ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচনী ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছি: রাকসু ভিপি

রাবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ এএম
ছবি: আরটিভি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পেয়েছিল তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। দায়িত্ব নেওয়ার পর এক বছর পূর্তির দ্বারপ্রান্তে এসে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ও কাজের হিসাব তুলে ধরছেন রাকসু নেতারা। নানা উদ্যোগের পাশাপাশি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে—তা নিয়েও রয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা ও প্রশ্ন।

দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা, অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি নিয়ে আরটিভির মুখোমুখি হয়েছেন রাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আরটিভির রাবি সংবাদদাতা সায়েম চৌধুরী।

আরটিভি: রাকসু ভিপি হিসেবে কেমন চলছে আপনার দায়িত্ব?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: কোন জনপ্রিয় নেতা হওয়ার জন্য না, আমি অনেক বড় নেতা হব; এমন উদ্দেশ্যও না। আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে অনেক শিক্ষার্থী না খেয়ে থাকে এই ক্যাম্পাাসে, অনেক শিক্ষার্থী আবাসন সমস্যায় আছে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে না পারা পর্যন্ত আমার শান্তি হচ্ছে না এবং আমি যেন এই বাকি সময়ের মধ্যে এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারি। অনেক শিক্ষার্থী এসে কান্নাকাটি করে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারলে আরও বেশি ভালো লাগতো।

আরটিভি: দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় শেষের দিকে রাকসু। শেষ পর্যায়ে এসে রাকসু কতটা সফল হয়েছে?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: রাকসুকে শতভাগ সফল করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। আমরা আমাদের ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি আরও কিছু কাজ চলমান আছে। কিছু কাজ প্রশাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সেজন্য অল্প কিছু কাজ বাস্তবায়ন করা হয়তো সম্ভব হবে না।

আরটিভি: রাকসু পরিচালনা করতে গিয়ে কোনটাকে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ মনে হয়েছে?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: সবচেয়ে বড় সমস্যাটা আমার কাছে অনুভব হয়েছে সেটা হলো শিক্ষার্থীদের অনাবাসিক ভাতা এবং আবাসন সমস্যা, এই চ্যালেঞ্জটা দূর করতে কোটি কোটি টাকার ব্যাপার। আর একটা হলো বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী আমাদের বাহিরে থাকে। প্রায় ২০ হাজারের মতো শিক্ষার্থী বাইরে থাকে।

‘এই ২০ হাজার স্টুডেন্টকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হয় যে এই সমস্যাটা কীভাবে সমাধান করা যায়। চাইলে হল তৈরি করাও সম্ভব না, হল করতেও কয়েকবছর সময় লাগবে। এই কয়েকবছর কীভাবে চলবে। এই সমস্যাটা সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। প্রতিমাসে যদি ভাতাও দেওয়া যায় ১ হাজার করে। তবে দিলেও কয়েক কোটি টাকা লাগে, ওইটাও সরকার কোন ফান্ড থেকে দেবে? কীভাবে দেবে আমরা যোগাযোগ করছি। এই সমস্যাটাই সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে।’

আরটিভি: নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলোর কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: আমাদের কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদ মিলিয়ে ১২ মাসে ২৪টি ইশতেহার দিয়েছি। সেখানে ১০৭টি কাজের কথা রয়েছে। আমাদের প্রায় ৭৩ শতাংশ কাজই বাস্তবায়ন হয়েছে। বাকি কাজগুলোর বেশিরভাগই চলমান রয়েছে।

‘আমরা আশা করছি, মেয়াদের মধ্যেই অনেকগুলোই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। তবে কিছু কাজ রয়েছে, যেগুলো নিয়ে আমরা এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। এর মধ্যে রয়েছে অনাবাসিক ভাতা, মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার, পূর্ণাঙ্গ টিএসসি, অনাবাসিক এলাকায় সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন, হলগুলোতে ফ্রিজ দেওয়া, হলের মসজিদে এসি স্থাপন, কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন এবং হলগুলোতে জিমনেশিয়াম স্থাপন।’

‘এর মধ্যে হলগুলোর রিডিং রুমে এসি দেওয়া হয়েছে; তবে মসজিদগুলোতে এসি দেওয়া এখনও বাকি রয়েছে। আমরা বর্তমানে এসব বিষয় নিয়েই কাজ করছি। এর বেশিরভাগই প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। কারণ আমরা চাইলেও অনাবাসিক ভাতার জন্য সরাসরি আমাদের ফান্ড থেকে অর্থ দিতে পারি না। একইভাবে জিমনেশিয়াম স্থাপনের জন্যও অনেক টাকা প্রয়োজন, যা আমাদের মূল ফান্ড থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলমান রয়েছে।,

‘তবে প্রশাসনের মাধ্যমে যদি কোনো কারণে এগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হয়, তাহলে আমাদের নিজস্ব ফান্ড থেকে কিংবা স্পন্সর ম্যানেজ করে, যেভাবেই হোক এসব কাজ বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, ইশতেহারের শতভাগ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

আরটিভি: অনেক শিক্ষার্থী রাকসুর কার্যক্রমে হতাশা প্রকাশ করেছে, তাদের উদ্দেশ্য কিছু বলবেন?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: শিক্ষার্থীদের বড় চাহিদাগুলোর মধ্যে অনাবাসিক ভাতা অন্যতম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী এই সমস্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। বিশেষ করে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের আমরা প্রতিনিয়ত এমন সমস্যার মুখোমুখি হতে দেখছি। অনেকে বিভাগীয় ফি দিতে পারছেন না, মেসের ভাড়া দিতে পারছেন না, এমনকি খাবারের টাকাও জোগাড় করতে পারছেন না।

এই শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান করতে না পারায় তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে। আমরা অনাবাসিক ভাতার বিষয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। কিন্তু এটি বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। প্রশাসন যদি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে আসত, তাহলে আমাদের ইশতেহারের বাস্তবায়ন শতভাগের কাছাকাছি নেওয়া সম্ভব হতো এবং শিক্ষার্থীদের হতাশাও অনেকাংশে দূর করা যেত বলে আমরা মনে করি।

আরটিভি: কিছুদিন আগে রাকসু কিছু প্রতিনিধি দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাকসুকে সহযোগিতা করছে না। আপনি কি মনে করেন?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের চরমভাবে অসহযোগিতা করেছে। প্রথমে যেমন অসহযোগিতা করেছে এখন সেটা আরও বেড়ে গেছে। অনাবাসিক ভাতা, মেডিকেল সংস্কার আর ডাইনিং এ খাদ্য ভর্তুকির ব্যাপারে প্রশাসনকে আমরা বারবার বলেছি। কিন্তু প্রশাসন এসব ব্যাপারে বারবার ‘ইগনোর পলিসি’ অবলম্বন করছে এবং বিশেষ করে অনাবাসিক ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের ভাতা দেওয়ার ব্যাপারে কোনো ভ্রুক্ষেপই করছে না।

আরটিভি: লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি থেকে কতটা মুক্ত থাকতে পেরেছে রাকসু?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: আমরা রাকসুকে দলীয় লেজুড়বৃত্তি থেকে মুক্ত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমরা ছাত্রশিবির প্যানেল থেকে নির্বাচিত হলেও আমাদের কাজগুলো দল-মত নির্বিশেষে সকলের জন্য ছিল। কোন দল, মতকে আমরা বলি নাই যে, তোমাদের আমরা এই সেবা দেবো না।

আরটিভি: কিছুদিন আগে সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, এটা নিয়ে কিছু বলবেন?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: এই বিষয়টা একটু ভিন্নভাবে মিডিয়ায় এসেছে। এটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। মূলত ফ্যাসিস্ট সহযোগীদের উদ্দেশ্য সেই বক্তব্য ছিল।

আরটিভি: বিভিন্ন ব্যস্ততার মাঝে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: আপনাকেও ধন্যবাদ। আরটিভির পাঠক ও দর্শকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকা কলেজের ৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, ৪২ জনকে টিসি
অনিয়ম ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ঢাকা কলেজের এইচএসসির ৯ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আরও ৪২ জনকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দিয়েছে কলেজ প্রশাসন।
ঢাকা কলেজের ৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, ৪২ জনকে টিসি
উচ্চস্বরে কথা বলা নিয়ে ইবির বাসে তুমুল কাণ্ড
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডাবল ডেকার বাস ‘গোধূলি’তে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ার জেলখানা মোড়ে বাসটি পৌঁছানোর পর এ ঘটনা ঘটে। বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম হৃদয় অভিযোগ করেন, বাসে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুরো পথ উচ্চস্বরে কথা বলছিলেন। বাস থেকে নামার সময় তিনি তাদের উচ্চস্বরে কথা না বলার অনুরোধ করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আইসিটি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের আবু সাইদ তাঁকে মারধর করেন। এতে তাঁর নাক ফেটে যায় বলে দাবি করেন হৃদয়। হৃদয়ের আরও অভিযোগ, ঘটনার সময় বাসের একটি গ্লাস ভেঙে যায় এবং ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। এছাড়া তাকে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবু সাইদ বলেন, গন্তব্যে পৌঁছানোর পর বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের বাপ্পির সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে আমাকে বললে হয়তো কথা বলতাম না। তিনি আরও বলেন, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে একই বিভাগ ও শিক্ষাবর্ষের হৃদয় এসে আমার গায়ে আগে হাত তোলে। এতে আমার হাত কেটে যায় এবং আমার ল্যাপটপের ডিসপ্লে ভেঙে যায়। এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে আমি ৬৫ হাজার টাকা দাবি করছি। পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর আগামীকাল উভয় বিভাগের সভাপতি উপস্থিতিতে সভা হবে বলে জানা গেছে। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, এবিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ জানায়নি। খোঁজ নিয়ে দেখছি এবং কেউ অভিযোগ দিলে দেখা হবে। আরটিভি/এসআর
উচ্চস্বরে কথা বলা নিয়ে ইবির বাসে তুমুল কাণ্ড
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন ইবির জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতির দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন ইবির জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি
মাভাবিপ্রবিতে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিষধর সাপের দংশন
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শহিদ আবরার ফাহাদ হলের ড্রেনে কাজ করার সময় মিলন(৩০) নামের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিষধর সাপে দংশন করেছে।
মাভাবিপ্রবিতে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বিষধর সাপের দংশন
মাভাবিপ্রবিতে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মাভাবিপ্রবিতে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
আরও পড়ুন
আরটিভিতে আজ (৩০ সেপ্টেম্বর) যা দেখবেন
আকর্ষণীয় বেতনে চাকরির সুযোগ আরটিভি অনলাইনে
রাবিতে বেড়েছে সাপের উপদ্রব, চলতি বছরেই উদ্ধার ৮৫ সাপ   
খাবারের নির্যাসে ক্যানসার প্রতিরোধের সম্ভাবনা