ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আজ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস, কম বয়সীদের স্ট্রোক উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৫ এএম
প্রতীকী ছবি

আজ ২৯ অক্টোবর, বিশ্ব স্ট্রোক দিবস। ‘প্রতিটি মিনিটই মূল্যবান’—এই প্রতিপাদ্যে এবার বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন লাখো মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন। পরিসংখ্যান বলছে—প্রতি মিনিটে বিশ্বের ৩০ জন মানুষ প্রথমবারের মতো স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। স্ট্রোক হলে প্রতি মিনিটে মস্তিষ্কের প্রায় ১৯ লাখ কোষ মারা যায়। কম বয়সীদের মধ্যে মরণব্যাধি এ রোগের হার বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।

স্ট্রোক কী?
স্ট্রোক ঘটে যখন মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় বা কমে যায়, ফলে মস্তিষ্কের কোষে অক্সিজেন পৌঁছায় না। কয়েক মিনিটের মধ্যেই কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। সাধারণত দুই ধরনের স্ট্রোক দেখা যায়:

ইসকেমিক স্ট্রোক: রক্তনালিতে ব্লক বা জমাট বাঁধা রক্তের কারণে হয়।

হেমোরেজিক স্ট্রোক: মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে হয়।

এর মধ্যে ইসকেমিক স্ট্রোকে মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সঞ্চালন কমে গেলে কোষগুলো অক্সিজেনের অভাবে নষ্ট হতে থাকে। তবে দ্রুত চিকিৎসা নিলে রক্তপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করে অনেক কোষ রক্ষা করা সম্ভব।

ঢাকায় বর্তমানে জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও ল্যাবএইড হাসপাতালে স্ট্রোক চিকিৎসার দুটি আধুনিক ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সেগুলো হলো—IV Thrombolysis (স্ট্রোকের সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োগযোগ্য) ও Mechanical Thrombectomy (৯ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োগযোগ্য)।

নিউরো বিশেষজ্ঞ ডা. জালাল উদ্দীন রুমি বলছেন, যত দ্রুত রোগীকে শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা যায়, তত দ্রুত সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই সচেতনতা ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপই জীবন বাঁচানোর মূল চাবিকাঠি।

স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ মনে রাখুন — “BE FAST”। এখানে B (Balance): হঠাৎ ভারসাম্য হারানো, E (Eyes): এক বা দুই চোখে ঝাপসা দেখা, F (Face): মুখ বেকে যাওয়া, A (Arm): এক হাত বা পা দুর্বল হয়ে যাওয়া, S (Speech): কথা জড়িয়ে যাওয়া এবং T (Time): দ্রুত হাসপাতালে যান।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, স্ট্রোক প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সুস্থ জীবনযাপন, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ।

তবে স্ট্রোক প্রতিরোধযোগ্য এবং চিকিৎসাযোগ্য— যদি আমরা সচেতন হই। বিশ্ব স্ট্রোক দিবস পালন করি।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাস্থ্য সচিব ও মহাপরিচালককে ফের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফরকে দুই মাসের জন্য চুক্তিভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী মো. সাইদুর রহমানকে তার অবসরোত্তর ছুটি ও তৎসংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত এবং অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। একই আইনের সম ধরায় দুই মাসের জন্য চুক্তিভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফরও। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাকে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, অধ্যাপক ডা. মো. শাদরুল আলমকে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এর আগে তিনি সেন্টার ফর মেডিকেল এডুকেশনের (সিএমই) পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের উপসচিব দূর-রে শাহ্ওয়াজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। আরটিভি/কেএইচ
স্বাস্থ্য সচিব ও মহাপরিচালককে ফের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
রোগ তালিকার শীর্ষে উচ্চ রক্তচাপ 
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘হেলথ অ্যান্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে-২০২৫’–এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে শীর্ষ ১০টি রোগের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে দেশের সকল কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।  মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিএমএ ভবনে “উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: অগ্রগতি, বাধা এবং করণীয়” শীর্ষক সাংবাদিক কর্মশালায় এই আহবান জানানো হয়। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত ২৮ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।  কর্মশালায় জানানো হয়, দেশে অসংক্রামক রোগ মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশের জন্য দায়ী হলেও, এই খাতে বাজেট বরাদ্দ খুবই সামান্য।  বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য খাতে সরকারের মোট অর্থায়নের মধ্যে ৫ শতাংশেরও কম ব্যয় হয় অসংক্রামক রোগ সংক্রান্ত বাজেটে। এই সীমিত বরাদ্দ কার্যকরভাবে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। অন্যদিকে, বরাদ্দকৃত অর্থও যথাযথভাবে ব্যবহার হয় না বলে জানানো হয় কর্মশালায়। বক্তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সকল কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদান নিশ্চিত করা গেলে দেশে উচ্চ রক্তচাপজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যু উল্লেখযোগ্যভাবে  কমবে। একইসঙ্গে, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ব্যয়ও হ্রাস পাবে। উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে আহ্বান জানানো হয় কর্মশালায়। কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট-এর ডা. গীতা রানী দেবী বলেন, “প্রান্তিক পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে আমরা সকল কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে পারবো।” এসেনসিয়াল ড্রাগস্ কোম্পানি লিমিটেড-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) মো. রিয়াদ আরেফিন বলেন, “উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ উত্পাদন ও সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখা আমাদের অন্যতম প্রধান একটি অগ্রাধিকার। আশা করি দ্রুতই আমরা সব কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারবো।” কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল টুয়েন্টিফোর-এর হেড অব নিউজ অ্যান্ড কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জহিরুল আলম; জিএইচএআই বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের। কর্মশালায় বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞা’র প্রোগ্রাম অফিসার সামিহা বিনতে কামাল। আরটিভি/কেএইচ
রোগ তালিকার শীর্ষে উচ্চ রক্তচাপ 
কিডনি ডায়ালাইসিস যে কারণে দরকার হয়
কিডনি বিকল হওয়ার সর্বশেষ ধাপ বা এন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজ আক্রান্ত রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস একটি জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসাপদ্ধতি। যখন একজন মানুষের কিডনি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতার ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ হারিয়ে ফেলে, তখন শরীর থেকে বর্জ্য এবং অতিরিক্ত তরল বের করে দেওয়ার জন্য কৃত্রিম এই উপায়ের প্রয়োজন হয়। মূলত রক্ত থেকে বিষাক্ত ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন এবং বাড়তি লবণ সরিয়ে রক্ত পরিষ্কার রাখাই এর মূল কাজ। কিডনি যখন এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন রক্তে বিষাক্ত পদার্থ জমে শরীর ফুলে যাওয়া, প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট, বমি বমি ভাব এবং দীর্ঘমেয়াদী দুর্বলতার মতো মারাত্মক উপসর্গ দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া বা রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে হৃৎস্পন্দনে সমস্যা তৈরি হলে ডায়ালাইসিস ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকে না। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ডায়ালাইসিস প্রধানত দুইভাবে সম্পন্ন করা হয়। হেমোডায়ালাইসিস এবং পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস। হেমোডায়ালাইসিসে একটি বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে শরীরের বাইরের রক্ত পরিষ্কার করা হয়, যার জন্য সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার হাসপাতালে যেতে হয় এবং প্রতিবার প্রায় ৪ ঘণ্টা সময়ের প্রয়োজন হয়। আরও পড়ুন আয়রন ঘাটতি: সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের বিষয়ে ভিন্নমত বিজ্ঞানীদের অন্যদিকে, পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস পেটের ভেতরের প্রাকৃতিক পর্দা ব্যবহার করে করা হয়, যা রোগী চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শে নিজ বাসাতেই সম্পন্ন করতে পারেন। তবে ডায়ালাইসিস শুরু করার আগে রোগীর শারীরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি মানসিক ও পারিবারিক প্রস্তুতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হাতে ‘এভি ফিস্টুলা’ বা ক্যাথেটার তৈরির ছোট অস্ত্রোপচার এবং দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার মানসিক ধকল সামলাতে পরিবারের সক্রিয় সমর্থন প্রয়োজন। ডায়ালাইসিস একটি চলমান ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি হওয়ায় অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি। দীর্ঘ মেয়াদে সুস্থ থাকতে ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি নিয়মিত ওষুধ সেবন, পরিমিত ঘুম এবং হালকা ব্যায়ামের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। শুরুতে কিছুটা দুর্বলতা বা বমি ভাব থাকলেও সময়ের সাথে শরীর এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে ডায়ালাইসিস শুরু করলে এবং খাদ্যতালিকায় পটাশিয়াম ও পানির ভারসাম্য বজায় রাখলে একজন কিডনি রোগী দীর্ঘ সময় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। তাই আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়াই জীবন রক্ষার প্রধান উপায়। আরটিভি/এএইচ
কিডনি ডায়ালাইসিস যে কারণে দরকার হয়
ডেঙ্গুতে আজও দুই জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৪
দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ থামছেই না। সারাদেশে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুইজন মারা গেছেন। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯৪ জন ডেঙ্গুরোগী। রোববার (২১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন শিশুর সর্দি-কাশি নিউমোনিয়া নয় তো ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে মারা যান সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০৫ জন এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। আরটিভি/এমএ
ডেঙ্গুতে আজও দুই জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৪
ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৪০
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪০ জন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৯০ জন এবং বাকিরা ঢাকা সিটির বাইরের। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ১ হাজার ২৯৩ জন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৭৭২ জন। মারা গেছেন ৪১০ জন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সব জায়গায় প্রচার চালাতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেতনতা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। আরটিভি/আরএ
ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৪০
আরও পড়ুন
শীতকালে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে, কেন
শরীরের যেসব সমস্যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়
রক্তের গ্রুপের সঙ্গেও আছে স্ট্রোকের সম্পর্ক, বেশি ঝুঁকিতে যারা!
ফরিদপুরে মহাসড়ক অবরোধ, হিট স্ট্রোকে ‘আন্দোলনকারীর’ মৃত্যু