ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে জবিতে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি

জবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যক্রমের প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটকের সামনে জবি ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি । ছবি: আরটিভি

ক্যাম্পাস ও দেশজুড়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যক্রম ও তৎপরতার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এতে জবি ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতও উপস্থিত ছিলেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রমের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় ‘স্বৈরাচার আর রাজাকার, মিলেমিশে একাকার’, ‘একটা একটা লীগ ধর, ধরে ধরে জেলে ভর’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পুনরায় সাংগঠনিক তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান তারা।

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে সন্ত্রাস, দখলদারত্ব ও সহিংসতার রাজনীতি থেকে মুক্ত রাখতে আমরা সোচ্চার। নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠন যেন ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছি। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পুনরায় তৎপরতার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকতে হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। আমরা কোনো ধরনের সহিংসতা চাই না। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে এসব তৎপরতার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিল্পক্ষেত্রে সিএডি ও সিমুলেশনের সম্ভাবনা নিয়ে মাভাবিপ্রবিতে সেমিনার
রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল ও অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিভাগের সেমিনার হলে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
শিল্পক্ষেত্রে সিএডি ও সিমুলেশনের সম্ভাবনা নিয়ে মাভাবিপ্রবিতে সেমিনার
ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, মাসে মিলবে ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা
ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি দিচ্ছে দেশটির প্যারিসভিত্তিক উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একোল নর্মাল সুপেরিয়র (ইএনএস)। ‘ইএনএস সিলেকশন স্কলারশিপ’ নামের এ বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফের পাশাপাশি আবাসন সুবিধা ও প্রতি মাসে ১ হাজার ইউরো ভাতা পাবেন, যা বাংলাদেশি টাকায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০০ টাকা। 
ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, মাসে মিলবে ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা
জবিতে মানসিক স্বাস্থ্যচর্চায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান উপাচার্যের
শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে মানসিক স্বাস্থ্যচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
জবিতে মানসিক স্বাস্থ্যচর্চায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান উপাচার্যের
খুবিতে ১৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে আনলিমিটেড ডাল-ভাত, সঙ্গে ভর্তা-ডিমও
সকালের খাবারে ১৫ টাকা খরচ করলেই মিলছে ভাত, ডাল, ভর্তা ও একটি ডিম। এর সঙ্গে ভাত ও ডাল রাখা হয়েছে আনলিমিটেড। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) খান জাহান আলী হলের ডাইনিংয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য চালু রয়েছে এ খাবারের ব্যবস্থা। তবে প্রতিদিন ডিম থাকে না। একদিন পর পর ডিম দেওয়া হয়। ডিম না থাকার দিন ভাত, ডাল ও ভর্তা দেওয়া হয় একই মূল্যে। শিক্ষার্থীদের সাধ্যের মধ্যে সকালের খাবার দেওয়ার লক্ষ্যেই এ ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে। খাবারের মূল্য ১৫ টাকা হলেও খাবারের মান ও মূল্য সমন্বয়ের জন্য হল প্রশাসন থেকে ডাইনিংয়ে নিয়মিত ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য কম দামের এ খাবারের ব্যবস্থা সচল রাখার চেষ্টা করছে হল প্রশাসন। খান জাহান আলী হলের সাবেক প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলমের সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫ টাকার সকালের খাবারের উদ্যোগটি চালু হয়। বর্তমানে তিনি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বলেন, এটি ছিল মূলত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে নেওয়া একটি ছাত্রবান্ধব উদ্যোগ।আমাদের উদ্দেশ্য ছিল, চড়া বাজারদরের মধ্যেও যেন কোনো শিক্ষার্থী অর্থের অভাবে সকালের খাবার থেকে বঞ্চিত না হয় এবং স্বস্তিতে একটি পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে। এক্ষেত্রে খাবারের দাম কম রাখার পাশাপাশি এর পুষ্টিগুণ ও মান যেন যথাসম্ভব অক্ষুণ্ণ থাকে, সে বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাবেক প্রাধ্যক্ষের চালু করা এ ব্যবস্থা বর্তমানে অব্যাহত রেখেছে হল প্রশাসন। খান জাহান আলী হলের বর্তমান প্রাধ্যক্ষ ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বর্তমানে হলে যে উন্নয়নমূলক কাজগুলো দৃশ্যমান, তার মূল ভিত্তি স্থাপন করে গেছেন সাবেক প্রাধ্যক্ষ ও বর্তমানে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম স্যার। আমি মূলত তাঁরই রেখে যাওয়া ইতিবাচক ও ছাত্রবান্ধব কাজগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। ডাইনিংয়ের খাবারের মূল্য ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তিনি বলেন, হল প্রশাসনের সহায়তায় এবং ডাইনিং ম্যানেজারদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ডাইনিংয়ে খাবারের মান মূল্য ইত্যাদি ঠিক রাখার পাশাপাশি  আগামীতে শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের সুযোগ-সুবিধা কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে। বর্তমানে খান জাহান আলী হলের ডাইনিং এ তিন বেলা খাবার ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সকালসহ যার মূল্য দাঁড়ায় ৮৫ টাকা। হলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার সরদার লালটু মিয়াও বিষয়টি নিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যাতে কম খরচে ও সহজলভ্যে খাবার খেতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রভোস্ট মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী হল ডাইনিংয়ে ভর্তুকি দেওয়া হয়। মূলত খাবারের মূল্য শিক্ষার্থীদের নাগালের মধ্যে রাখতেই এই ব্যবস্থা।’ ডাইনিংয়ে প্রতিদিনের খাবারের ম্যেনু, খাবারের মান, বাজার  ব্যবস্থাপনা তথা আনুষাঙ্গিক সকল কিছুর তত্ত্বাবধানের  দায়িত্ব পালন করছেন ডাইনিং ম্যানেজাররা। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খাবার গ্রহণের অভিজ্ঞতাতেও এ ব্যবস্থাপনার বিষয়টি উঠে আসে। অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদি বলেন, এখন বাইরে সাধারণ একটা ডিম কিনতেই ১২ টাকা লেগে যায়। সেখানে আমাদের হলের ডাইনিংয়ে ১৫ টাকায় ভাত, ডাল, ভর্তার সঙ্গে ডিমও পাওয়া যাচ্ছে-এটা বিশাল এক সাপোর্ট। আর ডাল-ভাত তো আনলিমিটেড, পেট ভরে খাওয়া যায়। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তানভির বলেন, সবকিছুর দাম যেভাবে বাড়ছে, সেখানে হলরোডের হোটেল বা ক্যান্টিনে সকালে খাওয়াটা বেশ খরচের ব্যাপার। সেই জায়গায় আমাদের হলের ডাইনিংয়ে ১৫ টাকায় সকালের এই খাবারের ব্যবস্থা সত্যি খুব উপকারে আসছে।  শিক্ষার্থীদের সাধ্যের মধ্যে খাবারের সুযোগ ধরে রাখতে হল প্রশাসনের ভর্তুকি এবং ডাইনিং ম্যানেজারদের ব্যবস্থাপনা-দুইয়ের সমন্বয়েই চলছে ১৫ টাকার এ সকালের খাবারের ব্যবস্থা। আরটিভি/এসআর  
খুবিতে ১৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে আনলিমিটেড ডাল-ভাত, সঙ্গে ভর্তা-ডিমও
জবির ছাত্রী হলে চুরি, দায়সারা বক্তব্য প্রশাসনের
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হলে একটি কক্ষ থেকে ল্যাপটপ ও নগদ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার হয়নি চুরি যাওয়া মালামাল।  এদিকে, সংশ্লিষ্ট ফ্লোরের চারটি সিসিটিভি ক্যামেরা অচল থাকলেও তা নিয়ে হল প্রশাসনের ভূমিকা এবং বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর প্রত্যাশিত সহযোগিতা না দিয়ে দায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। ভুক্তভোগী আফসানা মিমি বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার অভিযোগ, গত ৭ অক্টোবর হলের ১৩০৩ নম্বর কক্ষ থেকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ল্যাপটপ চুরি হয়। এর পরদিন ৮ অক্টোবর একই কক্ষের আরেক শিক্ষার্থী এশার আলমারি থেকে দুই হাজার টাকার বেশি খোয়া যায়। ঘটনার পর হল প্রশাসনকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামালের সন্ধান পাওয়া যায়নি। মিমি জানান, ৬ অক্টোবর রাতে ল্যাপটপটি ব্যাগে ভরে বিছানার মাথার কাছে রেখেছিলেন তিনি। পরদিন দুপুর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কক্ষে ছিলেন না। ওই সময়ের মধ্যেই ল্যাপটপটি চুরি হয়েছে বলে ধারণা তাঁর। ৮ অক্টোবর সকালে একই কক্ষের আরেক শিক্ষার্থীর টাকা খোয়া যাওয়ার ঘটনা জানার পর খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুপুরে ক্লাস থেকে ফিরে নিজের ব্যাগে ল্যাপটপটি পাননি তিনি। পরে পুরো ফ্লোরে খোঁজ করেও সেটির সন্ধান মেলেনি। ঘটনার পর হল প্রভোস্ট ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে দুই থেকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় বলে দাবি করেন মিমি। পরে তাঁদের জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট ফ্লোরের চারটি সিসিটিভি ক্যামেরাই অচল।  মিমি বলেন, আমার ল্যাপটপ ও সহপাঠীর টাকা চুরি হওয়ার পর আমরা হল কর্তৃপক্ষের কাছে যাই। কিন্তু দুই-তিন ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর তারা জানায়, ফ্লোরের চারটি সিসিটিভি ক্যামেরাই নষ্ট। তারা দায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একটা ফ্লোরে ৮০-৯০ জন মেয়ে থাকে। সেখানে এক সপ্তাহ ধরে সিসিটিভি নষ্ট, অথচ তারা খেয়াল করেনি। হল কর্তৃপক্ষের এই অসাবধানতার কারণে আমার যে ক্ষতি হয়েছে, আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ চাই। এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট আঞ্জুমান আরা আরটিভিকে বলেন, দুই দিন আগে ইঁদুরে সিসিটিভি ক্যামেরার তার কেটে ফেলায় সেগুলো অচল হয়ে পড়ে। আর শিক্ষার্থী ঠিক কবে ল্যাপটপ হারিয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। তাঁর বান্ধবীর টাকা খুঁজতে গিয়ে তিনি ল্যাপটপটি নেই বলে দেখতে পান। প্রভোস্ট আরও বলেন, হলে ওঠার আগেই শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হয়, কোনো কিছু হারিয়ে গেলে এর দায়ভার হল প্রশাসন নেবে না। আমরা কয়েকবার ওই কক্ষের শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। এ ঘটনায় রোববার একটি সভা ডেকেছি। কক্ষে কে বা কারা আসা-যাওয়া করেন, তা তো আমাদের জানা থাকে না। হলের নিরাপত্তা জোরদারে প্রবেশপথে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রভোস্ট বলেন, এ ব্যবস্থা চালু করলে বাইরে থেকে অতিথি আনতে না পারার কারণে শিক্ষার্থীরা আবার আপত্তি তুলতে পারেন। আমরা চেষ্টা করছি, শিক্ষার্থী তার টিউশনির কষ্টের টাকা দিয়ে কেনা ল্যাপটপটি খুঁজে বের করতে। উল্লেখ্য, চুরির ঘটনায় হলের নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সিসিটিভি ক্যামেরার নিয়মিত তদারকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে কার্যকর তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থার ত্রুটি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানায় হলের শিক্ষার্থীরা। আরটিভি/এসআর  
জবির ছাত্রী হলে চুরি, দায়সারা বক্তব্য প্রশাসনের