
হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপনির্বাচন। বুধবার বেলা ১২ টার দিকে হাইকোর্ট এই আদেশ দেন। কিন্তু কেন স্থগিত হলো নির্বাচন?
মঙ্গলবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হওয়া রাজধানীর ভাটারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ও বেরাইত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম রিট আবেদন দায়ের করেন।
রিটে নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রেসপনডেন্ট (প্রতিপক্ষ) করা হয়।
রিটকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভুঁইয়া বলেন, মূলত দুটি কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
প্রথমত, কোনো এলাকায় কাউন্সিলর প্রার্থী হতে সেই এলাকার মানুষের অনুপাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ জনগোষ্ঠির সমর্থন লাগে। কিন্তু ঢাকা উত্তরের ভোটার তালিকাই এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সেখানে কাউন্সিলরা কীভাবে এলাকাবাসীর অনুপাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ জনগোষ্ঠির সমর্থনের কথা জানাবেন। আর কীভাবেই তারা নির্বাচনের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।
দ্বিতীয়ত, সিটি করপোরেশনের আইন অনুযায়ী, সেখানে মেয়র পদে নির্বাচন হতে গেলে সিটির ওয়ার্ডগুলোর ৭৫ শতাংশে কাউন্সিলর থাকতে হবে। আর ২৫ শতাংশে কাউন্সিল না থাকলেও মেয়র নির্বাচন হতে পারে। ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে ১৮ টি ওয়ার্ড নতুন যুক্ত হয়েছে। ঢাকা উত্তরের পুরাতন ওয়ার্ড ছিল ৩৬ টি। মোট ওয়ার্ড হয়েছে ৫৪টি।
তাহলে বর্তমান ডিএনসিসির ৬৭ শতাংশ ওয়ার্ডে কাউন্সিল আছে। ৩৩ শতাংশ কাউন্সিলর বিহীন। এই সংখ্যা মেয়র নির্বাচনের আইনের পরিপন্থী। আর আইনের পরিপন্থী এই দুই কারণেই মূলত নির্বাচন স্থগিত করেছে হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন
এসজে




