ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার জুটি সাইমন-সানাই

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৫:০৯ পিএম

ঢাকার সিনেমায় দারুণ জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সাইমন। ২০১২ সালে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘জ্বী হুজুর’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সিনেমার পর্দায় অভিষেক হয় সাইমনের। এরপর রাজু পরিচালিত তার দ্বিতীয় ছবি ‘পোড়ামন’ দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।

‘মাটির পরী’, ‘তুই শুধু আমার’, ‘চুপি চুপি প্রেম’ সিনেমাগুলোতে অভিনয় করে নজর কাড়েন সাইমন। বর্তমানে সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

অন্যদিকে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন নায়িকা সানাই। পরিচালক গাজী মাহবুবের হাত ধরে সিনেমায় পথচলা শুরু হয় এই নায়িকার। নবাগত নায়িকা সানাই ও চিত্রনায়ক সাইমন এবার জুটি বাঁধছেন নতুন সিনেমায়।

‘প্রতিশোধ’ নামের সিনেমায় দেখা যাবে তাদের। মোস্তাফিজুর রহমান বাবু পরিচালনা করবেন রোমান্টিক-অ্যাকশন ধাঁচের এই ছবি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবার(২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জমকালো মহরতের মাধ্যমে ছবিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে।

সাইমন জানান, ‘প্রতিশোধ’ সিনেমাটি হবে রোমান্টিক-অ্যাকশন ধাঁচের। দর্শকের ভালোলাগার মতো একটি গল্প দেখানো হবে। একইসঙ্গে সিনেমার গানগুলো যেন দর্শকপ্রিয়তা পায় সেই বিষয়েও বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে।

এখন দেখার অপেক্ষা কতটা সফল হয়ে উঠেন সাইমন-সানাই।

পিআর/কে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার এখন ভাঙনের পথে। এরইমধ্যে অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন শাকিব খান। তবে বিষয়টি মানতেই পারছেন না এক সময়ের নাম্বার ওয়ান নায়ক ওমর সানী। শাকিব-অপুকে উদ্দেশ্য করে এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি। আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো। ওমর সানী লিখেছেন, শাকিব খানের শুরুটা হয়েছিল আমার আর মৌসুমীর হাত ধরে, সোহান সাহেবের (পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান) ছবিতে আমার শ্যালিকা ইরিনের নায়ক হয়ে। তাকে (শাকিব) আমি ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করি, আদর করি। আমি চাই শাকিব সুন্দর একটি সংসার করুক, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে। তার ফুটফুটে একটি বাচ্চা আছে, যার নাম জয়। কত সুন্দর তার মুখ, তাকে দেখলে মনে হয় এত মায়াবী শিশু আর হয়না। শাকিবের একজন স্ত্রী আছে, সেও সিনেমার নায়িকা। কিন্তু শাকিব তুমি কি করছো? এত সুন্দর একটি সংসার এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছ? তুমি কি চাও জয় তার বাবার আদর না পাক? অপু তার স্বামীর সোহাগ বঞ্চিত হোক? আমি ও মৌসুমী ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে বিয়ে করেছিলাম, পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। আমরা কি নিজেদের ভালোবাসার কথা দেশবাসীকে, ভক্তদের জানাইনি? আমাদের ভক্তরা তা সাদরে গ্রহণ করেছে। আমাদের ভালোবেসেছে, আজো বাসছে। মৌসুমী আজো দেশের প্রধান নায়িকা। আমাদের দুই সন্তান এতদিন পরেও তাদের বাবা-মায়ের আদর, শাসন, স্নেহ পাচ্ছে। আমি চাই তুমি ও তোমার স্ত্রী তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে জয়ের প্রতি। অপুর প্রতি আমার উপদেশ, তুমি স্বামী-সংসারে মন দাও। মেয়েদের বড় অলংকার তার স্বামী, স্বামীর অহংকার তার স্ত্রী। এ অলংকার, এ অহংকার রক্ষা করতে হবে তোমাদেরকেই। ক্যারিয়ারের চেয়েও অনেকসময় বড় হয় সংসার, ভালোবাসা থাকলে, বিশ্বাস থাকলে, পরিশ্রম করলে সব একসুতোয় গেঁথে যাবে। যে মালা কারো কানকথায় ছিঁড়বে না। আমি চাই তুমি সংসার করে যাও একজন আদর্শ স্ত্রীর মতো। তোমরা দুজনেই আমাদের প্রিয়, স্নেহভাজন। তোমাদের মঙ্গলের জন্যই আমি বলছি, তোমরা সব ভুলে গিয়ে এক হয়ে যাও। জয়ের দিকে চেয়ে, তোমাদের ভক্ত দর্শকের দিকে চেয়ে। জয়ের জয় হোক, ভালোবাসার জয় হোক। এম/পিআর
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
ফিরে দেখা- ২০১৭ / চলচ্চিত্র: কাজ কম কথা বেশি
‘জীবনে একটি দিন চলে যাওয়া মানে আয়ু হ্রাস পাওয়া, কাজেই প্রতিটি দিনকে অর্থবহ করে তোলা উচিত’- বলেছেন টমাস উইলম্বন। দেখতে দেখতে দেশীয় চলচ্চিত্রে কেটে গেলো একটি বছর। কিন্তু পরিসংখ্যানের বিচারে ২০১৭ সাল কতোটা অর্থবহ ছিল? এ বছর ৫৫টি ছবি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। যার মধ্যে মাত্র দুটি ছবি ব্যবসা সফল হয়েছে। কিন্তু দেশীয় চলচ্চিত্রে কোনো বক্সঅফিস না থাকায় অনেক ফ্লপ ছবির প্রযোজক-পরিচালকই সারা বছর হিট হিট মিছিল করতে দেখা গেছে। বিষয়টি খুবই হাস্যকর। গোপনে রাতের আঁধারে নাকি এসব ফ্লপ ছবির জন্য কেউ কেউ সাকসেস পার্টিও উদযাপন করেছেন!   কাজের চেয়ে ভিন্ন প্রসঙ্গেই সরব ছিল ঢাকাই চলচ্চিত্র। বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিল্পীদের একে অপরের দিকে কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি, খবরের কাটতি বাড়ালেও সাধারণ মানুষ এসব নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। নির্বাচনের রাতে দেশের শীর্ষনায়ক শাকিব খানের উপর হামলাও হয়েছিল! শাকিবের উপরের হামলার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে আইনের আশ্রয়ও নিয়েছিলেন শাকিব খান। এছাড়াও শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের গোপন বিয়ে ফাঁস ও শেষপর্যন্ত ডিভোর্স লেটার পাঠানো নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। আন্দোলন হয়েছে যৌথ প্রযোজনার নামে প্রতারণার ছবির বিরুদ্ধে। এ নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন চিত্রনায়ক ফারুক ও আলমগীরের মতো সিনিয়র শিল্পীরা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বাইরে যৌথ প্রযোজনার অনিয়মের ছবির বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য জন্ম নিয়েছে চলচ্চিত্র পরিবার। অন্যদিকে চলচ্চিত্র ফোরাম নামে আরো একটি সংগঠন হয়েছে।     সারা বছর যে পরিমাণ না শুটিং হয়েছে তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ছবিতে নায়ক-নায়িকারা চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চুক্তির তালিকায় নায়িকারা এগিয়ে নায়কদের চেয়ে! সিনিয়র-জুনিয়র-নবাগত সব শ্রেণীর নায়িকারাই ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার তালিকায় আছেন। সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ করানোর নামে এক শ্রেণীর ধান্দাবাজ নির্মাতা অবৈধ ব্যবসা ফেঁদে বসেছেন। এসব ভন্ডামি আগেও ছিল, এ বছর আরো বেড়েছে। এই নির্মাতারা ছবি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছবিগুলো আলোর মুখ দেখেনি। বছরজুড়েই ছবির প্রচারণায় ফেসবুক ছিল সরব। কিন্তু তার প্রতিফলন প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি। অনেক আলোচিত ছবিই ১০-১২ জন দর্শক নিয়েও প্রদর্শিত হয়েছে। কোনো সিনেমার আবার এক দু’দিন প্রদর্শনের পর ব্যবসা না হওয়াতে হল থেকে নামিয়ে নিয়েছেন প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।    বছরজুড়ে মাস্তান ও পুলিশ, কত স্বপ্ন কত আশা, রীনা ব্রাউন, তুখোড়, যে গল্পে ভালোবাসা নেই, ভালোবাসা এমনই হয়, মায়াবিনী, প্রেমী ও প্রেমী, সত্যিকারের মানুষ, শেষ চুম্বন, মিসড কল, ভুবন মাঝি, মেয়েটি এখন কোথায় যাবে, ভালোবাসা ১৬ আনা, ক্রাইম রোড, শূন্য, সুলতানা বিবিয়ানা, নুরু মিয়া ও তার বিউটি ড্রাইভার, হঠাৎ দেখা, সত্তা, ধ্যাততেরিকি, তুই আমার, আপন মানুষ, পরবাসিনী, তুমি রবে নীরবে, মিলন সেতু, নবাব, রাজনীতি, ড্রেসিং টেবিল, বস টু, গ্রাস, মধু হই হই বিষ খাওয়াইলা, ভয়ংকর সুন্দর, রাইয়ান, মার ছক্কা, এক পলকের দেখা, রংবাজ, অহংকার, সোনাবন্ধু, টু বি কন্টিনিউড, শেষ কথা, খাঁচা, ১৬ আনা প্রেম, ঢাকা অ্যাটাক, দুলাভাই জিন্দাবাদ, ডুব, গেম রিটার্নস, কপালের লিখন, খাস জমিন, হালদা, ছিটকিনি, চল পালাই, অন্তর জ্বালা, আঁখি ও তার বন্ধুরা, গহীন বালুচর ছবিগুলো মুক্তি পেয়েছে। এসব ছবির মধ্যে ব্যবসা সফল ছবির তালিকায় উঠে এসেছে দীপংকর দীপন পরিচালিত ‘ঢাকা অ্যাটাক’। ছবির মূল ভাবনা ও কাহিনি লিখেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেররিজম ইউনিট) সানী সানোয়ার। অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, মাহিয়া মাহি, এবিএম সুমন, নওশাবা, শতাব্দী ওয়াদুদ, তাসকিন রহমান। আর শাকিব খান অভিনীত ‘নবাব’ ছবিটি ব্যবসায়িক সাফল্য পেয়েছে। জয়দেব মুখার্জী পরিচালিত ইন্দো-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার এই ছবিতে শাকিবের বিপরীতে ছিলেন শুভশ্রী। নতুন বছরে বিগ বাজেটের বেশ কিছু ছবি মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরনো বছরের হতাশা কাটিয়ে নতুন বছরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াবে। নতুন বছরে কথা কম কাজ বেশি এই নীতিতে পরিচালক-প্রযোজক শিল্পীরা ব্রত হবেন এমনটাই প্রত্যাশা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। এম/পিআর  
চলচ্চিত্র: কাজ কম কথা বেশি
মালয়েশিয়া পুলিশকে দেয়া মামুনের তথ্য মিথ্যা : লাইভ টেকনোলোজিস
অনন্য মামুনের সঙ্গে লাইভ টেকনোলোজিসের ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি স্পষ্ট চুক্তি আছে। চুক্তির মধ্যে যে বিষয়গুলো ছিল তার মধ্যে একটি হলো- এই অনুষ্ঠানের টাইটেল স্পন্সর লাইভ টেকনোলোজিস। অনুষ্ঠানের প্রচারণায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের লোগো থাকবে এবং অনুষ্ঠান শেষে তিনি(মামুন) আমাদের ইউটিউবের জন্য ‘ফোরকে’ ফাইলটা দিয়ে দেবেন। এছাড়া ২০টি বিমানের টিকিট দেবেন। আর যদি কোনো কারণে অনুষ্ঠান না হয় তাহলে সব টাকা ফেরত দিতে হবে। সুতরাং মামুনের দেয়া তথ্য ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। শনিবার রাতে আরটিভি অনলাইনকে এসব কথা বললেন ঢাকার লাইভ টেকনোলোজির কর্ণধার ইয়াসির আরাফাত। গেলো ২৩ ডিসেম্বর একঝাঁক শিল্পী মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেন পরিচালক অনন্য মামুন। অনুষ্ঠানের পরদিনই মানবপাচারের অভিযোগে আটক হন তিনি। বর্তমানে অনন্য মামুন পুলিশ হেফাজতে আছেন। ইয়াসির আরাফাত আরটিভি অনলাইনকে বলেন, মামুনের দেয়া তথ্য মোটেই সত্য নয়। অতুলের সৌদি আরব পালিয়ে যাবার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা। দুই মাস আগে তার বড় ভাই মারা গেছেন। তিনি ওমরা হজ করতে সৌদি আরব গেছেন এবং এখন সেখানেই আছেন। আমি বুঝতে পারছি না আমাদেরকেই কেন দোষারোপ করা হচ্ছে। কারণ সেখানে আমরা বাদে আরো অনেক কোম্পানি স্পন্সর হিসেবে ছিল। আমরা এক দুই দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবার সামনে বিষয়গুলো তুলে ধরবো। এদিকে আজ শনিবার দুপুরে মালয়েশিয়ান পুলিশের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাইনবোর্ডে মানবপাচারের অভিযোগে মালয়েশিয়ান পুলিশের হাতে আটক বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন পুলিশের কাছে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন। মালয়েশিয়ার ডাংওয়াংগি পুলিশ বিভাগের প্রধান কর্তা শাহারুদ্দিন আবদুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন। বিদেশি গণমাধ্যমকে মালয়েশিয়ান পুলিশ জানায়, মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক একটি বিশেষ এবং কঠোর আইনে অনন্য মামুনসহ ১৯ জনকে বন্দি করা হয়েছে। মূলত জঙ্গি ও রাষ্ট্রীয় শত্রুদের আটক করা হয় এই আইনে। বিশেষ এই আইনে একজন অভিযুক্তকে ২৮ দিন পর্যন্ত বিনা বিচারে আটক রাখার বিধান রয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ৮ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মালয়েশিয়ান মিনিস্ট্রি অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া সেখানকার ডি’সিনেমা নামে একটি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়া গমনের জন্য ৩৬ জনকে অনুমোদন দেয়। ডি’সিনেমা বাংলাদেশি ‘সিনেমাটিক’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে সেখানকার মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। এই ‘সিনেমাটিক’ প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার লাইভ টেকনোলজিস’র একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। মালয়েশিয়ান মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত ৩৬ জনের সেখানকার ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসে তালিকা জমা দেয়া হয়েছিল।  আর সেই তালিকায় যাদের নাম দেখা গেছে সেখানে শিল্পী নয় এমন লোকই বেশি ছিল। আসিফ আকবর চারজন মিউজিশিয়ান নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু তালিকায় রয়েছে পাঁচ জনের নাম। এছাড়া অভিনয় শিল্পী ভাবনা, শখ, উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস, চিত্রনায়ক আমান, মেকআপম্যান মনিরের সহকারী হিসেবে কয়েকজনের নাম রয়েছে। কিন্তু আদতে মালয়েশিয়ায় এদের সহকারী হিসেবে কেউ যায়নি। তারা একাই গিয়েছেন। ইউসুফ মৃধা ও এইচএম রানা নামে দুজন গায়কের বিপরীতেও চারজন মিউজিশিয়ান দেখানো হয়েছে। কিন্তু তাদের কোনো মিউজিশিয়ান ছিল না। এছাড়া আরো কয়েকজনকে মিউজিশিয়ান, ক্যামেরা সহকারী ও অতিথি হিসেবে তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। বাস্তবিক অর্থে তারা কেউ অনুমোদিত তালিকায় দেয়া পেশার সঙ্গে যুক্ত নন। ধারণা করা হচ্ছে এরাই ছিল আদম। এম/সি
মালয়েশিয়া পুলিশকে দেয়া মামুনের তথ্য মিথ্যা : লাইভ টেকনোলোজিস
মানবপাচার: আজীবন নিষিদ্ধ অনন্য মামুন
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ হলেন নির্মাতা অনন্য মামুন। মালয়েশিয়ায় মানবপাচারের অভিযোগে শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) পরিচালক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মামুনের নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবর। তিনি বলেন, আমরা মালয়েশিয়ান অ্যাম্বাসিতে যোগাযোগ করেছি। সব মিলিয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, তিনি (মামুন) এ অপরাধে জড়িত। তাই তাকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আড়ালে ৫৭ জন আদম পাচারের অভিযোগে অনন্য মামুনকে আটক করে মালয়েশিয়ান পুলিশ। গত ২৪ ডিসেম্বর দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরের এলপি নামের একটি ভবন থেকে মামুনসহ ১৯ জনকে আটক করা হয়। মামুনের পরিচালিত ছবির মধ্যে রয়েছে অস্তিত্ব, আমি তোমার হতে চাই, ব্ল্যাকমেইল, ভালোবাসার গল্প, আমি শুধু চেয়েছি তোমায়, মোস্ট ওয়েলকাম। এর মধ্যে যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘আমি শুধু চেয়েছি তোমায়’ ছবিটিতে তিনি নামে মাত্র পরিচালক বলে অভিযোগ উঠে। বিষয়টি নিয়ে ২০১৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর পরিচালক সমিতির এক জরুরি বৈঠকের মাধ্যমে প্রথম সদস্যপদ বাতিল করা হয় অনন্য মামুনের। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল- যৌথ-প্রযোজনার নামে প্রতারণা এবং জাল সার্টিফিকেট দিয়ে পরিচালক সমিতির সদস্যপদ নেয়ার। এরপর অঙ্গীকারনামা দিয়ে সেই সদস্যপদ ফিরে পান এই তরুণ নির্মাতা। এদিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাইনবোর্ডে মানবপাচারের অভিযোগের কথা মালয়েশিয়ান পুলিশের কাছে মামুন স্বীকার করেছেন। মালয়েশিয়ার ডাংওয়াংগি পুলিশ বিভাগের প্রধান কর্তা শাহারুদ্দিন আবদুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন। বিদেশি গণমাধ্যমকে মালয়েশিয়ান পুলিশ জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক একটি বিশেষ এবং কঠোর আইনে অনন্য মামুনসহ ১৯ জনকে বন্দি করা হয়েছে। মূলত জঙ্গি এবং রাষ্ট্রীয় শত্রুদের আটক করা হয় এই আইনে। বিশেষ এই আইনে একজন অভিযুক্তকে ২৮ দিন পর্যন্ত বিনা বিচারে আটক রাখার বিধান রয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ৮ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। এম/এসজে 
মানবপাচার: আজীবন নিষিদ্ধ  অনন্য মামুন
নায়ক জসিমের নামে এফডিসিতে হচ্ছেটা কী?
দেশীয় ছবির তুমুল জনপ্রিয় নায়ক জসিম। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অ্যাকশন দৃশ্যের প্রবক্তা বলা হয় তাকেই। দেশকে পাকিস্তানিদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। শুক্রবার দ্বিতীয়বারের মতো হয়ে গেল জসিম উৎসব। এদিন বিকেল পাঁচটায় এফডিসিতে উৎসবটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনুষ্ঠান শুরু হয় সন্ধ্যা ছয়টার কিছু পর। শুরু থেকেই অব্যবস্থাপনা চোখে পড়েছে সবার। নায়ক জসিম স্মরণে অনুষ্ঠানটি হলেও সেখানে জসিমের পরিবারের কেউই উপস্থিত ছিলেন না। একমাত্র উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়িকা অঞ্জনা। যিনি জসিমের সঙ্গে ২৬টি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায়ও ছিল না কোনো তারকা শিল্পী। মঞ্চে আমন্ত্রিত বক্তাদের অনেককেই ভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলতে দেখা গেছে। এই বক্তাদের মধ্যে অনেককে নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে আসলে তারা কারা কেন তাদের জসিম উৎসবে অতিথি করা হয়েছে। এ সময় দর্শক সারি থেকে অনেকেই বলাবলি করছিলেন এদের কাছ থেকে কতো টাকার বিনিময়ে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে আয়োজকরা। ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা চিত্রনায়ক জসিম স্মৃতি একাডেমি’ নামে একটি সংগঠন এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। আর এই সংগঠনটির সভাপতি সোহেল হক। নিম্নমানের অনুষ্ঠানটির পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে টিকিট বিক্রি করে বহিরাগতদের এফডিসিতে প্রবেশ করতে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রয়াত তারকা শিল্পী জসিমকে নিয়ে এ ধরনের নিম্নমানের অনুষ্ঠান কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠান ভবিষ্যতে আমরা বন্ধ করে দিব। জসিম ভাইকে নিয়ে অনুষ্ঠানে আমি এবারই প্রথম গিয়েছিলাম। আমাকে বলা হয়েছিল অনুষ্ঠানে জসিম ভাইয়ের স্ত্রী থাকবেন। আরো অনেক শিল্পীর সঙ্গে তারা যোগাযোগ করেছেন। তিনি আরো বলেন, প্রথমে আমি যেতেই চাইছিলাম না। পরে সবার রিকুয়েস্টে জসিম ভাইয়ের সন্মানের দিকে তাকিয়ে সেখানে যাই। অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর সব দেখার পর আমি স্টেজেই বলে দিয়েছি এটা কোনো অনুষ্ঠানের মধ্যে পড়ে না। এ ধরনের অনুষ্ঠান আমরা সমর্থন করি না। শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে এরকম কোনো অনুষ্ঠান কোনো শিল্পীর নামে এফডিসিতে হতে দেবো না। বিশেষ করে নায়ক জসিম নায়ক মান্না, নায়ক সালমান শাহ তাদের মতো গুণী শিল্পীদের নামে এফডিসিতে কোনো অনুষ্ঠান করতে হলে শিল্পী সমিতির অনুমতি নিতে হবে।  বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়ক জসিম ১৯৭২ সালে ‘দেবর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয় শুরু করেন। তবে দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘দোস্ত দুশমন’ ছবিতে খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করে পরিচিতি পান। প্রায় ৩০০ ছবিতে অভিনয় করা এই অভিনেতা ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এম/এমকে
নায়ক জসিমের নামে এফডিসিতে হচ্ছেটা কী?
আরও পড়ুন
ওরা কী শুধুই প্রতিদ্বন্দ্বী?
মায়ের গায়ে হাত তোলায় পুলিশ পেটালেন সাইমন!
পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন সাইমন!
‘আমি বাউণ্ডুলে, মাহির সঙ্গে প্রেম হয়’