
১৭ বছর অতিক্রম করে ১৮তম বর্ষে পদার্পণ করতে যাচ্ছে দেশের জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভি। ‘আজ এবং আগামী’র স্লোগান নিয়ে ২০০৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর দেশের পঞ্চম বেসরকারি টেলিভিশন হিসেবে যাত্রা করে গণমানুষের এই চ্যানেলটি।
দীর্ঘ পথপরিক্রমায় আরটিভি দর্শক-শ্রোতাদের ভালো লাগাকে প্রাধান্য দিয়ে সংবাদ ও অনুষ্ঠানকে সাজিয়েছে। বিপরীতে পেয়েছে দর্শকদের ভালোবাসা।
সমৃদ্ধ আগামীর প্রত্যয়ে, দর্শকদের নানান প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টায় প্রতি মুহূর্তে এগিয়ে চলেছে চ্যানেলটি। নতুন নতুন অনুষ্ঠান, নাটক, টকশো, রিয়েলিটি শো, অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান আর ভিন্নধারার সংবাদ দিয়ে কয়েক বছরে দর্শকপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছে আরটিভি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এমন আনন্দের দিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্তরের শিল্পী, সংস্কৃতিজন, রাজনীতিবিদ ও খ্যাতিমানরা। আরটিভির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানান কলকাতার চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।
তিনি বলেন, ‘আমার তরফ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা আরটিভির দর্শকদের। ভালো ভালো অনুষ্ঠান ও খবর নিয়ে সামনে আরও এগিয়ে যাবে আরটিভি এমনটাই প্রত্যাশা।’
প্রসঙ্গত, ‘গোলটেবিল’, ‘কেমন বাংলাদেশ চাই, ‘আজ পত্রিকায়’ এর মতো জনপ্রিয় টকশো ছাড়াও ‘স্টার অ্যাওয়ার্ড’, ‘আলোকিত নারী পদক’, ‘আরটিভি এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক’-এর মতো অনুষ্ঠান আরটিভিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। চ্যানেলটিতে নতুন অনুষ্ঠানমালায় যুক্ত হয়েছে ‘ড্যানিশ আরটিভি ইয়াং স্টার’, ‘ফোক স্টেশন’। ইসলামিক ট্যালেন্ট হান্ট খুঁজে নেওয়ার প্ল্যাটফর্মও করেছে চ্যানেলটি।
এ ছাড়াও অটিজমবিষয়ক অনুষ্ঠান- হাত বাড়িয়ে দিলাম, ফ্যাশন ও লাইফস্টাইলবিষয়ক অনুষ্ঠান লুক@মিসহ নানান অনুষ্ঠান দিয়ে বছরজুড়েই আলোচনায় পরিপূর্ণ। ঈদসহ ভিন্ন ধর্মের ও বিভিন্ন বিশেষ দিনকে ঘিরে প্রচার করা হয় জনপ্রিয় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ নাটক ও অনুষ্ঠানমালা।
করোনা সংক্রমণের কঠিন দিনগুলোতে নিজেদেরকে সুরক্ষিত রাখতে কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে অফিসে ও ঘরে বসে কাজ করে আরটিভির পর্দাকে সচল রেখেছেন কর্মীরা। করোনার ঘরবন্দি সময়ে মানুষের গান চর্চার দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে আরটিভি আয়োজন করে ‘বেঙ্গল সিমেন্ট বাংলার গায়েন’ নামে নতুন রিয়েলিটি শো, যা ইতোমধ্যেই দর্শক নন্দিত ও গানের জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। নিত্যনতুন প্রত্যয়ে ঝলমলে আগামীর জন্য আজকের হয়ে জেগে থাকবে আরটিভি।




