ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বামীর পরকীয়া জেনেও ১২ বছর সংসার, বিচ্ছেদ চাননি অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম
অভিনেত্রী জিনাত আমান। ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের একসময়ের জনপ্রিয় ও সাহসী অভিনেত্রী জিনাত আমানের ব্যক্তিজীবন বরাবরই আলোচনায়। বিশেষ করে অভিনেতা মাজহার খানের সঙ্গে তার দাম্পত্য জীবনের নানা টানাপোড়েন আজও কৌতূহল জাগায়।

স্বামীর অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা জানার পরও বিচ্ছেদের পথে হাঁটেননি জিনাত। বরং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ১২ বছর ধরে টিকিয়ে রেখেছিলেন তাদের সংসার।

সিমি গারেওয়ালের সঙ্গে এক পুরনো সাক্ষাৎকারে নিজের দাম্পত্য জীবনের নানা অজানা দিক তুলে ধরেছিলেন জিনাত। অভিনেত্রীর কথায়, বিয়ের মাত্র এক বছরের মধ্যেই তার মনে হয়েছিল, মাজহারকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তটি হয়তো ভুল ছিল। সেই সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন তিনি।

এরই মধ্যে মাজহারের অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের খবর প্রকাশিত হয় ‘স্টারডাস্ট’ পত্রিকায়। বিষয়টি জিনাতেরও অজানা ছিল না। কিন্তু স্বামীর পরকীয়ার খবর জানার পরও সংসার ভেঙে বেরিয়ে আসেননি তিনি।

এর পেছনে ব্যক্তিগত একটি কারণও ছিল জিনাতের। পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করেই মাজহারকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তাই সম্পর্কের জটিলতা সত্ত্বেও দাম্পত্য জীবন ভেঙে দেওয়ার পরিবর্তে তা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন অভিনেত্রী।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সম্পর্কের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। মাজহার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামীর চিকিৎসা ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন জিনাত। পরবর্তী প্রায় পাঁচ বছর তার চিকিৎসার জন্য ছুটে বেড়িয়েছেন বিভিন্ন হাসপাতালে। চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সবকিছুতেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন তিনি।

এমনকি স্বামীর পরিচর্যার জন্য বাড়িতেও নানা কাজ শিখে নিয়েছিলেন জিনাত। দাম্পত্য জীবনের ব্যক্তিগত কষ্ট ও জটিলতার মধ্যেও অসুস্থ মাজহারের পাশে থাকার চেষ্টা করেছিলেন এই অভিনেত্রী। প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে হয়েছিল তাকে।

জিনাত ও মাজহারের দাম্পত্য জীবন স্থায়ী হয়েছিল প্রায় ১২ বছর। সম্পর্কের শুরু থেকেই নানা টানাপোড়েন থাকলেও বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেননি অভিনেত্রী। বরং স্বামীর জীবনের শেষ কঠিন সময়ে তার চিকিৎসা ও সেবাযত্নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।

১৯৯৮ সালে মারা যান মাজহার খান। তার মৃত্যুর পরও জিনাত আমানের দাম্পত্য জীবনের এই অধ্যায় বলিউডের আলোচিত ব্যক্তিগত ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে রয়েছে। পর্দায় আত্মবিশ্বাসী ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তিত্বের জন্য পরিচিত জিনাতের জীবনের এই অভিজ্ঞতা তার ব্যক্তিগত জীবনের এক জটিল ও আবেগঘন দিক তুলে ধরে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাঝরাতে অভিনেত্রীর ঘরে মাতাল পরিচালক, অতঃপর...
বলিউড অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক পরিচালকের কাছ থেকে অস্বস্তিকর ও ভীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন।
মাঝরাতে অভিনেত্রীর ঘরে মাতাল পরিচালক, অতঃপর...
পিছলে পড়ে আহত অমিতাভ বচ্চন
বলিউডের মহাতারকা অমিতাভ বচ্চন শুটিংয়ের সময় পিছলে পড়ে হাঁটুতে আঘাত পেয়েছেন। এ কারণে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৮’-এর বুধবারের (৩০ সেপ্টেম্বর) পর্বে তাকে চিরাচরিতভাবে দাঁড়িয়ে নয়, চেয়ারে বসে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করতে দেখা যায়।
পিছলে পড়ে আহত অমিতাভ বচ্চন
পাকিস্তান ছেড়ে ভারতের নাগরিকত্ব নেওয়ার কারণ জানালেন আদনান সামি 
বলিউডের জনপ্রিয় গায়কদের তালিকায় আছেন আদনান সামি। তবে তার জন্ম কিন্তু ভারত বা পাকিস্তানে নয় বরং যুক্তরাজ্যে। যদিও পরে বাবার কারণে তার পরিবার পাকিস্তানে চলে আসে সেই সূত্র ধরেই তিনি পাকিস্তানের নাগরিক। কিন্তু তিনি পাকিস্তানি নাগরিকত্ব ছেড়েছেন বহু বছর আগে। এখন তিনি পাকাপাকি  ভারতের নাগরিক। আর এবার এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন আদনাম সামি। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়,  সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ব্যক্তি আদনান সামিকে প্রশ্ন করেন, ভারতীয় নাগরিক কি না। আর এই প্রশ্নের জবাবে গায়ক লেখেন, সত্যিই? এত বছর পরেও আপনি আমাকে এই প্রশ্ন করছেন? আপনার কী মনে হয়? এমন কি গায়ক অর্থের জন্য ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছেন কি না এমন প্রশ্ন তাকে করা হয়। যদিও আদনান সামি স্পষ্ট করেছেন বারবার। গায়ক জানান অর্থের কারণে তিনি কখন নাগরিকত্ব পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেননি।  বরং তিনি নিজের পাকিস্তানে পেশাগত বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার কথা তুলে ধরেন।  প্রসঙ্গত, ২০০০ সালে কিংবদন্তি ভারতীয় শিল্পী আশা ভোঁসলের সঙ্গে তার যৌথ অ্যালবাম ‘কভি তো নজর মিলাও’ প্রকাশিত হয়। আর এই কাজটা কিন্তু হয়েছিল যুক্তরাজ্য থেকেই। কারণ গায়কের শৈশব আর পড়াশোনা সেখানেই।  অন্যদিকে, আদনান সামি ২০০১ সালে ভ্রমণ ভিসায় ভারতে আসেন। এরপর একের পর কাজের প্রস্তাব পান তিনি। ভারতের জনপ্রিয় সব তারকাদের সঙ্গে গান গান আদনান সামি। তার পর আর তিনি ফিরে জাননি।  আর এই গায়কের পাকিস্তানি পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৫ সালে শেষ হয়ে যায়। তবে এরপর তিনি আর পাসপোর্ট পুনর্নবীকরণ করেননি। পরবর্তী সময়ে, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি ভারতীয় নাগরিকত্ব পান গায়ক। আরটিভি/এসআর
পাকিস্তান ছেড়ে ভারতের নাগরিকত্ব নেওয়ার কারণ জানালেন আদনান সামি 
বলিউড অভিনেতাদের সম্পদের তালিকা প্রকাশ, কে কত টাকার মালিক
২০২৬ সালের এম৩এম হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্টে ভারতীয় অভিনয়শিল্পীদের সম্পদের হিসাবে দেখা গেছে বৈচিত্র্য।
বলিউড অভিনেতাদের সম্পদের তালিকা প্রকাশ, কে কত টাকার মালিক
সালমানের ‘পুরুষত্ব’ নিয়ে খোঁচা, তোপের মুখে আসিফ
জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘বিগ বস ২০’-এর ঘরে পুরুষত্ব ও গোঁফ নিয়ে একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে এ বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে সংবাদের শিরোনামে এসেছেন ‘পঞ্চায়েত’ সিরিজখ্যাত অভিনেতা আসিফ খান। তার এ বক্তব্য নিয়ে চলছে তুমুল সমালোচনা।  নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, এই মন্তব্যের মাধ্যমে আসিফ পরোক্ষভাবে অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক সালমান খানকে অপমান করেছেন। তবে আসিফ খানের এমন মন্তব্য কেন্দ্র করে আগামী পর্বগুলোতে নতুন বিতর্কের আভাস পাওয়া গেছে।  আসিফ খানের এ মন্তব্যের পর প্রতিযোগিতার অন্য সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রতিবাদ জানান। তাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, সমাজের বহু মানুষেরই গোঁফ থাকে না। এমনকি এই অনুষ্ঠানের মূল সঞ্চালক অভিনেতা সালমান খানেরও সব সময় গোঁফ থাকে না।  আরেক প্রতিযোগী আসিফের এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, একজন প্রকৃত পুরুষ কখনোই উগ্র বা হিংসুটে হয় না; বরং পুরো পরিবারকে একসঙ্গে আগলে রাখেন। অন্য আরেক প্রতিযোগী গুল্লু অভিযোগ তোলেন, প্রতিযোগী ইয়াং ডিএসএ নিজের দলের সব সদস্যের গোঁফের বিন্যাস নিজের মতো করিয়ে নিচ্ছেন।  এর জবাবে আসিফ খান তার রাজস্থানি সংস্কৃতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমরা রাজস্থান থেকে এসেছি। এই গোঁফ আমাদের পরিচয়, আর যাদের গোঁফ নেই, তাদের আমরা পুরুষ মানুষ বলে মনেই করি না। তাই দাড়ি-গোঁফ এমনই রাখা হয়।’ আরটিভি/এসআর
সালমানের ‘পুরুষত্ব’ নিয়ে খোঁচা, তোপের মুখে আসিফ
আরও পড়ুন
মাঝরাতে অভিনেত্রীর ঘরে মাতাল পরিচালক, অতঃপর...
পাকিস্তান ছেড়ে ভারতের নাগরিকত্ব নেওয়ার কারণ জানালেন আদনান সামি 
বলিউড অভিনেতাদের সম্পদের তালিকা প্রকাশ, কে কত টাকার মালিক
৪ দিন বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি রাধিকা, কী ঘটেছিল