ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মেয়র প্রার্থী আতিকের ভোট চাইলেন রিয়াজ-বাঁধন-তারানা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২০, ০৭:১৭ পিএম
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণায় রিয়াজ-বাঁধন-তারানা। ছবি- সংগৃহীত।

এ মাসের ৩০ জানুয়ারি ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীরা ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

মেয়র, কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন প্রার্থীরা। নানান কৌশল নিয়ে প্রার্থীদের মাঠে দেখা যাচ্ছে। জমজমাট প্রচারণা নিয়ে ছুটছেন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে লড়ছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।

এবারের নির্বাচনে আতিকুল ইসলামের হয়ে মাঠে ভোট চাইতে দেখা গেল বিনোদন জগতের জনপ্রিয় তারকাদের। বুধবার দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটে চিত্রনায়ক রিয়াজ, অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন, অভিনেত্রী তারানা হালিমকে লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি ভোট চাইতে দেখা যায়।

এ সময় প্রিয় তারকাদের কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ভোটাররা। এর আগে জাতীয় নির্বাচনেও একঝাঁক তারকা শিল্পীকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা যায়।

জিএ/এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চার ধাপে পৌরসভা নির্বাচন: ইসি সচিব
নির্বাচন কমিশন (ইসি) চার ধাপে পৌরসভার নির্বাচন শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২৫ পৌরসভায় আগামী ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ধাপে ৩০টি করে পৌরসভার ভোট ইভিএমে নেওয়া হবে। ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর রোববার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ৭৩তম কমিশন সভা শেষে এসব তথ্য জানান। ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর বলেন, ‘আগামী ২৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে ২৫টি পৌরসভার নির্বাচন হবে। এরপরও ১৬৯টি পৌরসভার নির্বাচন বাকি থাকবে। এই ১৬৯টি পৌরসভার নির্বাচন আরও ৩টি ধাপে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ফলে মোট ৪ ধাপে পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।’ ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় ধাপের ভোট জানুয়ারির মাঝামাঝিতে, তৃতীয় ধাপের ভোট জানুয়ারির শেষ দিকে এবং চতুর্থ ও শেষ ধাপের নির্বাচন হবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে। ইভিএমে সব কেন্দ্রে ভোট নেওয়া সম্ভব হবে না। এ জন্য প্রত্যেকটা ধাপে প্রায় ৩০টি পৌরসভার নির্বাচন ইভিএমে করা হবে। বাকি যেগুলো থাকবে, সেগুলো ব্যালটের মাধ্যমে হবে। শীতের দিন হওয়ায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে।’ ইসি সচিব আশা প্রকাশ করে বলেন, দ্বিতীয় ধাপের পৌর নির্বাচনের তফসিল এ সপ্তাহেই হতে পারে। পি  
চার ধাপে পৌরসভা নির্বাচন: ইসি সচিব
পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার টিকিট পেলেন যারা
আগামী ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য প্রথম ধাপে দেশের ২৫টি পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ জন দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় শনিবার বিকেলে এ প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বোর্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়।   আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রথম ধাপের ২৫টি পৌরসভায় নৌকার টিকিট যারা পেলেন তারা হলেন- রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় পৌরসভায় জাকিয়া খাতুন, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মো. কশিরুল আলম, দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মো. খাজা মইন উদ্দীন, রংপুরের বদরগঞ্জে মো. আহাসানুল হক চৌধুরী ও কুড়িগ্রাম পৌরসভায় মো. কাজিউল ইসলাম। রাজশাহী বিভাগের রাজশাহীর পুঠিয়ায় মো. রবিউল ইসলাম, পবা উপজেলার কাটাখালীতে মো. আব্বাস আলী, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মনির আক্তার খান তরু লোদী ও পাবনার চাটমোহরে সাখাওয়াত হোসেন সাখো। খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া জেলার খোকসায় আল মাছুম মুর্শেদ, খুলনার দাকোপ উপজেলার চালনায় সনৎ কুমার বিশ্বাস ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার। বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলার বেতাগীতে এবিএম গোলাম কবির, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা পৌরসভায় আবদুল বারেক মোল্লা, বরিশালের উজিরপুরে মো. গিয়াস উদ্দিন বেপারী ও বাকেরগঞ্জে মো. লোকমান হোসেন ডাকুয়া। ঢাকা বিভাগের মধ্যে মানিকগঞ্জে মো. রমজান আলী, ঢাকার ধামরাইয়ে গোলাম কবির, গাজীপুরের শ্রীপুরে মো. আনিছুর রহমান, ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এসএম ইকবাল হোসেন (সুমন) ও নেত্রকোনার মদনে মো. আব্দুল হান্নান তালুকদার। সিলেটের সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বিশ্বজিৎ রায়, মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে মো. মাসুদউজ্জামান মাসুক ও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বদিউল আলম। উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর ২৫টি পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।  ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন ফরম দাখিলের শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর, মনোনয়ন বাছাই ৩ ডিসেম্বর ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১০ ডিসেম্বর। আর ভোটগ্রহণ হবে ২৮ ডিসেম্বর। প্রথম ধাপের সবকটি পৌরসভায় ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে। পি  
পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার টিকিট পেলেন যারা
টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে আ. লীগে হাফ ডজন, বিএনপিতে একক প্রার্থী
ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে টাঙ্গাইলে। প্রথম ধাপের ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে। পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রার্থীরা দৌড়ঝাপ শুরু করছেন। টাঙ্গাইলে পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌরসভার সম্ভাব্য প্রার্থীরা ব্যাপক তৎপরতা শুরু করছেন।  টাঙ্গাইল পৌরসভা দেশের প্রাচীন পৌরসভার একটি। ১৮৮৭ সালের ১ জুলাই এ পৌরসভাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৫ সালে টাঙ্গাইল পৌরসভা ‘গ’ থেকে ‘খ’ এবং ১৯৮৯ সালে ‘খ’ থেকে ‘ক’ শ্রেণীতে উন্নতি লাভ করে। আসন্ন পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ গোছাতে ভোটারদের কাছে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজেদের তুলে ধরছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। করছেন গণসংযোগও। সরকার দলীয় আওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য প্রার্থীরা জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমান মেয়রসহ অর্ধডজন মেয়রপ্রার্থী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।  নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের যারা প্রচারণা চালাচ্ছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, প্যানেল মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান খান সোহেল, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রউফ, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের ছেলে আহমদ সুমন মজিদ। অপরদিকে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে এখন পর্যন্ত জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মাহমুদুল হক সানুর নামই শোনা যাচ্ছে। বিগত নির্বাচনেও তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। এবারও তিনিই নির্বাচন করবেন বলে দলটির একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে শহর জাতীয় পার্টির সভাপতি আহসানুল হক খান আছু গণসংযোগ শুরু করেছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য মেয়র ও পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর এবং মহিলা কাউন্সিলর পদে নতুন পুরোনো মুখ মিলে প্রায় ১০০ জন প্রার্থীর সক্রিয় তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের প্রচারণা ও তৎপরতা বেশি দেখা যাচ্ছে।  টাঙ্গাইল পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন বলেন, আমি তিনবার টাঙ্গাইল পৌরসভার জনগণের বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছি। দল আমাকে আবারো মনোনয়ন দিলে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবো এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত শহর গড়ে তুলবো। টাঙ্গাইল পৌরসভার বর্তমান প্যানেল মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান খান সোহেল বলেন, দীর্ঘদিন যাবত আমি টাঙ্গাইল পৌর এলাকার গণসংযোগ করে যাচ্ছি। এতে তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও জনগণের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে মেয়র নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার তিলোত্তমা টাঙ্গাইল শহর উপহার দেবো। শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন দলের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে। সে কারণে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। এছাড়াও তিনি কয়েক যুগ ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দলের জন্য আন্দোলন, সংগ্রাম, লড়াই ও জেল খেটেছেন। দায়িত্বশীল কর্মী বিবেচিত হলে তিনি দলের মনোনয়ন পাবেন। জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান সানু বলেন, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের কোনও বিকল্প নেই। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করলে পৌর এলাকার যানজট নিরসন ও জলাবদ্ধতা দূর করবো। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সাধন করবো।         টাঙ্গাইল শহর জাতীয় পার্টির সভাপতি আহসান খান আছু বলেন, ইতোমধ্যে দলের হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পেয়েছি। মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পেলে জনগণের ভোটে আমি নির্বাচিত হবো। দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে কথা হচ্ছে জোটের ব্যাপারেও। নির্বাচিত চেয়ারম্যানের কাছে জনগণের চাওয়া কি? জানতে চাইলে ১৬ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ ওয়ার্ডে বিশেষ করে মাদকসেবীদের প্রবণতা অনেক বেশি। এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ইভটিজিং এবং বখাটেদের উৎপাত রয়েছে। ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তাগুলো এখনও কাঁচা রয়েছে। অল্পবৃষ্টি হলে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এছাড়াও গ্যাস ও সাপ্লাইয়ের পানির স্বল্পতা রয়েছে। এমন প্রার্থী বেছে নেবো যিনি এসব সমস্যার সমাধান করবেন। পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ জানান, এই ওয়ার্ডের রাস্তা, যানজট, জলাবদ্ধতা ও মাদকের সমস্যাটা সবচেয়ে বেশি। এই ওয়ার্ডের প্রায় সব রাস্তায় বৃষ্টি হলে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এ ওয়ার্ডে সব রাস্তায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। এ সমস্ত সমস্যার সমাধান যিনি করবেন তাকেই আমরা ভোট দিবো। পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর আহসানউল্লাহ জানান, এই ওয়ার্ডের যানজটই মূল সমস্যা। যানজট নিরসনে যিনি কাজ করবেন আমরা তাকেই ভোট দিবো। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল পৌরসভায় মোট ভোটার ৯৪ হাজার ৬৪৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৬ হাজার ১৩০ জন এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ৪৮ হাজার ৫১৪ জন। এসএস/পি  
টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে আ. লীগে হাফ ডজন, বিএনপিতে একক প্রার্থী
২৮ ডিসেম্বর ২৫ পৌরসভায় ভোট
আগামী ২৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে দেশের ২৫টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণের দিন রেখে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার (২২ নভেম্বর) বিকেলে এ তফসিল ঘোষণা করেন ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর।  ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন ফরম দাখিলের শেষ দিন ১ ডিসেম্বর, মনোনয়ন বাছাই ৩ ডিসেম্বর ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১০ ডিসেম্বর। আর ভোটগ্রহণ হবে ২৮ ডিসেম্বর। সচিব মো. আলমগীর জানান, প্রথম ধাপে ২৫টি পৌরসভায় ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপের সবকটি পৌরসভায় ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে।  যে ২৫টি পৌরসভায় নির্বাচন হবে তা হলো- পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় পৌরসভা, পাবনার চাটমোহর, ময়মনসিংহের গফরগাঁও, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ, কুষ্টিয়ার খোকসা, নেত্রকোনার মদন, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী, সুনামগঞ্জের দিরাই, রাজশাহীর কাটাখালী, বরিশালের উজিরপুর, মৌলভীবাজারের বড়লেখা, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ,  চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, চুয়াডাঙ্গা সদর, মানিকগঞ্জ সদর, রংপুরের বদরগঞ্জ, খুলনার চালনা, ঢাকার ধামরাই, কুড়িগ্রাম সদর, বরগুনার বেতাগী, গাজীপুরের শ্রীপুর, রাজশাহীর পুঠিয়া ও পটুয়াখালীর কুয়াকাটা (কলাপাড়া)। পি  
২৮ ডিসেম্বর ২৫ পৌরসভায় ভোট
সিরাজগঞ্জ-১ আসনে নৌকার জয়
সিরাজগঞ্জ-১ কাজিপুর আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী (নৌকা প্রতিক) প্রকৌশলী তানভির শাকিল জয় ১৭১টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির সেলিম রেজা (ধানের শীষ প্রতিক) পেয়েছেন ৪৬৮ ভোট।  সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত  সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ১ শত ৭১টি  ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।  ১২ (নভেম্বর) বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০ টায়  জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সিরাজগঞ্জ সদরে ৫টি ইউনিয়ন ও কাজিপুরে ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৭১টি কেন্দ্রের মধ্যে সকল কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে।  উল্লেখ্য,  ১ শত ৭১ টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিলো ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৭৬৪।  জিএ 
সিরাজগঞ্জ-১ আসনে নৌকার জয়
আরও পড়ুন
ধর্মীয় ইস্যুতে উসকানিমূলক প্রচারণায় পুলিশের নজরদারি
নিয়মের তোয়াক্কা না করেই প্রচারণায় ফিরলেন ট্রাম্প
মাস্ক ছাড়াই প্রচারণা চালাচ্ছেন ট্রাম্প
করোনায় মসজিদ-মন্দির থেকে সচেতনতামূলক প্রচারণার নির্দেশনা