
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) খামার ব্যবস্থাপনা শাখার আয়োজনে আমন বীজধান কর্তন শুরু হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) বেলা ১২টায় বীজধান কর্তন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক মো. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মুহ. এনামুল হক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আসাদুল হকসহ খামার ব্যবস্থাপনা শাখার অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এ সময় বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, বছরের এই সময়ে ধান কাটা আবহমান বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি কেবল কৃষিকাজ নয়, বরং আমাদের গ্রামীণ জীবনের একটি উৎসব। নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি পিঠাপুলি আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি আরও বলেন, বাকৃবির খামারে উৎপাদিত বীজ বিক্রির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় যেমন আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে, তেমনি এসব বীজ কৃষকদের জন্য কতটা উপযোগী, তা মাঠপর্যায়ে যাচাইয়ের সুযোগও তৈরি হচ্ছে। বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিজমির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে এলেও এ ধরনের কৃষিভিত্তিক কার্যক্রম ও উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।
দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নিরলস প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনের জন্য তিনি খামারের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
প্রসঙ্গত, খামার ব্যবস্থাপনা শাখায় বিএডিসি, বিনা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বিভিন্ন জাতের ধান, গম ও তৈলবীজ উৎপাদন করা হয়। এসব বীজ কৃষকদের মধ্যে সরবরাহের মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় বাকৃবি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
আরটিভি/টিআর




