ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ডা. মুরাদকে ধুয়ে দিলেন হিরো আলম! (ভিডিও)

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৪৫ পিএম

বিকৃত, যৌন হয়রানিমূলক ও নারীবিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে নেট দুনিয়া এবং গণমাধ্যমে সম্প্রতি সমালোচনা ও তোপের মুখে পড়েন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। এরপরই তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে ডা. মুরাদ হাসানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে প্রায়ই বিভিন্ন সিনেমার মহরতে দেখা যেত। সেসব অনুষ্ঠানে গিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নায়িকার ‘ফিগার’ নিয়ে অশালীন মন্তব্য করতেন তিনি। শুধু তাই নয় সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত নাম হিরো আলমকে নিয়েও নানা কটূ কথা বলেছিলেন ডা. মুরাদ। এবার সুযোগ বুঝে প্রতিমন্ত্রীর সেই বেফাঁস মন্তব্য নিয়ে প্রতিবাদী হয়ে উঠলেন হিরো আলম। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিওতে ডা. মুরাদকে ধুয়ে দিলেন তিনি।

ভিডিওবার্তায় হিরো আলম বলেন, ‘সমালোচনা করাই ডা. মুরাদের কাজ। তিনি মনে করেন তিনিই একমাত্র শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, বাকি সবাই নিম্নশ্রেণির লোক। তার মতে আমার গান নাকি নিম্নশ্রেণির লোকদের কাছে শোভা পায়। আমার চেহারা নিয়েও কথা বলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডা. মুরাদ অনেক দিন ধরে বড় বড় সব হিরো-হিরোইনদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করে যাচ্ছেন। শাকিব ভাই, মৌসুমী আপু, মাহির মতো বড় তারকাদের নিয়ে তিনি বাজে মন্তব্য করেছেন। মানুষ সবাই আল্লাহর সৃষ্টি। মানুষ মানুষকে যদি ঘৃণা করে তার চেয়ে বড় খারাপ কাজ আর নেই।’

গানের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি সংগীতশিল্পী নই, আমি সখের বশে গান করি। গুলশান ১-এর যে অনুষ্ঠানের কথা তিনি বললেন, সে অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে আমার দেখাই হয়নি। উনি মিথ্যা বলছেন কি না, জানি না।’

ডা. মুরাদকে বহিষ্কার করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উনাকে শুধু বহিষ্কার না, আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। কারণ তিনি নারী জাতিকে কলঙ্কিত করেছেন। ক্ষমতা পেয়ে তিনি কথায় কথায় ক্ষমতার বল দেখান, মেয়েদের জিম্মি করে ব্যবহার করেন।’

ডা. মুরাদকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করলে অন্যান্য এমপি-মন্ত্রীদের সাহস আরও বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। হিরো আলমের ভাষ্য, ‘বেশি বাড়লে মানুষের পতন হয়, এর প্রমাণ এই ডা. মুরাদ। আমার এবং অন্যদের চেহারা নিয়ে তিনি যে মন্তব্য করেছেন তার জন্য আমি সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করব।’

এর আগে একটি টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারমূলক অনুষ্ঠানে হিরো আলমকে নিয়ে কটূক্তি করেন ডা. মুরাদ হাসান। তিনি বলেন, ‘একদিন এক অনুষ্ঠানে এসে আমার সামনে গান গাইছিল। গান শেষে আমি তাকে বললাম, তুমি যে গান গাইতে পার না, তোমার কি কোনো লজ্জা-শরম নেই? গান গাইতে সুর, তাল, লয় লাগবে, কণ্ঠ লাগবে। তোমার চেহারা এবং কণ্ঠ আল্লাহ্‌র রহমতে এত সুন্দর, আমার সামনে গান গাওয়ার ধৃষ্টতা তুমি দেখিয়েছ! আমাদের সামনে না দেখিয়ে নিম্নশ্রেণির যারা তোমাকে দেখে তাদের সামনে গিয়ে গাও, গুলশান-বনানীতে এসে গান গেয়ো না।’

অন্যদিকে একটি সিনেমার মহরতে চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে কটাক্ষ করে ডা. মুরাদ হাসান বলেন, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ অসাধারণ একটি সিনেমা। সুপার-ডুপার হিট। মৌসুমী এখনও অভিনয় করছেন। সবই ভালো, শুধু ওয়েটটা (শারীরিক ওজন) কমাতে হবে। ফিল্মে যারা অভিনয় করবেন, তাদের কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ করছি, ওয়েটটার (শারীরিক ওজনের) দিকে নজর রাখবেন।

একই বিষয় নিয়ে সম্প্রতি আবারও ‘ময়ূরাক্ষী’ সিনেমার মহরতে কথা বলেন ডা. মুরাদ হাসান। তিনি বলেন, এর আগে মৌসুমীকে নিয়ে কথা বলেছিলাম। অনেকেই মাইন্ড করেছেন। মৌসুমীকে টার্গেট করে বলেছি, তা তো নয়। আমি সবাইকে বলেছি। একজন নায়িকার ওয়েট কন্ট্রোল করতে হবে। নায়িকার ভূমিকায় কেউ যদি এমন ‘মোটাসোটা’ হয়, এতে বাংলাদেশের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়।

এ সময় চিত্রনায়িকা শিরিন শিলার দিকে তাকিয়ে তার ফিগারের প্রশংসা করেন ডা. মুরাদ হাসান। তিনি বলেন, ‘দেখেন শিরিন শিলা সুন্দর পাতলা স্লিম।’ সেখানে তিনি আদর্শ ফিগার হিসেবে ঐশ্বরিয়া রাই, ক্যাটরিনা কাইফ, কারিনা কাপুরদের নাম উল্লেখ করেন। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই তখন সিনিয়র অভিনেত্রী মৌসুমীকে নিয়ে এসব মন্তব্যে বিব্রত হয়েছিলেন।

সম্প্রতি ডা. মুরাদ হাসান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে একটি অনলাইন সাক্ষাৎকারে অসৌজন্যমূলক কথা বলেন। এরপরই প্রতিমন্ত্রী মুরাদের একটি কথোপকথন ফাঁস হয়, যেখানে তিনি অশ্লীল ভাষায় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে কথা বলেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে ডা. মুরাদের শাস্তির দাবি ওঠে।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে ১৪১, জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী, মেস্টা ও তিতপল্যা) সংসদীয় আসন থেকে বিপুল ভোটে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ডা. মুরাদ হাসান। তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে মহান জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে বিভিন্ন দেশ সফর করেন। এরপর ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪১, জামালপুর-৪ সংসদীয় আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে দ্বিতীবারের মতো সংসদ সদস্য হন। তিনি ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তারপর ১৯ মে ২০১৯ থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বাবা প্রয়াত মতিউর রহমান তালুকদার জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনে ডা. মুরাদ হাসান এক কন্যা ও এক পুত্রসন্তানের জনক। তার স্ত্রী ডা. জাহানারা এহসানও পেশায় একজন চিকিৎসক। ২০০১ সাল থেকে ডা. মুরাদ হাসান নিজ নির্বাচনী এলাকায় লক্ষাধিক দুস্থ ও অসুস্থ রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছেন।

এনএস/টিআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
বলিউডের তারকা অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। স্বামী-সন্তান-সংসার সামলাতে দীর্ঘ সময় রূপালি পর্দার বাইরে রয়েছেন তিনি। তবে চলতি বছরের শেষ দিনে মিলল দারুণ সুখবর। খুব শিগগির রূপালি পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। মূলত সন্তানসম্ভবা হওয়ার পর পরই শুটিং থেকে বিরতি নিয়েছিলেন আনুশকা। শুধু তাই নয়, মেয়ে ভামিকার জন্মের পরেও তাকেই বেশি সময় দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ফলে নতুন করে আর কোন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হননি আনুশকা। বর্তমানে মেয়ে ভামিকা একটু বড় হওয়ায় আবারও শুটিংয়ে ফিরতে যাচ্ছেন বিরাটপত্নী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, আনুশকার হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে তিন তিনটি বিগ প্রজেক্ট! যার মধ্যে দুটি ছবি তৈরি হতে চলেছে বড়পর্দার জন্য এবং একটি ওটিটির জন্য। তবে ওটিটির জন্য ওয়েব সিরিজ নয়, একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করবেন আনুশকা। যার মধ্য দিয়ে ওটিটিতে অভিনয়ে প্রথমবারের মত যুক্ত হচ্ছেন তিনি। এদিকে সূত্রের খবর, আনুশকার ওয়েব ডেবিউ ফিল্ম হতে চলেছে বিগ বাজেটের! ওটিটির জন্য এত বড় মাপের ছবি এখন পর্যন্ত বলিউডে তৈরি হয়নি। ফলে সবাই এখন আনুশকাকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় মুখিয়ে রয়েছেন। এনএস
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। ২০০৮ সালে আইপিএলের উদ্বোধনী মৌসুমে ক্যাটরিনা ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর (আরসিবি) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। যে কারণে মাঠে আসতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সে সময়ের ক্যাটরিনার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আইপিএল দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর জার্সি পরে স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন ক্যাটরিনা। তবে ভাইরাল সেই ছবির আলোচনার বিষয় কিন্তু ক্যাটরিনা নন; তার পেছনে বসে হাত তালি দিতে থাকা লাজুক চেহারার সেই ছেলেটিকে ঘিরেই যত আলোচনা। অনেকেই চিনেও চিনতে পারছেন না তাকে। তাদের প্রশ্ন কে এই কিশোর? সে প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে যেতে হবে ছবিটির গভীরে অর্থাৎ ইতিহাসে। ক্যাটরিনার পেছনে আরসিবির জার্সি পরা সেই লাজুক ছেলেটি আর কেউ নন, ভারতের বর্তমান দলের সেরা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। যাকে ছাড়া এখন ভারত দল কল্পনা করা যায় না। ২০০৮ সালে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করা সেই কিশোরের আইপিএলে অভিষেক ঘটে ২০১৩ সালে। আরসিবি ভক্ত বুমরাহ অবশ্য অভিষেক ম্যাচ থেকেই মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে খেলছেন। ২০২২ আইপিএলেও মুম্বাইয়ের হয়েই খেলবেন তিনি। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতের এক নম্বর পেসার বুমরাহ। তাই ভাইরাল ছবিতে ক্যাটরিনাকে ছাপিয়ে পেছনে বসে থাকা সেই কিশোর বুমরাহকে নিয়েই চর্চা হচ্ছে বেশি। এনএস
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড৷ প্রামাণ্যচিত্রটি গবেষণা, চিত্রনাট্য, আবহসংগীত ও পরিচালনা করেছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু। ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আসছে নতুন বছরের ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হবে। সৈয়দ আশিক রহমান প্রযোজিত ২ ঘণ্টা ২৭ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’-এর ঘটনার ব্যাপ্তিকাল বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবছর ১৯২০ সাল থেকে তাঁর মৃত্যু দিবস ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত। এতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর উন্মেষ পর্ব (১৯২০-১৯৪৭), বঙ্গবন্ধুর জাতীয় রাজনীতিতে পদার্পণ (১৯৪৭-১৯৫৪), বঙ্গবন্ধুর উত্থান পর্ব (১৯৫৫-১৯৬৩), স্বাধিকার ও অভ্যুত্থান পর্ব (১৯৬৩-১৯৬৯), ঐতিহাসিক নির্বাচন পর্ব (১৯৭০), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ পর্ব (১৯৭১) এবং স্বদেশ, বিশ্বনায়ক ও প্রয়াণ পর্ব (১৯৭২-১৯৭৫)। এই প্রামাণ্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন যেমন বিস্তৃতভাবে উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণের অবিস্মরণীয় অবদান; সেইসাথে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতির পক্ষে-বিপক্ষের বিভিন্ন কর্মকান্ড। গণমাধ্যম হিসেবে আরটিভি মনে করে, বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার জন্য ইংরেজি সাব-টাইটেলসহ সুনির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এনএস
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। শিগগিরই ঘোষণা হবে নির্বাচনী তফসিল। এর মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিল্পীরা। বেশ আগেই জানা গিয়েছিল এবারের নির্বাচনে অভিনেত্রী নিপুণ একটি প্যানেল তৈরি করবেন। এবার জানা গেল সেই প্যানেল থেকে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। ইলিয়াস কাঞ্চন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার কাছে ওরা এসেছে। প্রস্তাব দিয়েছে। আলোচনা করে ভালো লেগেছে। তাদের ভাবনা ও দর্শন সিনেমা এবং শিল্পীবান্ধব। আসলে তফসিল ঘোষণার আগে কোনো কিছু বলা উচিত নয়। আর আমার নির্বাচনের বিষয়টা অনেক গোপন ছিল। কিভাবে চাউর হলো বুঝতে পারছি না।' তিনি আরও বলেন, '৭ জানুয়ারির পর্যন্ত সময় নিয়েছি। এরপর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব।' এদিকে সেক্রেটারি পদপ্রার্থী অভিনেত্রী নিপুণ বলেন, 'আমরা একটি মজবুত নেতৃত্ব নিয়ে আসতে চাই চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য। সেই ভাবনায় ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেব আমাদের যোগ্য অভিভাবক হবেন। উনাকে পেলে আমরা অনুজরা সাহস পাবো। অনেক কিছু করতে পারবো বলে আশা রাখি। তাই সবাই মিলে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজি হয়েছেন। সম্পূর্ণ প্যানেল ঠিক হওয়া পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।' নিপুণের প্যানেলের সভাপতি কে হচ্ছেন তা জানা গেলেও জায়েদ খানের প্যানেল থেকে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি। ধারণা করা হচ্ছে, দুই-এক দিনের মধ্যে তিনিও সব জানাবেন। এনএস
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। পর্দার মতো রাজনীতির মাঠেও তার দাপুড়ে বিচরণ। তবে সিনেমা ও রাজনীতি দক্ষ হাতে সামলালেও নিজের সংসার গুছিয়ে উঠতে পারেননি। ৩২ বছর পেরিয়ে এখনো সিঙ্গেল তিনি। প্রেম, বিচ্ছেদের পালা চুকিয়ে অবশেষে বিয়ে করতে রাজি এই অভিনেত্রী। মিমি বলেন, ‘পরিবার থেকে নিয়মিতই বিয়ের জন্য বলা হচ্ছে। মা চায় আমি বিয়ে করি। আমিও বিয়ে করতে চাই। তবে তার জন্য সময়ের অপেক্ষা। চোখের সামনে এত সম্পর্ক ভাঙতে দেখি! জানি না...।’ তিনি আরও বলেন, ‘খারাপ-ভাল মিশিয়ে কেটে গেল বছর। আমি খুশি, সুস্থ আছি। নিজের মতো জীবন কাটাতে পারছি। আমার থালায় খাবার আছে। যদি কাউকে অনিচ্ছায় দুঃখ দিয়ে থাকি, নতুন বছরে চেষ্টা করব সেই দুঃখ না দেওয়ার। নতুন বছর এসে দাঁড়ানো মানেই সময় ফুরিয়ে যাওয়া।’ প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন ধরে একাই আছেন মিমি। বেশ কয়েক বছর তার সঙ্গী ছিল প্রিয় পোষ্য চিকু। বিদায়ী বছরটিতে তাকেও হারিয়েছেন নায়িকা। এটাই মিমির এ বছরের সবচেয়ে বড় কষ্টের ঘটনা। সামনের দিনগুলোতে যাতে আপনজনকে হারাতে না হয়, সেটা নিয়েই তার ভয়। মিমির ভাষ্য, ‘বছরটা শেষ হয়ে আসছে। একটাই ভয়, আমার কাছের মানুষগুলো যেন হারিয়ে না যায়। ভালবাসার মানুষের বড্ড অভাব যে!’ এনএস
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
আরও পড়ুন
প্রতিবাদী চরিত্রে মধুমিতা
মুরাদের নামে মামলার আবেদন মামুনুলের আইনজীবীর
নীলফামারীতে ডা. মুরাদ হাসানের নামে মামলার আবেদন
এবার লক্ষ্মীপুরে মুরাদের বিরুদ্ধে মামলা