ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারের কাছে যে অনুরোধ জানালেন ডিপজল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৪, ০৪:২৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

দেশে হিন্দি সিনেমা আমদানি ও মুক্তির বিরুদ্ধে বরাবরই সোচ্চার ভূমিকা পালন করছেন মুভিলর্ডখ্যাত মনোয়ার হোসেন ডিপজল। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় উপমহাদেশিয় সিনেমা আমদানির নীতিমালার মধ্যে বিদেশি সিনেমার মুক্তির সময় নির্ধারণ করে দিলেও তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

ডিপজল বলেন, উপমহাদেশের সিনেমা আমদানির কথা বলা হলেও শুধু হিন্দি সিনেমা আমদানি করে মুক্তি দেয়া হচ্ছে। এটা তো নিয়মের লঙ্ঘন। আমি বরাবরই বলেছি, হিন্দি সিনেমা ছাড়াও ভারতের বাংলা সিনেমা রয়েছে, সেগুলো আমদানি করে মুক্তি দেয়া হোক। কারণ, বাংলা সিনেমা বাংলা ভাষার এবং আমাদের সংস্কৃতির সাথে মিল রয়েছে। আমরা ভারতের বাংলা সিনেমার সাথে প্রতিযোগিতা করব। এতে বিশ্বে বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটবে। হিন্দি সিনেমা দেশে মুক্তির মাধ্যমে আমাদের ক্ষতি ছাড়া কোনো লাভ হচ্ছে না। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যারা হিন্দি সিনেমার আমদানি ও মুক্তির পক্ষে এবং আমাদের সিনেমার মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে, তা কি হচ্ছে? হচ্ছে না। আমাদের নির্মাতারা আমাদেরই সমাজ, পরিবার ও সংস্কৃতি নিয়ে সিনেমা বানাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের তরুণ নির্মাতারা অনেক আগে থেকেই ভাল ভাল সিনেমা নির্মাণ করছেন এবং সেগুলো সুপারহিট হচ্ছে। প্রযোজক ও হল মালিকরা আমাদের সিনেমা দিয়েই লাভবান হচ্ছে। আমার নিজের সিনেমা হল রয়েছে, আমি জানি কোন সিনেমা ব্যবসা করবে, কোনটি করবে না। হিন্দি সিনেমা বহু বছর আগেও মুক্তি দেয়া হয়েছিল, সেগুলো আমাদের দর্শক দেখেনি। আজকে বাংলাদেশে যে কয়টি সিনেমা হল টিকে আছে, সেগুলো আমাদের সিনেমার ব্যবসা দিয়েই টিকে আছে। গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকটি হিন্দি সিনেমা মুক্তি দেয়া হয়েছে, সেগুলোর একটিও ব্যবসা করতে পারেনি। যারা হিন্দি সিনেমা দিয়ে হল টিকিয়ে রাখার কথা বলছেন, তারা এখন কি বলবেন? আমি তো জানি, হিন্দি সিনেমা মুক্তি দিয়ে তারা বসে থাকে। সিনেমা হল খা খা করে। এই যে কয়েক সপ্তাহ ধরে হিন্দি সিনেমা মুক্তি দেয়া হয়েছে, সেগুলো কতজন দর্শক দেখেছে? খোঁজ নিয়ে দেখেছি, সেগুলো দর্শক গ্রহণ করেনি। লাভ করা দূরে থাক, যে টাকায় আমদানি করা হয়েছে, সে টাকাও উঠেনি। তারপরও হিন্দি সিনেমা আমদানি ও মুক্তি দেয়া হচ্ছে। এতে আমাদের সিনেমার মুক্তি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের নির্মাতারা মুক্তির তারিখ ঠিক করেও হিন্দি সিনেমার কারণে তা পিছিয়ে দিচ্ছে। দর্শক গ্রহণ না করলেও কিছু লোক জোর করে দর্শকদের হিন্দি সিনেমা দেখাতে চাচ্ছে। দর্শকও তার প্রতিবাদে সিনেমা হলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

অন্যদিকে, আমাদের সিনেমা মুক্তি পেলে সিনেমা হলে দর্শক যাচ্ছে। হিন্দি সিনেমার তুলনায় অনেক বেশি দর্শক আমাদের সিনেমা দেখছে। হিন্দি সিনেমার আমদানিকারকরা অনেক প্রচারণা চালিয়েও দর্শক হলে নিতে পারছে না। এ সপ্তাহে আমাদের যে সিনেমা মুক্তি পেয়েছে, সেগুলো ভাল ব্যবসা করছে। সিনেমা হল মালিকরা তা ভাল করে জানেন। অথচ ব্যবসা না করলেও একের পর এক হিন্দি সিনেমা এনে আমাদের সিনেমার মুক্তিতে ঝামেলা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সেন্সর বোর্ডও হিন্দি সিনেমা আমদানির সাথে সাথে ছাড়পত্র দিয়ে দিচ্ছে। অথচ আমাদের সিনেমার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দিতে তারা নানা টালবাহানা করে। সহজে ছাড়পত্র দিতে চায় না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যে হিন্দি সিনেমা আমাদের চলচ্চিত্রের ক্ষতি করছে, সে সিনেমা এত সহজে ছাড়পত্র পায় কিভাবে? আমাদের সিনেমা অগ্রাধিকার পাচ্ছে না কেন? যদি তারা মনে করে, আমাদের দেশের সিনেমা দরকার নেই, তাহলে বন্ধ করে দিলেই তো পারে! ঘোষণা দিয়ে বলুক, আমাদের দেশে সিনেমা নির্মাণ করা যাবে না।

ডিপজল বলেন, যে সময়ে আমাদের সিনেমা ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, ঠিক সে সময়ে হিন্দি সিনেমা আমদানি করে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে ধ্বংস করে দেয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমার কথা হচ্ছে, আমাদের দেশের নিজস্ব সংস্কৃতির মধ্যে আমরা সিনেমা নির্মাণ করছি। তা দেখা, না দেখা দর্শকের অধিকার। দেখা যাচ্ছে, এ পর্যন্ত যে কয়টি হিন্দি সিনেমা ও আমাদের দেশের সিনেমা মুক্তি পেয়েছে, তার তুলনায় দর্শক আমাদের সিনেমাই বেশি দেখেছে। প্রযোজকরা লাভবান হয়েছে। লোকসান দিলেও নিজস্ব সিনেমাকে ভালবেসে আবার সিনেমা নির্মাণ করছে। তাদের এই চেষ্টাকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য হিন্দি সিনেমা আমদানি ও মুক্তি দেয়া হচ্ছে। দুঃখের বিষয়, এ ব্যাপারে আমাদের চলচ্চিত্রের সংগঠনগুলো নিশ্চুপ রয়েছে। তারা কোনো কথা বলছে না। এ কথা না বলার অর্থ হচ্ছে, তারা হিন্দি সিনেমার পক্ষে, আমাদের সিনেমার বিপক্ষে। এ সপ্তাহে আমাদের শিল্পী সমিতির সাইমন সাদিকের ‘শেষ বাজি’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। সে হিন্দি সিনেমা মুক্তির বিরোধিতা করে কথা বললেও সমিতি কোনো কথা বলেনি। এ প্রতিবাদে সে পদত্যাগ করেছে। আমি মনে করি, যার যার অবস্থান থেকে এ প্রতিবাদ করা উচিৎ। আমি সাইমনকে সাধুবাদ জানাই। খোঁজ নিয়ে দেখেছি, তার সিনেমাটি ভাল চলছে।

এই খল অভিনেতা আরও বলেন, হিন্দি সিনেমা আমাদের সিনেমার জন্য এখন ‘বিষফোঁড়া’ হয়ে উঠেছে। দর্শক হিন্দি সিনেমা না দেখলেও এর আমদানিকারকরা আমাদের ঘুরে দাঁড়ানো সিনেমার মধ্যে বিষ ঢেলে দিচ্ছে। এটা মানা যায় না। আমাদের নির্মাতারা এখন অনেক ভাল ভাল গল্প নিয়ে নতুন চিন্তাভাবনায় উন্নত টেকনোলজি ব্যবহার করে সিনেমা বানাচ্ছে। এগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মুক্তি পাচ্ছে এবং প্রশংসিত হচ্ছে। এ অবস্থায়, আমি সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি, আমাদের সিনেমার এই উন্নতির মাঝে হিন্দি সিনেমা আমদানি যেন বন্ধ করা হয়। আশা করি, মাননীয় প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হিন্দি সিনেমা আমদানি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করবেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
পর্দা নামল ১৭তম বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসবের
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নির্বাচন স্থগিত
এবার জুরির দায়িত্ব পেলেন বাঁধন
বাচসাস পরিবার দিবস ২৫ ডিসেম্বর