ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

যুদ্ধের সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় মানুষকে: জবি উপাচার্য

জবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম
ছবি: আরটিভি

যুদ্ধ শুধু সেনাবাহিনী, সরকার বা রাজনৈতিক শক্তির সংঘাত নয়, এর সবচেয়ে গভীর প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনে। প্রতিটি পরিসংখ্যানের পেছনে একজন মানুষ, ধ্বংসস্তূপের পেছনে একটি পরিবার এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ভয়, ক্ষতি ও অনিশ্চয়তার গল্প—এমন মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের আয়োজনে ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব মিডিয়া: নৈতিক দায়বদ্ধতা ও আত্মপর্যালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে সত্য, মানবিক মর্যাদা, প্রাসঙ্গিকতা ও ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন উপাচার্য। তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক নীতির প্রতি শ্রদ্ধার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য শেয়ারের আগে সত্যতা ও প্রেক্ষাপট যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি কি সমঝোতায় অবদান রাখছি, নাকি বিদ্বেষ ছড়াচ্ছি? -এ প্রশ্ন প্রত্যেকের বিবেচনা করা উচিত। গণমাধ্যম একা যুদ্ধ বন্ধ করতে না পারলেও, মানুষ কীভাবে যুদ্ধকে অনুধাবন করবে, তা প্রভাবিত করতে পারে উল্লেখ করে তিনি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ওপর জোর দেন।

উল্লেখ্য, সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ইরানের রাষ্ট্রদূত, রুশ রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সংবিধান সংশোধন মতবিনিময় সভায় বেরোবি শিক্ষক তালিকা নিয়ে ক্ষোভ শিক্ষার্থীদের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সাথে মতবিনিময়ের লক্ষ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) প্রশাসন থেকে পাঠানো ১১ সদস্যের শিক্ষক প্রতিনিধি তালিকা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
সংবিধান সংশোধন মতবিনিময় সভায় বেরোবি শিক্ষক তালিকা নিয়ে ক্ষোভ শিক্ষার্থীদের
ট্রফি উন্মোচিত হলো যবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার 
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে ট্রফি উন্মোচন ও ফিক্সচার ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
ট্রফি উন্মোচিত হলো যবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার 
উপাচার্যের ৫৬ দিন স্মরণে চুয়েটে ‘মুখোশ মিছিল’
বন্ধ শ্রেণিকক্ষ, শূন্য বারান্দা, কাঁধে ব্যাগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সেই চেনা আনাগোনা নেই—চুয়েট ক্যাম্পাসজুড়ে যেন নেমে এসেছে স্থবিরতা।
উপাচার্যের ৫৬ দিন স্মরণে চুয়েটে ‘মুখোশ মিছিল’
রাবিতে বেড়েছে সাপের উপদ্রব, চলতি বছরেই উদ্ধার ৮৫ সাপ   
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা থেকে চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে প্রায় ৮৫টি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। 
রাবিতে বেড়েছে সাপের উপদ্রব, চলতি বছরেই উদ্ধার ৮৫ সাপ   
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রামেকে গৃহবধূর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ১১০
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ফারজানা খাতুন (২৩) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।  হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, ‘তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম উল্লেখ করা হয়েছে।’ মৃত ফারজানা খাতুনের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ফুলহরি এলাকায়।  হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার সকালে তাকে রম্যক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এদিকে রামেক হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ অব্যাহত রয়েছে।  হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৩৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১১০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে। বিশেষ করে ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম দেখা দিলে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। তাই জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, বমি কিংবা অতিরিক্ত দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসআর
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রামেকে গৃহবধূর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ১১০
আরও পড়ুন
এআই ব্যবহারে পরিমিত হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব: ইরানের রাষ্ট্রদূত
ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে. সিমনস
আমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাস্তবায়ন: জবি উপাচার্য