ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আমাকে ভুজুং ভাজুং বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছিল: প্রভা

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:০২ পিএম
সাদিয়া জাহান প্রভা | ছবি: ইনস্টাগ্রাম

একটা সময় ছোট পর্দায় জনপ্রিয় ছিলেন অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। এখন নিয়মিত অভিনয়ে দেখা যায় না তাকে। তবে সামাজিকমাধ্যমে বেশ সরব প্রভা। এবার ফেসবুকে জুয়ার ওয়েবসাইটের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়ার ভয়ংকর অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন তিনি।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) ফেসবুকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় বলেন, আমি আপনাদের সাথে একটা জিনিস শেয়ার করব। এটা টোটালি ইট ওয়াজ মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং এবং আমি কেন যেন এটা নিয়ে কখনো সিরিয়াসলি বা সিনসিয়ারলি। আপনাদের সাথে এসে আমার যেই এক্সপেরিয়েন্সটা একটা ব্যাড এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করিনি। এবং যেটার জন্য আমার আসলে প্রতিনিয়ত এই প্রবলেমটা মানে ফেস করতে হচ্ছে। সেটা হচ্ছে লাস্ট রোজার মাসে একটা কোম্পানি আমার সাথে যোগাযোগ করেছিল।

এই টাইপের কিছু কোম্পানি এরা যখন আমাদের সাথে যোগাযোগ করে বা আমার আমার যে এক্সপেরিয়েন্সটা সেটা হচ্ছে ওরা প্রথমে ক্লিয়ারকাট কথাবার্তা বলে না। আমাকে বলা হয়েছিল যে গেমিং ওয়েবসাইট যেটাতে আমি একদমই পরিচিত না। আমি এমনিতেও মানে ফোন টোনে গেমস খেলি না গেম সাইট সম্পর্কে জানি না। শুনেছি এটা আছে দ্যাটস ইট আমার একদমই এটার ব্যাপারে আইডিয়া নেই তো আমাকে বলা হয়েছিল।

প্রভা ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, একটা গেমিং ওয়েবসাইট মাঝে মাঝে টি-২০ দেখায় এই টাইপের অনেক সেলিব্রেটিরা এটার জন্য ক্যাম্পেইন করে দেয়। অনেক টিভিসি আমাকে মানে ওবিসি আমাকে দেখালো তো দেখানোর পরে আমি ওদের কাছে বারবার জানতে চেয়েছিলাম। এই সাইটটা ওরা কিসের কাজ করবে তখন বলল আপু শুধুমাত্র যে টি টুয়েন্টি সময় খেলা হয় না ওই খেলাগুলো দেখায়। বিভিন্ন টাইপের গেম দেখায়। একটাবারের জন্য ওরা আমার সাথে ক্লিয়ার ছিল না।

প্রভা ভিডিও বার্তায় বলেন, আমি যেদিন ওদের সাথে কন্ট্রাক্টটা সাইন করব। ডিএইচএসই ওদের একটা অফিসে সেখানে আমি গেলাম এগ্রিমেন্টটা সাইন করতে এবং আমাকে বলা হলো যে আপু একটা ছোট্ট বাইট দিয়ে দেন। বাইট ছোট্ট একটা বাইট আর ওবিসি দুইটা কিন্তু দুই জিনিস। তো আমি যেহেতু আমি এগ্রিমেন্টটা সাইন করেছি এবং একটা টোকেন মানিও আমি নিয়েছিলাম। এবং দেয়ার পরে আমি একটা ছোট্ট বাইট দিয়েছি যে আমি এই সাইটটার সাথে আছি।

প্রভা বলেন, এই গেমিং সাইটটার সাথে আছি। তারপরে আমি তো আর জানতাম না যে এটা যে একটা বেটিং ওয়েবসাইট হচ ইজ ভেরি রং থিং এন্ড ইললিগাল। রাইট? আমি পোস্ট দেয়ার সাথে সাথে মানুষজন যখন আমাকে বলল যেটা নেগেটিভ এটা কাজ করছেন। তখন আমি ওদের সাথে পরবর্তীতে আবার যোগাযোগ করলাম। আপনারা আমাকে এই জিনিসটা কেন ক্লিয়ার করেননি, যে এটা একটা জুয়ার প্রমোশন। আমাকে বলল ম্যাডাম আপনি বোধ তাহলে বেটিং ওয়েবসাইটের মানে জানেন না। তো আমি তখন ওদেরকে বললাম বেটিং ওয়েবসাইটের মানেই জানি না ডেফিনেটলি। এই ব্যাপারে আমি খুবই অশিক্ষিত। আমি তো আপনাদেরকে বারবার জিজ্ঞেস করেছিলাম এটা কিসের কি টাইপের গেম। এরকমও হয়েছে যে আমি হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করি ভাই কোন জুয়াটুয়া না তো? কারণ ওরা আমাকে একটা নমুনা দেখিয়েছিল যেটার যেই পরবর্তীতে যেই শুটিংটা হওয়ার কথা ছিল সেই শুটিংটার জন্য যখন কস্টিউম দেখাচ্ছে। ওই সময় দুই একটা আমাকে এরকম কয়েকটা ওবিসি দেখাচ্ছে, বাইরের তো আমি যখন বলছিলাম এগুলো তো সব জুয়ার প্রমোশন।

প্রভা বলেন, তখন ওরা বলছে ওইটা তো বাইরের দেশেরটা আমাদেরটা গেমের তো আমাকে কোন একটা ভুজুং ভাজুং বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। থ্যাঙ্ক টু ইউ গাইস থ্যাংকস টু ইউ গাইস যে আপনারা আমাকে ওখানে লিখছিলেন যে শেষমেষ এইটার প্রমোশন করছেন। তো তখন গিয়ে আমার যখন টনক নড়লো এবং সাথে সাথেই আমি ওদের সাথে যোগাযোগ করলাম। ওরা আমাকে অনেক রকমের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করেছিল। বাট অলরেডি আমি এজ মানে এজ ব্র্যান্ড হিসেবে আমি যখন অলরেডি মানে আমি বলে ফেলেছি এটা তো একটা অনেক বড় একটা ইমপ্যাক্ট ফেলেছে।

ভিডিওতে তিনি বলেন, আমি আরটি সিকিউরিটির সাথেও যোগাযোগ করেছি। আমি এরকম একটা ট্র্যাপের মধ্যে পড়তে চেয়েছিলাম এবং যেই লোকটা কাজ এনেছিল সেই লোক টা ছিল একটা সিনেমাটো মানে ও ক্যামেরা ম্যান। আর কি তো ওকে আমি অনেক টেক্সট করেছি এখন পর্যন্ত স্ক্রিনশট আছে ওদের সাথে আমার কনভার্সেশনের। শেষমেষ আমাকে এরকম একটা প্রবলেমের মধ্যে কেমন করে ফেললা। তুমি যখন জানতা যে এই জিনিসটা ইললিগাল এবং পরবর্তীতে আমি সেই কাজটা অবশ্যই করিনি নাও প্রবলেম এই ব্যাপারটা আমার কাছে অনেকে যখন জানতে চায়। তখন আমি বারবার বলি যে আমি বেটিং ওয়েবসাইটের মানে জানতাম না।

প্রভা ওয়েবসাইট বিষয়ে বলেন, আমি করতে গিয়েছিলাম এরকম একটা কাজ একটা প্রমোশন করতে গিয়েছিলাম বাট করিনি। তো তখন আমি ভেবেছি যে মানুষ অলরেডি ক্লিয়ার বাট বেশ কিছুদিন ধরে আমার কাছে এইরকম কাজের কিছু এবং সেইম ভাবে যে না না এটা একটা গেমিং। আপনি যে একটা কাজ করেছেন আমি অতদিনে আমি তো জানি। আমি তো এই কাজটা আমি শুরুতেই আমি এটাকে স্থগিত করে দিয়েছিলাম। বিকজ আমি জানতে পেরেছি যে এটাকে বলে বেটিং ওয়েবসাইট। নেভার। তো আমার মনে হয় আপনাদের কাছে আমি এই ব্যাপারটুকুতে আই এম সরি যে আমাকে আরেকটু ইনফরমেশন নেয়া উচিত ছিল। হোয়াট ইজ বেটিং ওয়েবসাইট বাট ট্রাস্ট মি ওরা যখন আমাকে কনভিন্স করার চেষ্টা করছিল। যখন ওদের ওয়েবসাইটের ব্যাপারে বলার চেষ্টা করছিল। যেহেতু আমাদের বিশেষ করে মেয়েদের তো আসলে গেমস টেমস এগুলো আসলে ওদের মানে সাবজেক্ট না।

তিনি বলেন, ম্যাক্সিমাম পারসনের রেসপেক্ট বাট যেহেতু আমাকে বলা হচ্ছিল আমি ভেবেছিলাম, যে ওকে মেবি কোনো একটা ওয়েবসাইটের বেটিং ওয়েবসাইটটা যে একটা এটা যে একচুয়ালি জুয়ার প্রমোশন সেটা তো আমি জানতাম না। আমাকে কেমিং এবং এখন পর্যন্ত যেই কলগুলো ফোন কলগুলো আসে প্রত্যেকেই সেইম ক্যাটাগরির কিছু জিনিস শেয়ার করতে চায়। যেহেতু আমার অলরেডি একটা ভ্রান্ত ধারণা আছে যে আমি ওদেরকে প্রমোশনটা করে দিয়েছিলাম। আমি ওদের প্রমোশন করিনি আমি শুধুমাত্র ছোট্ট একটা বাইট দিয়েছি। আমি আসছি এবং আমি খেয়াল করেছি যে দেখবেন যে আমার লিপসিংটা মিলে না। অন্য আরেকটা কোম্পানির নাম বলে, অন্য আরেকটা ওয়েবসাইটের নাম বলে।

প্রভা বলেন, যেটার সাথে খেয়াল করে দেখবেন যে ওইটার লিপসিং এর সাথে আমার কথা মিলছে না। প্লিজ খেয়াল করে দেখবেন আমি কখনো কোনো জুয়ার প্রমোশন করবো না। কোনো বেটিং ওয়েবসাইটের প্রমোশন করবো না। ইনফ্যাক্ট আমি কোন গেমিং টেমিং এর প্রমোশন মানে আমি এত ভয় পেয়েছি। আমি এগুলো কিছুই করবো না। দিস ইস টোটালি ইললিগাল। আমার একদম ধারণা ছিল না। ওরা আমাকে সঠিক ইনফরমেশন দেয়নি। এবং আমি জানার সাথে সাথে আমি ওদেরকে আমি লিটারালি বলছি আল টক টু মাই লয়ার সো দট আপনারা আমাকে এরকম একটা জিনিস আমাকে হাইড করে আপনারা এটার প্রমোশনটা করতে চেয়েছিলেন।

প্রভা বলেন, থ্যাংক গড আমি অডিয়েন্সের মাধ্যমে আমি জানতে পেরেছি যে এটা একটা জুয়ার প্রমোশন এবং সাথে সাথে জিনিসটা আমি স্থগিত করেছি এবং পরবর্তীতে আমাকে কখনো কেউ এই টাইপের কোন প্রমোশনের ব্যাপারে বলবেন না। এটা গুরুতর অপরাধ এবং সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল আমাকে সঠিক ইনফরমেশনটা না দিয়ে আমাকে এরকম একটা কাজে করতে করানোর চেষ্টা যেটা আমি আল্টিমেটলি করিনি। আই হোপ এই ভিডিওটা আপনাদের একটু হলেও কাজে লাগবে। আমার ব্যাপারে একটু ইনফরমেশনটা পাবেন। আমি কোনো জুয়ার প্রমোশন করি নাই। আমাকে করতে বলা হয়েছিল। বেশ ভালো একটা হ্যান্ডসাম অ্যামাউন্টও দেয়ার কথা বলা হয়েছিল এবং বিভিন্ন কিছু সেলিব্রিটিদের কথাও বলা হয়েছিল।

আরও পড়ুন

প্রভা আরো বলেন, এক্সাম্পল হিসেবে যে উনারা করেছেন। বাট যখন আমি জানতে এটার মানে এটা তখন আমি সাথে সাথে এটা স্থগিত করেছি। নো ম্যাটার আমাকে কত টাকা পেমেন্ট ওরা করবে কত হ্যান্ডসাম অমাউন্ট আমাকে পে করবে। নো আমি এরকম ইললিগাল কিছু করবো না এন্ড আই হোপ আপনাদের কাছে একটু হলেও আমি ক্লিয়ার হতে পেরেছি। সাংবাদিকরা আপনারা তো আসলে আপনারা আমার কোন ইনফরমেশনটা আপনাদের বিভিন্ন সাইটে আপনারা প্রমোট করতে পারেন।

স্ট্যাটাসের শেষ অংশে তিনি লেখেন, সো প্লিজ এই যে আমি এই ইনফরমেশনগুলো দিয়েছি এই ইনফরমেশনগুলো সঠিকভাবে আমি করিনি আমি এরকম কাজটা কখনো করবো না। আমি এই টাইপের কোন জুয়ার প্রমোশন বা বেটিং ওয়েবসাইটের প্রমোশন কখনো করিনি এবং ভবিষ্যতেও করবো না। ইনফরমেশনটা সুন্দরভাবে দিবেন। থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ।

আরটিভি/কেআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার প্রমাণ এই জনসমুদ্র’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এদিন জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হলে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় উপস্থিত হতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে মানুষের ঢল নামে, যা এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের জন্ম দেয়। অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের কয়েকটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন।  ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়-এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ। মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতের উঁচু মাকাম তথা জান্নাতুল ফেরদাউস দান করে। আমিন। আরও পড়ুন ‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’ উল্লেখ্য, বুধবার ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। লাখ-লাখ মানুষের এই জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, দেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শোক জানানোর পাশাপাশি শোকার্ত পরিবারকে সহমর্মিতা জানাতে ঢাকায় ছুটে আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিতা হেরাথ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়নপো ডি এন ধুংগেল এবং মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর বিশেষ দূত ও দেশটির উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ড. আলী হায়দার আহমেদ। দক্ষিণ এশিয়ার নেতাদের উপস্থিতিই বলে দেয়, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপিরই নেত্রী নন, এই জাতি-রাষ্ট্রেরই নেতা। জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। সেখানে স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এরপর তোপধ্বনির মাধ্যমে গান স্যালুট প্রদর্শন করে জানানো হয় সম্মাননা। সরকার, তিন বাহিনীর প্রধানরাও শ্রদ্ধা জানান তাকে। আরটিভি/কেআই
‘ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার প্রমাণ এই জনসমুদ্র’
কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী, ঘটনা কী
শোবিজের ঝলমলে আলো আর ক্যামেরার ফ্ল্যাশে ঘেরা জীবন হলেও বর্তমানে মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করছেন কিম কার্দাশিয়ান। কোনো সিনেমার চিত্রনাট্য বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নয়-আইন বিষয়ে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়াই তাকে ভেঙে দিয়েছে মানসিকভাবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে আবারও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই মার্কিন তারকা। জানা গেছে, আইন বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন কিম। পরীক্ষা দেওয়ার আগেই কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ফল প্রকাশের পর সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়-উত্তীর্ণ হতে পারেননি কিম। গত ৭ নভেম্বর পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। বছর শেষের এক সাক্ষাৎকারে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে কিম জানান, পরীক্ষা শেষ করার পরই তার মনে হয়েছিল ফল ভালো হবে না। কিম বলেন, পরীক্ষা দেওয়ার পরই মনে হচ্ছিল কিছু একটা খারাপ হতে যাচ্ছে। প্রশ্নগুলোর উত্তর যেভাবে গুছিয়ে দিতে চেয়েছিলাম, তা পারিনি। তবুও মনে একটু আশা ছিল-হয়তো কোনো মিরাকল হবে। কিন্তু বিকেলে ফল প্রকাশের পর বুঝলাম, আমার ভয়টাই সত্যি হয়েছে। আরও পড়ুন ‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’ সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলতে বলতে আবারও চোখের জল ফেলতে দেখা যায় কিমকে। তবে এই কঠিন সময়ে তার পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছেন মা ক্রিস জেনার। মেয়ের পরিশ্রমের কথা তুলে ধরে ক্রিস বলেন, কিম এই পরীক্ষার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। কিন্তু একই সঙ্গে টিভি শো-এর ব্যস্ত কাজ এবং আইনের জটিল পড়াশোনা সামলানো সহজ ছিল না। আরটিভি/কেআই
কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী, ঘটনা কী
‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।  বেগম জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর এক আবেগঘন পোস্টে দিয়েছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। পোস্টে তার লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের ছবি শেয়ার করে অভিনেতা লিখেছেন, ১৭ বছর! ১৭টা বছর যে মানুষটা একা নিরবে নিভৃতে অত্যাচার সহ্য করে গেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই! আর আল্লাহ যখন কাউকে সম্মানিত করেন হিসাব ছাড়া করেন! এত মানুষ! এত অগণিত মানুষ! এরপর তিনি যোগ করেন, কয়জন সৌভাগ্যবান হয় এত সুন্দর জানাজার! পৃথিবীতে এমনভাবে বাঁচেন যাতে আপনার মৃত্যু আপনাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখে। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুক। এদিকে জানাজার আগে খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন এবং মায়ের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। তার কাছে কেউ কোনো ঋণ পেলে যোগাযোগ করতে বলেন। এছাড়া খালেদা জিয়ার আচরণে কেউ কোনো কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেওয়ার আবেদন জানান তারেক রহমান। আরও পড়ুন জেলে যাওয়ার আগে বেবী নাজনীনকে যা বলেছিলেন খালেদা জিয়া  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ বেগম জিয়ার জানাজায় অংশ নেন।  আরটিভি/কেআই
‘১৭ বছর যে অত্যাচার সহ্য করেছেন আল্লাহ তাকে সম্মানিত করবেনই’
একদিন আমরা হারিয়ে যাবো: আরশ খান 
বর্তমান সময়ে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আরশ খান। গত অল্প কয়েক বছরের মধ্যে দর্শকদের অনেক নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের জন্য প্রশংসাও লাভ করেছেন। একের পর এক নাটকে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই তারকা।  অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিকমাধ্যমে বেশ সরব অভিনেতা। সাম্প্রতিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি তার ফেসবুক পোস্টে শৈশব ও বর্তমানের তুলনা করেছেন। আরশ লিখেন, ছোট বেলা থেকে চিনি জানি এমন সকল মানুষ গুলো একজন একজন করে চলে যাচ্ছে। সব জায়গা গুলো আধুনিকীকরণের দৌড়ে পাল্টে যাচ্ছে।  আরও পড়ুন ‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’ তিনি আরও বলেন, বদলাচ্ছে নোট, বদলাচ্ছে বাহন, বদলাচ্ছে খাবার, বদলাচ্ছে স্বপ্ন। এর একটাই অর্থ আমি এবং আমার জেনারেশন সবাই কিছু দিনের মধ্যে বার্ধক্যে পা রাখবে। এরপর একদিন আমরা হারিয়ে যাবো। ব্যস্ত এই নগরজীবনে যান্ত্রিকতার আড়ালে মানুষ যে নিজেকে সময় দিতে ভুলে যাচ্ছে, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন আরশ। শেষে লিখেছেন, জীবন কে বোঝ অতিথি, জীবনকে চেনো জীবনকে সময় দেয়াটা জরুরী এই সত্যটা মানো। আরটিভি/এএ 
একদিন আমরা হারিয়ে যাবো: আরশ খান 
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে।  আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন।  বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকের ছায়া মোটা দাগে পড়েছে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে। শিল্পীদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ভারি হয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনকে হারানোর বেদনায়।  জনপ্রিয় অভিনেতা নাসির উদ্দিন খানকেও ছুঁয়েছে শোক। তা প্রকাশের পাশাপাশি এ অভিনেতা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার গল্প। জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার মিষ্টি হাসির জন্য জীবনের প্রথম ভোট তিনি দিয়েছিলেন বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে। নিজের ফেসবুকে আজ মঙ্গলবার নিজের ফেসবুকে নাসির উদ্দিন লিখেছেন, আমি রাজনীতি অপছন্দ করা একজন অতি সাধারণ ভোটার, তবে রাজনীতি সচেতন। এরপর লেখেন, ২০২৪ এ ভোট দিতে যাইনি, ‘৮৪০’ এর শুটিংয়ে দেশের বাইরে ছিলাম। ২০১৮ তে ভোট কেন্দ্রে যেতে ইচ্ছে হয়নি। ২০১৪ সালের ভোট দেওয়ার পেছনে গল্প বলেন নাসির। তার কথায়, ২০১৪ তে ভোট কেন্দ্রে গিয়েছিলাম ভোট দিতে নয়, কেন্দ্র পরিদর্শনে। সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন প্রার্থীকে মার্কা সুন্দর দেখে ভোট দিয়েছিলাম। আমার ধারণা আমাদের কেন্দ্র থেকে তিনি যদি একটি ভোটও পেয়ে থাকেন, তাহলে সেটি আমার। এর আগের নির্বাচন গুলোতে আওয়ামিলীগ-বিএনপিকে মিলিয়ে-ঝুলিয়ে দিয়েছি। এরপর অভিনেতা বলেন জীবনের প্রথম ভোটের গল্প। নাসির লেখেন, তবে জীবনের প্রথম ভোটটি দিয়েছিলাম ১৯৯১ সালে, বিএনপিকে, তার একমাত্র কারণ বেগম খালেদা জিয়া; শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্যে। সবশেষে এ অভিনেতা লিখেছেন, বিদায় হে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপনার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। আরটিভি/এএ 
‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’
আরও পড়ুন
মিথ্যায় ভরা ভিডিও গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে: প্রেস সচিব
দুই সেকেন্ডে ৭০০ কিলোমিটার গতি তুলল ট্রেন, ভিডিও ভাইরাল
পবিত্র কাবা চত্বরে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ব্যক্তির ভিডিও ভাইরাল 
ফেসবুকে আপত্তিকর ভিডিও, সহকারী শিক্ষিকা বরখাস্ত