ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজনীতি না করলেই ছাত্ররা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয় না: আবুল হায়াত

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০১৯, ০২:৪৮ পিএম
আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০১৯, ০২:৫৪ পিএম
আবুল হায়াত

ছাত্র রাজনীতি খারাপ নয়। ছাত্র রাজনীতির জন্য আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছি। ছাত্র রাজনীতি অবশ্যই ভালো জিনিস। কিন্তু যারা এটাকে পেছন থেকে ব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে আগামী দশ বছরের জন্য বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা হোক- এমনটি বলেছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত।

বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ক্যাফেটেরিয়ার হল রুমের সামনে এ কথা বলেন অভিনেতা।

বুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সাবেক শিক্ষার্থীরা সমবেত হন। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নাট্যজন আবুল হায়াতও এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক ছাত্র ও অ্যালামনাইয়ের সদস্য।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বাস করুন আমার স্ত্রী হাইপার-টেনশনের রোগী। কালকে থেকে প্রায় বিছানায় পড়ে আছেন। সে বলছে এই ছেলেটা তো আমাদেরও ছেলে হতে পারতো। এই ছেলেদের সাথে তো তুমি সেদিন অনুষ্ঠান করে আসলে না।

বুয়েটের অতীত পরিবেশ নিয়ে অভিনেতা বলেন, আমরা যখন বুয়েটে পড়েছি তখন এখানকার পরিবেশ এমন ছিল না। আমরা যখন আন্দোলন করতাম তখন ভিসি এসে আমাদের সামনে বসে থাকতেন। আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসতেন। কারণ তিনি আমাদেরকে নিজের সন্তান মনে করতেন।

আন্দোলন নিয়ে তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা রাজনীতি না করলেই তারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয় না। ১৯৬৬ সালে এই প্রতিষ্ঠান থেকে সবচেয়ে বড় দল বের হয়ে বিক্ষোভ প্রকাশ করে। প্রতিটি আন্দোলনে বুয়েটের অবদান অবশ্যই আছে। আমরা দেশ গড়ার জন্য পড়ি ও কাজ করি। বর্তমান ছাত্রদেরও সেই শান্তিতে পড়ার ও চলার সুযোগ তৈরি করা জরুরি।

অভিনেতা বলেন, আমি দুঃখিত! এই গত ফেব্রুয়ারি মাসে আমরা শেরে বাংলা হলে ৫০ বছর পূর্তি পুনর্মিলন অনুষ্ঠান করেছি। আরও দুর্ভাগ্য আমার এই ছেলেগুলোকে আমি চিনি। গত বছর যখন হলফেস্ট হলো তখন এরা আমাকে ফোন করেছিল। যে হায়াত ভাই আপনি অবশ্যই আসবেন। আমরা পুরোনো ছাত্রদেরকে চাই। আমি এসেছিলাম। আরও অনেকে এসেছিল।

বুয়েট প্রশাসনের কথা উল্লেখ করে অভিনেতা বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে বুয়েটে ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে এসেছিলাম। সেসময় আমরা হলের প্রভোস্টকে বললাম আমাদেরকে সহায়তা করতে। আমরা বললাম, আমরা বর্তমান ছাত্র পরিষদকেও আমাদের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনে যুক্ত করতে চাই। তিনি জানালেন, হলে কোনও ছাত্র পরিষদ নেই। আমি বললাম, তাহলে ছাত্রদের দেখাশোনা কে করেন। তিনি বললেন, আছে কিছু ছাত্র যারা নিজেরা-নিজেরাই তা করে। আমি বললাম, আপনি কি হলে যান না? তিনি বললেন, না আমি ওপরের দিকে খুব একটা যাই না। কারণ আমাকে ওরা নানা রকম ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলে। এই যে শিক্ষক ও ছাত্রদের মাঝে এমন দূরত্ব ও প্রশাসনের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা তো হওয়ার কথা ছিল না।

এমনকি আমরা ভিসিকে আমাদের অনুষ্ঠানের জন্য একটি চিঠি দিয়ে দেড় মাস অপেক্ষা করেছি। এবং তিনি বিশেষ অতিথি হয়ে আসবেন বলে কথা দিয়েও আসেননি। এখন একজন ভিসিকে আমরা কী বলতে পারি? তিনি এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান। আমাদের চোখের সামনে এখনো ড. রশিদ, ড. নাসের, শাহজাহান এইসব ব্যক্তিত্ব রয়েছেন।

উল্লেখ্য, বরেণ্য এই অভিনেতা ১৯৬২ সালে বুয়েটে ভর্তি হন। বুয়েটে পড়ার সময় তিনি শেরে বাংলা হলে থাকতেন। বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট থেকে ১৯৬৭ সালে পাস করেন তিনি। ১৯৬৮ সালে ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী পদে যোগ দেন। যদিও পরবর্তীতে অভিনেতা হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

জিএ/সি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
ছোট পর্দার পরিচালক ও অভিনেতা  ওয়াসিম সিতার ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ওয়াসিমের সঙ্গে আরটিভির পক্ষ থেকে চুক্তিপত্র করেন চ্যানেলটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আরটিভির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান দেওয়ান শামসুর রকিব ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।  এ ব্যাপারে ওয়াসিম সিতার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমার চ্যানেল 'ককটেল এন্টারটেইনমেন্ট' ইউটিউব চ্যানেলটি আরটিভি ডিজিটালের তত্ত্বাবধানে থাকবে। ইতোমধ্যে এর মাধ্যমে আমি বেশকিছু কন্টেন্ট দর্শকদের উপহার দিয়েছি। এখন থেকে নিয়মিত দর্শকদের ওয়েবসিরিজ ও শটফিল্ম উপহার দেব। এছাড়া তরুণদের নিয়েও কাজ করব। বিশেষ করে যারা মেধাবী শিল্পী কিন্তু কোনো প্লাটফর্ম খুঁজে পাচ্ছেন না তাদের সুযোগ দেব। আমার পক্ষ থেকে জুনাইদ ইরফান তত্ত্বাবধানে থাকবেন।  ধন্যবাদ আরটিভিকে আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। ওয়াসিম সিতার বেশকিছু টেলিভিশন নাটক পরিচালনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে আছে সেলফিবাজ, দ্য ডেসটিনেশন ওয়েডিং, রোলিং ইন দ্য ডে, আনমেরিড, আই অ্যাম স্যরি ইত্যাদি। অভিনয়েও বেশ পাকাপোক্ত অবস্থান তার। সবশেষ বাংলা চলচ্চিত্র 'ন ডড়াই'তে লিয়াকত চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। জিএ 
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
রাত পোহালেই নতুন বছরের আগমন। বিদায় ২০১৯। স্বাগত ২০২০ সাল। পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকা। ভক্তদের এ নিয়ে জানার কৌতূহল তো থেকেই যায়। আরটিভি অনলাইন পাঠকদের জন্য তেমনি কয়েকজন জনপ্রিয় তারকার পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে। চলুন পাঠক জেনে নেয়া যাক আপনার প্রিয় তারকার ভাবনা।        আব্দুন নূর সজল গেল বছর কম কাজ করেছি। সব পছন্দনীয় কাজ ছিল। ১২ বছর পর মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছি। এটা ভালো লাগার। বঙ্গবন্ধু বিপিএল টুর্নামেন্টকে ঘিরে ঢাকা প্লাটুনের থিম সং করেছি। এছাড়া জীন মুভিতে কাজ করেছি। ফেব্রুয়ারির কোনও এক সময় মুক্তি পাবে ছবিটি। বছরের শেষে বিগ বাজেটের একটা ওয়েব সিরিজে কাজ করেছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেশ ভালো ছিলাম।  ভক্তদের জন্য বলবো নতুন বছরে কম কাজ করব। বাছাই করে কাজ করব। আসলে বছরের সংখ্যাটা বড় কথা না কাজ, চিন্তাভাবনাটাই আসল।   ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ে নিয়ে তিনি বলেন, জীবনের সঙ্গে এখনও কেউ জড়ায়নি। হুট করে কিছু করব না। কিছু ঘটলে সবাইকে জানিয়ে ঘটাবো। সাদিকা পারভিন পপি গতকাল ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। ৩৯০ ভোটের মধ্যে প্রায় ৩৫০ পেয়েছি। গেল বছর ফিল্ম-অভিনয় নিয়ে ভালোই কেটেছে। নতুন বছরের ভাবনা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে। হলের সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া অনেক ছবি চলছে না কোন্দল ও নোংরা পলিটিক্সের কারণে। গণ্ডগোল না করে চলচ্চিত্র কীভাবে বাঁচবে এদিকে সবাই খেয়াল করব। কাজ নিয়ে তিনি বলেন, ভালো কাজ আসবে, ভালো কাজ করব। আমি আমার ক্যারিয়ারে কম টাকার কাজ ও নিম্ন কাজ করিনি। আশা করি সুস্থ ও সুন্দর বছর পার করব।   সাজু খাদেম গত বছর ২০১৯ সালের মতো কাটল, নতুন বছর ২০২০ সালের মতো কাটবে। ২০১৯ সালে অনেক কাজ করেছি। ২০২০ সালে কিছু চমক নিয়ে আসব। ভক্তদের অপেক্ষা করতে বলবো। আসলে বছর কাউন্ট করে তো কিছু হয় না। আমার মনে হয় প্রতিটা দিন মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ সেটা যদি আমি কাজে লাগাতে পারি তাহলে দর্শকরা আমাকে আরও ভালোবাসবেন। আর দর্শকরা সময়টা কাজে লাগালে জীবন সমৃদ্ধির দিকে যাবে। সাঈদ বাবু ২০১৯ সালে আমার জন্য সুখের ছিল। নাটক করেছি বেশ কিছু।  ‘ন ডরাই’ সিনেমা ছিল আমার চমক। এই সিনেমায় অনেক পরিশ্রম করেছি। ২০২০ সালে আরও ভালো কাজ উপহার দেবো। ইতোমধ্যে কয়েকটা সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছি। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে বসবো। তারপর ফলাফল জানাবো। আশা করছি ভক্তরা সুখবর পাবেন। জিএ/এম   
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
২০১৯ সালের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা কলকাতার সৃজিত ও ঢাকার মিথিলার বিয়ে। তাদের বিয়ে নিয়ে গণমাধ্যমে তুমুল আলোচনা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সরব ছিল। বিয়ের পর সুইজারল্যান্ডে হানিমুন সেরেছেন তারা। এবার সৃজিতকে বিয়ের দুটি কারণ জানালেন মিথিলা। ইনস্টাগ্রামে দুজনের ছবি পোস্ট করে এই এক হওয়া প্রসঙ্গে মিথিলা লিখেছেন, প্রথম কারণ আমরা দুজনই একই রকম পাগলাটে। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে লেখেন, আমরা অলস হয়েও সব সময় ব্যস্ত। গেল ৬ ডিসেম্বর কলকাতায় রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন সৃজিত-মিথিলা। তাদের পরিচয় গায়ক অর্ণবের একটি মিউজিক ভিডিওতে কাজের মাধ্যমে। সেখানে থেকেই বন্ধুত্ব তারপর প্রেম।   এম
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’র মহরত অনুষ্ঠিত হলো। ৩০ ডিসেম্বর এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবে সায়মন তারিক পরিচালিত ছবিটির ঘোষণা দেয়া হয়। এতে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধলেন চিত্রনায়িকা তানিন সুবাহ ও চিত্রনায়ক আসিফ ইমরোজ। মহরতে উপস্থিত ছিলেন- পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, নির্মাতা মুশফিকুর রহমান, নির্মাতা ছটকু আহমেদ, হেলেনা জাহাঙ্গীর, বড় দা মিঠু, তারিক আনাম খান, গাজী মাজারুল ইসলাম, মুনিরা মিঠুসহ চলচ্চিত্রের অনেকেই। এ সময় গুনী নির্মাতা ছটকু আহমেদ বলেন, আমাদের চলচ্চিত্র এখন একটা খারাপ সময় যাচ্ছে। তবে আমার বিশ্বাস আমরা সবাই মিলে কাজ করলে আবার চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াবে। তানিন সুবহা বলেন, চমৎকার একটি গল্প নিয়ে ছবিটি নির্মিত হতে যাচ্ছে। এমন চরিত্রে প্রথম অভিনয় করব। আমার জন্য একটু কষ্টের হবে। তবুও গল্পের প্রয়োজনে এটা আমি করব। নতুন বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে ছবিটির শুটিং শুরু হবে জানান পরিচালক। এম
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
কাজলের মন ভেঙেছে
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল। নতুন ছবি তানাজি নিয়ে আসছে ১০ জানুয়ারি দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। সঙ্গে আছেন স্বামী অজয় দেবগণ ও সাইফ আলী খান। এরই মধ্যে মন ভেঙেছে কাজলের। কারণ হিসেবে সাইফকেই দায়ী করলেন তিনি। ধোকাবাজ বলে বসলেন কাজল। টুইটারে যত রাগ প্রকাশ করলেন। কাজল লিখেছেন, তুমি আমার সঙ্গে 'ওমকারা'র সময়ও ধোকাবাজি করেছিলে। আবার করলে। আশা করবো তুমি আমার এই পোস্ট সুইজারল্যান্ড থেকে পড়বে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সাইফের ছবির প্রোমোশনে না আসাই কাজলের রাগের কারণ। ছবির প্রোমোশন না করে সাইফ গিয়েছেন সুইজারল্যান্ডে তৈমুর ও কারিনার সঙ্গে ছুটি কাটাতে। মাথা গরমের কারণেই নাকি কাজল এমন পোস্ট করেছেন। বিষয়টি বন্ধুত্বেরও। তা নিমিষেই ঠিক হয়ে যাবে। তানাজি ছবিতে মারাটা যোদ্ধা হয়েছেন অজয়। কাজল তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। আর ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে সাইফকে। এম
কাজলের মন ভেঙেছে
আরও পড়ুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
এমপি লিটনের মৃত্যুর তিন বছর আজ
প্রেমে বাধা দেওয়ায় প্রেমিকার বাবাকে মেরে ফেললো প্রেমিক
বখাটের উৎপাত সহ্য করতে না পেরে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা