ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

সাগরের তলদেশে ভিডিও করতে গিয়ে ‘কচ্ছপের চড়’ খেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ভিডিও ভাইরাল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ০১:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সমুদ্রের গভীরে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন ভ্রমণবিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ক্রিস্টোফার চ্যাং। তাঁর দাবি, একটি কচ্ছপ আচমকা কাছে এসে হালকা করে তাকে ‘চড়’ দিয়ে চলে যায়। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

চ্যাং জানান, শুরুতে ডাইভিং অভিজ্ঞতাটি ছিল স্বাভাবিক। তবে কিছুক্ষণ পর হঠাৎ একটি কচ্ছপ এসে তার আশপাশে ঘোরাফেরা করতে থাকে। সাধারণত কচ্ছপকে নিজের মতো সাঁতরে বেড়াতে দেখা গেলেও এই কচ্ছপটি ছিল ব্যতিক্রম বারবার কাছে এসে যেন তাকে পর্যবেক্ষণ করছিল।

প্রথমে বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হলেও ধীরে ধীরে আচরণটি অস্বাভাবিক বলে মনে হতে থাকে। একপর্যায়ে কচ্ছপটি কাছে এসে তাকে হালকা ধাক্কা বা ‘চড়’ দেয় এবং পরে শান্তভাবে সরে যায়।

চ্যাং বলেন, আমি আগে অনেকবার কচ্ছপ দেখেছি, কিন্তু এমন আচরণ কখনো দেখিনি। এটা একেবারেই আলাদা অভিজ্ঞতা।

ভিডিওটি অনলাইনে প্রকাশের পর তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভিডিওটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে আমি কচ্ছপের চড় খেয়েছি।

ভিডিওর নিচে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন নেটিজেনরা। কেউ লিখেছেন, এটা তার জগৎ, আপনি হয়তো বেশি শব্দ করছিলেন। আবার কেউ মজা করে মন্তব্য করেছেন, কচ্ছপের অনুমতি ছাড়া ভিডিও করায় সে বিরক্ত হয়েছিল!

এদিকে, এক ব্যবহারকারী নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে লিখেছেন, সার্ফিং করার সময় একটি স্টিংরে মাছ হঠাৎ তার বোর্ডে উঠে এসে মাথার পেছনে জোরে আঘাত করে। তিনি জানান, আঘাতটি এতটাই শক্ত ছিল যে মনে হয়েছিল কেউ ফ্রিসবির মতো কিছু ছুড়ে মেরেছে।

আরও পড়ুন

ঘটনাটি ঘিরে অনলাইনে হাস্যরসের পাশাপাশি সমুদ্রের প্রাণীদের আচরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
আঘাত হানার দ্বারপ্রান্তে বঙ্গোপসাগরের নতুন ঘূর্ণিঝড়, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
ছাত্রীর সঙ্গে অশ্লীলতা করে ‘চরম মূল্য’ দিলেন শিক্ষক
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়, বিপদে যেসব অঞ্চল