ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

বৃত্তির তথ্য ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংশোধনের সুযোগ দিয়ে মাউশির বিজ্ঞপ্তি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরে মেধা ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনের সুযোগ দিতে এমআইএস সফটওয়্যার চালু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে বৃত্তির অর্থ পেতে ব্যাংক হিসাবের তথ্যজনিত সমস্যায় পড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) মাউশির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদপ্তরের কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. নাজমুল হক স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর তথ্য আগে এমআইএস সফটওয়্যারে এন্ট্রি করা হয়নি, তাদের তথ্যও নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে বৃত্তির অর্থ পাঠানোর জন্য শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও ব্যাংকসংক্রান্ত তথ্য নির্ভুলভাবে এন্ট্রি ও সংশোধন করতে হবে।

এ ছাড়া ব্যাংক হিসাবের তথ্য ভুল থাকায় যেসব শিক্ষার্থীর বৃত্তির অর্থ ফেরত গেছে বা হিসাবে জমা হয়নি, তাদের তথ্য সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের নাম, শাখার নাম, রাউটিং নম্বর, হিসাব নম্বর, একক বা যৌথ হিসাবসংক্রান্ত ভুল এবং নিষ্ক্রিয় ব্যাংক হিসাবের সমস্যা সমাধান করতে হবে। নিষ্ক্রিয় হিসাব সচল করার জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সব তথ্য যাচাই করে পুনরায় সংরক্ষণ করতে হবে। তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনের ক্ষেত্রে মাউশির সংযুক্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

তবে মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মাধ্যমিক বৃত্তির এমআইএস সফটওয়্যারে বৃত্তিসংক্রান্ত তথ্য এন্ট্রি করা যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তথ্য এন্ট্রি বা সংশোধনে কোনো ভুল কিংবা অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।

নির্দেশনা বাস্তবায়নে সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ, মেডিকেল ও প্রকৌশল কলেজসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিশুর প্রকৃত শিখন নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়। বরং প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে এসে কী শিখছে, তার মৌলিক শিক্ষার ভিত্তি কতটা মজবুত হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে সরকার শিখনফল, পুষ্টি, শিক্ষক উন্নয়ন, কার্যকর মনিটরিং এবং জবাবদিহিতাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা পরিষদে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা কি আমাদের সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ও যথাযথ শিক্ষা দিতে পারছি? আমার মনে হয়, এখনো আমরা সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। তবে এর অর্থ এই নয় যে, শিক্ষকরা চেষ্টা করছেন না কিংবা তাদের দায়িত্ব পালনে ঘাটতি রয়েছে। আমাদের দেখতে হবে, কোথায় কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং সম্মিলিতভাবে কীভাবে সেগুলো দূর করা যায়। শিক্ষকদের বিদ্যালয়ের সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নসংক্রান্ত প্রস্তাব সরাসরি তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়েই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পরবর্তী সময়ে মাধ্যমিকে যাওয়ার পথে এ সংখ্যা আরও বাড়ছে। কোনো শিশুই যেন বিদ্যালয়ের বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে তাদের ধরে রাখা এবং নিয়মিত শিখন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখাও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স অনুযায়ী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পুষ্টিমান বিবেচনায় রেখে খাবারের মান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয়গুলোতে খাবার সংরক্ষণের জন্য স্টোরেজ সুবিধা গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি খাবারের গুণগত মান নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর নির্দেশনা দেন তিনি। এক্ষেত্রে গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্যের পরিবর্তে যথাযথ পরীক্ষা ও তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার অবকাঠামো ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে। তবে উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পেতে নির্মাণকাজের প্রতিটি পর্যায়ে যথাযথ তদারকি ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার কিংবা অনিয়মের কারণে যেন নতুন অবকাঠামো দ্রুত নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩১ লাখ শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। ভবিষ্যতে এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে ২০২৭ সালে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এত বড় পরিসরে কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্যকর ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় অংশগ্রহণ এবং যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম জেসি উড, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক এবং বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সভায় বাহুবল উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দারাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিদ্যালয় দু’টিতে চলমান স্কুল ফিডিং কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ ও খাবারের গুণগত মান, সংরক্ষণ এবং পরিবেশন ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। আরটিভি/টিআর
শিশুর প্রকৃত শিখন নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিকের ৩ লাখ ৮৩ হাজার শিক্ষক পাচ্ছেন একটি করে ট্যাব
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৪১ হাজার ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
প্রাথমিকের ৩ লাখ ৮৩ হাজার শিক্ষক পাচ্ছেন একটি করে ট্যাব
‘কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে চীনের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। তার সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা আজও বজায় রয়েছে।
কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে চীনের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
এইচএসসি সম্পূরক পরীক্ষা কবে, অংশ নিতে পারবেন যারা
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর।
এইচএসসি সম্পূরক পরীক্ষা কবে, অংশ নিতে পারবেন যারা
আরও পড়ুন
শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে কিনা যা জানা গেল
শিক্ষকদের বেতন নিয়ে নতুন নির্দেশনা মাউশির
ভুয়া ফেসবুক পেজ বন্ধে মাউশির ৭ দিনের আলটিমেটাম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মাউশির জরুরি নির্দেশনা