ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

অটোচালকদের খামখেয়ালিপনায় ভোগান্তিতে গোবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) যাতায়াতের অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। নির্দিষ্ট ভাড়ার তালিকা না থাকায় চালকদের বিরুদ্ধে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতে একই গন্তব্যে যেতে দ্বিগুণ বা তারও বেশি ভাড়া দাবি করার অভিযোগ করছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে পাচুরিয়া ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার পর থেকে। আগে ঘণ্টাভিত্তিক বাস চলাচল করায় যাতায়াতে কিছুটা স্বস্তি ছিল। বর্তমানে ক্যাম্পাস থেকে আনসার মাঠ এবং ঘোনাপাড়া হয়ে পাচুরিয়া পর্যন্ত বাস চলাচল করলেও আগের মতো ঘণ্টাভিত্তিক সেবা নেই। এতে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই যাতায়াতের জন্য অটোরিকশার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসিক সুবিধা থাকলেও বাকি ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে মেস বা ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। ক্লাস, টিউশনি ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে প্রতিদিনই তাদের ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়া করতে হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একই গন্তব্যে যেতে বিভিন্ন চালক বিভিন্ন ভাড়া দাবি করেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গোবরা, নিলারমাঠ ও সোনাকুড় এলাকায় যেতে প্রচলিত ভাড়া জনপ্রতি ৫ টাকা হলেও কোনো কোনো চালক ১০ টাকা দাবি করেন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শহরে যাওয়ার সময় ১০ টাকা নেওয়া হলেও ফেরার পথে একই ভাড়া দিতে চান না চালকদের কেউ কেউ। এসব এলাকায় যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের অটোতে উঠতে না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। নির্দিষ্ট ভাড়ার তালিকা না থাকায় এ নিয়ে প্রায়ই চালকদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। বিশেষ করে রাতে নজরদারি না থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতা আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

অটোরিকশার ভাড়া ও চালকদের আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন সময় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীরা যাতায়াতের সময় অতিরিক্ত ভাড়া দাবি এবং চালকদের দুর্ব্যবহারের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরছেন।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাসিন জায়েফ বলেন, ‘সব সময় বাসের সময়সূচির সঙ্গে আমাদের যাতায়াতের সময় মেলে না। ফলে বাধ্য হয়েই অটোতে উঠতে হয়। কিন্তু অটোতে উঠলেই ভাড়া নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। নিলারমাঠ ও সোনাকুড়ের প্রচলিত ভাড়া ৫ টাকা হলেও অনেক চালক ১০ টাকা দাবি করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার সময় ৫ টাকা ভাড়া নিলেও ফেরার পথে ১০ টাকা চান। ১০ টাকা দিতে না চাইলে অনেক সময় অটোতে তুলতে চান না। বিশেষ করে রাতে ৫ টাকার ভাড়া ২০ টাকাও দাবি করেন কেউ কেউ। আবার নতুন শিক্ষার্থীরা ভাড়া সম্পর্কে না জানায় তাদের কাছ থেকেও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ঘটনা ঘটে।’

ভোগান্তির বিষয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রেজওয়ানা নাসরিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে যাতায়াত করতে গিয়ে শুরু থেকেই অটোভাড়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিষয়টি হয়তো খুব বড় কিছু নয়, কিন্তু যারা নিয়মিত এই পথে চলাচল করি, তাদের জন্য বেশ বিরক্তিকর। নিলারমাঠ, গোবরা, চরঘাটা, ঘোনাপাড়াসহ আশপাশের এলাকাগুলো থেকে ক্যাম্পাসে আসতে সাধারণত ভাড়া ৫ টাকা। কিন্তু অটোতে উঠলেই অনেক সময় ১০ টাকা দাবি করা হয়। ১০ টাকার নোট দিলে বলা হয়, তাদের কাছে ৫ টাকা নেই। কখনো আবার অন্য অজুহাত দেখানো হয়। এ নিয়ে কথা বলতে গেলে চালকরা বলেন, ‘৫ টাকা না থাকলে অটোতে উঠেছেন কেন?’

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় সন্ধ্যার পর বা রাতে। কোনো কারণে ফিরতে একটু দেরি হলে একই পথের ভাড়া দ্বিগুণ দাবি করেন চালকরা। তখন প্রয়োজনের তাগিদে বাড়তি ভাড়া দিয়েই ফিরতে হয়। ভাড়া নিয়ে কিছু বলতে গেলেও অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় কথা শুনতে হয়, তর্কে জড়াতে হয়। প্রতিদিন যাতায়াতের সময় এমন পরিস্থিতিতে পড়া সত্যিই অস্বস্তিকর। অন্তত ভাড়ার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম থাকা উচিত, যাতে সময় বা পরিস্থিতির অজুহাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. এস এম আহসান বলেন, এ বিষয়ে এর আগে সরাসরি কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রতিটি রুটের জন্য একটি নির্দিষ্ট ভাড়ার তালিকা থাকা উচিত। আমরা এসব রুটে চলাচলকারী অটোরিকশা মালিক সমিতির সঙ্গে বসে শিক্ষার্থীদের জন্য ভাড়ার তালিকা তৈরি করে দেব, যাতে এ নিয়ে তাদের আর ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাবিতে প্রথম দেখা মিলল উত্তুরে হনুমানের
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো দেখা গেছে বিপন্ন প্রজাতির নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুর বা উত্তুরে হনুমানের। এটি বাংলাদেশে ‘যশোরের হনুমান’ নামেও পরিচিত। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টার (ডব্লিউআরসি) সংলগ্ন এলাকায় প্রাণীটিকে দেখতে পান বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী। রসায়ন বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন সুমন কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টার এলাকার পাশ দিয়ে ক্যাম্পাসের মনপুরা এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তারা প্রাণীটিকে দেখতে পান এবং এর ভিডিও ধারণ করেন। শাহাদাত হোসেন সুমন বলেন, ‘আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে মনপুরার দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারের কাছাকাছি প্রাণীটিকে দেখতে পাই। পরে আমরা এর ভিডিও ধারণ করি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল এইচ খান বলেন, জাবিতে আগে কখনো হনুমান দেখা যাওয়ার রেকর্ড নেই। মাঝে মাঝে ক্যাম্পাসে বানর দেখা গেলেও এ ধরনের হনুমান এর আগে দেখা যায়নি। তিনি জানান, জাবিতে দেখা প্রাণীটি নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুর বা যশোরের হনুমান নামে পরিচিত। এ প্রজাতির মূল উৎস বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলায় রয়েছে। মনিরুল এইচ খান বলেন, বাংলাদেশে তিন প্রজাতির হনুমান রয়েছে। এটি একটি আরবান হনুমান। বন্যপ্রাণী হলেও এটি সাধারণত বনে থাকে না, বরং বসতিপূর্ণ এলাকায় থাকে। মানুষের খাবার এবং মানুষের লাগানো গাছপালার ফল ও ফসল খাওয়ার কারণে এরা প্রায়ই লোকালয়ে বিচরণ করে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, খাবার বা ফল পরিবহনকারী ট্রাকে উঠে এ প্রাণীগুলো অনেক সময় দূর-দূরান্তে চলে যেতে পারে। ট্রাক গন্তব্যে পৌঁছানোর পর সুযোগ বুঝে নেমে নতুন এলাকায় অবস্থান করতে পারে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখা যাওয়াটিও এভাবেই হয়ে থাকতে পারে। সম্প্রতি বাগেরহাটের মোংলাতেও এ প্রজাতির একটি হনুমান দেখা গেছে, যেখানে এর আগে প্রাণীটির উপস্থিতির কোনো রেকর্ড ছিল না বলে জানান মনিরুল। প্রাণীবিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুরের বৈজ্ঞানিক নাম সেমনোপিথেকাস এন্টেল্লাস। বাংলাদেশে এ প্রজাতির হনুমান মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেখা যায়। বিশেষ করে যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলায় এদের উল্লেখযোগ্য আবাসস্থল রয়েছে। এরা সাধারণত মানুষের বসতবাড়ির আশপাশের গাছপালা, বাগান ও ফলের বাগানে বিচরণ করে।  বাংলাদেশের জাতীয় লাল তালিকায় নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুরকে বিপন্ন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। আবাসস্থল সংকট, খাদ্যের অভাব এবং মানুষের সঙ্গে সংঘাত এ প্রজাতির অস্তিত্বের জন্য উল্লেখযোগ্য হুমকি।  জাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আওতাধীন ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান বলেন, প্রাণীটি বন্যপ্রাণী হওয়ায় এটিকে উদ্ধার করে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, আমি আমার টিমকে যথাসম্ভব চেষ্টা করতে বলব, যাতে নির্দিষ্ট এলাকায় খোঁজ করে এটিকে উদ্ধার করা যায়। আরটিভি/এসআর
জাবিতে প্রথম দেখা মিলল উত্তুরে হনুমানের
আত্মপক্ষ সমর্থনের আগেই আজীবন বহিষ্কার, হাইকোর্টের রায়ে সনদ ফিরে পেয়ে মাস্টার্সে প্রথম এমি 
মাস্টার্সের সব পরীক্ষা শেষ, বাকি শুধু ফল প্রকাশ।
আত্মপক্ষ সমর্থনের আগেই আজীবন বহিষ্কার, হাইকোর্টের রায়ে সনদ ফিরে পেয়ে মাস্টার্সে প্রথম এমি 
আইইবি নির্বাচন ঘিরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের ‘ইঞ্জিনিয়ার্স গেট টুগেদার’
আসন্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম, বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘ইঞ্জিনিয়ার্স গেট টুগেদার’ শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর উত্তরা ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এ্যাব'র সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার শোয়েব বশরী হাবলু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আইটিইটি'র সভাপতি প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী খান মঞ্জুর মোরশেদ, প্রকৌশলী মিয়া মো. কাইয়ুম, প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. জুলহাস উদ্দিন, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এস. এম. মোমিনুল আলম, প্রকৌশলী এ. কে. এম. মহসিন আহমেদ এবং আয়োজক কমিটির পক্ষে প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীনুল হক ও আশিক ইসতিয়াক লিখন। অনুষ্ঠানে বক্তারা টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন, পেশাগত অধিকার সংরক্ষণ এবং আইইবি নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এস এম মমিনুল আলম বলেন, টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে হলুদ প্যানেলের প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিসিএস (টেক্সটাইল) ক্যাডার চালু, পদোন্নতি জটিলতা নিরসন এবং অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁরা কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন। এ্যাব'র সদস্যসচিব প্রকৌশলী শোয়েব বশরী হাবলু বলেন, টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অনেক দাবি-দাওয়া রয়েছে। এসব দাবি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি। নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রতি দলীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে সমন্বয় করে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন, আইইবি'র সহ সভাপতি পদপ্রার্থী প্রকৌশলী এ কে এম মহসিন আহমেদ বলেন, আগামী ১২ নভেম্বরের আইইবি নির্বাচনে একমাত্র পূর্ণাঙ্গ প্যানেল হিসেবে হলুদ প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এ প্যানেলে যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই বছর টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য ভোটাররা যোগ্য প্রার্থীদের বেছে নেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, বিগত নির্বাচন সুশৃঙ্খল, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। আসন্ন নির্বাচনও একইভাবে সুন্দর ও সুষ্ঠু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের সমস্যা, সরকারি চাকরিতে পদ বৃদ্ধি, পরিবেশগত সংকট ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যাব'র আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কার্বন ফাইবারের মতো আধুনিক উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। আইইবি'র ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের সদস্যপদ অর্জনেও টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অবদান উল্লেখযোগ্য, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁদের পেশাগত স্বীকৃতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়েছে। প্রকৌশলীদের পেশাগত স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় আগামী নির্বাচনে প্রকৌশলী খান মঞ্জুর মোরশেদ ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন হলুদ প্যানেলকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর পর আইইবি'তে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের ক্যাডার প্রতিষ্ঠা, আইটিইটি'র নিজস্ব ভবন নির্মাণসহ পেশাজীবীদের বিভিন্ন দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আগামী ১২ নভেম্বরের নির্বাচনে হলুদ প্যানেলের সকল প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সঠিক নিয়মে ভোট প্রদানের পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে আইইবি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিভিন্ন পদের প্রার্থীদের পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিত ভোটারদের কাছে ভোট ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
আইইবি নির্বাচন ঘিরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের ‘ইঞ্জিনিয়ার্স গেট টুগেদার’
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ইবি ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ইবি ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই, আমরা প্রস্তুত আছি: নাহিদ ইসলাম
‘ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই, আমরা প্রস্তুত আছি’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা ১১ আসনের সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম।
ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই, আমরা প্রস্তুত আছি: নাহিদ ইসলাম
আরও পড়ুন
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে ৩ যুবক ধরা, দিলেন ‘বিশেষ পরিচয়’
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ বললেন প্রভোস্ট, অভিযোগে যা লিখলেন শিক্ষার্থী
৭ বছর বেতন পান না শিক্ষক-কর্মচারী, তবু চলছে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল
লেকপাড় থেকে কফি হাউস, রাত নামলেই আপত্তিকর অবস্থান গোবিপ্রবিতে