ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

রাবিতে ঢুকে শিক্ষার্থীর মোবাইল টান দিয়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রাতে এক শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুই ব্যক্তি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলসংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

ক্যাম্পাসে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী থাকার পরও এমন ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
ভুক্তভোগী সবুজ আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে সিসিটিভি ফুটেজসহ একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি জানান তিনি। এ ছাড়া ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপেও ঘটনাটি নিয়ে পোস্ট দেন এক প্রত্যক্ষদর্শী।

ভুক্তভোগীর পোস্ট অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে জরুরি প্রয়োজনে হবিবুর রহমান হল থেকে হেঁটে সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের পেছনের সড়ক দিয়ে খালেদা জিয়া হলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় ফোন বের করে এক বন্ধুকে কল করার চেষ্টা করলে পেছন থেকে মোটরসাইকেলে এসে এক ব্যক্তি তার হাত থেকে ফোনটি ছিনিয়ে নেয়।

সবুজ আহমেদ জানান, মোটরসাইকেলটির পেছনের লাইট জ্বলে থাকায় নম্বর প্লেট শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ছিনতাইকারীর পরনে হলুদ গেঞ্জি ছিল।

ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পর তিনি মোটরসাইকেলটির পেছনে ধাওয়া করেন এবং চিৎকার করে সাহায্য চান। এ সময় মেয়েদের হলের বাজারের পাশে ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন ছিনতাইকারীকে আটকানোর চেষ্টা করলেও মোটরসাইকেলটি দ্রুত চলে যায়।

ভুক্তভোগী আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় সংগ্রহ করা আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজে মোটরসাইকেলটিকে কাজলা গেট দিয়ে তালাইমারীর দিকে চলে যেতে দেখা গেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

ছিনতাই হওয়া ফোনে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত ছিল বলেও জানান তিনি।

ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ছিনতাইয়ের সময় সড়কে ১৫ থেকে ২০ জন মানুষ ছিলেন। তাদের সামনেই মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত চলে যান। ক্যাম্পাসে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী থাকার পরও এমন ঘটনা ঘটায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই শিক্ষার্থী। রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলো খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ওই শিক্ষার্থীর মতে, রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটগুলো খোলা থাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। গেটগুলোতে নজরদারি বাড়ানো এবং বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা গেলে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সহায়তা মিলতে পারে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও হলসংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান ইসলাম বলেন, ‘ক্যাম্পাসে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী থাকার পরও ছিনতাইয়ের ঘটনা নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে।’

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিসা নাজিম বলেন, ‘ক্যাম্পাসের ভেতরে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। শুধু আশ্বাস নয়, সিসিটিভি নজরদারি ও নিরাপত্তা টহল বাড়িয়ে ছিনতাই প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত হয়েছেন। মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা করে মোবাইল ফোন উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তুমুল মারামারিতে রণক্ষেত্র নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতালে ভর্তি ৬
টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে অন্য গ্রুপের বল সীমানায় আসার সূত্র ধরে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে ছয় শিক্ষার্থী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তুমুল মারামারিতে রণক্ষেত্র নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতালে ভর্তি ৬
‘মারামারির ভিডিও পোস্ট হইলেই তোর খবর আছে, তোরে ধরমু’, আরটিভির সাংবাদিককে হুমকি
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষার্থীদের মারামারির ভিডিও ধারণ করায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) আরটিভির সংবাদদাতা আবু তাহেরকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ব্যবস্থাপনা বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।
‘মারামারির ভিডিও পোস্ট হইলেই তোর খবর আছে, তোরে ধরমু’, আরটিভির সাংবাদিককে হুমকি
পশু জবাই নিয়ে নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ জবি প্রশাসনের
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পশু জবাই থেকে বিরত থাকার আহ্বানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ভুল-বোঝাবুঝির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে পশু জবাইসহ যেকোনো অনুষ্ঠান উদ্‌যাপনের অধিকার সবার রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের এক বক্তব্যে প্রশাসনের এ অবস্থান জানানো হয়। বক্তব্যে বলা হয়, গত ১২ অক্টোবর রাতে ক্যাম্পাসে খিচুড়ি রান্নাকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি দেখা দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের উদ্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলেই বিষয়টির সমাধান করা হয়। পরদিন পারস্পরিক আলোচনা ও বক্তব্যের মাধ্যমে বিষয়টি আরও সন্তোষজনকভাবে সমাধান করা হয়। এদিকে বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে। এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের মাধ্যমে প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। প্রশাসনের বক্তব্যে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৫ অক্টোবর ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ের সম্ভাব্য কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় নতুন করে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি বা ধর্মীয় সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা এড়াতে সবাইকে এ ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান প্রক্টর। তবে তাঁর এ আহ্বানকে কেন্দ্র করে ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ক্যাম্পাসে পশু জবাইসহ যেকোনো অনুষ্ঠান উদ্‌যাপনের অধিকার সবার রয়েছে। তবে একটি উদ্‌যাপন যেন অন্য কোনো উদ্‌যাপনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ক্যাম্পাসে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সহযোগিতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আরটিভি/টিআর
পশু জবাই নিয়ে নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ জবি প্রশাসনের
গরু জবাই নিষিদ্ধের প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ, চলছে গরুভোজের প্রস্তুতি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন একদল শিক্ষার্থী। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে প্রথমে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ক্যাম্পাসে গরুভোজের কর্মসূচি দিলেও পরে তা এগিয়ে আগামীকাল করার ঘোষণা করেছেন তারা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।  বিক্ষোভকারীদের ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’, ‘হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন রুখে দাও’, ‘তোমার আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ এবং ‘বিজেপির দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এদিকে, প্রশাসনের নির্দেশনার প্রতিবাদে প্রথমে শুক্রবার হলেও পরে একদিন এগিয়ে বৃহস্পতিবার গরুভোজ কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এ জন্য ইতিমধ্যে অর্থ সংগ্রহ শুরু হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশ নিতে জনপ্রতি ৭০ টাকা নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে গরুর মাংসের খিচুড়ি রান্নাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে রান্নার সময় মন্দিরের ইট ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা।  তবে আয়োজকদের দাবি, ইটগুলো মন্দিরের বলে জানার পর তাঁরা সেগুলোর ব্যবহার বন্ধ করেন এবং রান্নার স্থান পরিবর্তন করেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজম খানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।  বিজ্ঞপ্তিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। আরটিভি/এসআর    
গরু জবাই নিষিদ্ধের প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ, চলছে গরুভোজের প্রস্তুতি
খুবিতে রিসার্চ অ্যাক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭ বিজ্ঞান শিক্ষক
গবেষণা ক্ষেত্রে অবদান ও কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘রিসার্চ অ্যাক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ পেলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞান স্কুলভুক্ত ৭টি ডিসিপ্লিনের ৭ জন শিক্ষক। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গবেষণাকর্মের মূল্যায়নের ভিত্তিতে জীব বিজ্ঞান স্কুলের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হলো।
খুবিতে রিসার্চ অ্যাক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭ বিজ্ঞান শিক্ষক
আরও পড়ুন
অটোরিকশা থেকে পৌনে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, অতঃপর...
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
মোবাইলে ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব
এবার পুলিশ ইন্সপেক্টরকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে টাকা-মোবাইল ছিনতাই