ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

১২ জানুয়ারি: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪২ এএম
ফাইল ছবি

ঘটে যাওয়া আজকের এই দিনের ঘটনা, অনেক আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তির জন্ম-মৃত্যু আমরা জানতে চাই। পাঠকের এ চাওয়া মাথায় রেখে নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’।

আজ সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬। ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা।

ঘটনাবলি

১৭০১ - সুইজারল্যান্ডের প্রোটেস্ট্যান্টরা খ্রিস্টীয় ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করেন।
১৭৭৩ - দক্ষিণ করোলিনার চার্লসস্টনে জনগণের জন্য প্রথম ঔপনিবেশিক আমেরিকান জাদুঘর খোলা হয়।
১৮৪৮ - ভারতের ভারতের গভর্নর জেনারেল হয়ে লর্ড ডালহৌসি কলকাতায় আসেন।
১৮৬৬ - যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে রয়েল এ্যারোনটিক্যাল সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭৯ - আফ্রিকায় ব্রিটিশ জুলু যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯০৮ - সর্বপ্রথম সবচেয়ে দূরবর্তী রেডিও বার্তা পাঠানো হয়েছিল আইফেল টাওয়ার থেকে।
১৯৩৪ - বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেনের ফাঁসি হয়।
১৯৪৩ - অধুনালুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের বাহিনী লেলিনগ্রাদের উপর আরোপিত নাৎসী জার্মানীর অবরোধ আংশিক ভাবে ভঙ্গ করতে পেরেছিলো।
১৯৫৪ - অস্ট্রিয়ায় তুষার ধসে ২ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।
১৯৬০ - কেনিয়ায় ৮ বছরের জরুরি অবস্থার অবসান ঘটে।
১৯৬৪ - জাঞ্জিবারের প্রজাতন্ত্র ঘোষণা, সুলতান ক্ষমতাচ্যুত।
১৯৬৬ - লিয়ন বির জনসন ঘোষণা দেন যে দক্ষিণ ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান করা উচিত তত দিন পর্যন্ত, যত দিন কমিউনিস্ট আগ্রাসন থাকবে।
১৯৭০ - বায়ফ্রো বাহিনীর আত্মসমর্পণ। নাইজেরিয়ায় গৃহযুদ্ধের অবসান।
১৯৭১ - পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর রিয়ার এডমিরাল এসএম আহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় এ্যাক্ট পাস হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় রাখা হয়।
১৯৭২ - বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
১৯৭৩ - ইয়াসির আরাফাত দ্বিতীয় বার পিএলওর প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৯৭৬ - প্রধানমন্ত্রী কুকরিত প্রমাজের পদত্যাগের পর থাইল্যান্ডের কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়।
১৯৮৩ - আংগোলা চীনের সঙ্গে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
১৯৯৫ - ভারত-আমেরিকা প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পাদন।
১৯৯৮ - মানব ক্লোনিং নিষিদ্ধ করে ১৯ টি ইউরোপীয় দেশের চুক্তি স্বাক্ষর।
২০০১ - ক্যালিফোর্নিয়ার ডিজনীল্যান্ড রিসোর্ট-এ ডাউন টাউন ডিজনী উদ্বোধন করা হয়।
২০০২ - বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের উদ্বোধন।
২০০৪ - বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামুদ্রিক জাহাজ আরএমএস কুইন মেরী-২ প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করে।
২০০৫ - কেপ কানাভেরাল থেকে নভোযান ডিপ ইম্পেক্ট উৎক্ষেপন করা হয়।
২০০৬ - সৌদী আরবের মিনায় মুসলমানদের বৎসরিক তীর্থ হজ্জ্বএর একটি আনুষাঙ্গিক কার্য শয়তান-কে পাথর নিক্ষেপ করার সময় হুড়োহুড়িতে ৩৬২ জন নিহত।
২০১০ - হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় তিন লক্ষ ১৫ হাজার লোক মারা যায় এবং রাজধানী পোর্ট-অউ-প্রিন্স অধিকাংশই ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

জন্ম

১৭২৪ - ইংরেজি লেখক এবং নাট্যকার ফ্রান্সেস ব্রুক জন্মগ্রহণ করেন।
১৭২৯ - এঙ্গলো-আয়ারল্যান্ডীয় লেখক, রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ, এবং দার্শনিক এডমান্ড বার্ক জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৬৩ - নব্যযুগে বেদন্ত দর্শণের শ্রষ্ঠ গুরু স্বামী বিবেকানন্দ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৬ - যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি কৃষক পরিবারে বিখ্যাত লেখক জ্যাক লন্ডন জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২১ - কবি আবদুল গনি হাজারী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪২ - বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার এ.টি.এম. হায়দার জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু

১৫৯৯ - রোম সম্রাট মাকসিমিলিয়ানের মৃত্যু হয়।
১৬৬৫ - ফ্রান্সের গণিতবিদ এবং আইন প্রণেতা পিয়ারে ডি ফারম্যাটের মৃত্যু হয়।
১৮২৯ - জার্মান কবি, সমালোচক ও পণ্ডিত ফ্রিড্‌রিশ ফন শ্লেগেল মৃত্যুবরণ করেন।
১৮৯৭ - শর্টহ্যান্ড লিপির উদ্ভাবক স্যার আইজাক পিটম্যানের মৃত্যু হয়।
১৯৭২ - বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক ও সাংবাদিক গোলাম রহমান মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৭৬ - রহস্য সাহিত্যের বিখ্যাত লেখিকা আগাথা কৃষ্টি ৮৫ বছর বয়সে ইংল্যান্ডে মৃত্যুবরণ করেন।
২০১৩ - কানাডিয়ান আইনজীবী এবং বিচারক উইলিয়াম অ্যান্ড্রু ম্যাকে মৃত্যুবরণ করেন।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পানির বাইরে ডাঙায়ও বেঁচে থাকে যেসব মাছ
সাধারণত মাছের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য। তবে প্রকৃতিতে এমন কিছু মাছ রয়েছে, যারা পানির বাইরে ডাঙায় উঠে চলাফেরা করতে পারে
পানির বাইরে ডাঙায়ও বেঁচে থাকে যেসব মাছ
ট্রাকের পেছনে কেন লেখা থাকে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’
সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের পেছনে নানা ধরনের স্লোগান, উপদেশ ও মজার কথা লেখা দেখা যায়। কোথাও লেখা থাকে ‘মায়ের দোয়া’, কোথাও ‘ধাক্কা দিবেন না, আমি ছোট আমাকে মারবেন না’।
ট্রাকের পেছনে কেন লেখা থাকে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’
অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে বিরল হ্যামারহেড হাঙরের দল, ড্রোনে মিলল নতুন তথ্য
অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলের জনপ্রিয় সৈকতগুলোর অগভীর পানিতে একসঙ্গে দেখা মিলেছে ডজন ডজন বিরল স্ক্যালপড হ্যামারহেড হাঙরের।
অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে বিরল হ্যামারহেড হাঙরের দল, ড্রোনে মিলল নতুন তথ্য
আজকের দিনটি ব্যর্থদের জন্য
সব সময়তো শুনেছেন বা পত্রিকায় লেখা পড়েছেন ‘সফলতাকে উৎযাপন’ করার কথা।
আজকের দিনটি ব্যর্থদের জন্য
সমকামী পুরুষদের মধ্যে এইচআইভির ঝুঁকি বেশি কেন?
পায়ুপথে যৌনসম্পর্কের জৈবিক ঝুঁকি, কনডমের অনিয়মিত ব্যবহার ও সামাজিক বৈষম্য অন্যতম কারণ; প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে এইচআইভি বা হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে সংক্রমণ গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছে এইডস হতে পারে। তবে আধুনিক চিকিৎসায় এইচআইভি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিয়মিত চিকিৎসা নিয়ে সংক্রমিত ব্যক্তিরাও দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুরুষের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপনকারী পুরুষদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি। এর পেছনে রয়েছে কিছু জৈবিক কারণের পাশাপাশি সামাজিক বৈষম্য, যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার অভাব এবং স্বাস্থ্যসেবা পেতে নানা বাধা। তবে সমকামী হওয়া মানেই এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নিশ্চিতভাবে বেশি, এমন নয়। যৌন অভিমুখিতা নিজে সংক্রমণ ঘটায় না। বরং যৌনসম্পর্কের ধরন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, সঙ্গীর এইচআইভি সংক্রমণের অবস্থা এবং চিকিৎসা গ্রহণের মতো বিষয়গুলো ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। পায়ুপথে যৌনসম্পর্কে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি সমকামী পুরুষদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ পায়ুপথে যৌনসম্পর্ক। পায়ুপথের ভেতরের আবরণ সংবেদনশীল হওয়ায় যৌনসম্পর্কের সময় সেখানে ক্ষুদ্র ক্ষত তৈরি হতে পারে। এর ফলে সংক্রমিত সঙ্গীর বীর্য বা মলদ্বারের তরলের মাধ্যমে ভাইরাস শরীরে প্রবেশের সুযোগ পায়। বিশেষ করে পায়ুপথে প্রবেশকারী যৌনাঙ্গ গ্রহণকারী সঙ্গীর সংক্রমণের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। তবে অন্য সঙ্গীরও সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পায়ুপথে যৌনসম্পর্ক শুধু সমকামী পুরুষদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; নারী-পুরুষের মধ্যেও এমন যৌনসম্পর্ক হতে পারে। সঙ্গীর সংক্রমণ সম্পর্কে অজ্ঞতা কোনো ব্যক্তির চেহারা বা শারীরিক অবস্থা দেখে তিনি এইচআইভিতে আক্রান্ত কি না, তা বোঝার উপায় নেই। অনেকের ক্ষেত্রে সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণও দেখা যায় না। ফলে পরীক্ষা না করালে একজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন নিজের সংক্রমণ সম্পর্কে জানতে নাও পারেন। যে জনগোষ্ঠীতে এইচআইভির বিস্তার তুলনামূলক বেশি, সেখানে সংক্রমিত সঙ্গীর সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও বাড়তে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ওই জনগোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্যের সংক্রমণের ঝুঁকি সমান। নিয়মিত এইচআইভি পরীক্ষা, সঙ্গীর সঙ্গে যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কনডম ব্যবহার না করা যৌনসম্পর্কের সময় কনডম ব্যবহার না করলে এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে পায়ুপথে যৌনসম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রতিবার সঠিকভাবে কনডম ব্যবহার করা জরুরি। প্রতিবার নতুন কনডম ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি কনডমের মেয়াদ ও প্যাকেটের অখণ্ডতা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। কনডম ছিঁড়ে গেলে বা সরে গিয়ে সম্ভাব্য সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কনডম এইচআইভি ও অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। তবে ঝুঁকি আরও কমাতে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্যান্য প্রতিরোধব্যবস্থাও গ্রহণ করা যেতে পারে। একাধিক যৌনসঙ্গী ও অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণ একাধিক যৌনসঙ্গী থাকলেই এইচআইভি সংক্রমণ হবে, এমন নয়। তবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ছাড়া একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক হলে সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা বাড়তে পারে। এ ছাড়া সিফিলিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া ও হারপিসের মতো যৌনবাহিত সংক্রমণ যৌনাঙ্গ বা আশপাশের টিস্যুতে প্রদাহ ও ক্ষত তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ক্ষত বা প্রদাহের কারণে কিছু পরিস্থিতিতে এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা, প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা করানো এবং সংক্রমণ শনাক্ত হলে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। সামাজিক বৈষম্যও বাড়াতে পারে ঝুঁকি এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকির পেছনে সামাজিক কারণও গুরুত্বপূর্ণ। অনেক দেশে সমকামী ও উভকামী পুরুষেরা যৌন অভিমুখিতার কারণে বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা করেন। এ কারণে কেউ কেউ চিকিৎসকের সঙ্গে যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে চান না। কেউ এইচআইভি পরীক্ষা করাতে দেরি করেন, আবার কেউ সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পরও চিকিৎসা শুরু করা বা নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়েন। ফলে সংক্রমণ শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে দেরি হতে পারে। তাই গোপনীয়তা রক্ষা করে বৈষম্যহীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এইচআইভি প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এইচআইভি প্রতিরোধে কী করবেন? এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে কয়েকটি কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে। কনডম ব্যবহার: প্রতিবার যৌনসম্পর্কে সঠিকভাবে কনডম ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। নিয়মিত পরীক্ষা: যৌনসম্পর্কের ধরন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি অনুযায়ী এইচআইভি পরীক্ষা করানো উচিত। সম্ভাব্য সংক্রমণের পরপরই পরীক্ষা করলে সব ক্ষেত্রে সংক্রমণ শনাক্ত নাও হতে পারে। তাই পরীক্ষার উপযুক্ত সময় সম্পর্কে স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিতে হবে। PrEP গ্রহণ: প্রি-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস বা PrEP হলো এইচআইভি সংক্রমণের আগে ঝুঁকি কমানোর জন্য ব্যবহৃত ওষুধ। এইচআইভি নেই, এমন ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শে এটি গ্রহণ করতে পারেন। PEP গ্রহণ: সম্ভাব্য সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ সংস্পর্শের পর পোস্ট-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস বা PEP প্রয়োজন হতে পারে। এটি যত দ্রুত সম্ভব শুরু করতে হয়, সাধারণত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে। চিকিৎসকের পরামর্শে নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন করা জরুরি। নিয়মিত চিকিৎসা: এইচআইভি শনাক্ত হলে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি বা ART নিয়মিত গ্রহণের মাধ্যমে ভাইরাসের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। চিকিৎসায় ভাইরাসের মাত্রা ধারাবাহিকভাবে শনাক্তকরণের সীমার নিচে থাকলে যৌনসম্পর্কের মাধ্যমে এইচআইভি ছড়ায় না। এটি ‘আনডিটেক্টেবল ইকুয়ালস আনট্রান্সমিটেবল’ বা U=U নামে পরিচিত। সাধারণ স্পর্শে কি এইচআইভি ছড়ায়? না। হাত মেলানো, আলিঙ্গন করা, একই টেবিলে খাওয়া, একই টয়লেট ব্যবহার করা কিংবা পাশাপাশি বসার মাধ্যমে এইচআইভি ছড়ায় না। সাধারণ চুম্বন, লালা, ঘাম বা মশার কামড়ের মাধ্যমেও ভাইরাসটি ছড়ায় না। সাধারণত সংক্রমিত রক্ত, বীর্য, মলদ্বারের তরল, যোনির তরল ও বুকের দুধের মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াতে পারে। তবে সংক্রমণের ঝুঁকি নির্ভর করে এসব তরলের সংস্পর্শের ধরন ও পরিস্থিতির ওপর। তাই এইচআইভিতে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ না করে তাঁর চিকিৎসা, গোপনীয়তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। সচেতনতাই প্রতিরোধের অন্যতম উপায় সমকামী পুরুষদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের তুলনামূলক বেশি ঝুঁকির পেছনে পায়ুপথে যৌনসম্পর্কের জৈবিক ঝুঁকি, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে ঘাটতি, সংক্রমণ সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং সামাজিক বৈষম্যের মতো একাধিক কারণ কাজ করতে পারে। তবে যৌন অভিমুখিতা দিয়ে কারও সংক্রমণের অবস্থা নির্ধারণ করা যায় না। নিয়মিত পরীক্ষা, কনডম ব্যবহার, প্রয়োজন অনুযায়ী PrEP বা PEP গ্রহণ এবং সংক্রমণ শনাক্ত হলে নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে এইচআইভির ঝুঁকি কমানো ও ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সূত্র: ভেরি ওয়েল হেল্থ আরটিভি/এসকে
সমকামী পুরুষদের মধ্যে এইচআইভির ঝুঁকি বেশি কেন?
আরও পড়ুন
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে