষণাযাত্রার শক্তি। গবেষণা, জ্ঞান সৃষ্টি ও সমাজের কল্যাণে অবদানের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। অর্জন প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় থাকা ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, আমরা তিনজন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী এ তালিকায় স্থান পেয়েছি। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও বাড়বে। গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে। এ ধরনের অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই গর্বের। আরটিভি/টিআর
বিশ্বের শীর্ষ গবেষকের তালিকায় বেরোবির ৩ শিক্ষক, ১ শিক্ষার্থী
চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা হতে হবে: ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কারিকুলামকে শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) অডিটোরিয়াম-১-এ ‘দ্য রোল অব অ্যাকাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি কলাবোরেশন: রিসার্চ এক্সেলেন্স, ইনোভেশন অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে এমন সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের স্নাতক শেষ করে চাকরি খুঁজতে না হয়; বরং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোই তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা নিজেরাই অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে। অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, শিল্পখাতের প্রয়োজন ও চাহিদা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কারিকুলাম নিয়মিত হালনাগাদ করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে। একাডেমিয়া ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে উঠলে গবেষণা, উদ্ভাবন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। সেমিনারে দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক বলেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তিসম্পন্ন মানুষ খুঁজে পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তাই শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় আসার আগ থেকেই উদ্ভাবনী চিন্তা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা গেলে শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরিপ্রার্থী না হয়ে ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পারবেন এবং অন্যদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও হাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এনামুল্লাহ বলেন, নতুন সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ সফল করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা করলে তাদের চাহিদা অনুযায়ী একাডেমিক কারিকুলাম সাজানোর সুযোগ তৈরি হবে। এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে অতিথিদের বক্তব্য ও ক্রেস্ট প্রদান শেষে উপাচার্যের সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সেমিনারের সমাপ্তি হয়। সেমিনারে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করা গেলে শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের গবেষণা, উদ্ভাবন, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। হাবিপ্রবি প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এনামুল্লাহ সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুল হাসান খান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০ জন ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা সেমিনারে অংশ নেন। আরটিভি/টিআর
চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা হতে হবে: ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন
বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ গবেষকের তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’ যৌথভাবে বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকা প্রকাশ করেছে। বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের এই তালিকায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে জায়গা করে নিয়েছেন ১৬ জন গবেষক। গত বছর এই তালিকায় বাকৃবির ১২ জন শিক্ষক ও গবেষক স্থান পেয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার ভিত্তিতে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। দেশের ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৪৭ জন গবেষক এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, কনসিস্টেন্সি এবং সহলেখকদের প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা হলেন—ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. এহসানুল কবীর, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হান্নান, একোয়াকালচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ফজলে রোহানী, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তানভীর রহমান, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম লুৎফুল কবির, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কে এম গোলাম দস্তগীর, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তাহজিব-উল-আরিফ, একোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, কৃষি অর্থসংস্থান ও ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আক্তারুজ্জামান খান, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল মজিদ, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. টুম্পা রানী সরকার, কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবির, সিড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান ও প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশের শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। ঢাবির ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির ২০ জন গবেষক এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাকৃবি। বাকৃবির ১৬ জন গবেষক এ বছরের তালিকায় রয়েছেন। আরটিভি/টিআর
বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ গবেষকের তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক
নিকাব পরায় ছাত্রীকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা, ঢাবি শিক্ষককে ক্লাস থেকে অব্যাহতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের ক্লাসে নেকাব পরে আসায় এক ছাত্রীকে‘মৌলবাদী’ ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে কটাক্ষ করার অভিযোগ উঠেছে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের পর জরুরি একাডেমিক কমিটির সভায় তাকে সব ধরনের ক্লাস থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়ে। শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিভাগের জরুরি একাডেমিক কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের (২০১৯-২০ সেশন) ক্লাসে নেকাব পরে আসায় এক ছাত্রীকে ওই শিক্ষক ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ (মৌলবাদী) ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে। নেকাব পরা ওই ছাত্রী তাকে আক্রমণ করতে পারেন এমন আশঙ্কাও শিক্ষক প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। পরে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি একাডেমিক কমিটির সভা ডাকা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয় ওই শিক্ষককে আর ক্লাস করাতে দেওয়া হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জরুরি একাডেমিক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও সাম্প্রতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একটি রেজল্যুশন নেওয়া হয়। সেই রেজল্যুশনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কোর্সগুলো পুনর্বণ্টন করা হয়েছে এবং কোর্সগুলো অন্য শিক্ষকদের দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। বিভাগীয় চেয়ারম্যান বা বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই। অধ্যাপক তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী এ ধরনের বিষয়ে উপাচার্য, একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। বিভাগ থেকে ঘটনাটি তাদের অবহিত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হবে। আরটিভি/টিআর
নিকাব পরায় ছাত্রীকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা, ঢাবি শিক্ষককে ক্লাস থেকে অব্যাহতি
আরও পড়ুন
ডেঙ্গু ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ছাত্রদলের
সবচেয়ে অকর্মা সন্তানগুলোই সাংবাদিক হয়: সাবেক ছাত্রদল নেতা
গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকে মনোনীত দুই শিক্ষার্থীর সাফল্যের গল্প