ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উৎসব

সুর দরিয়ায় প্রাণের জোয়ার

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ১১:৫৪ এএম
ছবি : সংগৃহীত

এক অন্যরকম মায়াবী সুরের রাতে বন্দি যেন দর্শক-শ্রোতা। রাজধানীর আবাহনী মাঠ রাতভর জেগে আছে শুদ্ধ-সুরের মূর্ছনায়। হাজারো মানুষ সঙ্গীতের সুরে ঢেউ তুলেছে সুর-দরিয়ায়। পরদিন শুক্রবার, ছুটির দিন বলেই হয়তো বৃহস্পতিবার রাতে দর্শকের ভিড় আগের দুই দিনের চাইতে একটু বেশি ছিল। আজ রাতেও দর্শকের ভিড় হবে বলে মনে করছেন আয়োজকেরা।

পাঁচ দিনব্যাপী বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উৎসবের তৃতীয় দিনের আয়োজন শুরু হয় ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে, ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায়। তৃতীয় দিনের পরিবেশনার শুরুতেই দলগত সেতার বাদন পরিবেশন করেন বেঙ্গল পরম্পরা সঙ্গীতালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ। সেতার দলে ছিলেন প্রসেনজিৎ মণ্ডল, টি এম সেলিম রেজা, রিংকু চন্দ্র দাস, মেহরিন আলম, জ্যোতি ব্যানার্জী, মোহাম্মদ কাউসার এবং জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ। তাদের সঙ্গে তবলায় ছিলেন প্রশান্ত ভৌমিক ও সুপান্থ মজুমদার। পণ্ডিত কুশল কুমার দাসের কম্পোজিশনে তারা কিরওয়ানি রাগে সেতার অর্কেস্ট্রা পরিবেশন করেন। পরিবেশনা শেষে শিল্পীদের হাতে উৎসব স্মারক তুলে দেন বরেণ্য শিল্পী বিদ্বান ভিক্ষু বিনায়করাম।

এরপর ঘাটম ও কাঞ্জিরা পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে আসেন গ্র্যামি বিজয়ী পদ্মভূষণ বিদ্বান ভিক্ষু বিনায়করাম, তাঁর পুত্র সেলভাগনেশ বিনায়করাম ও পৌত্র স্বামীনাথন; অর্থাৎ এবারে এক মঞ্চে তিন প্রজন্মের পরিবেশনা একসঙ্গে উপভোগ করেন দর্শকরা। তাদের সঙ্গে মরসিংয়ে ছিলেন এ. গনেশন। নিজেদের পরিবেশনার শুরুতেই তারা ঘাটমে শিব তাণ্ডব, সেভেন অ্যান্ড হাফ বিট কম্পোজিশন বাজান। পরে তারা গুরুবন্দনা ও গণপতি তাল বাজিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। শিল্পীদের হাতে উৎসবের সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন স্যার ফজলে হাসান আবেদ।

ঘাটম ও কাঞ্জিরার পর ড. ফকির শহীদুল ইসলাম ও জি এম সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় খেয়াল পরিবেশন করে সরকারি সঙ্গীত কলেজের শিক্ষার্থীরা। তারা পরিবেশন করেন রাগ মালকোষ। তাদের সঙ্গে তবলায় সঙ্গত করেছেন সৈয়দ সাজিদ হোসেন ও মো. রাশেদুল হাসান। হারমোনিয়ামে ছিলেন মো. মফিজুর রহমান, সারেঙ্গীতে মতিয়ার রহমান। পরিবেশনা শেষে তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের খ্যাতিমান শিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী।

এরপর সরোদ পরিবেশন করেন শিল্পী আবির হোসেন। তাঁর সঙ্গে তবলায় ছিলেন যোগেশ শামসি, তানপুরায় অভিজিৎ দাশ। পরিবেশন করেন রাগ আভোগী। পরিবেশনা শেষে আবির হোসেনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী।

সরোদ পরিবেশনার পর বাঁশি বাদন নিয়ে মঞ্চে আসেন গাজী আবদুল হাকিম। তিনি দেশ রাগ, পিলু ঠুমরী ও কয়েকটি ধুন পরিবেশন করেন শ্রোতাদের জন্য। তাঁর সঙ্গে তবলায় সঙ্গত করেন দেবেন্দ্রনাথ চ্যাটার্জি, তানপুরায় সঙ্গত করেন বেঙ্গল পরম্পরা সঙ্গীতালয়ের শিক্ষার্থী সামীন ইয়াসার ও এস এম আশিক আলভি। পরিবেশনা শেষে শিল্পীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন আবাহনী লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান।

বাঁশির পর ধ্রুপদ সঙ্গীতে দর্শকদের মোহিত করেন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সনাতন ধারার বিশিষ্ট পণ্ডিত উদয় ভাওয়ালকর। তিনি পরিবেশন করেন রাগ মাড়ু ও রাগ তিলং । তাঁর সঙ্গে পাখোয়াজে সঙ্গত করেন সুখাদ মুণ্ডে, এবং তানপুরায় সংগত করেন বেঙ্গল পরম্পরা সঙ্গীতালয়ের শিক্ষার্থী অভিজিৎ কুণ্ডু ও টিংকু কুমার শীল। পরিবেশনা শেষে পণ্ডিত উদয় ভাওয়ালকরের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের।

ধ্রুপদ পরিবেশনাটি শেষে গায়কী অঙ্গের বেহালা বাদন নিয়ে মঞ্চে আসেন বিদূষী কলা রামনাথ। তিনি পরিবেশন করেন রাগ নট ভৈরব, রাগ বসন্ত। শিল্পীকে তবলায় সঙ্গত করেন যোগেশ শামসি, তানপুরাতে সঙ্গত করেন জ্যাতাশ্রী রায় চৌধুরী ও চন্দ্রা সাহা স্মৃতি। পরিবেশনা শেষে শিল্পীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি।

তৃতীয় দিনের শেষ পরিবেশনাটি ছিল পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর খেয়াল। প্রথমে তিনি পরিবেশন করেন রাগ গুনকেলি, যোগিয়া রাগে বাংলা গান। শেষে তিনি একটি ভজন পরিবেশন করেন। শিল্পীকে তবলায় সঙ্গত করেন পণ্ডিত যোগেশ শামসি, হারমোনিয়ামে গৌরব চ্যাটার্জি, তানপুরায় বেঙ্গল পরম্পরা সঙ্গীতালয়ের শিক্ষার্থী উজ্জ্বল কুমার মালাকার ও অভিজিৎ দাশ। পরিবেশনা শেষে পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল ‍মুহিত এম পি।

চতুর্থ দিনের আয়োজন

২৯ ডিসেম্বর শুক্রবার উৎসবের চতুর্থ দিন থাকবে মণিপুরি, ভরতনাট্যম ও কত্থক নৃত্য- সুইটি দাস, অমিত চৌধুরী, স্নাতা শাহরিন, সুদেষ্ণা স্বয়ংপ্রভা তাথৈ, মেহরাজ হক, জুয়াইরিয়াহ মৌলি। সরোদ-বেঙ্গল পরম্পরা সঙ্গীতালয়, খেয়াল-ওস্তাদ রশিদ খান, সরোদ- পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, বেহালা- ড. মাইশুর মঞ্জুনাথ, খেয়াল-পণ্ডিত যশরাজ, চেলো- সাসকিয়া রাও, সেতার-পণ্ডিত বুদ্ধাদিত্য মুখার্জি।

পিআর/জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
বলিউড কিং শাহরুখ খানের মেয়ে বলে জন্ম সূত্রেই বনে গেছেন তারকা। তাই যে কোনো পার্টি-অনুষ্ঠানে মধ্যমণি হয়ে উঠেন শাহরুখ কন্যা সুহানা খান। তার প্রতি মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। সুহানার বয়স এখনো ১৮ পার হয়নি। বলিউডের সিনেমাতেও অভিনয় করেননি। তবে শাহরুখ খানের সঙ্গে মাঝে মাঝে কিছু অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাকে। এবার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নজর কেড়েছেন সুহানা। আকর্ষণীয় সাজে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে শাহরুখ কন্যার মোহনীয় রূপ। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হবার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল দিল্লিতে। সুহানাকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে তার বয়স মাত্র ১৭। সোনালি লেহেঙ্গায় বেশ লাবণ্যময়ী লাগছিল সুহানাকে। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রশংসা করেছেন। এছাড়া কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল সুহানার গোসলের ছবি। সুহানা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি প্রকাশ করেছিলেন। এরপর সেই ছবি নিয়ে নানারকম খবর প্রকাশ হয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। বলিউডের সিনেমায় অভিনয় না করলেও মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন সুহানা। মুম্বাইয়ের একটি নাটকের দলের সঙ্গে যুক্ত আছেন সুহানা। ‘সিন্ডারেলা’ নাটকের অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নাটকের ভিডিও দেখে কেউ কেউ সুহানাকে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেয় বলে জানা গেছে। তবে শাহরুখ চান না তার মেয়ে এখনই সিনেমায় আসুক। পিআর/এসএস
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
শোবিজের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও ‘আয়নাবাজি’খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তার বরের নাম জোবাইদুল হক। পেশায় একজন ব্যাংকার। দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী এপ্রিলের ২৬ তারিখ হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এমনটাই জানালেন নাবিলা। নাবিলা বলেন, ‘আমাদের দু’জনার পরিচয় প্রায় ১৮ বছরের। বলতে পারেন আমরা দুজনেই দু’জনার প্রথম প্রেম। আমরা যখন জেদ্দায় থাকতাম, ওদের পরিবারও সেখানে থাকত। দুজনে একই স্কুলে পড়তাম। তখন থেকে তার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। তবে কল্পনাও করিনি এতদিন পর আমাদের সেই প্রেমের সফল পরিণতি হবে। সবার কাছে দোয়া চাই।’ বাবার চাকরি সূত্রে নাবিলার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তার কৈশোর কেটেছে জেদ্দা শহরে। এসএসসি পাসের পর জেদ্দা থেকে নাবিলা স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন। অন্যদিকে নাবিলার হবু বর জোবাইদুল হকের কৈশোরও কেটেছে জেদ্দায়, তার বাবার চাকরি করতেন সেখানে। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। ২০০৬ সালে বাংলাভিশনের এবং ক্লাসের বাইরে নামে একটি স্কুল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার মাধ্যমে শোবিজে নাবিলার পথচলা শুরু হয়। এরপর তিনি এনটিভির লাইভ কুইজ অনুষ্ঠান ‘জানার আছে বলার আছে’ এবং বাংলাভিশনে ‘মিউজিক টুগেদার’। এছাড়া আরটিভিতে প্রচারিত ‘এক্সট্রা ইনিংস’ পরবর্তী সময়ে ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লাকি লাইন’ ও এশিয়ান টিভির ‘স্টার ডান্স’সহ অসংখ্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। এম/সি
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
অবশেষে ছাড়পত্র পেয়েছে দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বলিউডের তুমুল আলোচিত সিনেমা ‘পদ্মাবতী’। তবে সিনেমাটির নাম বদলে ফেলতে হয়েছে। গত শনিবার সিনেমাটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতীয় চলচ্চিত্র সেন্সরবোর্ড। তবে সিনেমাটির নাম পরিবর্তন করে ‘পদ্মাবত’ রাখা হয়েছে। এই সিনেমাটির ছাড়পত্র পাওয়ার পেছনে নাকি বলিউডের মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের হাত রয়েছে। মূলত ডনের চাপেই সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ প্রকাশিত একটি খবরে এই তথ্য জানা গেছে। তবে সেন্সরবোর্ড থেকে ছাড়পত্র দেয়ার সঙ্গে কিছু দৃশ্য পরিবর্তন করারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পরিচালক সেই দৃশ্যগুলো পরিবর্তনগুলো করতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে আন্দোলনরত কার্ণি সেনা অভিযোগ করেছে, দাউদ ইব্রাহিমের চাপে ছবিটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে বোর্ড। এই সিনেমার মুক্তি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না। তাই রাজস্থানের যে হলেই এই ছবিটি  চলবে, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন কার্ণি সেনার প্রেসিডেন্ট সুখদেব সিং গোগামেড়ি। মূলত এই কার্ণি সেনার চাপেই ‘পদ্মাবতী’র মুক্তি পেছানো হয়। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালীর শুটিং সেটে গিয়েও হামলা করা হয়। পরবর্তীতে ছবিটিকে ঘিরে ভারতজুড়ে শুরু হয় অস্থিরতা। একাধিক রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীরা ছবিটিকে নিয়ে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ছবিটির প্রিমিয়ার করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। একইসঙ্গে সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেকেই ছবিটিকে মুক্তি দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। নানা বিতর্কের পর এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো ছবিটি। পিআর/এম
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার এখন ভাঙনের পথে। এরইমধ্যে অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন শাকিব খান। তবে বিষয়টি মানতেই পারছেন না এক সময়ের নাম্বার ওয়ান নায়ক ওমর সানী। শাকিব-অপুকে উদ্দেশ্য করে এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি। আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো। ওমর সানী লিখেছেন, শাকিব খানের শুরুটা হয়েছিল আমার আর মৌসুমীর হাত ধরে, সোহান সাহেবের (পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান) ছবিতে আমার শ্যালিকা ইরিনের নায়ক হয়ে। তাকে (শাকিব) আমি ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করি, আদর করি। আমি চাই শাকিব সুন্দর একটি সংসার করুক, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে। তার ফুটফুটে একটি বাচ্চা আছে, যার নাম জয়। কত সুন্দর তার মুখ, তাকে দেখলে মনে হয় এত মায়াবী শিশু আর হয়না। শাকিবের একজন স্ত্রী আছে, সেও সিনেমার নায়িকা। কিন্তু শাকিব তুমি কি করছো? এত সুন্দর একটি সংসার এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছ? তুমি কি চাও জয় তার বাবার আদর না পাক? অপু তার স্বামীর সোহাগ বঞ্চিত হোক? আমি ও মৌসুমী ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে বিয়ে করেছিলাম, পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। আমরা কি নিজেদের ভালোবাসার কথা দেশবাসীকে, ভক্তদের জানাইনি? আমাদের ভক্তরা তা সাদরে গ্রহণ করেছে। আমাদের ভালোবেসেছে, আজো বাসছে। মৌসুমী আজো দেশের প্রধান নায়িকা। আমাদের দুই সন্তান এতদিন পরেও তাদের বাবা-মায়ের আদর, শাসন, স্নেহ পাচ্ছে। আমি চাই তুমি ও তোমার স্ত্রী তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে জয়ের প্রতি। অপুর প্রতি আমার উপদেশ, তুমি স্বামী-সংসারে মন দাও। মেয়েদের বড় অলংকার তার স্বামী, স্বামীর অহংকার তার স্ত্রী। এ অলংকার, এ অহংকার রক্ষা করতে হবে তোমাদেরকেই। ক্যারিয়ারের চেয়েও অনেকসময় বড় হয় সংসার, ভালোবাসা থাকলে, বিশ্বাস থাকলে, পরিশ্রম করলে সব একসুতোয় গেঁথে যাবে। যে মালা কারো কানকথায় ছিঁড়বে না। আমি চাই তুমি সংসার করে যাও একজন আদর্শ স্ত্রীর মতো। তোমরা দুজনেই আমাদের প্রিয়, স্নেহভাজন। তোমাদের মঙ্গলের জন্যই আমি বলছি, তোমরা সব ভুলে গিয়ে এক হয়ে যাও। জয়ের দিকে চেয়ে, তোমাদের ভক্ত দর্শকের দিকে চেয়ে। জয়ের জয় হোক, ভালোবাসার জয় হোক। এম/পিআর
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
হালের ক্রেজ দিশা পাটানি খুব একটা বেশি সিনেমায় কাজ না করলেও অল্প সময়েই এসেছেন আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফলোয়ারের সংখ্যা কম নয়। ইনস্টাগ্রামে মাঝে মাঝেই নিজের ছবি শেয়ার করেন দিশা। সেখানেই নিজের আপডেট ভক্তদের মাঝে শেয়ার করেন তিনি। ভালো লাগার মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে আনন্দ পান দিশা। গেলো শনিবার তেমনই একটি ছবি পোস্ট করেছেন দিশা। বছরের শেষ কয়েকটা দিন ছুটির মেজাজে থাকতে চেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে বালির উপর সাদা বিকিনি পরা অবস্থায় বসে আছেন নায়িকা। একাকি সমুদ্রের নীল জল ও বিশালতা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন। তবে লোকেশন নিয়ে সরাসরি কিছু না জানালেও, ধারণা করা হচ্ছে ছবিটি শ্রীলঙ্কার কোনো সমুদ্রসৈকতের ধারে। ভারতীয় গণমাধ্যমে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দিন কয়েক আগেই টাইগার শ্রফের সঙ্গে বিমানবন্দরে দেখা গিয়েছিল তাকে। দিশা জানিয়েছিলেন, বর্ষবরণ করতে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে বলিউডে গুঞ্জন আছে টাইগার ও দিশার মধ্যে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক চলছে। আর তাইতো নিন্দুকেরা বলছেন তাহলে কি সমুদ্রের তীরে বসে দিশার এমন খোলামেলা ছবি টাইগারেরই তোলা? তবে বিষয়টি নিয়ে টাইগার-দিশার কেউই কোনো মন্তব্য করেননি। এম/পি
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
আরও পড়ুন
চৌরাসিয়ার বাঁশিতে সুরের ঝংকার
বিশেষ আকর্ষণ বাংলাদেশি তরুণরা
তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান চলছে
সুরের মূর্ছনায় জেগেছে আবাহনী মাঠ