ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সন্ধিক্ষণ...

নির্ঝর জয়

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

মহালয়া আসলে কোনো নির্দিষ্ট দিনের নাম নয়, মানুষের অস্তিত্বের ভেতরে বারবার ফিরে আসা এক সন্ধিক্ষণের নাম। যেখানে একটি সময় নিঃশেষ হওয়ার দিকে যায়, অথচ তার সম্পূর্ণ অবসান ঘটে না। আর একটি অনাগত সময় অন্ধকারের অন্তরাল থেকে নিজের অস্তিত্বের আভাস দিতে থাকে। পেছনে থাকে বিস্মৃতির দীর্ঘ করিডর, সামনে থাকে অনিশ্চিত আলোর রেখা। মানুষ এই দুইয়ের মাঝখানেই দাঁড়িয়ে থাকে, এক পা মৃত সময়ের ওপর, অন্য পা এখনো জন্ম নেয়নি এমন এক ভবিষ্যতের দিকে।

মানুষের জীবনকে যদি দূর থেকে দেখা যায়, তবে সেখানে আগমনের চেয়ে বিদায়ের সংখ্যাই বেশি। শৈশব বিদায় নেয়, যৌবন তার পরিত্যক্ত ঋতু রেখে চলে যায়, প্রিয় মুখগুলো ধীরে ধীরে স্মৃতির ভেতর নির্বাসিত হয়। একসময় যে ঘরকে পৃথিবীর কেন্দ্র মনে হয়েছিল, সেটিই অপরিচিত হয়ে ওঠে। যে কণ্ঠ একদিন প্রতিদিনের শব্দ ছিল, একদিন তার জন্য নীরবতার প্রয়োজন হয়। মানুষ তখন বুঝতে শেখে, হারিয়ে যাওয়া জিনিসের কোনো পূর্ণ অনুপস্থিতি নেই। তারা দৃশ্য থেকে সরে গিয়ে অস্তিত্বের অন্য কোনো গভীরে আশ্রয় নেয়।

এই কারণেই মহালয়ার ভোরে পূর্বপুরুষের স্মরণ কেবল একটি আচার হয়ে থাকে না। মানুষ মৃতদের স্মরণ করতে গিয়ে নিজেরই উৎসের দিকে ফিরে তাকায়। জন্মের পূর্বে যে দীর্ঘ অদৃশ্য পরম্পরা তাকে বহন করে এনেছে, তার কাছে সে নিজের অস্তিত্বের ঋণ আবিষ্কার করে। একটি মানুষ কখনও একক মানুষ নয়। তার শরীরে সময়ের বহু পুরোনো পদচিহ্ন, তার ভাষায় অদৃশ্য মানুষের উচ্চারণ, তার অভ্যাসে বিস্মৃত প্রজন্মের ছায়া। সে চলে যায়, কিন্তু তার ভেতর দিয়ে আরও বহু জীবন অতিক্রম করে।

অথচ মানুষ সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকে নিজেকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টায়। মৃত্যু সম্পর্কে জেনেও সে প্রতিদিন এমনভাবে জীবন সাজায়, যেন স্থায়িত্ব তার জন্মগত অধিকার। ঘর বানায়, সম্পদ জমায়, নাম রেখে যেতে চায়, নিজের চারপাশে পরিচয়ের এত স্তর নির্মাণ করে যে একসময় সেই স্তরগুলোকেই নিজের অস্তিত্ব বলে ভুল করে। মহালয়ার মতো একটি মুহূর্ত এসে সেই ভ্রমের ওপর নীরব আলো ফেলে। মনে করিয়ে দেয়, অস্তিত্বের সবচেয়ে কঠিন সত্য হলো তার ক্ষণস্থায়িত্ব। মানুষ থাকার জন্য জন্মায় না, চলে যাওয়ার মধ্য দিয়েই তার থাকার অর্থ তৈরি হয়।

তবু মহালয়া কেবল ক্ষয়ের দর্শন নয়। অন্ধকারের পরেই আলো আসে, এই সরল কথার মধ্যেও গভীর এক অস্তিত্ববোধ লুকিয়ে আছে। কারণ আলো অন্ধকারকে মুছে দেয় না, তাকে অতিক্রম করে। মানুষের জীবনেও তেমন। দুঃখ মুছে গিয়ে সুখ আসে না, বরং দুঃখের মধ্য দিয়েই সুখের অর্থ বদলে যায়। যে মানুষ হারিয়েছে, সে অপেক্ষার প্রকৃতি জানে। যে একবার ভেঙেছে, সে পুনর্গঠনের শব্দ শুনতে পায়। যে বিদায়ের সামনে দাঁড়িয়েছে, তার কাছেই আগমনের অর্থ আর কেবল আনন্দের থাকে না।

তাই দেবীপক্ষের আগমনকে কেবল কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তির আগমন হিসেবে দেখলে মহালয়ার গভীরতর অর্থটি হয়তো অধরা থেকে যায়। দেবীর প্রতীকী আগমন মানুষের নিজের ভেতরের জাগরণও হতে পারে। যে শক্তি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তা বাইরে কোথাও অপেক্ষা করে নেই। মানুষের বিবেক, সাহস ও প্রতিরোধের মধ্যেই তার সম্ভাব্য আবাস। অশুভের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় কোনো অন্ধকার গুহা নয়, মানুষের নিজের আত্মসমর্পণ। আর শুভের প্রথম উচ্চারণ কোনো বিজয়ধ্বনি নয়, অন্যায়ের সামনে মাথা না নোয়ানোর ক্ষীণ অথচ অনমনীয় সিদ্ধান্ত।

মহালয়ার ভোর তাই কেবল একটি উৎসবের পূর্বভোর নয়। এটি মানুষের নিজের ভেতরে ফিরে যাওয়ার একটি বিরল অবকাশ। চারদিকে যখন আগমনের প্রস্তুতি, তখন মানুষ একবার নিজের অন্তর্গত ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকাতে পারে। কত পুরোনো ভয় এখনও তাকে নিয়ন্ত্রণ করে, কত অপ্রকাশিত অনুশোচনা তার ভেতরে পাথরের মতো পড়ে আছে, কত সম্পর্ক কেবল অভ্যাসের কারণে বেঁচে আছে, কত স্বপ্ন নিজের হাতেই নির্বাসিত হয়েছে। জীবনের সবচেয়ে বড় অন্ধকার হয়তো আলোহীনতা নয়, নিজের অন্ধকারকে দেখতে না চাওয়া।

সময়ের কাছে মানুষ শেষ পর্যন্ত একজন পথিক। তার হাতে কিছু স্মৃতি থাকে, কিছু অসমাপ্তি থাকে, কিছু নাম থাকে যাদের আর ডাকার উপায় নেই। তবু পথ থামে না। একটি দরজা বন্ধ হয়, অন্য কোনো দরজার ওপারে অদৃশ্য ভোর জমতে থাকে। এই চলার মধ্যেই জীবনের রহস্য। মানুষ জানে না কোথায় তার শেষ অবতরণ, তবু প্রতিটি সকাল তাকে আবার শুরু করার ভ্রম দেয়। সম্ভবত সেই ভ্রমই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সত্য।

মহালয়া সেই সত্যের কাছে এসে দাঁড়ায় এক নীরব সন্ধিক্ষণ হয়ে। এখানে মৃত্যু আছে, কিন্তু নিঃশেষ নেই। বিদায় আছে, কিন্তু বিচ্ছিন্নতা নেই। অন্ধকার আছে, কিন্তু আলোকে অস্বীকার করার মতো চূড়ান্ত অন্ধকার নেই। মানুষ তার অতীতের দিকে তাকিয়ে ভবিষ্যতের দিকে হাঁটে। পেছনে যারা নেই, তারা তার সঙ্গে থাকে স্মৃতির অদৃশ্য ভার হয়ে। সামনে যারা এখনও আসেনি, তারা থাকে সম্ভাবনার অদৃশ্য আলো হয়ে।

ভোর শেষ পর্যন্ত আসে। কিন্তু মহালয়ার আসল ভোর আকাশে নয়, মানুষের বোধে জন্ম নেয়। যে মুহূর্তে মানুষ বুঝতে পারে, তার জীবন কোনো স্থির আশ্রয় নয়, বরং ক্রমাগত বিদায় ও আগমনের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত এক দীর্ঘ সেতু, সেই মুহূর্তেই অন্ধকারের অর্থ বদলে যায়। তখন আলো আর বাইরে থেকে আসা কোনো ঘটনা থাকে না। আলো হয়ে ওঠে নিজের ভেতর অন্ধকারকে চিনে ফেলার ক্ষমতা।

লেখকঃ নির্ঝর জয়, শিক্ষক, গীতিকার ও সাহিত্যসমালোচক

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মৃত ব্যক্তির অধিকার যাদের কাছে নিরাপদ নয়, ক্ষমতায় গেলে জীবিতদের অধিকার কতটুকু নিরাপদ? 
জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কাছে আমাদের স্পষ্ট প্রশ্ন—মানবিক অধিকার কি শুধু নিজেদের রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের জন্য, নাকি প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য?
মৃত ব্যক্তির অধিকার যাদের কাছে নিরাপদ নয়, ক্ষমতায় গেলে জীবিতদের অধিকার কতটুকু নিরাপদ? 
ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জালে, নাকি জেলের জীবনেও?
নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও জেলের ক্ষুধার জ্বালা বন্ধ হয় না। চুলায় হাড়ি চড়াতে হয়, সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে হয়, অসুস্থ হলে ওষুধ কিনতে হয়।
ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জালে, নাকি জেলের জীবনেও?
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দেশের ৫০০ মেরিন ক্যাডেটের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ
বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে, যা এখনো আমাদের নীতিনির্ধারণী আলোচনায় যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি।
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দেশের ৫০০ মেরিন ক্যাডেটের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ
মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের শঙ্কায় ট্রাম্প
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শঙ্কায় আছেন নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয় ও নিয়ন্ত্রণ হারানোর। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের চার বছর মেয়াদী কার্যকালের দুই বছর পর ঠিক মাঝপথে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে বলা হয় মধ্যবর্তী নির্বাচন।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের শঙ্কায় ট্রাম্প
শিক্ষক থেকে পথপ্রদর্শক: যাদের কাছে ঋণী আমি
আজ মহান শিক্ষক দিবস। জীবনের এই বিশেষ দিনে সবার আগে গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই আমার জীবনের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক—আমার আম্মুকে। আমার জীবনের প্রতিটি ভালো অর্জনের পেছনে তার অবদান সবচেয়ে বেশি। তার ভালোবাসা, শাসন, ত্যাগ ও নিরন্তর অনুপ্রেরণাই আমাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তার কাছে আমার কৃতজ্ঞতার কোনো শেষ নেই। এরপর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি আমার স্কুলজীবনের প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের—প্রধান শিক্ষক দীন ইসলাম স্যার, ফরিদা ইয়াসমিন (আমার চাচি), নিপা মেম, হেলানা মেম ও ফাতেমা মেমকে। তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও স্নেহেই চতুর্থ শ্রেণিতে আমার জীবনের মোড় ঘুরতে শুরু করেছিল। তাদের শেখানো অনেক কথাই আজও আমার পথচলার অনুপ্রেরণা। প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে যখন মাধ্যমিক জীবনে পা রাখলাম, তখন নতুন করে কিছু মানুষ আমার সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। তাদের স্নেহ, শাসন ও অনুপ্রেরণায় পেয়েছি নতুন পথের সন্ধান। তাদের মধ্যে প্রধান শিক্ষক রেহানা মেম, শিলা মেম, তানিয়া মেম, দোলা মেম, হুজুর স্যার ও রাসেল স্যার অন্যতম। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকেই পেয়েছি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা, যা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ ছিল না। এরপর এলো কলেজজীবন। জীবনের এই অধ্যায়েও কিছু মানুষ আমার স্বপ্নকে আরও বড় করে তুলেছেন। রাবেয়া মেম, দীপ্তি মেম, শামীম স্যার, দেলোয়ার স্যার ও আবুবকর স্যার—তাদের নাম আমি কখনোই ভুলতে পারব না। তারা আমাকে শুধু পড়াননি; বরং স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন, সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস দিয়েছেন এবং বিশ্বাস করিয়েছেন—‘আমি পারব।’ তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা, উৎসাহ ও অনুপ্রেরণার ফলেই আজ আমি দেশের অন্যতম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। একই সঙ্গে তাদের অনুপ্রেরণায়ই ঢাবিতে (কলা অনুষদের নরমাল সাবজেক্টে), রাবি ও চবিতে ভর্তির সুযোগ হয়েছিল। আমার জীবনের সেই সময়ে তাদের উৎসাহ ও বিশ্বাস আমাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করেছিল। বর্তমানে আমার বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের পথচলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের অবদানও আমি কখনো ভুলব না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েও শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের যে স্নেহ, আন্তরিকতা ও ভালোবাসা—তা সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তাদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত শুধু একাডেমিক শিক্ষা নয়, বরং জীবনকে কীভাবে আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে হয়, সেটিও শেখার সুযোগ পাচ্ছি। শিক্ষাজীবনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষকদের বাইরেও আমার জীবনে শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে আমার চাচাতো বড় বোন মিম আপুর। ছোটবেলা থেকেই তিনি আমাকে অনেক অঙ্ক অনুশীলন করিয়েছেন। তার সেই পরিশ্রম ও সময় দেওয়ার সুফল আমি আজও পাচ্ছি। অনেক সময় একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে থাকেন না, কিন্তু তার শেখানোটা সারাজীবন আমাদের সঙ্গে থেকে যায়—মিম আপু আমার জন্য তেমনই একজন। এর পাশাপাশি ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা আমার শেখার জগৎকে আরও বিস্তৃত করেছে। সাংবাদিকতা করার সুবাদে আরটিভির অনলাইন ইনচার্জ আজাদ ভাই এবং শিফট ইনচার্জ ইমতিয়াজ ভাইয়ের কাছ থেকেও প্রতিনিয়ত অনেক কিছু শেখার সুযোগ পাচ্ছি। সংবাদকে কীভাবে দেখতে হয়, তথ্য যাচাই, দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব এবং কাজের প্রতি আন্তরিকতা— এসব বিষয়ে তাদের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা আমার ভবিষ্যৎ পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাদের প্রতিও রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আজ পেছনে ফিরে তাকালে বুঝতে পারি, আমার জীবনের প্রতিটি ধাপে কোনো না কোনো শিক্ষক আমার হাত ধরে সামনে এগিয়ে দিয়েছেন। কেউ শিখিয়েছেন কীভাবে ভালো মানুষ হতে হয়, কেউ শিখিয়েছেন কীভাবে কঠিন সময়ে হাল না ছেড়ে এগিয়ে যেতে হয়, আবার কেউ আমার ওপর বিশ্বাস রেখে আমাকে নিজের ওপর বিশ্বাস করতে শিখিয়েছেন। আজ আমি যে পরিচয়ে পরিচিত, তার পেছনে আমার বাবা-মায়ের পাশাপাশি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের অবদান অনস্বীকার্য। তাদের দেওয়া শিক্ষা, শাসন, স্নেহ, ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণা আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি। আমার জীবনের পথচলায় যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শিক্ষক হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও অশেষ কৃতজ্ঞতা। শিক্ষক শুধু একটি পেশার নাম নয়; একজন শিক্ষক একটি জীবন বদলে দিতে পারেন। আর জীবনের এই দীর্ঘ পথে কিছু মানুষ শিক্ষক না হয়েও আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে যান। তাই এই মহান দিবসে আমার শিক্ষকদেরসহ বিশ্বের সকল শিক্ষকের প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা। শুভ শিক্ষক দিবস। আবুবকর সম্পদ জবি সংবাদদাতা, আরটিভি আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি আরটিভি/এমএইচজে
শিক্ষক থেকে পথপ্রদর্শক: যাদের কাছে ঋণী আমি